বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং
০২:২৭ পি.এম
সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী জানিয়েছেন, প্রান্তিক জনগণের কাছে বই পড়ার সুযোগ পৌঁছে দিতে বর্তমানে ৭৬টি ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি গাড়ির মাধ্যমে ৬৪ জেলার ৩৬৮টি উপজেলায় ও থানায় ৩ হাজার ২০০টি স্পটে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
আজ সংসদে কুড়িগ্রাম-১ আসনের বিরোধী দলের (জামায়াতে ইসলামী) সদস্য মো. আনোয়ারুল ইসলামের টেবিলে উপস্থাপিত একটি লিখিত প্রশ্নের উত্তরকালে তিনি এই তথ্য জানালেন।
মন্ত্রী বলেন, ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি কার্যক্রমের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জন্য, বিশেষ করে নারী ও শিশু-কিশোরদের কাছে বই পঠনের বিকল্প উৎস তৈরি করা হচ্ছে। পাশাপাশি পাঠাভ্যাস গড়ে তোলা, জ্ঞানচর্চা বৃদ্ধি এবং কিশোর-কিশোরীদের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, জনগণের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস বৃদ্ধি করা, জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দেওয়া, তরুণ প্রজন্মকে অপসংস্কৃতি ও মাদকের প্রভাব থেকে দূরে রাখা এবং একটি সুস্থ সাংস্কৃতিক পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ‘উপজেলা পর্যায়ে সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণ’ শীর্ষক একটি প্রকল্প প্রস্তাব প্রক্রিয়াধীন রেখেছে।
তিনি আরও জানান, প্রস্তাবিত প্রকল্পে প্রতিটি সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের একটি ফ্লোর পাবলিক লাইব্রেরি হিসেবে বরাদ্দ রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রথম পর্যায়ে ২৬টি উপজেলা সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্স নির্মাণের জন্য সমীক্ষা কার্যক্রম সম্পন্ন করে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) প্রণয়ন করা হয়েছে।
মন্ত্রী আরও জানান, প্রকল্পটি অনুমোদিত হলে পর্যায়ক্রমে কুড়িগ্রাম-১ আসনের ভুরুঙ্গামারী ও নাগেশ্বরী উপজেলাসহ দেশের সব উপজেলায় সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্স ও আধুনিক লাইব্রেরি নির্মাণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর মুগদা থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে মুগদা থানা পুলিশ বিভিন্ন অপরাধের জন্য ১০ জনকে গ্রেফতার করেছে। বুধবার, থানার ভেতর বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকার মধ্যে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
ডিএমপি’র মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানান।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছে মো. অহিদ বেপারী (৩৮), গোপাল (৩৬), মো. আকতার হোসেন আজিম (৩৯), মো. হাবিব (২১), মো. খোকন ওরফে কয়লা (৩১), মো. সোহেল (২৫), জামাল ফকির (৪০), আনিছ মিয়া (৩৫), মো. জুয়েল (৪০) ও মো. টুটু হাসান (৩২)।
গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, অপরাধ দমন এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, দেশে অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহার রোধে জনসচেতনতা তৈরির কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পাশাপাশি অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল-প্রতিরোধী জীবাণু শনাক্তকরণ, নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে।
আজ সংসদে ফেনী-২ আসনের সরকারি দলের সদস্য জয়নাল আবদিনের টেবিলে উপস্থাপিত তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, দেশে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) বা অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী জীবাণুর প্রবণতা ক্রমেই বাড়ছে, যা বর্তমানে একটি গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। অ্যান্টিবায়োটিকের অযৌক্তিক ও অতিরিক্ত ব্যবহার, সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা এবং মানব ও প্রাণী খাতে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়ালের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহারের কারণে এ সমস্যা আরও জটিল আকার ধারণ করছে।
তিনি বলেন, এর ফলে অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী জীবাণু পরিবেশে ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং রোগের চিকিৎসা কার্যক্রমও ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠছে।
অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স মোকাবিলায় সরকারের গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ওয়ান হেলথ পদ্ধতির আওতায় মানব, প্রাণী ও পরিবেশ খাতে সমন্বিত কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি জাতীয় কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, জাতীয় এএমআর সার্ভেইলেন্স বা নজরদারি কার্যক্রম পরিচালনা ও সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে আধুনিক মাইক্রোবায়োলজি ল্যাবরেটরি স্থাপন ও উন্নয়নের মাধ্যমে জীবাণু শনাক্তকরণ এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল সংবেদনশীলতা পরীক্ষা পরিচালনার সক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে।
মন্ত্রী আরও জানান, পরীক্ষাগারগুলোতে আধুনিক যন্ত্রপাতি ও রিএজেন্ট সরবরাহ করা হচ্ছে এবং ল্যাবরেটরি সংশ্লিষ্ট জনবলের প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন কার্য্রমও জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল স্টুয়ার্ডশিপ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্সের প্রবণতা, ঝুঁকির কারণ এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নির্ধারণের লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন গবেষণা কার্যক্রমও পরিচালনা করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণ কোরিয়াকে গ্রুপের শেষ ম্যাচে ১-০ গোলে পরাজিত করে দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথমবারের মত বিশ্বকাপের নক আউট পর্বে প্রবেশ করেছে। এটি দক্ষিণ কোরিয়াকে হতাশ করে। বিশ্বকাপে হতাশাজনক শুরুর পর বাফানা বাফানাদের এই রূপান্তর অনেকটা রূপকথার মত।
২০১০ সালে স্বাগতিক হিসেবে বিশ্বমঞ্চে ফিরে আসার পর এটি তাদের প্রথম বিশ্বকাপ। টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে সহ-আয়োজক মেক্সিকোর কাছে ২-০ গোলে পরাজিত হয়ে তারা শুরুটা ভাল করতে পারেনি। তবে গ্রুপ-এ’র দ্বিতীয় ম্যাচে চেক প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে লড়াই করে তারা একটি পয়েন্ট অর্জন করে। গতকাল দ্বিতীয়ার্ধে থাপেলো মাসেকোর গোলের মাধ্যমে দক্ষিণ কোরিয়াকে পরাজিত করে তারা মেক্সিকোর পর গ্রুপের দ্বিতীয় স্থানও দখল করেছে।
দক্ষিণ আফ্রিকার কোচ হুগো ব্রুস দলের এই অর্জন সম্পর্কে বলেছেন, ‘গোলের পর ম্যাচ শেষের আগ পর্যন্ত আমাদের কিভাবে কেটেছে তা বোঝানো যাবেনা। আশা করছিলাম যত দ্রুত সম্ভব যেন ম্যাচটা শেষ হয়। এখন আমরা দ্বিতীয় রাউন্ডে খেলবো। এটা ঐতিহাসিক। আমি দারুন খুশী। গত পাঁচ বছর ধরে আমরা একসাথে কাজ করছি, যা সত্যিই অসাধারণ।’
দক্ষিণ কোরিয়ান কোচ হং মায়াং-বো এশিয়ার অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হিসেবে বিবেচিত অধিনায়ক সন হেয়াং-মিনকে বদলী বেঞ্চে রেখে একাদশ সাজিয়েছিলেন। এটি অনেককেই বিস্মিত করেছে। এশিয়ান পরাশক্তিরা ম্যাচটি দারুনভাবে শুরু করেছিল। অস্থায়ী অধিনায়ক কিম মিন-জায়ের শক্তিশালী হেড গোললাইনের উপর থেকে ব্লক করেন অব্রে মোডিবা।
দক্ষিণ আফ্রিকার দলটি দ্রুতই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয়। তারা আক্রমণাত্মক কৌশলে খেলতে থাকলেও ফিনিশিংয়ের অভাবে কাঙ্খিত গোলের দেখা পাচ্ছিল না। ৩০ মিনিটে থালেন্টে এমবাথার শট কোনমতে রক্ষা করেন দক্ষিণ কোরিয়ান গোলরক্ষক কিম সেয়াং-গিউ। পোস্টের খুব কাছে থেকে গোলরক্ষককে একা পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি মাগোপা।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে মাঠে নামেন সন। এসময় কোচ হং তিনটি পরিবর্তন করেন। দক্ষিণ কোরিয়ার ফরোয়ার্ড ওহ হায়েয়ন-গিউ প্রতিপক্ষ গোলরক্ষক রনওয়েন উইলিয়ামসকে পরীক্ষার সম্মুখীন করেন। ৬৩ মিনিটে অবশেষে দক্ষিণ আফ্রিকার কাঙ্খিত মুহূর্ত আসে। সেপাং মোরেমির ক্রসে মাসেকোর গোলে এগিয়ে যায় আফ্রিকানরা। ম্যাচের শেষ ভাগে দক্ষিণ কোরিয়া ম্যাচে ফিরে আসার জোর চেষ্টা চালিয়েছে। কিন্তু তারা শেষ পর্যন্ত সফল হতে পারেনি।
এই পরাজয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার স্বপ্ন শেষ হয়ে যায়নি। সেরা তৃতীয় দল হিসেবে তাদের নক আউট পর্বে যাওয়ার এখনও আশা রয়েছে। আগামী ২৮ জুন লস এ্যাঞ্জেলসে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রতিপক্ষ সহ-আয়োজক কানাডা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বৃহস্পতিবার জাপানের উত্তরাঞ্চলীয় উপকূলে ৭ দশমিক ২ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানলেও এর ফলে কোনো প্রাণহানি বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেনি।
স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৭টায়, গ্রিনিচ মান সময় বুধবার ২২৩০টায়, প্রধান দ্বীপ হোনশুর ইওয়াতে প্রিফেকচারের উপকূলীয় সমুদ্রে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। ভূমিকম্পের কম্পন কয়েকশ মাইল দূরের রাজধানী টোকিওতে অনুভূত হয়ে ছিল। তবে, এ ভূমিকম্পের কারণে কোনো সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়নি।
জানা যায়, রান্নাঘরের আলমারি থেকে হাঁড়ি-পাতিল পড়ে যায় এবং নিরাপত্তা ক্যামেরাগুলোর কম্পনও জোরালোভাবে অনুভূত হয়।
টোকিও থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ বিষয়টি রিপোর্ট করেছে। প্রথমে জাপান আবহাওয়া সংস্থা (জেএমএ) ভূমিকম্পের মাত্রা ৬ দশমিক ৯ বললেও পরে এটি সংশোধন করে ৭ দশমিক ২ মাত্রা নির্ধারণ করে।
সংস্থাটি জানায়, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ভূ-পৃষ্ঠের ৪৪ কিলোমিটার গভীরে।
উত্তরাঞ্চলীয় আওমোরি প্রিফেকচার এলাকার হাশিকামির একটি খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ প্রতিষ্ঠানের ৬১ বছর বয়সী কর্মী মুতসুমি শিমোহাতা এএফপিকে বলেন, তার বাসায় একটি ছবির ফ্রেম পড়া ছাড়া আর কোনো ক্ষতি হয়নি।
তিনি উল্লেখ করেন, ‘আমি বাড়িতে ছিলাম, তখন ভূমিকম্পটি ঘটে। এরপর আমার স্মার্টফোনে সতর্ক সংকেত বেজে ওঠে। আমি এতে বিস্মিত হয়েছিলাম। কম্পনটা কিছুটা দীর্ঘ মনে হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের বাড়ির কোনো ক্ষতি হয়নি। তবে অফিসের স্বয়ংক্রিয় দরজা কাজ করা বন্ধ করে দিয়েছে এবং ছাদের কিছু অংশ ভেঙে পড়েছে। তাই কোম্পানি আমাদের আজ বাড়িতে থাকতে ও প্রস্তুত অবস্থায় থাকতে বলেছে।’
জাপানি টেলিভিশনের সম্প্রচারে দেখা যায়, রান্নাঘরের আলমারি থেকে হাঁড়ি-পাতিল মেঝেতে পড়ে যায়। বিভিন্ন দোকানের পণ্যও মেঝেতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে দেখা গেছে।
ভূমিকম্পের কারণে কিছু শিনকানসেন বুলেট ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।
হাশিকামির একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এনএইচকে-কে জানান, ভূমিকম্পের কারণে বিদ্যালয়টি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।
এনএইচকে জানায়, হাশিকামি ও হাচিনোহে দমকল বিভাগে অন্তত চারটি জরুরি ফোনকল এসেছে। এছাড়া কিছু ব্যক্তির লিফটে আটকা পড়ার ঘটনাও রিপোর্ট করা হয়েছে।
রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যমটি আরও জানায়, কয়েকটি জায়গায় দরজা আটকে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে এবং একটি ট্যাংকার ট্রাকও উল্টে গেছে।
জাপান সরকারের প্রধান মুখপাত্র মিনোরু কিহারা বলেন, ‘এ মুহূর্তে কোনো হতাহতের তথ্য নেই, তবে আমরা ক্ষয়ক্ষতির পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন অব্যাহত রাখব।’
জাপানের পারমাণবিক নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের দাবি, অঞ্চলের কোনো পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে অস্বাভাবিক কিছু শনাক্ত হয়নি।
এনএইচকের সম্প্রচারে হাচিনোহে শহরে স্বাভাবিক যান চলাচল এবং ট্রাফিক সিগন্যাল সচল দেখা গেছে।
প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সরকারি সংস্থাগুলোকে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন।
তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ একটি বার্তায় বলেন, ‘যেসব এলাকায় শক্তিশালী কম্পন অনুভূত হয়েছে, সেসব এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।’
২০১১ সালের ৯ দশমিক ০ মাত্রার ভয়াবহ সমুদ্রতলীয় ভূমিকম্পের স্মৃতি এখনো জাপানকে তাড়া করে। ওই ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট সুনামিতে প্রায় ১৮ হাজার ৫০০ মানুষ নিহত বা নিখোঁজ হন এবং ফুকুশিমা পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
চলতি বছরের ২০ এপ্রিল, দেশটির উত্তরাঞ্চলে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। এতে অন্তত ১০ জন আহত হন এবং টোকিওর বড় বড় ভবনও কেঁপে ওঠে।
এর পরে কর্তৃপক্ষ ৮ দশমিক ০ বা তার বেশি মাত্রার ভূমিকম্পের ঝুঁকির বিষয়ে বিশেষ সতর্কতা জারি করে। তবে এক সপ্তাহ পর সেই সতর্কতা প্রত্যাহার করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