প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
স্কুল পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা জলাশয়ে গজিয়ে উঠা বিরক্তিকর আগাছা কচুরিপানাকে টেকসই সম্পদে রূপান্তর করার জন্য নতুন প্রযুক্তি আবির্ভাব করেছেন।
উপজেলা পর্যায়ে স্ট্রেটাপ, সায়েন্স, প্রজেক্ট এবং ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রামে বিজয়ী ৯টি স্কুল কলেজের দল তাদের উদ্ভাবিত নতুন প্রযুক্তি প্রদর্শণ করেছেন।
রোববার (১৪ জুন) হবিগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এক দিনের জেলা পর্যায়ের প্রদর্শনী মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ইনাতগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা প্রদর্শণীতে জানান, কচুরিপানা এখন আর কোনো বিরক্তিকর আগাছা নয়। কারণ মালটি পারপাস কচুরিপানা রিফাইনারিং বর্জ্য আমাদের উদ্ভাবিত প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে টেকসই সম্পদে পরিণত করা সম্ভব।
তারা আরও জানান, কচুরিপানা ব্যবহার করে রিনিউয়েবল এনার্জি উইং’র বায়োগ্যাস ও সবুজ শক্তি, গ্রিন টেক্সটাইল ও ইকোনমি, এনভায়রনমেন্ট সলিউশন উইং-এর পুষ্টি সমৃদ্ধ সার এবং এগ্রো ইনোভেশন উইং প্রস্তুত করা সম্ভব।
তাদের উদ্ভাবিত এই প্রযুক্তিকে আরও শক্তিশালী করে পরিবেশবান্ধব সামাজিক কৃষি ও অর্থনীতি উন্নয়নে ব্যাপক তরান্বিত করা সম্ভব হবে।
এ ছাড়া, নরম কাদা মাটি থেকে জ্বালানি বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রযুক্তিও প্রদর্শন করেন লাখাই কালাউক উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
এই প্রদর্শনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কিম, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, এবং হবিগঞ্জ জেলা শিক্ষা অফিস, উপজেলা পর্যায়ে বিজয়ী দলকে নিয়ে।
জেলা প্রশাসক ডঃ জি এম সরফরাজ ফিতা কেটে এই প্রদর্শনির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
জেলা প্রশাসক ডঃ জি এম সরফরাজ এর সভাপতিত্বে সভায় বক্তৃতা করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আই সিটি) পাপিয়া আকতার, জেলা শিক্ষা অফিসার ফরিদা নাজনীন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল জাহের, সরকারি বৃন্দাবন কলেজের সহকারী প্রভাষক মাহবুবুর রহমান, অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ ইলিয়াস বখত, সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ জাহাঙ্গির আলম, জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিক এবং হবিগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আদুল কাইয়ুম প্রমূখ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন