ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জায়গা সংকটে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ধান-চাল সংগ্রহে ধীরগতি


জায়গা সংকটে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ধান-চাল সংগ্রহে ধীরগতি

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় খাদ্য গুদামগুলোতে জায়গা সংকট কারণে ধান ও চাল সংগ্রহ কার্যক্রম ধীরগতিতে চলছে।

ফলে বর্তমানে নির্ধারিত সময়ে ধান-চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। খাদ্য গুদামগুলোতে বর্তমানে ধারণক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্ত প্রায় সাড়ে ৯ হাজার টন খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে। যদিও খাদ্য বিভাগের দাবি, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই লক্ষ্যমাত্রার শতভাগ ধান-চাল সংগ্রহ সম্পন্ন হবে।

আরও পড়ুন: বান্দরবানে দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিনামূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্পের উদ্বোধন

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চট্টগ্রাম বিভাগের মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে সরকার সবচেয়ে বেশি পরিমাণ ধান ও চাল সংগ্রহ করে থাকে। চলতি বোরো মৌসুমে ৩৬ টাকা কেজি দরে ১১ হাজার ২০৮ টন ধান, ৪৯ টাকা কেজিতে ৭১ হাজর ৪২৫ টন সিদ্ধ চাল এবং ৪৮ টাকা কেজি দরে ৪ হাজার ৯৯৩ টন আতপ চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে জেলাসম্পর্কিত খাদ্য বিভাগ। গত ১৫ মে থেকে শুরু হওয়া ধান-চাল সংগ্রহ অভিযান শেষ হবে আগামী ৩১ আগস্ট।

তবে শুরু থেকেই জেলার খাদ্য গুদামগুলোতে জায়গা সংকটের কারণে ধীরগতি দেখা দেয় সংগ্রহ অভিযানে। খাদ্য গুদামগুলোর স্বাভাবিক ধারণক্ষমতা ২১ হাজার ৫০০ টন হলেও বর্তমানে মজুত রয়েছে ৩০ হাজার ৮৫৯ টন খাদ্যশস্য। এছাড়া চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় সংরক্ষণাগারসহ আশপাশের জেলার গুদামগুলোতেও জায়গা সংকট রয়েছে। ফলে সেখানেও খাদ্যশস্য পাঠানো যাচ্ছে না। এতে করে গুদামে জায়গা না থাকায় ধান-চাল সংগ্রহ চলছে ধীরগতিতে।

এখন পর্যন্ত জেলায় ধান সংগ্রহ হয়েছে ১০ হাজার ৩৪৩ টন, সিদ্ধ চাল ৪৭ হাজার ৫২৫ টন এবং আতপ চাল সংগ্রহ হয়েছে ৪ হাজার ১৪৮ টন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কানিজ জাহান বিন্দু বলেন, চট্টগ্রাম বিভাগে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে গুদাম থেকে খাদ্যশস্য পাঠানো যাচ্ছে না। ফলে সপ্তাহখানেক ধরে সংগ্রহ অভিযান কিছুটা ধীরগতিতে চলছে। তবে ইতোমধ্যে ৬৮ শতাংশ ধান ও চাল সংগ্রহ করা হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই লক্ষ্যমাত্রার শতভাগ ধান ও চাল সংগ্রহ হবে।

আরও পড়ুন: রাঙ্গামাটিতে শতাধিক প্রতিমার মাধ্যমে ধর্মীয় বৈচিত্র্যের প্রদর্শনী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৩ বছরের মধ্যে নির্মাণকাজ শুরু না হলে নকশার অনুমোদন বাতিল: মউক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১৬ পি.এম


৩ বছরের মধ্যে নির্মাণকাজ শুরু না হলে নকশার অনুমোদন বাতিল: মউক

 

ময়মনসিংহ নগরীতে ভবনের নকশা অনুমোদন ও নির্মাণকাজে কঠোর নজরদারির ঘোষণা দিয়েছে ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (মউক)।

এক্ষেত্রে, নকশা অনুমোদনের আগে সরেজমিনে জমি পরিদর্শন করা হবে। এরপর, অনুমোদনের পর তিন বছরের মধ্যে নির্মাণকাজ শুরু না হলে নকশার অনুমোদন বাতিল করা হবে।

এছাড়াও, নির্মাণকাজ চলাকালেও নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে অনুমোদিত নকশা অনুসরণ করা হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করতে হবে।

আজ বুধবার দুপুরে ময়মনসিংহ গণপূর্ত ভবনে মউকের বিল্ডিং কনস্ট্রাকশন (বিসি) কমিটির প্রথম সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন মউকের চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন তালুকদার।

তিনি জানান, "ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন কার্যকর হওয়ার পর নগরীর সব ভবনের নকশা বিসি কমিটির অনুমোদনের মাধ্যমে পাস হবে।" নয় সদস্যের কমিটির সভাপতি হিসেবে চেয়ারম্যান দায়িত্ব পালন করছেন।

সভা শেষে, মউকের আনুষ্ঠানিক কাজ শুরুর বার্তা দিয়ে চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন তালুকদার বলেন, ইতোমধ্যে নকশা অনুমোদনের জন্য কয়েকটি আবেদন জমা পড়েছে। অনুমোদনের আগে মন্ত্রণালয় থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত পরিদর্শকরা জমি সরেজমিনে পরিদর্শন করবেন।

রাস্তার সংযোগ, নির্ধারিত সেটব্যাক, খোলা জায়গা এবং অন্যান্য বিধিমালা প্রতিপালন করা হয়েছে কি না, তা যাচাইয়ের পরেই নকশা অনুমোদন দেওয়া হবে।

এরপর ভবন নির্মাণের সময়ও নিয়মিত পরিদর্শন করা হবে। অনুমোদিত নকশার ব্যত্যয় ঘটলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মউক চেয়ারম্যান আরো জানান, প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের পর নগরীর আগে থেকে নির্মিত ভবনগুলোও পর্যায়ক্রমে পরিদর্শন করা হবে। যেখানে সম্ভব ভবন সংশোধনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং বিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা করা হবে।

জরিমানার অর্থ মউকের তহবিলে জমা হয়ে নগর উন্নয়ন কাজে ব্যয় করা হবে। একই সঙ্গে, সব ভবনে পার্কিং ব্যবস্থা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তিনি উল্লেখ করেন, "আবাসন সংকট নিরসনে ব্রহ্মপুত্র নদের অপর পাড়ে পরিকল্পিত নতুন নগর গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।" সেখানে, মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত মানুষের জন্য আবাসন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি অফিস ও পার্কসহ আধুনিক নাগরিক সুবিধা গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এ লক্ষ্যে অধিগ্রহণ করা ৯৪৫ একর জমির একটি অংশ বরাদ্দ চেয়ে মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হয়েছে।

এ সময় নগরীর যানজট নিরসনে ময়মনসিংহকে মেট্রোপলিটন এলাকা ঘোষণা, প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ, অটোরিকশার সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ এবং সিটি করপোরেশনের সঙ্গে সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন মউক চেয়ারম্যান।

তিনি জানান, "নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন ও পরিকল্পিত নগর গঠনে একটি সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের কাজ চলছে।"

এ সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মউক চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন তালুকদার বলেছেন, "প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অভিপ্রায় অনুযায়ী ব্রহ্মপুত্রের ওপারে পরিকল্পিত একটি সুন্দর নগরী গড়ে তুলতে ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ কাজ করছে।" সিটি করপোরেশনের সাথে সমন্বয় করে পরিকল্পিত নগরায়ন করার জন্য প্ল্যান করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এর আগে, ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের বিসি কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় মউক চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন তালুকদারের সভাপতিত্বে কমিটির ৯ জন সদস্যের সবাই উপস্থিত ছিলেন। এর মধ্যে দুইজন সদস্য ভার্চুয়ালী অংশগ্রহণ করেন।

সভায় উপস্থিত ছিলেন মউকের বিসি কমিটির সদস্য সচিব গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী অর্ণব বিশ্বাস, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুজ্জামান, জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা সিগ্ধা দাস, স্থাপত্য অধিদপ্তরের সাইকা বিনতে আলম, মউকের অথরাইজড কর্মকর্তা ইফতেখার আলম, পরিকল্পনা কর্মকর্তা ইশরাত জাহান।

মউক চেয়ারম্যান আরও বলেন, অতীতে যারা সিটি করপোরেশনের দায়িত্বে ছিলেন তারা অতিরিক্ত যানবাহনের লাইসেন্স দিয়ে যানজট সৃষ্টি করেছেন। বর্তমান সিটি প্রশাসক যানজট নিরসনে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।

তিনি যোগ করেন, "সিটি করপোরেশনের সাথে সমন্বয় করে যানজট সহনীয় পর্যায়ে নিতে কাজ করবো।" এ সময় তিনি নগরীর জলাবদ্ধতা প্রসঙ্গে বলেন, "সিটিকরপোরেশনের খাল পুনঃ খনন করা হলে সামান্য বৃষ্টিতে আর জলাবদ্ধতা হবে না।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
সংসদে প্রধানমন্ত্রী

‘বে টার্মিনাল’ চালু হলে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে শুভসূচনা হবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১৯ পি.এম


‘বে টার্মিনাল’ চালু হলে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে শুভসূচনা হবে

চট্টগ্রামে ‘বে টার্মিনাল’ চালু হলে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে শুভসূচনা হবে।” প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই কথা জানিয়েছেন। বুধবার (১৫ জুলাই) বিকালে সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে চট্টগ্রাম-১৩ আসনের সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজামের একটি সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন। সংসদ সদস্যের প্রশ্ন ছিল- বিগত সরকার ‘বে টার্মিনাল’ নামে সমুদ্রবন্দর গড়ে তোলার নামে কোটি কোটি টাকা অপচয় করে অসমাপ্ত অবস্থায় এটি ফেলে গেছে। এই প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীকে জানাতে বলেছেন, “এই বে টার্মিনাল এবং চট্টগ্রাম বন্দরকে আধুনিকরণ করার জন্য বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার কি কি পদক্ষেপ নেবে?” প্রধানমন্ত্রী জবাবে বলেন, “এই প্রশ্নের ডিটেইলটা এই মুহূর্তে আমার কাছে নেই। আপনি নোটিশ দিলে আমি আপনাকে ডিটেইলটা জানাতে সক্ষম হব। তবে বে টার্মিনাল- এর বাস্তবায়নের পরিকল্পনা আমরা নিয়েছি।” তিনি আরও বলেন, “আপনাকে আমি বলতে পারি যে, বে টার্মিনালটা চালু হলে পরে অবশ্যই এটার একটা উপকারিতা আমাদের সামগ্রিক অর্থনীতি এবং দেশের জন্য হবে।” প্রধানমন্ত্রী যুক্ত করেন, “বে টার্মিনাল চালু হলে বড় আকারে আমাদের মাদার ভেসেল সরাসরি চট্টগ্রাম বন্দরে ভিরতে পারবে। এখন নাব্যতার কারণে অনেক সময় বড় জাহাজ আসতে পারে না। যখন বড় জাহাজগুলো মাদার ভেসেলগুলো আসবে, তখন স্বাভাবিকভাবে ট্রান্স ব্যয় বা খরচ অনেক কমে আসবে।” “একই সঙ্গে বড় জাহাজগুলো আসার পরে এবং বে টার্মিনাল চালু হলে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের গতি বৃদ্ধি পাবে এবং যেহেতু ব্যবসা-বাণিজ্যের বা আমদানি রপ্তানির গতি বৃদ্ধি পাবে, এটি জাতীয় অর্থনীতিতে একটি বড় ইতিবাচক ভূমিকাও রাখবে।” ‘এখানে দুর্নীতি হলে ব্যবস্থা’ এই শিরোনামে সরওয়ার জামাল নিজামের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আপনাকে জানাতে চাই যে, চট্টগ্রাম বন্দরটি দেশের সম্পদ এবং এটি একটি রাষ্ট্রীয় সম্পদ, জনগণের সম্পদ। এখানে কোনো কাজ করতে গিয়ে যদি দুর্নীতি ঘটে থাকে, সেটি যখনই ঘটুক, অবশ্যই দেশের আইন অনুযায়ী যারা এর জন্য দায়ী তাদের বিচার হবে।” তিনি আরও বলেন, “একই সঙ্গে আমাদের সরকারের প্রচেষ্টা থাকবে যেন যেকোনো জায়গায় রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় না হয় এবং আমাদের প্রচেষ্টা থাকবে যে, দুর্নীতিমুক্ত একটি পরিবেশ পর্যায়ক্রমিকভাবে গড়ে তোলা।”

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাউখালীতে মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন জোরদার করতে মতবিনিময় সভা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রিয়াদ মাহমুদ সিকদার,কাউখালী প্রতিনিধি

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:২১ পি.এম


কাউখালীতে মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন জোরদার করতে মতবিনিময় সভা

পিরোজপুরের কাউখালীতে মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলনকে আরও বেগবান করার উদ্দেশ্যে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৪টায় উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে পিরোজপুর জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় এবং মাদক প্রতিরোধে সামাজিক উদ্যোগ-এর আয়োজনে এই সভা সম্পন্ন হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন মাদক প্রতিরোধে সামাজিক উদ্যোগের আহ্বায়ক ও সিনিয়র সাংবাদিক মোঃ মনিরুজ্জামান নাসিম আলী। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কাউখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ আসাদুজ্জামান।

এ সময় বক্তৃতা করেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এইচ এম দ্বীন মোহাম্মদ, মাদক প্রতিরোধে সামাজিক উদ্যোগের প্রধান সমন্বয়কারী প্রফেসর মোঃ শাহ আলম, প্রভাষক মোঃ লুৎফর রহমান, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ রফিকুল ইসলাম রফিক, কাউখালী প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোঃ রিয়াদ মাহমুদ সিকদার, সিনিয়র সাংবাদিক এনামুল হক, কাউখালী থানার ওসি (তদন্ত) এবাদ আলী, অ্যাডভোকেট কমল মুখার্জি, সুনন্দা সমাদ্দার, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. শাহ আলম, শোয়েব সিদ্দিকী, হাফেজ মাওলানা এবাদত হোসেন, প্যানেল চেয়ারম্যান আজম আলী খান, শামসুর রহমান মিল্টন, অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্রবাহিনী পরিষদের জেলা সাধারণ সম্পাদক সার্জেন্ট (অব.) মোঃ হাবিবুর রহমানসহ আরও অনেক ব্যক্তি।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন দি পিরোজপুর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির ভাইস প্রেসিডেন্ট মেহেদী হাসান, পজেটিভ পিরোজপুরের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক জুবায়ের আল মামুন, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা পিরোজপুর জেলা শাখার সভাপতি হাসান মামুন সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিগণ।

সভায় বক্তারা মাদকাসক্তিকে সমাজের জন্য, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের জন্য একটি ভয়াবহ অভিশাপ বলে উল্লেখ করেন। তারা বলেন, মাদক নির্মূলে শুধুমাত্র আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর নির্ভরশীল হওয়া সম্ভব নয়। বরং পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি, সামাজিক সংগঠন ও প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। বক্তারা মাদকমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে সর্বস্তরের মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।

বক্তারা আরও মন্তব্য করেন যে, জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পিরোজপুরজুড়ে শুরু হওয়া মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলনকে সফল করাটাও জরুরি। সচেতনতা বৃদ্ধি, যুবসমাজকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা এবং সামাজিক প্রতিরোধ জোরদারের মাধ্যমে মাদক বিস্তার রোধ করা সম্ভব বলেও মত প্রকাশ করেন।

কাউখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, মাদক শুধু একজন ব্যক্তিকে নয় বরং পুরো একটি পরিবার, সমাজ এবং রাষ্ট্রকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। সুতরাং, মাদক প্রতিরোধে প্রশাসনের পাশাপাশি সমাজের প্রতিটি মানুষের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি বলেন, আমরা চাই কাউখালীকে একটি মাদকমুক্ত উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে। সকলেই নিজেদের অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করুন। সচেতনতা ও সামাজিক প্রতিরোধই এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় শক্তি।

সভায় সভাপতির বক্তব্যে সিনিয়র সাংবাদিক মোঃ মনিরুজ্জামান নাসিম আলী বলেন, মাদকবিরোধী আন্দোলনকে শুধু কর্মসূচির মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে এটিকে একটি সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করতে হবে। সাংবাদিক, শিক্ষক, অভিভাবক, ধর্মীয় নেতা, জনপ্রতিনিধি এবং তরুণদের মিলিত প্রচেষ্টায় শক্তিশালী একটি সামাজিক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে পারলে মাদক নির্মূল সম্ভব হবে।

উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এইচ এম দ্বীন মোহাম্মদ বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে কোনো রাজনৈতিক বিভেদ নেই। এটা একটি জাতীয় সমস্যা। যুবসমাজের সুরক্ষা করতে হলে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার প্রয়োজন। রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন ও প্রশাসন यदि একত্রে কাজ করে, তাহলে মাদকমুক্ত কাউখালী গড়ে তোলা সম্ভব হবে। আমাদের প্রত্যেকের উচিত নিজ নিজ পরিবার ও সমাজে সচেতনতা সৃষ্টি করা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও বিদ্যমান বিধিবিধান বাস্তবায়ন বিষয়ক মতবিনিময় সভা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:২২ পি.এম


জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও বিদ্যমান বিধিবিধান বাস্তবায়ন বিষয়ক মতবিনিময় সভা

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) আইন ও বিদ্যমান বিধিবিধান বাস্তবায়ন বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন বলেন, "২০০৫ সালে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হবার পর কেন দীর্ঘ ২১ বছর পর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আইন ও বিদ্যমান বিধিবিধান বাস্তবায়ন নিয়ে কথা বলতে হবে? তাহলে পূর্বে যে নিয়মে চলছে, সে নিয়মেই চলবে নাকি পরিবর্তন দরকার?"

তিনি বলেন, "যদি পরিবর্তন দরকার হয় বা পরিবর্তন চাই, তাহলে টিম জগন্নাথ স্লোগানকে ধারণ করে আমাদেরকে এগিয়ে যেতে হবে।"

কথার ধারাবাহিকতায়, "সে ক্ষেত্রে আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে এগিয়ে যেতে হবে এবং জবি আইনের যে ধারাগুলো পরিবর্তন দরকার সেগুলো নিয়ে কাজ করতে হবে, তাহলে আমরা আইনের পরিবর্তন করতে সক্ষম হব।"

অধ্যাপক ড. রইছ উদ্দীন আরও বলেন, "পাশাপাশি সকল শিক্ষককে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন মোতাবেক চলতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়কে পরিবারের মতো অন্তরে ধারণ করতে হবে।"

উপাচার্য আরও বলেন, "বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে কিভাবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় স্থান করে নিতে পারে, সেজন্য আপনাদেরকে কাজ করতে হবে।"

তিনি আরও বলেছেন, "পাঠদানের পাশাপাশি সকল তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে হালনাগাদ করতে হবে এবং গবেষণার প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে।"

এ সময় তিনি জানান, "ইতোমধ্যেই আমাদের প্রস্তাবিত অর্গানোগ্রাম ও ৩টি সংবিধি বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনে অনুমোদনের জন্য জমা প্রদান করেছি।"

"সবাই মিলে টিম জগন্নাথ-এর মাধ্যমে আমরা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি মডেল হিসেবে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরতে পারবো।"

পরবর্তীতে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য প্রদান করেনÑ বিভিন্ন ইনস্টিটিউটের পরিচালক, অনুষদের ডিন, শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, পরিচালক এবং বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকরা।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিষ্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মো. শেখ গিয়াস উদ্দিন।

এছাড়াও মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেনÑ বিভিন্ন ইনস্টিটিউটের পরিচালক, অনুষদের ডিন, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান এবং সকল বিভাগের শিক্ষকরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%