ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দেশের বাজারে বাড়ল সোনার দাম


দেশের বাজারে বাড়ল সোনার দাম

দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

 

বিস্তারিত আসছে...

আরও পড়ুন: দেশবাসী তাকিয়ে আছে কবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পদত্যাগ করবেন: নাহিদ ইসলাম

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পরিবেশ সুরক্ষায় উচ্চ আদালতের বিচারিক হস্তক্ষেপে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:১৭ এম


পরিবেশ সুরক্ষায় উচ্চ আদালতের বিচারিক হস্তক্ষেপে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত

নদী দখল, পাহাড় কাটা, বন উজাড়, বায়ু ও শব্দদূষণ কিংবা অবৈধ ইট ভাটার বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতের বিচারিক পদক্ষেপের মাধ্যমে পরিবেশগত ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত তৈরি করা হয়েছে।

দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে উচ্চ আদালতের বিভিন্ন রায় ও নির্দেশনা একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। এর মধ্যে কিছু উল্লেখযোগ্য হচ্ছে-

গাছ কাটতে লাগবে অনুমতি

২০২৫ সালের ২৮ জানুয়ারি হাইকোর্ট এক রায়ে ঢাকা শহরসহ অন্যান্য জেলা শহর ও উপজেলা পর্যায়ে গাছ কাটার জন্য অনুমতি নিতে একটি কমিটি গঠনের নির্দেশনা প্রদান করেছেন। রায়ে হাইকোর্ট জানিয়েছেন, কমিটির অনুমতি ছাড়া ঢাকা শহরসহ অন্যান্য জেলা শহর ও উপজেলা পর্যায়ে গাছ কাটা যাবে না। তবে গ্রামাঞ্চলে ব্যক্তিমালিকানাধীন গাছ কাটার বিষয়টি এই নির্দেশনার আওতায় আসবে না।

নদীকে ‘জীবন্ত সত্তা’ ঘোষণা

২০১৯ সালে হাইকোর্টের এক ঐতিহাসিক রায়ে বাংলাদেশের সকল নদ-নদীকে ‘জীবন্ত সত্তা’ বা ‘লিভিং এনটিটি’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এর মাধ্যমে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনকে নদীর আইনি অভিভাবক হিসেবে ঘোষণা করে নদী দূষণ ও দখল রোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

পাহাড় কাটা বন্ধের নির্দেশ

দেশের বিভিন্ন স্থানে পরিবেশ ধ্বংস করে নির্বিচারে পাহাড় কাটা বন্ধে একাধিক আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। ২০২৪ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় পাহাড় কাটা বন্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এছাড়া আরেকটি আদেশে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার দিনারপুরে পাহাড় কাটা এবং কুমিল্লার লালমাই পাহাড় কাটা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন। ২০২৪ সালের ২ এপ্রিল পার্বত্য জেলা রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার পর্যটন কেন্দ্র সাজেকে পাহাড় কাটা বন্ধের নির্দেশও জারি করা হয়েছে।

বায়ু দূষণ রোধে নির্দেশনা

রাজধানী ঢাকার বায়ু দূষণ রোধে হাইকোর্ট ৯ দফা নির্দেশনা প্রদান করেছে। ২০২০ সালের ১৩ জানুয়ারি এই নির্দেশনাগুলো তুলে ধরা হয়ঃ

১. ঢাকা শহরের মধ্যে বালি বা মাটি বহনকারী ট্রাকগুলোকে বালি বা মাটি ঢেকে পরিবহন করতে হবে।

২. নির্মাণ কাজ চলছে এমন জায়গাগুলোর নির্মাণসামগ্রী ঢেকে রাখতে হবে।

৩. ঢাকার সড়কগুলোতে পানি ছিটানোর যে নির্দেশ ছিল, সে অনুযায়ী যেসব জায়গায় পানি ছিটানো হচ্ছে না, সেসব এলাকায় পানি ছিটানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

৪. সড়কের মেগা প্রজেক্টের নির্মাণ কাজ এবং কার্পেটিংয়ের যেসব কাজ চলছে, সেগুলো যাতে আইন-কানুন এবং চুক্তির শর্তাবলী মেনে করা হয়, সেটা নিশ্চিত করতে হবে।

৫. কালো ধোঁয়া ছাড়ানো গাড়িগুলোকে জব্দ করতে হবে।

৬. সড়ক পরিবহন আইন অনুযায়ী চলাচলকারী গাড়ির ইকোনমিক লাইফ নির্ধারণ এবং পুরাতন গাড়িগুলোর চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে হবে।

৭. লাইসেন্সবিহীনভাবে চলা ইটভাটাগুলোর মধ্যে যেগুলো এখনও বন্ধ হয়নি, সেগুলো বন্ধ করে দুই মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে হবে।

৮. পরিবেশ অধিদফতরের অনুমতি ছাড়া টায়ার পোড়ানো এবং ব্যাটারি রিসাইকেলিং বন্ধ করতে হবে।

৯. মার্কেট এবং দোকানের বর্জ্য প্যাকেট করে রাখতে হবে এবং দোকান বন্ধের পরে সিটি করপোরেশনকে ওই বর্জ্য অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

হাজারীবাগের ট্যানারি স্থানান্তর

বাংলাদেশ পরিবেশ আইনজীবী সমিতি-বেলা’র একটি রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট ২০০৯ সালে রাজধানীর হাজারীবাগ থেকে ট্যানারি সাভারে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। পরবর্তীতে হাইকোর্টের এই আদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ বহাল রেখেছে।

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত রক্ষা

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য রক্ষার জন্য ২০২২ সালের ৯ নভেম্বর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এর আগে হাইকোর্ট ২০১১ সালের ৭ জুন কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের ঝিলোঞ্জা, সুগন্ধা ও লাবনী পয়েন্ট এলাকা থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ দিয়েছিল।

সুন্দরবন বাংলাদেশের ফুসফুস

২০১৯ সালের ২৭ আগস্ট এক রিটের শুনানিতে হাইকোর্ট সুন্দরবনকে দেশের ফুসফুস উল্লেখ করে বলেন, অ্যামাজন যেমন পৃথিবীর ফুসফুস। ঠিক তেমনই সুন্দরবন আমাদের ফুসফুস।

অন্যদিকে ২০২১ সালে একটি রায়ে হাইকোর্ট বলেছেন, কোনো অবস্থাতেই সুন্দরবনের অভ্যন্তরে সংরক্ষিত ও সুরক্ষিত এলাকার খালের ভেতরে কোন ইঞ্জিনচালিত নৌকা বা ট্রলার চলাচল করা যাবে না। কাঁকড়া জেলেরা নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য সুন্দরবনের সংশ্লিষ্ট স্টেশন অফিসে নির্দিষ্ট পরিমাণ রাজস্ব দিয়ে পাস সংগ্রহ করে কেবল বৈঠাচালিত নৌকা এবং দোন দড়ির মাধ্যমে নির্দিষ্ট ওজনের কাঁকড়া আহরণ করতে পারবেন।

পাস নিয়ে কাঁকড়া আহরণের জন্য সুন্দরবনের অভ্যন্তরে প্রবেশের সময় বন বিভাগের স্টেশন অফিস থেকে কঠোরভাবে সংশ্লিষ্ট নৌকা ও নৌকার লোকদের পরীক্ষা করতে হবে। যাতে কোনো প্রকার ‘চারু’ (কাঁকড়া ধরার জন্য বাঁশের শলা দিয়ে নির্মিত চাঁই) এবং ‘বিষ’ কিংবা অন্য কোনো বেআইনি জিনিস বনের অভ্যন্তরে প্রবেশ করাতে না পারে।

এই রায়ের পর্যবেক্ষণে হাইকোর্ট উল্লেখ করেছে, সুন্দরবন বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চলের বিপুল জনগণের জীবন রক্ষা ও জীবিকা নির্বাহের একমাত্র মাধ্যম এবং জাতীয় সম্পদ। সুন্দরবন অক্ষুণ্ন থাকলে ওই বিপুল জনগোষ্ঠী বেঁচে থাকবে এবং সর্বোপরি প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকেও ওই অঞ্চল রক্ষা পাবে।

অবৈধ ইটভাটা বন্ধের নির্দেশ

পরিবেশগত ছাড়পত্র, লাইসেন্স ছাড়া কার্যক্রম পরিচালনা কিংবা পরিবেশ দূষণের দায়ে বিভিন্ন সময় অবৈধ ইটভাটা বন্ধের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। এর ফলে অসংখ্য অবৈধ ইটভাটা গুঁড়িয়ে দেওয়া, জরিমানা আদায় ও বিদ্যুৎ-গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। এদিকে দেশের আট বিভাগের বিভিন্ন স্থানে অবৈধ ইটভাটার কার্যক্রম যাতে শুরু না হতে পারে, সে বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে ২০২৪ সালের ২৮ নভেম্বর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পরিবেশ রক্ষায় উচ্চ আদালতের রায় ও আদেশের কার্যক্রম সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মনজিল মোরসেদ বাসস-কে বলেন, আমাদের দেশে পরিবেশ আইন হয়েছিল ১৯৯৫ সালে। এরপর বিধিমালা হয়েছে। কিন্তু পরিবেশ রক্ষার আইন ও বিধিমালা থাকলেও পরিবেশ রক্ষায় দৃশ্যমান তেমন কোনো ভূমিকা ছিল না। এক্ষেত্রে আমাদের উচ্চ আদালতের বিভিন্ন রায় ও আদেশের ফলে পরিবেশ রক্ষার জন্য নানা কার্যক্রম পরিচালনায় সংশ্লিষ্টরা বাধ্য হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, জনস্বার্থের মামলা ও হাইকোর্টের নির্দেশনার ফলে পরিবেশ রক্ষায় অনেক পরিবর্তন এসেছে। সর্বোপরি পরিবেশ রক্ষায় আমাদের উচ্চ আদালতের রায় ও আদেশগুলো অবশ্যই প্রশংসনীয় পদক্ষেপ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিউ ইয়র্কে নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে আইনি সীমাবদ্ধতা, যা বললেন মামদানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:২২ এম


নিউ ইয়র্কে নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে আইনি সীমাবদ্ধতা, যা বললেন মামদানি

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) জারি করা গ্রেফতারি পরোয়ানার প্রতি সমর্থন দেওয়া হলেও, নিউ ইয়র্ক সিটি প্রশাসনের হাতে সেটি কার্যকর করার ক্ষমতা নেই বলে জানান শহরের মেয়র জোহরান মামদানি।

আল-জাজিরার খবরে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত একটি ভিডিও বার্তায় মামদানি এ বক্তব্য দেন।

ভিডিওতে তিনি নেতানিয়াহুকে ‘ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ভয়াবহ গণহত্যার স্থপতি’ হিসেবে উল্লেখ করেন। পাশাপাশি জানান, নেতানিয়াহু নিউ ইয়র্কে এলে তার বিরুদ্ধে আইসিসির গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর করার আইন নিয়ে সিটি প্রশাসন গভীরভাবে পর্যালোচনা করেছে।

মামদানি বলেন, পর্যালোচনায় দেখা গেছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের এমন পরোয়ানা বাস্তবায়নের আইনি ক্ষমতা কেবল যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় (ফেডারেল) সরকারের রয়েছে। তাই নিউ ইয়র্ক সিটি প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নিয়ে তা কার্যকর করার কোনো এখতিয়ার নেই।

আইনি সীমাবদ্ধতার বিষয়টি তুলে ধরার পাশাপাশি নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন নিউ ইয়র্কের মেয়র। তিনি বলেন, "একটি বিষয় পরিষ্কার করে বলতে চাই—বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু কিংবা অবাধে ঘুরে বেড়ানো অন্য কোনো যুদ্ধাপরাধীকে নিউ ইয়র্ক সিটিতে স্বাগত জানানো হবে না।"

এর আগে মামদানি জানিয়েছিলেন, নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারের সম্ভাবনা তিনি বিবেচনা করছেন। সেই বক্তব্যের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র সফরকালে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীকে গ্রেফতার করা হবে না। ট্রাম্পের ওই মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় মামদানির এই সর্বশেষ অবস্থান প্রকাশিত হলো।

উল্লেখ্য, গাজায় ইসরায়েলের কথিত গণহত্যা ও যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে ২০২৪ সালে হেগভিত্তিক আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেসি রোজারিওতে ফিরলেন বিশ্বকাপের আক্ষেপ বুকে নিয়ে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৩৪ এম


মেসি রোজারিওতে ফিরলেন বিশ্বকাপের আক্ষেপ বুকে নিয়ে

বিশ্বকাপের শিরোপা ধরে রাখার স্বপ্ন পূরণ হয়নি মেসির। মেটলাইফ স্টেডিয়ামের ফাইনালে স্পেনের কাছে অতিরিক্ত সময়ে ১-০ গোলে হেরে শূন্য হাতে ফিরতে হয়েছে আর্জেন্টিনাকে। তবে দেশের মানুষের ভালোবাসা যে একটুও কমেনি, সেটিই আবারও দেখলেন লিওনেল মেসি।

