০৮:৫০ পি.এম
জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস-প্রেসিডেন্ট এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান বলেছেন, বিগত বছরগুলোতে অবহেলায় অনেক স্কুলের অবকাঠামোর বেহাল অবস্থা, এবং বহু স্কুলের বিধ্বস্ত অবস্থা রয়েছে। তবে শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষা নেওয়া থামায়নি।
শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ কষ্টের মাঝে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। তারা নিজেদেরকে আরো আত্মবিশ্বাসী ও মনোযোগী করে তুলেছে।
আজ রবিবার বিকেলে রাজধানীর বিএএফ শাহীন কলেজে ঢাকা জেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রোজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন শোকেসিং’ অনুষ্ঠানের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। প্রদর্শনীতে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সায়েন্স প্রজেক্ট ঘুরে দেখেন তিনি।
আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, আমার আজ মনে পড়ছে, পিরোজপুরের ইন্দুরকানী ৫৪ নং সাউথ বিদ্যালয়ের জীর্ণ সাদা দেয়ালের লাল রঙে লেখা একটি জীবনের অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যা আমাদের সকলকে চিহ্নিত করে এবং চিন্তিত করে। হয়তো এটি জীবন সম্পর্কে আরো ভাবতে শেখাবে। দেয়ালে লেখা আছে ‘মানুষ কখনো ব্যর্থ হয় না, হয় সে জিতবে না হলে সে শিখবে’ বলে।
জীর্ণ দেয়ালের এই লিখন কিন্তু অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এ ধরনের লেখা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিভিন্ন জরাজীর্ণ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রয়েছে, যা জীবনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ বাণী ব্যক্ত করে।
তিনি আরো বলেন, কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারি আইকুমারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাথার উপরের ছাদ কখনো-কখনো ভেঙে পড়ে এবং এরকম বিধ্বস্ত অবকাঠামোতে লেখাপড়া চালিয়ে যাচ্ছে মেধাবী শিক্ষার্থীরা। তাদের প্রচেষ্টা সফল হবেই।
এছাড়া, বৃষ্টির পানিতে ডুবে যাওয়া ঝালকাঠী জেলার রাজাপুর উপজেলার সাতুরিয়া ইউনিয়নের মিয়াবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং সকল প্রান্তের দেয়ালের প্লাস্টার উঠে যাওয়া চুয়াডাঙ্গা জেলা আলমডাঙ্গা উপজেলার ৪৭ নং গড়চাপড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবস্থা তিনি তুলে ধরেন।
আরও পড়ুন: আদাবরে যুবদল নেতাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম
এসময় তিনি বেহাল অবস্থায় থাকা কয়েকটি স্কুলের নাম উল্লেখ করে বলেন, শিক্ষার্থীরা শিক্ষা নেওয়া থামায়নি। শিক্ষক-শিক্ষিকা বৃন্দ কষ্টের মাঝেও দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়ে আরো আত্মবিশ্বাসী এবং আরো মনোযোগী। হয়তো তাদের মধ্যেই কেউ হবে বাংলাদেশের নাম বিশ্বশক্তির বুকে উজ্জ্বল করা ভবিষ্যৎ বিজ্ঞানী। দরিদ্র ও ধনীত্ব নির্বিশেষে সকলের শিক্ষার অধিকার রয়েছে। শিক্ষার সুযোগ দেওয়া হলে অনগ্রসর এলাকার জনসাধারণের প্রতিভা অন্বেষণ এবং নতুন সুযোগ তৈরি করার মাধ্যমে সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের পথ সুগম হতে পারে, ইনশাআল্লাহ।
এর আগে, শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন বিজ্ঞান উদ্ভাবন পরিদর্শন করেন ডা. জুবাইদা রহমান এবং শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও গবেষণা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিনসহ অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন