০৯:৪৮ এম
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ নির্ধারিত সময় অনুযায়ী শিল্পকলা কেন্দ্র বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে ভোট প্রদান করবেন সংসদ সদস্যরা। ৩৫ বছর পর রাষ্ট্রপতি পদে তাৎক্ষণিক ভোটগ্রহণ হতে যাচ্ছে এবার।
এদিকে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সংসদ সদস্যদের কীভাবে ভোট দেবেন, ব্যালট গ্রহণ ও পূরণের প্রক্রিয়া এবং ভোট গণনা শেষে কিভাবে ফলাফল ঘোষণা করা হবে, সে সম্পর্কে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য তুলে ধরেন।
আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন মাভাবিপ্রবি উপাচার্য
ইসি সচিব এই প্রসঙ্গে বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১ অনুযায়ী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় মঙ্গলবার বিকেল ৪টা পর্যন্ত ছিল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোন প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি। ফলে আগামী ২০ আগস্টের নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে।
তিনি জানান, আগামী ২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদের সংসদ কক্ষে ভোট গ্রহণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। ভোটের শুরুতে নির্বাচনকর্তা, যিনি প্রধান নির্বাচন কমিশনার, ভোট গ্রহণের পদ্ধতি সম্পর্কে সংসদ সদস্যদের অবহিত করবেন। এরপর ভোট গ্রহণের কার্যক্রম শুরু হবে।
ভোট প্রদানের প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করতে গিয়ে আখতার আহমেদ বলেন, ব্যালট পেপারের দুটি অংশ থাকবে। একটি মুড়ি অংশ এবং অন্যটি মূল ব্যালট পেপার। মুড়ি অংশে থাকবে ক্রমিক নম্বর, ভোটদানকারী সংসদ সদস্যের নাম এবং বিভক্তি নম্বর। এর নিচে একটি নির্দিষ্ট স্থানে সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্য পূর্ণ নাম লিখে স্বাক্ষর করবেন। এরপর ব্যালট পেপার গ্রহণ করে জমা দিতে হবে।
মূল ব্যালট পেপারের ডান পাশে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নাম বাংলা বর্ণমালার আদ্যাক্ষর অনুযায়ী মুদ্রিত থাকবে। প্রার্থীদের নামের পাশে নির্ধারিত স্থানে সংসদ সদস্যরা পূর্ণ নাম লিখে স্বাক্ষর করে তাদের ভোট দেবেন।
আরও পড়ুন: ক্ষমতা হারালেই কি গ্রেফতার হবেন নেতানিয়াহু?
ভোট দেওয়ার পর নির্ধারিত ব্যালট বাক্সে ব্যালট পেপার জমা দিতে হবে। বিকেল ৫টা পর্যন্ত ব্যালট গ্রহণ করা হবে। ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার পরপরই ব্যালট গণনা শুরু হবে।
ইসি সচিব জানান, মোট ভোটার সংখ্যা ৩৪৯ জন। গণনার সময়ে কতজন ভোট দিয়েছেন, কতটি ব্যালট বৈধ হয়েছে, কতটি বাতিল হয়েছে এবং কতটি ব্যালট অব্যবহৃত রয়েছে, তা পরিসংখ্যান করা হবে। এরপর প্রার্থীদের প্রাপ্ত বৈধ ভোটের হিসাব করতে হবে। যে প্রার্থী বেশি ভোট পাবেন, তাকে নির্বাচনকর্তা বিজয়ী ঘোষণা করবেন। পরবর্তীতে নির্বাচন কমিশনে ফিরে ফলাফল অনুযায়ী গেজেট প্রকাশ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন