ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নদীভাঙন রোধে সরকারি উদ্যোগে মানুষের মাঝে নতুন আশার সঞ্চার


নদীভাঙন রোধে সরকারি উদ্যোগে মানুষের মাঝে নতুন আশার সঞ্চার

শরীয়তপুর-৩ আসনের সাংসদ ও জাতীয় সংসদের হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু বলেছেন, নদীভাঙন রোধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার ফলে সরকার গঠনের মাত্র তিন মাসের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে।

শুক্রবার (১২ জুন) দুপুরে শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলার আবুপুর ফেরীঘাট এলাকায় জরুরি নদীতীর সংরক্ষণ কাজের জিও ব্যাগ ডাম্পিং কার্যক্রমের উদ্বোধন শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের তিনি এ বিষয়ে কথা বলেন।

নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু আরও বলেন, নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জানমাল এবং বসতভিটা রক্ষায় সরকার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করছে। দীর্ঘদিন ধরে নদীভাঙনের কারণে এলাকার মানুষ চরম দুর্ভোগের মধ্যে ছিল। বর্তমানে, সরকারের দ্রুত পদক্ষেপে সেই সংকট মোকাবিলায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ‘বসন্তের কোকিল’ হিসেবে পরিচিত কাজী জাহিদ অভি? পূজামণ্ডপে অনুদান, ক্যানসার আক্রান্ত হাফেজকে সহায়তা নিয়ে প্রশ্ন

তিনি উল্লেখ করেন, শুধু জিও ব্যাগ ডাম্পিং কার্যক্রমই নয়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের উদ্যোগও নিয়েছেন। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে নদীভাঙন সমস্যার দীর্ঘমেয়াদি সমাধান সম্ভব হবে এবং এলাকার মানুষের জীবন এবং সম্পদ সুরক্ষিত থাকবে।

অনুষ্ঠানে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধি এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ক্যাটি পেরি ও আনিতাদের জমকালো পারফরম্যান্সে বিশ্বকাপকে বরণ করল যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৩৭ এম


ক্যাটি পেরি ও আনিতাদের জমকালো পারফরম্যান্সে বিশ্বকাপকে বরণ করল যুক্তরাষ্ট্র

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর তৃতীয় ও শেষ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি লস অ্যাঞ্জেলেসে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মাধ্যমে শেষ হলো।

মেক্সিকো ও কানাডার পর এবার যুক্তরাষ্ট্রে এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যা বিশ্বকাপের উৎসবকে আরও রঙিন করে তোলে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে মাঠে গড়ায় ‘ডি’ গ্রুপের বহুল প্রতীক্ষিত ম্যাচ, যেখানে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র মুখোমুখি হয় প্যারাগুয়ের।

ওই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে ছিলেন বিশ্বের নানা প্রান্তের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পীরা, যাঁদের মধ্যে মার্কিন পপ তারকা ক্যাটি পেরি, র‍্যাপ শিল্পী ফিউচার, ব্রাজিলের গায়িকা আনিতা, দক্ষিণ কোরিয়ার শিল্পী লিসা, নাইজেরিয়ার আফ্রোবিট তারকা রেমা এবং দক্ষিণ আফ্রিকার সংগীতশিল্পী টাইলা একটি অসাধারণ পরিবেশনা উপস্থাপন করেন।

বিশ্বজুড়ে কোটি দর্শকের সামনে তাঁদের পরিবেশনা এক বৈশ্বিক সাংস্কৃতিক উৎসবে রূপ নেয়। অনুষ্ঠানটির কথাতে পুরো স্টেডিয়াম মুখরিত হয়ে ওঠে।

বিশ্বকাপের স্বাগতিক হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এবারের আসরটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। ১৯৯৪ সালের পর এটি দেশের জন্য দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ আয়োজনের সুযোগ। তাই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ফুটবল, সংস্কৃতি, সঙ্গীত এবং বৈশ্বিক ঐক্যের বার্তা তুলে ধরার চেষ্টা করেছিলেন আয়োজকরা।

ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো উল্লেখ করেন যে, অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া শিল্পীদের নির্বাচন করা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের বহুসাংস্কৃতিক পরিচয় এবং অভিবাসী সমাজের বৈচিত্র্যকে তুলে ধরার উদ্দেশ্যে। তিনি বলেন, "ফুটবল শুধুই একটি খেলা নয়, এটি সংস্কৃতি, সঙ্গীত ও ঐক্যের একটি বৈশ্বিক উদযাপন।"

উদ্বোধনী পর্বটি শেষ হওয়ার পরের সময়টাতে মাঠের উত্তেজনা শুরু হয়। স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিপক্ষ ছিল লাতিন আমেরিকার দল প্যারাগুয়ে। এর আগে গত বছরের নভেম্বরে অনুষ্ঠিত এক প্রীতি ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্র প্যারাগুয়েকে ২-১ গোলে পরাজিত করেছিল। সেই আত্মবিশ্বাস নিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করে স্বাগতিকরা।

অন্যদিকে, ২০১০ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে ফিরেছে প্যারাগুয়ে। দক্ষিণ আমেরিকার বাছাই পর্বে ষষ্ঠ স্থান অর্জন করে মূল আসরে জায়গা করে নেওয়া দলটি এবারও চমক দেখানোর প্রত্যাশায় মাঠে নামে।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে দুই দলের মুখোমুখি হওয়ার ঘটনা বেশ বিরল। ১৯৩০ সালের প্রথম ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপে একবারই দেখা হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র ও প্যারাগুয়ের। প্রায় এক শতাব্দীর পর আবারও ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে মুখোমুখি হচ্ছে দুই দল।

জমকালো উদ্বোধনী আয়োজনের পর এখন বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের দৃষ্টি মাঠের লড়াইয়ে। স্বাগতিক দর্শকদের প্রত্যাশা হলো, উৎসবের আবহ মাঠের পারফরম্যান্সেও ধারণ করবে যুক্তরাষ্ট্র। অন্যদিকে, ১৬ বছর পর বিশ্বকাপে ফেরা প্যারাগুয়ে তাদের প্রত্যাবর্তনকে স্মরণীয় করে রাখতে চেষ্টা করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিশু ধর্ষণের অভিযোগে খালু গ্রেফতার, পাঠানো হলো কারাগারে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৩৯ এম


শিশু ধর্ষণের অভিযোগে খালু গ্রেফতার, পাঠানো হলো কারাগারে

পাবনার ঈশ্বরদীতে একটি তিন বছর বয়সী শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ তার আপন খালুর বিরুদ্ধে উঠেছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেল নিয়ে ঈশ্বরদী পৌরসভার দক্ষিণ নারিচা বকুলের মোড় এলাকায় এই ঘটনা সংঘটিত হয়।

অভিযুক্ত রানা (৪০) ওই এলাকার বাবুর আলীর ছেলে এবং ধর্ষণের শিকার শিশুর আপন খালু।

এই ঘটনার পর ভুক্তভোগী শিশুর মা বাদী হয়ে ঈশ্বরদী থানায় অভিযোগ দায়ের করেন এবং মামলাটি রেকর্ড করা হয়। পরে ধর্ষককে গ্রেপ্তার করে শুক্রবার (১২ জুন) আদালতের মাধ‍্যমে পাবনা জেলহাজতে পাঠায় পুলিশ।

ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, ধর্ষণের শিকার শিশুর মা ঈশ্বরদী ইপিজেডের একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। ঘটনার দিন তিনি তার বড় বোনের ভাড়া বাড়িতে তার মেয়েকে রেখে কর্মস্থলে চলে যান। ঘটনার দিন বিকেলে তার বড় বোন তার মেয়েকে শোবার ঘরে ঘুম পাড়িয়ে রেখে গোসল করতে যান। সেই সময় তার বড় বোনের স্বামী রানা শিশুটিকে ধর্ষণ করেন। পরে কর্মস্থল থেকে ফিরে এসে তিনি বড় বোনের মুখে সবকিছু শোনেন এবং ঈশ্বরদী থানায় অভিযোগ জমা দেন।

এ বিষয়ে ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশাদুর রহমান জানান, ভুক্তভোগী শিশুর মা থানায় অভিযোগ করেছেন। আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ‍্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পরিবেশবান্ধব ও নিরাপদ পর্যটন নগরীতে রূপ পাবে কক্সবাজার : ভূমি প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৪১ এম


পরিবেশবান্ধব ও নিরাপদ পর্যটন নগরীতে রূপ পাবে কক্সবাজার : ভূমি প্রতিমন্ত্রী

 ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার কক্সবাজারকে একটি আধুনিক, আন্তর্জাতিক মানের এবং পরিবেশবান্ধব পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর।

তিনি আরো বলেন, সরকারের মূল দর্শন হলো কক্সবাজারের অনন্য প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও জীববৈচিত্র্য অক্ষুণ্ন রেখে একে একটি সম্পূর্ণ নিরাপদ, আধুনিক এবং বৈশ্বিক পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে বিশ্বমঞ্চে প্রতিষ্ঠিত করা।

কক্সবাজারের ঐতিহ্যবাহী কলাতলী, সুগন্ধা ও লাবণী পয়েন্ট পরিদর্শন শেষে শুক্রবার রাতে সাংবাদিক এবং দেশি-বিদেশি পর্যটকদের সঙ্গে এক মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল বলেন, ‘পর্যটকদের আন্তর্জাতিক মানের আবাসন সুবিধা নিশ্চিত করতে আমরা আধুনিক হোটেল, মোটেল এবং রিসোর্ট নির্মাণের জন্য বিশেষ জোন সুনির্দিষ্ট করার কাজ করছি। আমাদের সরকার শুধু সমুদ্রসৈকত কেন্দ্রিক পর্যটনেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং কক্সবাজারের সমৃদ্ধ বন্যপ্রাণী ও প্রাকৃতিক পরিবেশকে রক্ষা করে সুপরিকল্পিত ইকো-ট্যুরিজম ব্যবস্থার প্রসারে সর্বোচ্চ জোর দিচ্ছে। বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়োবৃদ্ধ পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ট্যুরিস্ট পুলিশের নজরদারি জোরদার করা এই সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার।’

এর আগে শুক্রবার বিকেলে কক্সবাজারের কলাতলী বিচে আয়োজিত এক জমকালো অনূর্ধ্ব-১৫ বিচ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

টুর্নামেন্টের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল তার বক্তব্যে বলেন, মাদকমুক্ত ও সুস্থ জাতি গঠনে এবং বর্তমান তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল ডিভাইসের ক্ষতিকর আসক্তি থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে আমরা দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে চাই।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক ঘোষণা দেন যে, বিশ্বের দীর্ঘতম প্রাকৃতিক সমুদ্রসৈকত কক্সবাজারকে বৈশ্বিক ক্রীড়াঙ্গনে পরিচিত করতে এখানে ‘সাফ বিচ গেমস’ আয়োজন করা হবে। বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সাথে এ বিষয়ে ইতোমধ্যেই আনুষ্ঠানিক আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে এবং ফুটবলের পাশাপাশি অন্যান্য খেলা নিয়েও পর্যায়ক্রমে এই বিচ গেমস অনুষ্ঠিত হবে বলে তিনি জানান।

উক্ত অনূর্ধ্ব-১৫ বিচ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় বালক ও বালিকা উভয় বিভাগেই ময়মনসিংহ জেলাকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে চট্টগ্রাম বিভাগ।

কক্সবাজার সফরকালে চার প্রতিমন্ত্রী সরকারের মেগা প্রকল্প ‘কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রূপান্তর’ কাজের বর্তমান অগ্রগতি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।

উল্লেখ্য, আজ শনিবার (১৩ জুন) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কক্সবাজার সফরে আসছেন। প্রধানমন্ত্রীর এই গুরুত্বপূর্ণ সফরের পূর্ব প্রস্তুতি ও সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনার অংশ হিসেবেই প্রতিমন্ত্রীগণ এই সমন্বিত পরিদর্শন সম্পন্ন করছেন।

বিকেলে কলাতলী থেকে লাবণী পয়েন্ট পর্যন্ত দীর্ঘ সমুদ্র সৈকত এলাকায় পায়ে হেঁটে পরিদর্শন করেন তিন প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং মোহাম্মদ শরিফুল আলম। পরিদর্শনের সময় তারা সাধারণ পর্যটকদের সাথে সরাসরি কথা বলেন এবং সৈকতের সার্বিক ব্যবস্থাপনা, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ট্যুরিস্ট পুলিশের কার্যক্রম ও পরিচ্ছন্নতা পরিস্থিতি ঘুরে দেখেন।

মতবিনিময়কালে সাধারণ পর্যটকরা সৈকতের বর্তমান আধুনিক ও সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনার ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং সার্বিক সেবার মান আরও উন্নত করার অনুরোধ জানান।

প্রতিমন্ত্রীবৃন্দ পর্যটকদের আশ্বস্ত করে বলেন, সরকার দেশের পর্যটন খাতকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে ও এর পরিধি বাড়াতে মহাপরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে।

পরিদর্শনকালে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, ভূমি মন্ত্রণালয়, ট্যুরিস্ট পুলিশ এবং স্থানীয় জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রাম্পের সামনে এখনও যেসব বড় চ্যালেঞ্জ ইরান চুক্তির জন্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:৪৫ এম


