প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দক্ষিণ কোরিয়াকে গ্রুপের শেষ ম্যাচে ১-০ গোলে পরাজিত করে দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথমবারের মত বিশ্বকাপের নক আউট পর্বে প্রবেশ করেছে। এটি দক্ষিণ কোরিয়াকে হতাশ করে। বিশ্বকাপে হতাশাজনক শুরুর পর বাফানা বাফানাদের এই রূপান্তর অনেকটা রূপকথার মত।
২০১০ সালে স্বাগতিক হিসেবে বিশ্বমঞ্চে ফিরে আসার পর এটি তাদের প্রথম বিশ্বকাপ। টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে সহ-আয়োজক মেক্সিকোর কাছে ২-০ গোলে পরাজিত হয়ে তারা শুরুটা ভাল করতে পারেনি। তবে গ্রুপ-এ’র দ্বিতীয় ম্যাচে চেক প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে লড়াই করে তারা একটি পয়েন্ট অর্জন করে। গতকাল দ্বিতীয়ার্ধে থাপেলো মাসেকোর গোলের মাধ্যমে দক্ষিণ কোরিয়াকে পরাজিত করে তারা মেক্সিকোর পর গ্রুপের দ্বিতীয় স্থানও দখল করেছে।
দক্ষিণ আফ্রিকার কোচ হুগো ব্রুস দলের এই অর্জন সম্পর্কে বলেছেন, ‘গোলের পর ম্যাচ শেষের আগ পর্যন্ত আমাদের কিভাবে কেটেছে তা বোঝানো যাবেনা। আশা করছিলাম যত দ্রুত সম্ভব যেন ম্যাচটা শেষ হয়। এখন আমরা দ্বিতীয় রাউন্ডে খেলবো। এটা ঐতিহাসিক। আমি দারুন খুশী। গত পাঁচ বছর ধরে আমরা একসাথে কাজ করছি, যা সত্যিই অসাধারণ।’
দক্ষিণ কোরিয়ান কোচ হং মায়াং-বো এশিয়ার অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হিসেবে বিবেচিত অধিনায়ক সন হেয়াং-মিনকে বদলী বেঞ্চে রেখে একাদশ সাজিয়েছিলেন। এটি অনেককেই বিস্মিত করেছে। এশিয়ান পরাশক্তিরা ম্যাচটি দারুনভাবে শুরু করেছিল। অস্থায়ী অধিনায়ক কিম মিন-জায়ের শক্তিশালী হেড গোললাইনের উপর থেকে ব্লক করেন অব্রে মোডিবা।
দক্ষিণ আফ্রিকার দলটি দ্রুতই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয়। তারা আক্রমণাত্মক কৌশলে খেলতে থাকলেও ফিনিশিংয়ের অভাবে কাঙ্খিত গোলের দেখা পাচ্ছিল না। ৩০ মিনিটে থালেন্টে এমবাথার শট কোনমতে রক্ষা করেন দক্ষিণ কোরিয়ান গোলরক্ষক কিম সেয়াং-গিউ। পোস্টের খুব কাছে থেকে গোলরক্ষককে একা পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি মাগোপা।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে মাঠে নামেন সন। এসময় কোচ হং তিনটি পরিবর্তন করেন। দক্ষিণ কোরিয়ার ফরোয়ার্ড ওহ হায়েয়ন-গিউ প্রতিপক্ষ গোলরক্ষক রনওয়েন উইলিয়ামসকে পরীক্ষার সম্মুখীন করেন। ৬৩ মিনিটে অবশেষে দক্ষিণ আফ্রিকার কাঙ্খিত মুহূর্ত আসে। সেপাং মোরেমির ক্রসে মাসেকোর গোলে এগিয়ে যায় আফ্রিকানরা। ম্যাচের শেষ ভাগে দক্ষিণ কোরিয়া ম্যাচে ফিরে আসার জোর চেষ্টা চালিয়েছে। কিন্তু তারা শেষ পর্যন্ত সফল হতে পারেনি।
এই পরাজয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার স্বপ্ন শেষ হয়ে যায়নি। সেরা তৃতীয় দল হিসেবে তাদের নক আউট পর্বে যাওয়ার এখনও আশা রয়েছে। আগামী ২৮ জুন লস এ্যাঞ্জেলসে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রতিপক্ষ সহ-আয়োজক কানাডা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন