১১:৪৭ এম
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) ১১ জুলাইকে ‘প্রতিরোধ দিবস’ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্যালেন্ডারে দিনটি অন্তর্ভুক্ত করার এক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের মাধ্যমে।
সোমবার (২৯ জুন) অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১০তম সিন্ডিকেট সভায় এ গুরুতর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, শিক্ষার্থীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে দিনটিকে ‘প্রতিরোধ দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলন চলাকালে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ছিল দেশের অন্যতম আলোচিত ক্যাম্পাস। ‘বাংলা ব্লকেড’ কর্মসূচির আওতায় ১১ জুলাই আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশ গুলি, টিয়ারশেল ও লাঠিচার্জ করলে প্রায় ১৫ থেকে ২৫ জন শিক্ষার্থী আহত হন। ওই ঘটনার পর ক্যাম্পাসজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর সফরের আগে ঢাকায় ফেরানো হলো জাপানের রাষ্ট্রদূত
বিভিন্ন আবাসিক হল হতে শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করেন। পরবর্তী সময়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ধারাবাহিকভাবে আন্দোলনে অংশ নেন এবং দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় করে কর্মসূচি পালন করেন। আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা জাতীয় পর্যায়ে ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়ে ওঠে।
এর আগে, ২০২৫ সালের ১১ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার প্রথম প্রতিরোধ দিবস ১১ জুলাই’ শীর্ষক স্মরণসভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ১১ জুলাইকে ‘জুলাই আন্দোলনের প্রথম প্রতিরোধ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহাম্মদ নুরুল করিম বলেছেন, শিক্ষার্থীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে সিন্ডিকেট ১১ জুলাইকে ‘প্রতিরোধ দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করেছে। দিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্যালেন্ডারেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রতিবছর এ উপলক্ষে কী ধরনের কর্মসূচি পালন করা হবে, সে বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবে।
আরও পড়ুন: আইনের শাসনে দুই ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ, ১২৩তম অবস্থান
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন