১২:২০ পি.এম
সেমিফাইনালে স্পেনের কাছে হেরে যাওয়ার ফলে টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে ফ্রান্সের। অন্যদিকে, ৬০ দশক পরে ফাইনাল খেলার খুব কাছে থেকেও England হতাশা নিয়ে ফেরার দিকে রয়েছে।
এই ক্ষত নিয়েই শনিবার (১৮ জুলাই) মায়ামিতে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে মাঠে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছেন হ্যারি কেইন ও এমবাপ্পে। তবে ম্যাচ না খেলার পক্ষে নিজেদের অবস্থান সহজভাবে প্রকাশ করেছেন ফ্রান্সের বিদায়ী কোচ দিদিয়ের দেশম এবং ইংল্যান্ডের কোচ টমাস টুখেল।
আরও পড়ুন: নায়ক মান্নার গাড়িতে আগুন, গ্রেফতার দুজন কারাগারে
ম্যাচপূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে দেশম মন্তব্য করেন, ‘‘অবশ্যই এটি ফাইনালের মতো গুরুত্বপূর্ণ নয়। ইংল্যান্ডও এই ম্যাচটি খেলতে চায় না, আর আমরাও চাই না। কিন্তু বাস্তবতা হলো, আমাদের এখন এখানেই লড়তে হবে।’’
দেশম জানালেন, দেশের স্বার্থে তিনি এই ম্যাচটি জিততে চান। তিনি বলেন, ‘‘ম্যাচটি নিয়ে আমার একটি বড় দায়িত্ব রয়েছে। এটি কোনো প্রীতি ম্যাচ নয়, এটি বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ। আমি, খেলোয়াড়রা এবং পুরো স্টাফরা মিলে এই শেষ লক্ষ্যটিতে পৌঁছাতে বাধ্য।’’
অন্যদিকে, আর্জেন্টিনার কাছে সেমিফাইনালে হৃদয়বিদারক পরাজয়ের মাধ্যমে ইংল্যান্ডের ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন ভেঙে যায়। তাই এখন তাদের মায়ামিতে অনুষ্ঠিতব্য তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ খেলতে হবে, যেটিকে টুখেল একটি ‘অনাকাঙ্ক্ষিত দায়িত্ব’ বলে মনে করছেন।
জার্মান কোচ টুখেলের মতে, বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের মতো ম্যাচে মানসিক ও শারীরিকভাবে সর্বোচ্চ শক্তি উজাড় করার পর তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে খেলোয়াড়দের অনুপ্রাণিত রাখা প্রায় অসম্ভব।
আরও পড়ুন: রূপপুরের প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৭ সেন্ট হতে পারে
সংবাদ সম্মেলনে টুখেল বলেন, ‘‘আমাদের কোনো খেলোয়াড়ই এই ম্যাচ খেলতে চায় না, ফ্রান্সের খেলোয়াড়রাও চায় না। তারা সবাই ফাইনাল খেলতে চেয়েছিল। আমরা সেই লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য সবকিছু উজাড় করে দিয়েছি। সবাই বিশ্বকাপ জিততেই মাঠে নামে, কিন্তু বর্তমান বাস্তবতা এটাই। আমাদের ফ্রান্সের তুলনায় এক দিন কম বিশ্রামের সময় রয়েছে। তবুও আমরা পেশাদারিত্বের সঙ্গে এই ম্যাচটি খেলব।’’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন