ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড পুনর্গঠনের প্রক্রিয়া, কমিটিতে রয়েছেন যারা


চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড পুনর্গঠনের প্রক্রিয়া, কমিটিতে রয়েছেন যারা

চলচ্চিত্রের সার্টিফিকেশন কার্যক্রমকে আরো কার্যকর ও সমন্বিত করার উদ্দেশ্যে ১৫ সদস্যের ‘বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড’ পুনর্গঠন করেছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়।

গত ২৯ জুলাই উপসচিব মোহাম্মদ আসলাম মোল্লার সই করা একটি প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন আইনের অধিকারী হয়ে সরকার এ বোর্ড গঠন করেছে। বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

আরও পড়ুন: পিরোজপুরে লাশ দাফনে বাধা, নাহিদ ইসলামের নিন্দা ও ইনসাফের আহ্বান

বোর্ডের সদস্য হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (চলচ্চিত্র), আইন ও বিচার বিভাগের একজন প্রতিনিধি, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রেস উইংয়ের একজন প্রতিনিধি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক।

বোর্ডে আরো অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতির (বাচসাস) সাবেক সভাপতি ও চলচ্চিত্র গবেষক আবদুর রহমান, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি শিবা শানু, অভিনেত্রী কাজী নওশাবা, গীতিকার প্রিন্স মাহমুদ এবং সংগীতশিল্পী দিঠি আনোয়ার, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির সভাপতি আওলাদ হোসেন, এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি শাহীন সুমন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আন্তঃপ্রতিষ্ঠান লেনদেনে আমদানি ঘোষণা বিধিমালা শিথিল করলো বাংলাদেশ ব্যাংক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৩৯ পি.এম


আন্তঃপ্রতিষ্ঠান লেনদেনে আমদানি ঘোষণা বিধিমালা শিথিল করলো বাংলাদেশ ব্যাংক

 

বাংলাদেশ ব্যাংক (বিবি) আন্তঃপ্রতিষ্ঠান লেনদেনের জন্য আমদানি ঘোষণা বিধিমালা শিথিল করেছে। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, এখন থেকে আমদানিকারকরা তাদের মূল কোম্পানি, অনুমোদিত বিদেশি সহযোগী প্রতিষ্ঠান এবং শাখা কার্যালয়ের সঙ্গে অধিকতর স্বচ্ছতা ও প্রতিপালন নিশ্চিত করার শর্তে আমদানি বাণিজ্য পরিচালনা করতে পারবেন।

আজ মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ পলিসি ডিপার্টমেন্ট (এফইপিডি-১) এ-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে পূর্বের নির্দেশনা সংশোধন করেছে। পূর্ববর্তী বিধান অনুযায়ী, আমদানিকারকদের ঘোষণা দিতে হতো যে বিদেশি রপ্তানিকারকের সঙ্গে তাদের কোনো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্পর্ক কিংবা আর্থিক স্বার্থ নেই।

এই প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের উল্লেখযোগ্য অংশ বৈধভাবে সংশ্লিষ্ট বা সম্পর্কযুক্ত প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সম্পন্ন হচ্ছে, যা বিবেচনায় এই পরিবর্তন আনা হয়েছে।

সংশোধিত বিধান অনুযায়ী, আমদানিকারকদের ঘোষণা দিতে হবে যে আন্তঃপ্রতিষ্ঠান লেনদেনটি আর্মস লেংথ ভিত্তিতে প্রতিযোগিতামূলক বাজারদরে সম্পন্ন হয়েছে এবং তা ট্রান্সফার প্রাইসিং-সংক্রান্ত সব প্রযোজ্য বিধান, সংশ্লিষ্ট আইন এবং মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ (এএমএল/সিএফটি) মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

এ ধরনের ক্ষেত্রে নির্ধারিত আইএমপি (IMP) ফরমের ১(গ) ধারায় আমদানিকারক ও রপ্তানিকারকের মধ্যে যে সম্পর্ক নেই মর্মে যে ঘোষণা দিতে হতো, তা এখন থেকে প্রযোজ্য হবে না। এই উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক আইএমপি ফরমেও প্রয়োজনীয় সংশোধন এনেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকগুলোকে আমদানি লেনদেন প্রক্রিয়াকরণের আগে প্রয়োজনীয় ঘোষণা সংগ্রহের নির্দেশনা দিয়েছে। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় নথিপত্রের মাধ্যমে আমদানিকারক ও বিদেশি রপ্তানিকারকের পারস্পরিক সম্পর্কের বৈধতা যাচাই করতে এডি ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, আন্তঃপ্রতিষ্ঠান লেনদেনসংক্রান্ত সংশোধিত নির্দেশনা প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সাপেক্ষে রপ্তানি লেনদেনের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে। এই জন্য গত ৩০ জুলাই জারি করা এফইপিডি-১ সার্কুলার নং-২৬-এর সংশ্লিষ্ট বিধান সংশোধন করা হয়েছে।

তবে বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনসংক্রান্ত অন্যান্য সব বিধান অপরিবর্তিত থাকবে। বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকগুলোকে সংশোধিত নির্দেশনা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট গ্রাহকদের অবহিত করার এবং তা অবিলম্বে ও কঠোরভাবে বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিয়ের প্রলোভনে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, মসজিদের ইমাম গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৪৬ পি.এম


বিয়ের প্রলোভনে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, মসজিদের ইমাম গ্রেপ্তার

সুনামগঞ্জের এক কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযোগকারী মামলার ভিত্তিতে মসজিদের ইমাম হুমায়ুন আহমেদ (৩০) কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সন্ধ্যায় বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার বাঘবের বাজার থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। বিশ্বম্ভরপুর থানার ওসি শাহীন মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গ্রেপ্তার হওয়া হুমায়ুন আহমেদ বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার সলুকাবাদ ইউনিয়নের মধুরকান্দি গ্রামের একজন বাসিন্দা। তিনি দক্ষিণপড়া জামে মসজিদের ইমাম পদে নিয়োজিত আছেন। মামলা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মসজিদের ইমামতি করার সুবাদে এলাকার লোকজনের সঙ্গে হুমায়ুনের ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠে, এবং এ ক্ষেত্রে বিশেষ করে ওই এলাকার কিশোরী দিগেন্দ্র বর্মন সরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রীর সঙ্গে তিনি প্রেমের সম্পর্ক স্থাপন করেন। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, গত মে মাসের ২৪ তারিখে মোবাইল ফোনে ম্যাসেজ পাঠিয়ে রাত আনুমানিক ৯টার সময় কিশোরীকে মসজিদসংলগ্ন ইমামের কক্ষে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেন হুমায়ুন। রক্ষিত বিষয়টি কাউকে জানাতে না বলেন তিনি, এবং কিশোরীকে চাকু দেখিয়ে ভয় দেখিয়ে আটক রাখেন। এর পর, গত ১৭ জুলাই দুপুর আড়াইটার দিকে নিজের থাকার ঘরে ওই কিশোরীকে নিয়ে দ্বিতীয়বারও ধর্ষণ করার ঘটনা ঘটে। এই সময় তিনি স্ত্রীকে তালাক দিয়ে ওই কিশোরীকে বিয়ে করার প্রলোভন দেখান। তবে পরে বিয়ের জন্য চাপ প্রয়োগ করলে কলেজছাত্রী বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান এবং এরপর উভয়ের মধ্যে ভয়-ভীতি দেখানোর আসল ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে, কলেজছাত্রী জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যবস্থা গ্রহণ করে। এই ঘটনায়, গত ২৬ জুলাই কলেজছাত্রীর বাবা অভিযুক্ত ইমাম হুমায়ুন আহমেদের বিরুদ্ধে সুনামগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলাটি রেকর্ড করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিশ্বম্ভরপুর থানার পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন। বিশ্বম্ভরপুর থানার ওসি শাহীন মিয়া বলেছেন, “কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।” আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী থানায় মামলা রেকর্ড করা হয়েছে, এবং অভিযুক্ত ইমাম হুমায়ুনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া ইমামকে বুধবার (৫ আগস্ট) আদালতে সোপর্দ করার ব্যবস্থা করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফোন দিলেই "Please Text Me" ক্যামেরার সামনেও নীরব কুড়িগ্রামের ডিসিকে ঘিরে সাংবাদিকদের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৪৬ পি.এম


ফোন দিলেই "Please Text Me" ক্যামেরার সামনেও নীরব কুড়িগ্রামের ডিসিকে ঘিরে সাংবাদিকদের অভিযোগ

কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, তিনি সংবাদকর্মীদের ফোন করেন না এবং ক্যামেরার সামনে বক্তব্য দিতে অনিচ্ছুক। জেলার বিভিন্ন সমস্যা, সম্ভাবনা ও সময়োপযোগী বিষয় নিয়ে বক্তব্য নিতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও, তিনি অধিকাংশ সময় ফোন রিসিভ না করে "Please text me" লিখে বার্তা পাঠাচ্ছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মীর পক্ষ থেকে। এর ফলে গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ প্রকাশ ও প্রচারের ক্ষেত্রে সাংবাদিকরা নানান রকম বিড়ম্বনার সম্মুখীন হচ্ছেন বলে দাবি করেছেন তারা।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সময় টেলিভিশনের কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি বাদশাহ সৈকত জেলা প্রশাসকের বক্তব্য নিতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়েছিলেন। অভিযোগ অনুযায়ী, তাকে প্রায় দুই ঘণ্টা বসিয়ে রেখে ডিসি বক্তব্য দেননি। বাদশাহ সৈকত জানিয়েছেন, তিনি ৫ বছর ধরে গুরুত্বপুর্ণ বাইপাস সড়কের ভূমি অধিগ্রহণ আটকে রাখার বিষয় নিয়ে ডিসির বক্তব্য নিতে এসেছিলেন। বক্তব্য না দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে, ডিসি উত্তর দেন যে, "আমিসহ আমার প্রশাসনের কোন কর্মকর্তা ক্যামেরায় কথা বলবে না।"

পরে ওই সাংবাদিক তার নিজের ফেসবুক আইডিতে লিখেছেন, "কোন গোপন রহস্যে সাংবাদিকদের ক্যামেরায় কথা বলতে চান না কুড়িগ্রামের ডিসি অন্নপূর্ণা দেবনাথ, জানতে চায় জাতি!"

শুধু বাদশাহ সৈকত নয়, ডিসি যোগদানের পর থেকে জেলায় কর্মরত কোন মিডিয়ার সাংবাদিকদের ক্যামেরার সামনে কথা বলেননি তিনি। এমনকি, ডিসির অনুমতি ছাড়া তার অধিনস্ত ইউএনওসহ জেলা প্রশাসনের সকল কর্মকর্তা ক্যামেরার সামনে কথা বলেন না। বিষয়টি এমন যে, সাংবাদিকদের প্রতি তাদের কোন দায়বদ্ধতা নেই বলে মনে হচ্ছে।

ডিবিসি নিউজের কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি ওয়াহিদুজ্জামান তুহিন বলেন, জেলার উন্নয়ন, সমস্যা বা সংকট সংক্রান্ত বিষয়ে সংবাদ প্রচারের জন্য জেলা প্রশাসকের বক্তব্য নিতে চাইলেই তিনি বিভিন্ন অজুহাতে তা এড়িয়ে যান।

এসএ টিভির কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি জাহিদুল ইসলাম জাহিদ জানিয়েছেন, পরপর জেলায় কয়েকজন নারী জেলা প্রশাসক পেয়েছিলেন। কম-বেশি সকলেই একই আচরণ করেছেন। জেলাকে এগিয়ে নিতে নারীদের প্রশাসকই প্রতিবন্ধকতা।

চ্যানেল ওয়ানের কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি রাশেদুল ইসলাম বলেন, জেলা প্রশাসক জনগণের সেবক। জনগণ রাষ্ট্রের মালিক এবং গণমাধ্যম ওই জনগণের মুখপাত্র। গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা না বলা মানে জনগণের কাছে জবাবদিহি থেকে সরে আসা।

দেশ টিভির কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি জুয়েল রানা জানিয়েছেন, তিনি যতবার জেলা প্রশাসকের কাছে বিভিন্ন বিষয়ে বক্তব্য নিতে ফোন করেছেন, অধিকাংশ সময়ই তিনি ফোন না ধরে 'Please text me' লিখে বার্তা পাঠিয়েছেন।

জাগো নিউজ ও দৈনিক কালের কণ্ঠের কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি রোকনুরজ্জামান মানু জানিয়েছেন, বিভিন্ন সংবাদের বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য ফোন করলেও তিনি বেশিরভাগ সময় ফোন রিসিভ করেন না।

সিনিয়র সাংবাদিক দীপ্ত টিভির কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি মো: ইউনুছ আলী এটি দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছেন। সংবাদমাধ্যমকে এড়িয়ে চলা সুখকর নয়।

নাগরিক টিভির কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি ফজলুল করিম ফারাজি বলেছেন, কুড়িগ্রামবাসীর কপালে খারাপ। কারণ পরপর নারী জেলা প্রশাসক কুড়িগ্রামে যোগদানের কারণে এ জনপদের মানুষ উন্নয়ন থেকে পিছিয়ে পড়েছে।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কলাপাড়ায় মঙ্গল সুখ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি এখন প্রাথমিক শিক্ষার প্রধান বাতিঘর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৪৮ পি.এম


কলাপাড়ায় মঙ্গল সুখ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি এখন প্রাথমিক শিক্ষার প্রধান বাতিঘর

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় অবস্থিত আধুনিক প্রাথমিক শিক্ষার বাতিঘর হিসেবে পরিচিত 'মঙ্গল সুখ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়'। বর্তমান সরকারের নতুন শিক্ষা কার্যক্রমের সাফল্যের বার্তা ছড়িয়ে বিদ্যালয়টিতে সাফল্যের সঙ্গে পরিচালিত হচ্ছে প্রাক-প্রাথমিক থেকে প্রাথমিক স্তরের শিক্ষা কার্যক্রম। এখানে আধুনিক অবকাঠামো এবং তথ্য-প্রযুক্তি সংযুক্ত উপকরণ ব্যবহার করে পাঠদান করা হচ্ছে।

সূত্র অনুযায়ী, উন্নত ও আধুনিক শিক্ষাদানের অনন্য স্বীকৃতিস্বরূপ বিদ্যালয়টি ২০২৪ ও ২০২৬ সালে বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ বিদ্যালয় হিসেবে প্রথম স্থান অর্জন করেছে। বর্তমানে সরকারের ভিত্তিমূলক শিখন বা FLN (Foundational Literacy and Numeracy) কার্যক্রম বাস্তবায়নেও প্রাথমিক বিদ্যালয়টি উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম আধুনিকায়ন ও যুগোপযোগী করতে প্রথম ধাপে দেশের তিনটি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে বিশেষভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার 'মঙ্গল সুখ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়', পাবনার 'ভাঙ্গুরা বোয়ালমারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়' এবং গাজীপুরের 'কালিয়াকৈর এলাকার উত্তর দারিয়াপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়' এর মধ্যে অন্যতম। বিদ্যালয়ে আধুনিক ও তথ্য-প্রযুক্তিভিত্তিক পাঠদান করা হচ্ছে।

পড়াশোনার পাশাপাশি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা খেলাধুলা ও সহ-শিক্ষা কার্যকলাপে অনন্য রেকর্ড গড়ছে। ২০২৩ সালে অল বাংলাদেশ প্রতিযোগিতায় প্রথম ও দ্বিতীয় অবস্থান অর্জন করে বিদ্যালয়টি, এবং ২০২২ সালে শতভাগ বৃত্তি লাভ করে। খেলাধুলার প্রতিযোগিতায় প্রতি বছর উপজেলা ও জেলায় অত্যন্ত কৃতিত্বের সাথে প্রথম স্থান বজায় রাখে। সম্প্রতি ২০২৬ সালে বিভাগীয় পর্যায়ের বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্টে কলাপাড়ার এই বিদ্যালয়টি বিভাগীয় স্তরে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে, যা পুরো পটুয়াখালী জেলায় প্রথম। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের বিনোদনের জন্য পিয়ানো, হারমোনিয়ামসহ অন্যান্য বাদ্যযন্ত্র ও খেলাধুলার সরঞ্জাম রয়েছে। পড়াশোনার পাশাপাশি সাধারণ জ্ঞানের পরিধি বৃদ্ধির জন্য বিদ্যালয়ে একটি গ্রন্থাগার স্থাপন করা হয়েছে, যেখানে বিভিন্ন ধরনের বই রয়েছে। শিশু শিক্ষার্থীদের আদর্শিক মনোভাবাপন্ন করে তুলতে বিদ্যালয়ে 'কাব স্কাউট'-এর একটি গ্রুপ রয়েছে, যারা জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে অনন্য সাফল্য দেখিয়েছে। বিগত দশ বছরে শাপলা কাব অ্যাওয়ার্ডসহ মোট ১০৪টি জাতীয় স্তরের পুরস্কার অর্জন করেছে তারা। গত পাঁচ বছরে প্রাথমিক বিদ্যালয় স্তরের প্রতিযোগিতায় ১২২টি শাপলা কাব অ্যাওয়ার্ড তারা পেয়েছে। বিদ্যালয়ের সামগ্রিক অর্জন পটুয়াখালীর কলাপাড়ার স্থানীয় শিক্ষা অঙ্গনে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে এবং অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্যও অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছে।

মংগলবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কলাপাড়া পৌরশহরের এ বিদ্যালয়ের সামনে বায়ান্ন থেকে একাত্তর সাল পর্যন্ত ইতিহাস সংবলিত সব ঘটনার নায়ক ও শহীদ বুদ্ধিজীবীদের ছবি আঁকা রয়েছে। এছাড়াও, শিক্ষার্থীদের আন্দোলিত করার জন্য মীনা-রাজুর কার্টুনের ছবি রয়েছে। বিদ্যালয়ের প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণিকক্ষে শিশুদের খেলাধুলার সামগ্রী ও লেখাপড়ার সামগ্রিক বিষয়গুলো দেয়ালে আঁকা রয়েছে। জাতীয় ফুল-ফলসহ সব স্তরের শিক্ষা প্রদানের জন্য মাটির তৈরি সামগ্রী থরে থরে সাজানো আছে। শিশুদের খেলার জন্য বিভিন্ন সামগ্রী যেমন স্লিপার, দোলনা, ঘোড়া, হাতি, সিংহ, জিরাফসহ অনেক জীবনযাত্রা বিষয়ক সামগ্রীও রয়েছে। যেন এটি একটি শিশুতোষ শিশুপার্কের মতো মনে হচ্ছে। প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য পুরো বই দেয়ালে অঙ্কিত রয়েছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বর্তমানে বাংলা, ইংরেজি ও গণিত বিষয়ে কাঙ্ক্ষিত দক্ষতা অর্জনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। গত তিন বছরে শিক্ষার্থীদের এফএলএন কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখা গেছে। পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা বাংলা বিষয়ে শতভাগ দক্ষতা অর্জনের পর্যায়ে পৌঁছেছে। তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত সব শ্রেণিতে গণিতে ৯৫% অগ্রগতি বজায় রয়েছে। শিক্ষকেরা নিয়মিত শিখন মূল্যায়ন, পাঠভিত্তিক কার্যক্রম এবং শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক শিখন পদ্ধতি অনুসরণ করছেন। ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পাঠ, লিখন ও গণনাভিত্তিক দক্ষতার ইতিবাচক বিকাশ ঘটে চলেছে। এছাড়া প্যারেড গ্রাউন্ডে সমবেত কন্ঠে জাতীয় সঙ্গীত ও সমাবেশ আয়োজনের দেখা যায়। ঘণ্টা বাজার সাথে সাথে শিশুরা নিজেদের শ্রেণিকক্ষে ছুটে যায়। তৃতীয় শ্রেণির কক্ষে শিক্ষক প্রবেশ করলেই শিক্ষার্থীরা সমস্বরে অভিবাদন জানায়। শিক্ষক কুশল বিনিময় করার পর প্রজেক্টরের মাধ্যমে সাদা পর্দার ওপর মাল্টিমিডিয়ার রশ্মি ছেড়ে দেওয়া হয়। ল্যাপটপের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত প্রাথমিক বিজ্ঞান বইয়ের ১০ অধ্যায়ের 'প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচয়' বিষয়ের একটি ভিডিও দেখানো হয়। এরপর মাল্টিমিডিয়ার আলোক রশ্মি বন্ধ করে ভিডিওর খুঁটিনাটি বিষয় পুনঃআলোচনা করা হয়। শিক্ষার্থীদের বলতে বলা হয় ভিডিওতে দেখা বিষয়াবলি দলগতভাবে আলোচনা করার জন্য। পরবর্তীতে শিক্ষকদের কাছে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর ল্যাপটপের মাধ্যমে গ্রহণ করা হয়। এই পদ্ধতিতে শিক্ষা কার্যক্রম চমৎকারভাবে পরিচালিত হচ্ছে। পাশের কক্ষে প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পাঠদান করছিলেন এক সহকারী শিক্ষক। তিনি পড়াচ্ছিলেন 'এ ফর অ্যাপল, বি ফর বল' ইত্যাদি।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসা, নাজমুস সাকিব খান কনা বলেন, 'এই বিদ্যালয়টি ১৯৫৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। পরে ১৯৯৫ সালে এটি 'আদর্শ বিদ্যালয়' হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে এবং ২০০৫ সালে 'মডেল বিদ্যালয়' হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে। বর্তমানে বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকসহ মোট ১৬ জন শিক্ষক কর্মরত আছেন। শিক্ষার্থী সংখ্যা ৭৬৮ জন, যার মধ্যে বালক ৩৪৫ জন এবং বালিকা ৪২৩ জন। ভিত্তিমূলক শিখন নিশ্চিত করতে বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন। নিয়মিত মূল্যায়ন ও অভিভাবকদের সহযোগিতার কারণে শিক্ষার্থীরা দ্রুত অগ্রগতি অর্জন করছে। ভবিষ্যতেও এই সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখতে আমরা বদ্ধপরিকর।'

কলাপাড়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোসা. শাহিদা বেগম বলেন, FLN কার্যক্রমসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে কলাপাড়ার মঙ্গল সুখ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সফলভাবে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। আমাদের প্রত্যাশা, ওই বিদ্যালয়ের সফলতার মাধ্যমে সরকারের আধুনিক শিক্ষা কার্যক্রম আরো ব্যাপকভাবে সফল হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%