ফাইনালের হতাশা কাটতে না কাটতেই, নিজ শহর রোজারিওতে ফিরে এসেছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। তিনি রাজধানী বুয়েনস এইরেসে না গিয়ে সতীর্থদের সঙ্গে ফ্লোরিডা থেকে ব্যক্তিগত বিমানে সরাসরি জন্মশহরে পৌঁছেছেন। বিমানবন্দরে স্ত্রী আন্তোনেলা রোকুজ্জো এবং সন্তানদের পাশাপাশি পরিবারের অন্য সদস্যরাও তার সঙ্গে ছিলেন।

বিশ্বকাপ ফাইনালে পরাজয়ের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক আবেগঘন বার্তায় মেসি লিখেছিলেন, “এই কষ্টটা অনেক গভীর। এমন ক্ষত সারতে সময় লাগবে। তবুও আমি গর্বিত, কারণ এই দলটি শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই করেছে।”

রোজারিওতে মেসির আগমনের খবর ছড়িয়ে পড়তেই বিমানবন্দরের বাইরে জড়ো হয় অসংখ্য সমর্থক। কারও হাতে ছিল আর্জেন্টিনার জার্সি, কারও হাতে প্ল্যাকার্ড। একটি প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল, “মেসি, তুমি আমাদের কিংবদন্তি। আনন্দ দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। পুরো দেশ তোমাকে ভালোবাসে।”

তবে ভক্তদের ভালোবাসার জবাবে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেননি আটবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী এই ফুটবলার। প্রাইভেট জেট থেকে নেমে সাদা রঙের একটি এসইউভিতে করে দ্রুত পরিবারের কাছে চলে যান তিনি। বাসায় তার জন্য অপেক্ষা করছিলেন বাবা হোর্হে মেসি, যিনি সম্প্রতি শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন বলে জানা গেছে।

বিশ্বকাপের মঞ্চে শেষ পর্যন্ত শিরোপা না এলেও ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে উজ্জ্বল ছিলেন মেসি। ৩৯ বছর বয়সেও পুরো টুর্নামেন্টে করেছেন ৮ গোল ও ৪ অ্যাসিস্ট। গোলদাতার তালিকায় তিনি ছিলেন দ্বিতীয়, তার ওপরে ছিলেন ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে, যার গোলসংখ্যা ১০।

মেসি কতদিন রোজারিওতে থাকবেন, তা এখনো নিশ্চিত নয়। তবে জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহ কিংবা আগস্টের শুরুতে তিনি আবারও যোগ দিতে পারেন তার ক্লাব ইন্টার মায়ামির অনুশীলন ক্যাম্পে।

বিশ্বকাপ ট্রফি এবার হাতছাড়া হয়েছে। কিন্তু আর্জেন্টাইনদের হৃদয়ে মেসির অবস্থান যে আগের মতোই অটুট, রোজারিওর বিমানবন্দরে জমায়েত হওয়া হাজারো মানুষের ভালোবাসাই তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তিস্তার পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৪১ এম


তিস্তার পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছেছে

উজানে ঢল এবং ভারি বৃষ্টির ফলে তিস্তা নদীর পানির পরিমাণ বেড়ে বিপৎসীমার এক সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বুধবার (২২ জুলাই) সকাল ৯টায় নীলফামারীর ডিমলার ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানির সমতল রেকর্ড করা হয়েছে ৫২ দশমিক ১৪ সেন্টিমিটার, যা বিপৎসীমার ৫২ দশমিক ১৫ মিটার।

এর মানে হল, পানি বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর আগে সকাল ৬টায় পানির একই প্রবাহ রেকর্ড করা হয়েছে।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানান, তিস্তা নদীর পানি বেড়ে গিয়ে সকাল ৯টায় বিপৎসীমার এক সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে তিনি জানান, পানি বৃদ্ধির শঙ্কা নেই।

তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, ২ থেকে ৩ ঘন্টার মধ্যে পানি বিপদসীমার আরো নিচে নেমে যাবে।

এছাড়া উল্লেখ্য যে, চলতি বর্ষা মৌসুমে তিস্তা নদীর পানি প্রথম বিপৎসীমা অতিক্রম করে ২৩ জুন। সেই সময় পানি বিপৎসীমার এক সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছিল। পরে পানি নেমে আসে। দ্বিতীয় দফায় ২৮ জুন বিপৎসীমার ১২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে তিস্তা নদীর পানি প্রবাহিত হয়েছিল। তাৎক্ষণিকভাবে, ১২ ঘণ্টা পরে পানি কমে বিপৎসীমার নিচে নেমে আসে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%