তরিকুল ইসলাম, ভাণ্ডারিয়া প্রতিনিধি
১০:৪৭ এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) এ ১৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের উপরে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। শিশুদের অনলাইন ঝুঁকি, ক্ষতিকর কনটেন্ট এবং ডিজিটাল আসক্তি থেকে রক্ষা করার লক্ষ্য নিয়ে দেশটির মন্ত্রিসভা এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে এবং এটি অনুমোদিত হয়েছে।
গালফ নিউজের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, নতুন নীতিমালা অনুসারে ১৫ বছরের নিচে কোনও শিশু ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টিকটক, এক্স (সাবেক টুইটার) অথবা স্ন্যাপচ্যাটে ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট গ্রহণ বা ব্যবহার করতে পারবে না। তাদের পোস্ট করা, মন্তব্য করা, পাবলিক গ্রুপে অংশ নেওয়া বা অনলাইন আলোচনায় যুক্ত হওয়ার সুযোগও থাকবে না। এর সঙ্গে, অভিভাবকের অনুমতিও এই নিষেধাজ্ঞার ক্ষেত্রে কোনো ব্যতিক্রম হিসেবে অগ্রহণযোগ্য হবে।
তবে ১৫ থেকে ১৬ বছর বয়সী শিশুদের জন্য সীমিত আকারে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এই বয়সের ব্যবহারকারীদের জন্য বয়সভিত্তিক কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণ, ঝুঁকিপূর্ণ ফিচার নিষ্ক্রিয় করাসহ এবং বাধ্যতামূলক প্যারেন্টাল কন্ট্রোল ব্যবস্থার মতো কঠোর সুরক্ষা ব্যবস্থা কার্যকর করা হবে।
সরকার জানিয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্ল্যাটফর্মগুলোকে নির্ভরযোগ্য বয়স যাচাই পদ্ধতি স্থাপন করতে হবে। এই জন্য ডিজিটাল আইডি, পরিচয়পত্র যাচাই, বায়োমেট্রিক প্রযুক্তি অথবা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক বয়স নির্ধারণ পদ্ধতি ব্যবহার করা যেতে পারে। শুধু ব্যবহারকারীর দেওয়া বয়স বা তথ্যের ভিত্তিতে অ্যাকাউন্ট খোলার সুযোগ দেওয়া হবে না।
নতুন নীতিমালায় শিশুদের অনলাইন কার্যকলাপ বা আগ্রহ অনুযায়ী লক্ষ্যভিত্তিক বিজ্ঞাপনের প্রদর্শনও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। একই সাথে প্ল্যাটফর্মগুলোর জন্য নিয়মবহির্ভূত অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা এবং বয়সসীমা এড়ানোর চেষ্টা প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে।
ইউএই কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়ন ও এর তদারকির বিস্তারিত নির্দেশনা আগামী সপ্তাহে প্রকাশ করা হবে। সরকারি গেজেটে এ আইনটি প্রকাশিত হওয়ার পর তা কার্যকর হবে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্ল্যাটফর্মগুলোকে নতুন ব্যবস্থা বাস্তবায়নের জন্য সর্বোচ্চ ১২ মাসের সময় দেওয়া হবে।
সরকারের বক্তব্য অনুযায়ী, শিশুদের জন্য নিরাপদ, ভারসাম্যপূর্ণ ও বয়সোপযোগী ডিজিটাল পরিবেশ নিশ্চিতকরণ হচ্ছে এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য। একই সঙ্গে অভিভাবকদের নিরাপদ ডিজিটাল ব্যবহার, স্ক্রিন টাইম ব্যবস্থাপনা এবং অনলাইন ঝুঁকি মোকাবিলার জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনাও প্রদান করা হবে।
এছাড়াও, স্কুলগুলোতে ডিজিটাল নিরাপত্তা শিক্ষা, সচেতনতামূলক কার্যক্রম এবং নিরাপদ অনলাইন আচরণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। যদি কোনো প্ল্যাটফর্ম নতুন নিয়ম মানতে ব্যর্থ হয় তবে প্রশাসনিক জরিমানা, আংশিক নিষেধাজ্ঞা অথবা গুরুতর ক্ষেত্রে পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হতে পারে।
ইউএই সরকারের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের জন্য সারা বিশ্বে স্বীকৃত কোনো নির্দিষ্ট বয়সসীমা নেই। শিশুদের বিভিন্ন পরিপক্বতা ও অভিজ্ঞতার পার্থক্যকে বিবেচনায় নিয়ে ১৫ বছর বয়সের সীমাকে একটি বাস্তবসম্মত ও ভারসাম্যপূর্ণ সমাধান হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। দেশটির দাবি, শিশুদের ডিজিটাল নিরাপত্তা বৃদ্ধি করার জন্য বিশ্বজুড়ে যে উদ্যোগ চলছে, তাদের নতুন কাঠামোও তার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভাই, বছরের পর বছর ধরে হাফ ভাড়ায় যাতায়াত করার পর শিক্ষার্থীরা প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর পরিবহন শ্রমিকদের ‘তুচ্ছতাচ্ছিল্য ছাড়া’ আর কী করেন? রাজধানীর এক বাসচালকের একটি ভিডিও বক্তব্য সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওটিতে তিনি এই মন্তব্য করেন। তার মন্তব্যে অনেকে সহমর্মিতা প্রকাশ করেছেন, আবার কেউ বলছেন, এটি রাষ্ট্রের নীতির অংশ, যা ব্যক্তিগত অনুগ্রহ নয়।
রোববার (২১ জুন) ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি থেকে ওই বাসচালকের নাম কিংবা পরিচয় জানা যায়নি।
বাসচালক বলেন, সর্বনিম্ন ২০ বছর ধরে পিঠে কইরা বা গাড়িতে কইরা এসব শিক্ষার্থীদের বহন করি। এই স্টুডেন্টরা প্রতিষ্ঠিত হয়ে আমাদের সাধারণ শ্রমিকদের জন্য কী করছে?
পরিবহন শ্রমিকদের অধিকার বিষয়ে নানান তাত্ত্বিক আলোচনা চললেও একজন শ্রমিকের মুখে এ ধরনের প্রশ্ন অনেকের কাছে নতুন মনে হয়েছে। ভিডিওটির নিচে উপস্থিত হাজারো মন্তব্যে নেটিজেনরা লিখেছেন, ছাত্রজীবনে তারা দীর্ঘ সময় ধরে হাফ ভাড়ার সুবিধা নিয়েছেন, কিন্তু এর পেছনে শ্রমিকদের ত্যাগ বা আর্থিক ক্ষতির বিষয়টি কখনো এভাবে ভাবেননি।
চালকের বক্তব্যের মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল দীর্ঘমেয়াদি সুবিধা ও তার জন্য শিক্ষার্থীদের কর্তব্য নিয়ে প্রশ্ন।
তার ভাষ্য, একজন শিক্ষার্থী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত প্রায় দুই দশক পর্যন্ত হাফ ভাড়ার সুবিধা ভোগ করে। এই সময়ে পরিবহন শ্রমিকরা তাদের শিক্ষাজীবন সহজ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। কিন্তু যখন সেই শিক্ষার্থী পড়াশোনা শেষ করে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হন, তখন শ্রমিকদের জন্য তাদের অবদান বা সাহায্যের কোনো চিহ্ন চোখে পড়ে না।
তিনি বলেন, যে শিক্ষার্থী একসময় হাফ ভাড়ায় বাসে যাতায়াত করতো, সে পরে ডাক্তার, প্রকৌশলী, পুলিশ কর্মকর্তা অথবা বিচারক হয়ে যায়। কিন্তু কখনো কি তারা পরিবহন শ্রমিকদের জন্য তাদের সেবার মূল্য কমিয়েছে? চালকের ভাষায়, অসুস্থ হয়ে চিকিৎসকের কাছে গেলে তাকেও অন্যদের মতো পূর্ণ ফি দিতে হয়, যদিও সেই চিকিৎসক একসময় তার কাছ থেকে হাফ ভাড়ার সুবিধা নিয়েছেন।
তিনি বলেন, উনি ১০ জনের থেকে যে ভিজিট নিছেন, আমার কাছ থেকেও একই ভিজিট উঠিয়েছেন; তবে আমার কাছে তো ২০ বছর উনি হাফ ভাড়ার সুবিধা নিয়েছেন।
ভিডিওটিতে পরিবহন শ্রমিকদের মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির কথাও উঠে এসেছে। চালকের দাবি, তারা শিক্ষার্থীদের নিজের ভাতিজা, ভাগিনা, ছোট ভাই কিংবা সন্তান হিসেবে দেখেন। তাদের নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর অনেকেই সেই শ্রমিকদের প্রতি অবজ্ঞার মনোভাব প্রকাশ করেন।
চালকের অভিযোগ, যখন ভাড়া বা অন্য কোনো বিষয় নিয়ে সামান্য বিরোধ তৈরি হয়, তখন অনেক সময় শিক্ষার্থীরা দলবদ্ধ হয়ে বাস আটকে দেন, শ্রমিকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন এবং মালিকপক্ষের কাছে অভিযোগ তুলে শাস্তির ব্যবস্থা করেন।
তিনি বলেন, যখন সামান্য কিছু সমস্যা ঘটে, তখন তারা ভাবেন না যে এটা আমার বাবা হতে পারে বা বড় ভাই হতে পারে।
তবে ভিডিওটির মন্তব্যঘরে সবাই তার সঙ্গে একমত হয়েছেন, তা নয়। অখিল মাহমুদ নামের এক ব্যক্তি লিখেছেন, এটি সরকারি নীতি। দেশে চলতে হলে আইন মানতেই হবে। স্টুডেন্টদের প্রতিদিন চলতে হয়। তাদের বড় হয়ে দেশের কাজে লাগে। দেশের স্বার্থে এতটুকু করতেই হবে।
অখিল মাহমুদকে আরেকজন আবার রিপ্লাই দিয়েছেন, এসব বাধ্যকর আইন কি শুধু গরিব শ্রমিকদের জন্যই?
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ১-১ গোলে ডিআর কঙ্গোর সঙ্গে ড্র করে পর্তুগাল এখন চাপে রয়েছে। হতাশাজনক এই ফলের পর ৪১ বছর বয়সী পর্তুগিজ সুপারস্টার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো সবচেয়ে বেশি সমালোচনার মুখে পড়েছেন। ফুটবল বিশ্লেষকরা প্রশ্ন তুলেছেন, মন্থর গতির ম্যাচে রোনালদোর পারফরম্যান্স এবং নড়াচড়ার অভাব কি দলের জয়ে প্রভাব ফেলছে কি না।
তবে দলের তরুণ উইঙ্গার ফ্রান্সিসকো কনসেইসাও এই বিতর্কে ভিন্ন একটি বক্তব্য দিয়েছেন। রবিবার একটি সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, "রোনালদোকে বল দিতেই হবে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা দলের মধ্যে নেই।" তিনি বলেন, মাঠে যিনি সুবিধাজনক অবস্থানে থাকেন, তাকেই পাস দেওয়া হয়।
জুভেন্টাসের এই খেলোয়াড় আরও বলেন, রোনালদো দলের অন্য সদস্যদের মতো একজন সদস্য এবং দলের জন্য সবার অবদান সমান গুরুত্বপূর্ণ। তবে ৪১ বছর বয়সেও তার ক্যারিয়ার, নেতৃত্ব এবং গোল করার মনোভাব তরুণদের অনুপ্রাণিত করে।
ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে পুরো ম্যাচ খেলে রোনালদোর আক্রমণের উপস্থিতি ছিল মলিন। ম্যাচে তিনি মাত্র ২৫ বার বল স্পর্শ করেন, যা বড় কোনো টুর্নামেন্টে তার ক্যারিয়ারের সর্বনিম্ন। এই পারফরম্যান্সের পর আবার সামনে এসেছে লিওনেল মেসির সঙ্গে তুলনা। কারণ, ম্যাচের আগের দিন আর্জেন্টিনার হয়ে আলজেরিয়ার বিরুদ্ধে হ্যাটট্রিক করে ৩-০ ব্যবধানে দলকে জিতিয়েছেন ৩৮ বছর বয়সী মেসি।
ম্যাচের পর সাবেক ফরাসি স্ট্রাইকার থিয়েরি অঁরি সমালোচনা করতে উদ্যত হন। তিনি ফক্স স্পোর্টসে বলেন, "দলের প্রয়োজন গোল, ব্যক্তিগত অর্জন নয়।"
এদিকে, কোচ রবার্তো মার্তিনেজের সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সাবেক স্ট্রাইকার ক্রিস সাটন বিবিসিতে বলেছেন, ম্যাচের ৮৩ মিনিটে ভিটিনহাকে তুলে গনসালো রামোসকে নামানো এবং রোনালদোকে রেখে দেওয়া ছিল ভুল সিদ্ধান্ত। তার ভাষ্যমতে, "কোচ রোনালদোকে উঠাতে ভয় পাচ্ছেন এবং ম্যাচ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারছিলেন না।"
অন্যদিকে, প্রতিপক্ষ ডিআর কঙ্গোর মিডফিল্ডার এনগালায়েল মুকাউ জানান, রোনালদোকে আটকে রাখতে তাদের আলাদা কোনো পরিকল্পনা ছিল না। তার মতে, রোনালদো আর আগের মতো নেই এবং বয়সের প্রভাব পড়েছে।
সব সমালোচনার মধ্যে পর্তুগাল ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামতে চায়। পরবর্তী ম্যাচে, আগামী মঙ্গলবার হিউস্টনে গ্রুপ কে এর দ্বিতীয় ম্যাচে তারা উজবেকিস্তানের মুখোমুখি হবে। নকআউট পর্বে টিকে থাকতে এই ম্যাচে জয় এখন অত্যন্ত জরুরি।
