ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিশ্বকাপের কারণে মেক্সিকোয় রমরমা দেহ ব্যবসার আশঙ্কা


বিশ্বকাপের কারণে মেক্সিকোয় রমরমা দেহ ব্যবসার আশঙ্কা

বিশ্বকাপ ফুটবলকে কেন্দ্র করে যখন বিশ্বজুড়ে উন্মাদনা ছড়িয়ে পড়েছে, তখন মেক্সিকোতে মানবপাচার এবং জোরপূর্বক যৌন বাণিজ্য বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন গবেষক ও মানবাধিকারকর্মীরা।

মেক্সিকোর শীর্ষস্থানীয় জাতীয় দৈনিক মিলেনিওর একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আসন্ন বিশ্বকাপ উপলক্ষে দেশটিতে বিপুলসংখ্যক বিদেশি পর্যটক ও ফুটবলপ্রেমীর আগমনকে কেন্দ্র করে অপরাধী চক্রগুলো নতুন সুযোগ খুঁজছে অবৈধ আয়ের। বিশেষ করে, মানবপাচার এবং যৌন শোষণভিত্তিক অপরাধগুলোর বৃদ্ধি পেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, বিশ্বকাপের অধীনে ১৩টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে মেক্সিকোর তিনটি শহরে—মেক্সিকো সিটি, গুয়াদালাহারা এবং মন্তেররেইয়ে। অপরাধবিষয়ক গবেষকদের মতে, এসব শহরের যৌন বাণিজ্য সংশ্লিষ্ট অনেক রুট ও নেটওয়ার্ক বর্তমানে বিভিন্ন কার্টেল ও সংঘবদ্ধ অপরাধী গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের দশম স্থলবাহিনী সংলাপ ঢাকা সেনানিবাসে সফলভাবে সম্পন্ন

গুয়াদালাহারায় প্রভাবশালী হালিস্কো নিউ জেনারেশন কার্টেল (সিজেএনজি) সক্রিয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে, মন্তেররেইয়ে নর্থইস্ট কার্টেল ও সিনালোয়া কার্টেলের প্রভাব রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। রাজধানী মেক্সিকো সিটিতেও বিভিন্ন অপরাধী গোষ্ঠীর সম্পৃক্ততায় মানবপাচার এবং যৌন শোষণের ঘটনা উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে প্রতিবেদনে ফলাফল তুলে ধরা হয়েছে।

মেক্সিকোর আরেক সংবাদমাধ্যম অ্যানিমেল পলিটিকো জানিয়েছে, দেশটির বেশিরভাগ বড় অপরাধী চক্র বর্তমানে জোরপূর্বক যৌন বাণিজ্য থেকে মুনাফা অর্জন করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মাদক ব্যবসার পাশাপাশি মানবপাচার এখনকার্টেলগুলোর অন্যতম প্রধান আয়ের উৎসে পরিণত হয়েছে।

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) তথ্য অনুযায়ী, জোরপূর্বক যৌন শোষণ ও মানবপাচারভিত্তিক বৈশ্বিক অবৈধ অর্থনীতির মূল্য বছরে প্রায় ৯৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, বড় আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আয়োজনের সময় মানবপাচার ও যৌন শোষণের ঝুঁকি বাড়তে পারে। এই কারণে, বিশ্বকাপ চলাকালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারি বৃদ্ধি, ভুক্তভোগীদের সুরক্ষা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: গণতন্ত্রের শর্ত ও রাজনৈতিক সংকটের গুরুত্ব: তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে বিতর্ক

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিবচরে ২ গোলে আর্জেন্টিনাকে পরাজিত করেছে ব্রাজিল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শিবচর (মাদারীপুর) প্রতিনিধি মোঃআসাদুজ্জামান

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:১১ পি.এম


শিবচরে ২ গোলে আর্জেন্টিনাকে পরাজিত করেছে ব্রাজিল

মাদারীপুর শিবচরে চরশ্যমাইল আমবাগান ক্লাবের অধীনে আয়োজন করা হয়েছে ব্রাজিল বনাম আর্জেন্টিনা ফুটবল ম্যাচ
ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়েছে ৫/৬/২০২৬ শুক্রবার বিকেল ৪ ঘটিকার সময়।
উক্ত খেলায় অংশগ্রহণ করেছে বহু গ্রামের যুবকরা।
উক্ত খেলায় ৫০ মিনিট খেলাধুলা করেছেন দুই দলের প্লেয়াররা রেফ্রির শেষ বাসি বাজার সাথে সাথেই ব্রাজিল সমর্থকরা উল্লাসে ফেটে পড়ে কারণ তারা আর্জেন্টিনাকে দুই গোলে হারিয়েছে।
তবে আর্জেন্টিনা ও চেষ্টা কম করেনি ব্রাজিলের জালে জড়িয়েছে একটি গোল।

যুবকদেরকে মাদক থেকে দূরে সরানোর জন্যই এই ভিন্ন রকমের আয়োজন করেছেন স্থানীয় যুব সমাজ
এমনকি এ খেলা অব্যাহত রাখতে চায় পুরো বছর যুরেই যেন যুব সমাজ মাদক এর দিকে ঝুকে না পরে । তবে ইচ্ছে থাকলেও হয়না উপায়
সরকারি কোন মাঠ না থাকায় বেড়ে উঠতে পারছে না ক্ষুদে কোন খেলোয়ার বহু বছর ধরেই খেলে আসছেন ইজারা নেওয়া জমিতে বছর শেষে ফুরিয়ে যায় ইজারা যার ফলে বন্ধ হয়ে যায় বহু খুদে খেলোয়াড়ের স্বপ্ন।
স্থানীয় যুব সমাজের দাবি নতুন সরকার যদি আমাদের একটি খেলার মাঠ বানিয়ে দেয় তাহলে আর মাদকের দিকে ঝুকবে না যুবকেরা অবসর সময় ব্যস্ত থাকবে খেলাধুলায় ফলে গরে উঠবে সুশৃংখল এক সমাজ।
যেখানে থাকবে না কোন মারামারি কুন্ডল গরে উঠবে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপে গরম থেকে বাঁচতে প্রযুক্তির দ্বারস্থ ইংল্যান্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:১৩ পি.এম


বিশ্বকাপে গরম থেকে বাঁচতে প্রযুক্তির দ্বারস্থ ইংল্যান্ড

সতীর্থদের সঙ্গে অনুশীলন করতে দেখা গেছে জুড বেলিংহামকে। ছবি: এক্স থেকে

বিশ্বকাপের ম্যাচে কেবল মাঠের প্রতিপক্ষই নয়, খেলোয়াড়দের প্রকৃতির সঙ্গেও লড়তে হবে। কারণ এবারের বিশ্বকাপ হবে প্রবল গরমে।

গরম আবহাওয়া মাথায় রেখে ফিফা ম্যাচের দুই অর্ধে কুলিংয়ের ব্যবস্থা রাখার চিন্তা করেছে।

তবে তার পরেও ইংল্যান্ডের মধ্যে ভরসার অভাব দেখা দিয়েছে। তাই বিশ্বকাপ শুরুর আগে প্রযুক্তির সাহায্য নিতে বাধ্য হয়েছেন ১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপজয়ীরা। গরম আবহাওয়ার মোকাবেলার জন্য উচ্চপ্রযুক্তির পাম-কুলিং ডিভাইস তারা সঙ্গে নিয়েছে।

পাম-কুলিং হলো হাতের তালুকে ঠাণ্ডা করার যন্ত্র।

এভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ফুটবলাররা সম্পূর্ণ বিশ্বকাপে গরম এবং আর্দ্র আবহাওয়ার সম্মুখীন হবেন। বিভিন্ন গবেষণার ভিত্তিতে জানা গেছে, বিশ্বকাপের এক-তৃতীয়াংশ ম্যাচ ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় অনুষ্ঠিত হবে। জলবায়ু গবেষণা সংস্থা ওয়ার্ল্ড ওয়েদার অ্যাট্রিবিউশন (WWA) এবং বিজ্ঞানীদের সাম্প্রতিক গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের বেশিরভাগ ভেন্যুর গড় তাপমাত্রা ৩০ থেকে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস হবে।

কিছু দিন ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসেও পৌঁছাতে পারে।

ইংল্যান্ডের গ্রুপের সব ম্যাচ যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হবে। তাই বিশ্বকাপ শুরুর আগে আবহাওয়ার সাথে নিজেদের মানিয়ে নেওয়ার জন্য তারা সব চেষ্টা করছে। মঙ্গলবার তারা নিজেদের প্রথম অনুশীলন করেছে ফ্লোরিডার ওয়েস্ট পাম বিচে। সেদিন তাপমাত্রা ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছে।

গরমের সাথে মোকাবিলা করতেই তারা পাম-কুলিং ডিভাইসের সাহায্য নিচ্ছে।

এমন সিদ্ধান্ত সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছিল ইংল্যান্ডের মিডফিল্ডার জর্ডান হেন্ডারসনের কাছে। তিনি জানান, তারা প্রথম সপ্তাহটি এই পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়ার জন্য ব্যবহার করছেন। প্রস্তুতি ম্যাচে এটা তাদেরকে সাহায্য করবে বলেও তিনি জানিয়েছেন। ব্রেন্টফোর্ডের মিডফিল্ডার জানান, ‘দলের পিছনের সদস্যরা কুলডাউন ও রিকভারি নিয়ে গবেষণা করেছেন। আশা করি টুর্নামেন্টের শুরুতেই আমাদের কিছুটা বাড়তি সুবিধা দেবে।’

পাম-কুলিং ক্রীড়াঙ্গনে ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এর আগে এই প্রযুক্তির ব্যবহার করেছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। গবেষণায় দেখা গেছে, হাতের তালু ঠাণ্ডা করলে শরীরের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো যেতে পারে। এর ফলে ম্যাচ চলাকালীন দ্রুত রিকভারি সম্ভব এবং খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স উন্নত হতে পারে।

আগামী ১৭ জুন ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে। টেক্সাসে তাদের প্রতিপক্ষ ক্রোয়েশিয়া। ২৩ জুন ম্যাসাচুসেটসে তাদের প্রতিপক্ষ ঘানা। এবং ‘এল’ গ্রুপের শেষ ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ পানামা নিউইয়র্ক/নিউ জার্সিতে, ম্যাচটি ২৭ জুন অনুষ্ঠিত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রিপেইড মিটারে ‘ডিজিটাল বিড়ম্বনা’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:১৫ পি.এম


প্রিপেইড মিটারে ‘ডিজিটাল বিড়ম্বনা’

বিদ্যুৎ অপচয় রোধ এবং বিল ব্যবস্থাপনা সহজ করার বড় প্রতিশ্রুতি সহকারে দেশে প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটার চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে, গ্রাহকের সুবিধা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে নেওয়া এই আধুনিক উদ্যোগ বর্তমানে সাধারণ এবং আবাসিক গ্রাহকদের জন্য এক ভীষণ বিড়ম্বনা এবং দীর্ঘশ্বাসের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিদ্যুৎ বিলের নানা অব্যবস্থাপনা, অনিয়ম এবং গ্রাহক ভোগান্তি রোধ করার জন্য প্রিপেইড বা ডিজিটাল মিটার বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই উদ্যোগ এখন ‘ডিজিটাল বিড়ম্বনা’ হিসেবেই পরিচিত হয়ে উঠেছে।

প্রথাগত পোস্টপেইড মিটার ব্যবহারকারীরা বিল পরিশোধ করতে দেরি করলেও বিদ্যুৎ সংযোগ সঙ্গে সঙ্গে বিচ্ছিন্ন করা হচ্ছে না। কিন্তু প্রিপেইড মিটারের ক্ষেত্রে চিত্রটি সম্পূর্ণ ভিন্ন। বর্তমানে বিপিডিবি, ডিপিডিসি, ডেসকো, নেসকোসহ বেশ কয়েকটি বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি প্রিপেইড মিটারের মাধ্যমে সেবা প্রদান করছে। তবে, এসব মিটার রিচার্জ করার প্রক্রিয়া দাম সমন্বয়ের জাঁতাকলে শত শত ডিজিটের টোকেন নাম্বার গ্রাহকদের জন্য মানসিক যন্ত্রণার কারণ হচ্ছে।

বাসাবো এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রব শুক্রবার (৫ জুন) বিকেলে বিকাশের মাধ্যমে ৫০০ টাকা রিচার্জ করার পর টোকেন নম্বর দেখে হতবাক হন। সাধারণত ১৬ থেকে ৪৮ ডিজিটের টোকেন নম্বর আসলেও, আজ তার মোবাইলে ১৮০ ডিজিটের টোকেন নম্বর এসেছে! সতর্কতার কারণে তিনি মিটারের কাছে যেতে ভয় পান এবং এই বিশাল নম্বরটি সঠিকভাবে প্রবেশ করাতে না পেরে অবশেষে হতাশ হয়ে পড়েন।

ডিপিডিসির কাস্টমার কেয়ারের (১৬১১৬) সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা জানায়, “সব সময় এমন দীর্ঘ টোকেন আসে না। মূলত বিদ্যুতের নতুন দাম বা ট্যারিফ সমন্বয় করতে গিয়েই সিস্টেমে সাময়িক সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। খুব দ্রুতই এর সমাধান হবে।”

মিরপুরের বাসিন্দা অ্যাডভোকেট নাহিদ শাহিন অভিযোগ করেছেন যে, তার বাসায় ডেসকোর প্রিপেইড মিটার বসানো হয়েছে, কিন্তু সেখানে বিভিন্ন অসন্তোষের পাশাপাশি সম্প্রতি ভৌতিকভাবে অতিরিক্ত টাকা কেটে নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, “মাত্র এক-দুই দিনের জন্য মিটার রিচার্জ করতে ভুললে কোনও পূর্ব সতর্কবার্তা ছাড়াই ঘরের বাতি নিভে যায়।”

অনেকে অভিযোগ করেন যে, অনেক মিটারে ব্যালেন্স শেষ হওয়ার আগে লাল বাতি জ্বলা বা অ্যালার্ম দেওয়ার ব্যবস্থা থাকলেও, বহুতল ভবনের নিচে বা সুবিধাজনক স্থানে মিটার না থাকার কারণে তা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হয় না।

প্রিপেইড মিটারের ভেতরে থাকা ছোট ব্যাটারির নিয়েও আবাসিক ব্যবহারকারীদের ভোগান্তির কমতি নেই। সাধারণত লোডশেডিং বা বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময় এই ব্যাটারিটি মিটারে পাওয়ার সাপ্লাই দেয়, কিন্তু এর চার্জ কমে গেলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে পুরো বাড়ির বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেয়।

অনেকে জানিয়েছেন যে, প্রযুক্তিতে অনভিজ্ঞ ও বয়স্ক মানুষের জন্য কখনো কখনো ২০০ থেকে ৩০০ সংখ্যার দীর্ঘ পিন কোড টাইপ করা ক্লান্তিকর হতাশার তৈরি করছে। টাইপ করার সময় একটি সংখ্যা ভুল হলে পুরো প্রক্রিয়াটি পুনরায় শুরু করতে হয়।

এই সংকট থেকে মুক্তি পেতে গ্রাহকদের স্থানীয় অফিসে যোগাযোগ করে টেকনিশিয়ানদের জন্য অপেক্ষা করতে হয়। তবে, যদি এই যান্ত্রিক গোলযোগ রাতের বেলা কিংবা ছুটির দিনে ঘটে, তাহলে গ্রাহকদের প্রচণ্ড গরম ও অন্ধকারের মধ্যে পুরো রাত কাটাতে হয়।

অন্যদিকে, যেসব মিটারে পাঞ্চ কার্ড ব্যবহার করা হয়, সেই কার্ডটি পুরোনো বা ক্ষতিগ্রস্ত হলে নতুন কার্ড পাওয়ার আমলাতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় গ্রাহককে বিদ্যুৎহীন অবস্থায় কাটাতে হয়।

একটি সাধারণ রিচার্জের মতো ১৬ বা ২০ ডিজিটের কোড আসে, যা মিটারে প্রবেশ করালে টাকা যুক্ত হয়। কিন্তু যখনই বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি অথবা ট্যারিফ পরিবর্তন হয়, তখন টোকেনের আকার বিশাল হয়ে যায়।

প্রিপেইড মিটারগুলো কোনো অনলাইন সার্ভারের সঙ্গে প্রতি সেকেন্ডে যুক্ত থাকে না (স্মার্ট মিটার বাদে)। তাই মিটারের ভেতরে থাকা চিপকে জানাতে হয় যে, প্রথম ইউনিট থেকে শুরু করে পরবর্তী ইউনিটগুলোর দাম কত টাকা করে কাটা হবে।

বিদ্যুৎ চুরি বা হ্যাকিং রোধ করতে আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ড (STS - Standard Transfer Specification) অনুযায়ী এই তথ্যকে একটি অত্যন্ত জটিল ও সুরক্ষিত কোডে রূপান্তরিত করা হয়। তথ্যের পরিমাণ বেশি হওয়ার কারণে এনক্রিপশন শেষে কোডটি ১৮০, ৩০০ এমনকি সর্বোচ্চ ৩২০ ডিজিট পর্যন্ত লম্বা হয়ে যায়।

যখনই সরকার বিদ্যুতের দাম বাড়ায়, অথবা যেকোনো কমান্ড বা তথ্য আপডেট হয়, তখন গ্রাহক প্রথমবার বিকাশ, রকেট অথবা ভেন্ডিং স্টেশন থেকে টাকা রিচার্জ করলেই সার্ভার স্বয়ংক্রিয়ভাবে মিটারের ‘ট্যারিফ আপডেট’ করার জন্য সংকেত পায়। সার্ভার তখন টাকার টোকেনের সঙ্গে দাম সমন্বয়ের টোকেনটি জোড়া লাগিয়ে বিশাল একটি কোড তৈরি করে গ্রাহকের মোবাইলে পাঠিয়ে দেয়।

অন্যদিকে, যেসব মিটার শতভাগ অনলাইন বা ইন্টারনেট প্রযুক্তিতে চলে, সেগুলোতে গ্রাহককে কোনও বাটন চাপতেই হয় না। বিদ্যুৎ অফিস তাদের কেন্দ্রীয় সার্ভার থেকে এক ক্লিকেই দেশের সব স্মার্ট মিটারের দাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপডেট করে দিতে পারে। গ্রাহকেরা অ্যাপে রিচার্জ করলেই ব্যাক-এন্ডে সব কাজ হয়ে যায়। সরকার বর্তমানে সব সাধারণ প্রিপেইড মিটারকে এই স্মার্ট মিটারে রূপান্তর করার জন্য চেষ্টা করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গণতন্ত্রে বিশ্বাস না করা শক্তির উত্থান হচ্ছে : মির্জা ফখরুল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:১৬ পি.এম


গণতন্ত্রে বিশ্বাস না করা শক্তির উত্থান হচ্ছে : মির্জা ফখরুল

বিএনপির মহাসচিব এবং এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় রাজনীতিবিদদের হীন ব্যক্তি হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে।

দেশের রাজনীতিকে ধ্বংস করার চক্রান্ত ষড়যন্ত্র চলছে।একই সঙ্গে একটা শক্তির উত্থান হচ্ছে, যে শক্তি গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না।

শুক্রবার (৫ জুন) জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনাসভায় তিনি এসব মন্তব্য করেন। রাজনীতিবিদ মাহবুবুল হক ও মাহবুবুল আলমকে স্মরণে এই সভার আয়োজন করা হয়।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আগে রাজনীতিতে কিছুটা হলেও এথিক্স ও মূল্যবোধ ছিল।

সোশ্যাল মিডিয়ার কারণে এখনকার রাজনীতি পুরোপুরিভাবে এক ভয়াবহ পরিণতিতে চলে গেছে। সমস্ত রাজনৈতিক নেতাদের চরিত্র হরণ করা হয়। সমাজ, রাজনীতি ও ভবিষ্যতের বংশধরদের কাছে রাজনীতিবিদদের সবচেয়ে হীন ব্যক্তি হিসেবে পরিচয় করে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। অর্থাৎ রাজনীতিকে ধ্বংস করার একটা চক্রান্ত ষড়যন্ত্র চলছে। এটা কখনোই সুস্থ রাজনীতির জন্য কোনো শুভ লক্ষণ নয়। যারা এগুলো করছেন, তারা সচেতনভাবে করছেন। এদের মধ্যে অনেককে আমরা ব্যক্তিগতভাবে চিনি, তারা অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে যে ভাষা নিয়ে আসেন, সেটা রাজনীতির স্বাভাবিক ধারাকে ধ্বংস করার জন্য যথেষ্ট।’

তিনি বলেন, ‘এখন সময়টা অন্যরকম, সমাজটা অন্যরকম। এত বড় একটা আন্দোলন, অভ্যুত্থান, তারপরেও কিন্তু আমরা একটা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ফিরে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছি।

এখন আবার অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে শুরু হয়েছে সেই প্রক্রিয়াটাকে ব্যাহত করার। আমার কাছে মনে হয়, গণতন্ত্র খুব বিপদে পড়েছে। এই যে চতুর্দিকে বিভিন্নভাবে একটা সুপরিকল্পিত, সচেতনভাবে একটা প্রচেষ্টা যে, সবকিছু ভেঙে ফেলা, অর্থহীন করে ফেলার চেষ্টা- এর মধ্য দিয়ে একটা নৈরাজ্য সৃষ্টি করার প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘কিছু মহল নির্বাচনের আগে থেকেই এমনভাবে চক্রান্ত করছেন, যাতে গণতন্ত্র এখানে না থাকে। সৌভাগ্য আমাদের, আমরা একটা গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সরকার গঠন করতে পেরেছি। এখন এই সরকারের দায়িত্ব হবে খুব দ্রুততার সঙ্গে এই চক্রান্তকে চিহ্নিত করে, সঠিকভাবে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আজকে একটা শক্তির উত্থান হচ্ছে, যে শক্তি কিন্তু গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না। যে শক্তি মানুষের অধিকারকে স্বাভাবিক নিয়মে, গণতান্ত্রিক উপায়ে রক্ষা করতে বিশ্বাস করে না। সুতরাং এই শক্তি যেন উঠে দাঁড়াতে না পারে, তার জন্য সব গণতান্ত্রিক শক্তির এক হওয়া উচিত।’

বিএনপি বিপ্লবী কোনো দল নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বিএনপি সম্পর্কে অনেকে অনেক রকম চিন্তা করেন। প্রত্যেক মানুষের সেই অধিকার আছে। কিন্তু বিএনপির মূল যে চরিত্র, সেই চরিত্রটা ঠিক একটা উদার গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল। বিএনপি কোনো বিপ্লবী দল নয়। কেউ যদি বিএনপির কাছে বিপ্লব আশা করেন, তাহলে ভুল করবেন। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বিএনপি তার লক্ষ্যে পৌঁছাতে চায়। নির্বাচনের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে যেতে চায়। সেখান থেকেই জনগণের কল্যাণের জন্য বিএনপি কাজ করে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%