ট্রাম্পের সামনে এখনও যেসব বড় চ্যালেঞ্জ ইরান চুক্তির জন্য

যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা প্রশমনে একটি সম্ভাব্য সমঝোতা নিয়ে নতুন করে আশাবাদ দেখা দিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন এবং তেহরানের মধ্যে আলোচনায় অগ্রগতির ইঙ্গিত মিলছে। এমনকি ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীও দাবি করেছেন, দুই দেশের মধ্যে একটি সমঝোতা ‘আগের যেকোনও সময়ের চেয়ে বেশি কাছাকাছি’ অবস্থায় রয়েছে।

তবে বিশ্লেষকদের মতে, সম্ভাব্য এই সমঝোতা যে কোনও চূড়ান্ত শান্তিচুক্তি নয় বরং এটি হবে দীর্ঘ ও জটিল আলোচনার একটি প্রাথমিক ধাপ মাত্র।

আলোচনাধীন অন্তর্বর্তী চুক্তির আওতায় ইরানের হরমুজ প্রণালীতে আরোপিত বিধিনিষেধ এবং যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধমূলক পদক্ষেপ শিথিল করার মতো তুলনামূলক সহজ বিষয়গুলোতে সমঝোতা হতে পারে। একই সঙ্গে পরবর্তী ৬০ দিনের মধ্যে আরও জটিল ও বিতর্কিত ইস্যুগুলোর সমাধানের জন্য একটি নির্দিষ্ট কর্মসূচি নির্ধারণ করা হবে।

তবে চুক্তির বিভিন্ন দিক নিয়ে দুই পক্ষের বক্তব্যে স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন দাবি করছে, ইরান গুরুত্বপূর্ণ কিছু ছাড় দিতে সম্মত হয়েছে। অন্যদিকে ইরানি গণমাধ্যম সম্ভাব্য সমঝোতাকে তেহরানের জন্য অনেক বেশি সুবিধাজনক হিসেবে তুলে ধরছে।

পারমাণবিক কর্মসূচি: সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ সম্ভাব্য যেকোনও চুক্তির কেন্দ্রে রয়েছে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি।

ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, ইরান তার পারমাণবিক কর্মসূচি ভেঙে ফেলতে এবং অনির্দিষ্টকালের জন্য পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার প্রতিশ্রুতি দিতে প্রস্তুত। তবে বাস্তবে বিষয়টি এত সহজ নয়।

মূল প্রশ্ন হচ্ছে— ইরান কি তার পুরো পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ করবে, নাকি কেবল ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের একটি সীমার মধ্যে রাখবে? এছাড়া ভবিষ্যতে চুক্তি বাস্তবায়ন হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করতে কী ধরনের আন্তর্জাতিক পরিদর্শন ব্যবস্থা থাকবে, সেটিও বড় প্রশ্ন।

একজন জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তা নতুন একটি পরিদর্শন ব্যবস্থার কথা উল্লেখ করলেও এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনও প্রকাশ করা হয়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরান বহু বছর ধরেই দাবি করে আসছে যে, তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে না। ফলে কেবল প্রতিশ্রুতি নয়, বরং কার্যকর নজরদারি ও যাচাই-বাছাই ব্যবস্থাই হবে চুক্তির সফলতার মূল মাপকাঠি।

এছাড়া ট্রাম্পকে প্রমাণ করতে হবে যে, নতুন চুক্তিটি সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সময় স্বাক্ষরিত পারমাণবিক চুক্তির চেয়ে শক্তিশালী ও কার্যকর। কারণ অতীতে তিনি সেই চুক্তিকে বারবার দুর্বল বলে সমালোচনা করেছেন।

উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিয়ে জটিলতা ইরানের কাছে ইতোমধ্যে যে উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম মজুত রয়েছে, তা নিয়েও বিতর্ক রয়েছে।

মার্কিন প্রশাসন চায় ইরান এসব উপাদান হস্তান্তর করুক। তবে এসব মজুতের একটি অংশ গভীর ভূগর্ভে সংরক্ষিত রয়েছে, যা উদ্ধার করা সহজ নয়।

ট্রাম্প অতীতে ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র হয়তো শেষ পর্যন্ত এই ইউরেনিয়াম সরাসরি নিজেদের দখলে নাও নিতে পারে। পরিবর্তে সেগুলোকে অকার্যকর করে পর্যবেক্ষণের আওতায় রাখা হতে পারে।

আরেকটি সম্ভাবনা হচ্ছে ইউরেনিয়ামের সমৃদ্ধতার মাত্রা কমিয়ে তা বেসামরিক জ্বালানি হিসেবে ব্যবহারের উপযোগী করা। তবে সেক্ষেত্রে উপাদানগুলো ইরানের কাছেই থেকে যাবে।

মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন, অন্তর্বর্তী চুক্তির অধীনে ইউরেনিয়াম ধ্বংস করে পরে দেশটির বাইরে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। কিন্তু কীভাবে তা বাস্তবায়িত হবে, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট সিদ্ধান্ত হয়নি।

ইরানের স্থগিত সম্পদ: ট্রাম্পের জন্য রাজনৈতিক ঝুঁকি চুক্তির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে বিদেশে আটকে থাকা ইরানের সম্পদ মুক্ত করা।

ইরান প্রায় ২৪ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ ব্যবহারের অনুমতি চাইছে বলে জানা গেছে।

২০১৬ সালে ওবামা প্রশাসনের সময় ইরানকে ৪০০ মিলিয়ন ডলার পরিশোধের ঘটনাকে ট্রাম্প ও রিপাবলিকান নেতারা তীব্র সমালোচনা করেছিলেন। তারা অভিযোগ করেছিলেন, ওই অর্থ সন্ত্রাসবাদে অর্থায়নের জন্য ব্যবহৃত হতে পারে।

এবার যদি ইরানের সম্পদ মুক্ত করা হয়, তাহলে ট্রাম্প একই ধরনের সমালোচনার মুখে পড়তে পারেন।

যদিও ট্রাম্প দাবি করেছেন, “কোনও ধরনের অর্থ হস্তান্তর করা হবে না।” তবে পর্যবেক্ষকদের মতে, সরাসরি নগদ অর্থ না দিলেও সম্পদ অবমুক্ত করার মাধ্যমে বাস্তবে ইরান আর্থিক সুবিধা পেতে পারে।

হরমুজ প্রণালী: নতুন বাস্তবতা এই আলোচনায় হরমুজ প্রণালী একটি নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে যুক্ত হয়েছে।

সাম্প্রতিক সংঘাতের সময় ইরান প্রমাণ করেছে যে তারা চাইলে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথটিতে চাপ সৃষ্টি করতে সক্ষম।

ট্রাম্প প্রশাসন অবশ্যই চাইবে ইরান ভবিষ্যতে এই পথকে রাজনৈতিক বা সামরিক চাপ সৃষ্টির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার না করার নিশ্চয়তা দিক।

বিশ্লেষকদের মতে, যদি এই বিষয়টি চুক্তিতে স্পষ্টভাবে সমাধান না হয়, তাহলে সমালোচকরা বলতে পারেন যে নতুন চুক্তিটি ওবামার সময়কার চুক্তির চেয়েও দুর্বল।

ইরানের মিত্র সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো যুদ্ধ শুরুর পর ট্রাম্প প্রশাসন বারবার বলেছে, তাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো হামাস ও হিজবুল্লাহর মতো ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোর অর্থায়ন বন্ধ করা।

ট্রাম্প অতীতে দাবি করেছিলেন, ইরান এসব গোষ্ঠীকে সমর্থন বন্ধ করতে সম্মত হয়েছে। তবে পরবর্তী সময়ে প্রশাসনের বক্তব্যে বিষয়টি তেমন গুরুত্ব পায়নি।

একজন জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তা বলেছেন, ইরান সশস্ত্র সংগঠনগুলোর অর্থায়ন বন্ধ করতে সম্মত হয়েছে। কিন্তু এই প্রতিশ্রুতি বাস্তবে কীভাবে কার্যকর হবে এবং তা কীভাবে যাচাই করা হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

বিশ্লেষকদের মতে, এই বিষয়ে সুস্পষ্ট ও কার্যকর ব্যবস্থা না থাকলে ট্রাম্প তার ঘোষিত অন্যতম প্রধান লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েছেন বলে সমালোচনা উঠতে পারে।

সামনে কঠিন পথ যদিও ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সম্ভাব্য সমঝোতা নিয়ে আশাবাদ তৈরি হয়েছে, তবুও চূড়ান্ত চুক্তির পথে এখনও বহু জটিলতা রয়ে গেছে। পারমাণবিক কর্মসূচি, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম, স্থগিত সম্পদ, হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা এবং ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোর ভবিষ্যৎ- এসব প্রশ্নের গ্রহণযোগ্য সমাধান ছাড়া কোনও স্থায়ী চুক্তি সম্ভব নয়।

ফলে ট্রাম্প যদি শেষ পর্যন্ত একটি চুক্তি করতেও সক্ষম হন, সেটিকে যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ এবং নিজ দলের সমর্থকদের কাছে বড় কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে তুলে ধরা সহজ হবে না বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। সূত্র: সিএনএন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%