কনসেইসাও বলেন, "পারফরম্যান্স খারাপ হলে সমালোচনা আসবেই।" নিজেদের ভুল শুধরে নিয়ে তিনি জানিয়েছেন, পরের ম্যাচে ভালো খেলে জয় তুলে নেওয়াই এখন লক্ষ্য।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত খোলার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অনুরোধ জানিয়েছেন। সোমবার (২২ জুন) পুত্রজোয়ায় যোগাযোগের সময় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে বৈঠক শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।
সংবাদ সম্মেলনে তারেক রহমান উল্লেখ করেন, ‘আমি প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমকে অনুরোধ করেছি, বাঙালি কর্মী নিয়োগের সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি যত দ্রুত সম্ভব শ্রমবাজার উন্মুক্ত করার বিষয়ে বিবেচনা করার জন্য। এছাড়া, আমি অনিয়মিত শ্রমিকদের নিয়মিতকরণ এবং যদি সম্ভব হয়, আটক বাংলাদেশিদের পুনরায় নিয়োগের বিষয়গুলোকেও উত্থাপন করেছি।’
তদুপরি তিনি বলেন, ‘আমরা একমত যে নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বচ্ছ, ন্যায্য এবং সাশ্রয়ী মূল্যের হওয়া উচিত, কর্মীদের জন্য মধ্যবর্তী এবং কম খরচ প্রয়োজন।’
প্রধানমন্ত্রী তারক বলেন, ‘আমি রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি। বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন এবং মিয়ানমারে তাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ, এবং টেকসই প্রত্যাবাসনে অব্যাহত সহায়তার জন্য মালয়েশিয়াকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’
তারেক রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশ আসিয়ানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক স্থাপন করতে চায় এবং আসিয়ান সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনার হিসেবে যোগদানে আগ্রহী। আমরা আঞ্চলিক সুসংহত অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে যুক্ত হতে চাই। আমি মালয়েশিয়ার বাংলাদেশে প্রতি আঞ্চলিক সংহতকরণের প্রচেষ্টার জন্য সমর্থন প্রকাশ করছি।’
তিনি আলচনা প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমাদের আলোচনায় তথ্যপ্রযুক্তি, জ্বালানি, অবকাঠামো, জনশক্তি, হালাল শিল্প, কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, প্রতিরক্ষা, ডিজিটাল অর্থনীতি, সেমিকন্ডাক্টরসহ বিভিন্ন উচ্চমূল্য সংযোজিত খাত অন্তর্ভুক্ত ছিল।’
এর আগে সোমবার (২২ জুন) স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৯টায় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ‘পেরদানা পুত্রা’ ভবনের পঞ্চম তলায় একান্ত এই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমান এবং মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম মিলিত হন। একান্ত বৈঠকের আগে পরিদর্শন বইয়ে সই করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৈঠকে যোগ দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান, বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, অর্থ উপদেষ্টা রাশেদ মাহমুদ তিতুমীর, শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহাদী আমিন, এবং পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আল সিয়াম প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