০১:২৪ পি.এম
বিএনপি নেতা রাশেদ খান দাবি করেছেন যে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে উন্নয়ন বরাদ্দের নামে দেওয়া অর্থ ব্যবহার করে জামায়াত ও এনসিপি নির্বাচনে সুবিধা নিয়েছে এবং এর মাধ্যমেই তারা ৭৭টি আসন পেয়েছে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসের কর্মকাণ্ডের তদন্ত ও বিচার কার্যকর করা প্রয়োজন।
সোমবার (১ জুন) তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্টের মাধ্যমে এ দাবি করেন।
রাশেদ খান এ বিষয়ে আরও বলেন যে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জেলা পরিষদের তহবিল থেকে দেবীদ্বার উপজেলার উন্নয়নের জন্য কেন হাসনাত আব্দুল্লাহ ১০ কোটি টাকা পেয়েছিলেন, এ প্রশ্ন তোলেন তিনি। তিনি জানতে চান, এ সময় হাসনাত আব্দুল্লাহ সরকারের কোন পদে ছিলেন কি না।
আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নলকূপ খননের স্থান থেকে গ্যাসের আগুন, বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে
তিনি উল্লেখ করেন যে, সম্প্রতি জামায়াত নেতা সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের একটি বক্তব্যে দাবি করেছেন যে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় নিজ আসনের জন্য ১২০ কোটি টাকা বরাদ্দ নিয়ে গেছেন।
ঠিক একইভাবে জামায়াত এবং এনসিপির নেতাদেরও কোটি কোটি টাকা উন্নয়ন বরাদ্দ দিয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকার।
তার দাবি, অতীতে সর্বোচ্চ ১৮টি আসন পাওয়া একটি দল এবার ৭৭টি আসন পেয়েছে মূলত অন্তর্বর্তী সরকারের উন্নয়ন বরাদ্দের অর্থ ব্যবহার করার কারণে।
তিনি অভিযোগ করেছেন যে, অন্য উপজেলার উন্নয়ন বঞ্চিত করে নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় অর্থ বরাদ্দ দেওয়ার মাধ্যমে বড় ধরনের বৈষম্য, দুর্নীতি ও অনিয়ম করা হয়েছে। রাশেদ খান বলেন, ‘তাহের, হাসনাত ও আসিফ সাহেবরা শুধু নিজেদের এলাকায় উন্নয়ন বরাদ্দ নিয়ে গিয়ে বৈষম্য ও দুর্নীতির জন্ম দিয়েছেন। এটি ক্ষমার অযোগ্য।’
আরও পড়ুন: কুমিল্লায় রাজস্ব কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী হত্যা মামলায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট
অন্তর্বর্তী সরকারের বিচার দাবি করে রাশেদ খান বলেন, রাজনৈতিক নেতাদের মাধ্যমে এ ধরনের উন্নয়ন বরাদ্দ দিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার অন্যায় করেছে। তিনি আবারও অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসের কর্মকাণ্ডের তদন্ত ও বিচার দাবি করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন