ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইয়ামালকে গোসল করানোর ভাইরাল ছবি নিয়ে মুখ খুললেন মেসি


ইয়ামালকে গোসল করানোর ভাইরাল ছবি নিয়ে মুখ খুললেন মেসি

বার্সেলোনা ফাউন্ডেশন এবং কাতালান দৈনিক দিয়ারিও স্পোর্তের দাতব্য ক্যালেন্ডারের জন্য ২০০৭ সালের ডিসেম্বরে একটি ফটোশ্যুটে অংশ নিয়েছিলেন তৎকালীন বার্সেলোনা তারকা লিওনেল মেসি। তখন প্রতিবছর বার্সার ফুটবলারদের সাথে শিশুদের ছবি তুলে ক্যালেন্ডার বিক্রি করা হতো। আয় যেত ইউনিসেফসহ বিভিন্ন দাতব্য প্রতিষ্ঠানে। এই ফটোশ্যুটে বার্সেলোনার স্কোয়াডের ১২ জন ফুটবলারকে বছরের ১২ মাসের প্রতীক হিসেবে একেকটি শিশুর সাথে জুড়ে দেওয়া হতো। অনেক খেলোয়াড়ই অংশ নিয়েছিলেন এমন ফটোশ্যুটে, তবে সেসব ছবির বেশিরভাগই হারিয়ে গেছে সময়ের সাথে। কিন্তু একটি ছবি আজও ইতিহাস হয়ে রয়েছে।

ছবিটি বর্তমান বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার লিওনেল মেসির সঙ্গে উদীয়মান প্রতিভা লামিন ইয়ামালের। পাঁচ মাস বয়সী ইয়ামালকে বাথটাবে গোসল করিয়ে দিচ্ছেন মেসি, এবং দাতব্য ক্যালেন্ডারের জন্য এই মুহূর্ত ধারণ করা হয়েছিল ১৯ বছর আগে। তখন ছবিটি তেমন নজর না পেলেও, আজ এই ছবিই সারা বিশ্বকে ভূমিধ্বংসী আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

বিভিন্ন দিন আগে এই ছবি নিয়ে গণমাধ্যমে মন্তব্য করেছিলেন লামিন। তাকে উদ্ধৃত করে বলা হয়, 'আমি অনেক বড় হয়ে গেছি এবং লিও-ও। আমি আশা করি ফাইনালে মেসির মুখোমুখি হতে পারব, যেহেতু আমরা ফিনালিসিমায় খেলতে পারিনি।'

আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নলকূপ খননের স্থান থেকে গ্যাসের আগুন, বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে

লামিনের পর এবার সেই ছবিটি নিয়ে প্রশ্নের সম্মুখীন হন লিওনেল মেসিও। শুক্রবার (৭ জুলাই) ফিফার একটি অনুষ্ঠানে মেসি অংশ নেন। এ আয়োজনের অংশ হিসেবে, দুদলের কোচ এবং অধিনায়করা উপস্থিত ছিলেন। সেখানে লামিনের সঙ্গে তার ২০০৭ সালে তোলা ছবির প্রসঙ্গ উঠেছিল।

ছবিটি প্রসঙ্গে মেসি মন্তব্য করেন, ‘সত্যি কথা হলো ছবিটা অদ্ভুত। কারণ এটাই জীবন। যখন আমি ছোট ছিলাম তখন ছবিটা তুলেছিলাম। এখন বিশ্বকাপ ফাইনালে তার মুখোমুখি হচ্ছি। এটা অবিশ্বাস্য। তবে সে এখন বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার। সে ইতোমধ্যেই স্পেনের হয়ে ইউরো জয় করেছে। বর্তমানে সে দারুণ করছে এবং ভবিষ্যতও তার জন্য উজ্জ্বল। কিন্তু এই ম্যাচে আমরা চেষ্টা করব, যাতে সে তার সেরাটা খেলতে না পারে।’

মেসি বার্সেলোনায় তার সেরা সময় কাটিয়েছেন। আর্জেন্টিনা ছেড়ে কৈশোরে মূলত বার্সেলোনাতেই বেড়ে উঠেছেন তিনি। তাই ইয়ামালের প্রতি তার আলাদা একটি স্নেহ রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, 'বার্সেলোনায় আমি অনেক সময় কাটিয়েছি এবং সেখান থেকে তার সঙ্গেও পরিচয় রয়েছে।' ২০০৭ সালের ইয়ামাল-মেসির ছবিটি আজ আলোচনা তৈরি করেছে। দুই দশক পর এখন তারা একে অন্যের বিরুদ্ধে বিশ্বকাপের ফাইনালে লড়াই করছেন। যা মেসি ‘ভাগ্যের অবিশ্বাস্য গল্প’ হিসেবেও উল্লেখ করেছেন।

আরও পড়ুন: কুমিল্লায় রাজস্ব কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী হত্যা মামলায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেসিকে নিয়ে আবেগঘন বার্তা শাকিরার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:১১ এম


মেসিকে নিয়ে আবেগঘন বার্তা শাকিরার

বিশ্বকাপের ফাইনালের আগে আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসিকে নিয়ে আবেগঘন বার্তা প্রদান করেছেন বিশ্বখ্যাত কলম্বিয়ান পপ তারকা শাকিরা। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মেসির একটি ছবি শেয়ার করে বলেন, বয়সকে হার মানিয়ে যে ফুটবল খেলছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা, তাই বর্তমান ক্রীড়াবিশ্বে একটি অনন্য উদাহরণ।

নিজের বার্তায় শাকিরা উল্লেখ করেছেন, মেসি শুধুমাত্র একজন অসাধারণ ফুটবলার নন, তিনি কঠোর পরিশ্রম, শৃঙ্খলা ও অদম্য মানসিক শক্তির প্রতীকও বটে। সময়ের সঙ্গে লড়াই করে এবং নানা সমালোচনাকে উপেক্ষা করে যেভাবে তিনি নিজেকে শীর্ষ পর্যায়ে ধরে রেখেছেন, তা একটি বিস্ময়কর ঘটনা।

শাকিরার ভাষায়, “মেসি প্রমাণ করেছেন একজন মানুষকে কখনোই তার বয়স কিংবা অন্যের মন্তব্য দিয়ে বিচার করা উচিত নয়। প্রতিভা, অধ্যবসায় ও আত্মবিশ্বাস থাকলে অসম্ভবকেও সম্ভব করা যায়।”

এছাড়া মেসির সাফল্যের পেছনে তার স্ত্রী আন্তোনেলা রোকুজ্জোর ভূমিকাও বিশেষভাবে তুলে ধরেন শাকিরা। তিনি মনে করেন, দীর্ঘদিনের সঙ্গী আন্তোনেলার সমর্থন এবং ভালোবাসা মেসিকে প্রতিনিয়ত অনুপ্রাণিত করে চলেছে।

শাকিরা বলেন, “আন্তোনেলার মতো একজন মানুষ পাশে থাকার কারণেই মেসি বারবার নতুন করে নিজেকে প্রমাণ করার ক্ষমতা পান। একজন সফল মানুষের পেছনে পরিবারের সমর্থন কতটা গুরুত্বপূর্ণ, সেটির অন্যতম উদাহরণ তারা।”

শাকিরার এই প্রশংসা আন্তোনেলার দৃষ্টি থেকে এড়ায়নি। আর্জেন্টাইন তারকার স্ত্রী পরে সেই বার্তাটি নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেন, যা ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

এদিকে বিশ্বকাপের শিরোপা নির্ধারণী মহারণে স্পেনের মুখোমুখি হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে আর্জেন্টিনা। রবিবার রাত ১টায় যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে বহুল প্রতীক্ষিত এই ফাইনাল। টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন নিয়ে মাঠে নামবে মেসির দল, আর স্পেন চাইবে নিজেদের ইতিহাসে আরও একটি বিশ্বকাপ শিরোপা যোগ করতে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় শোকযাত্রায় অংশগ্রহণকারীসহ নিহত ১৪

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:১৩ এম


গাজায় ইসরায়েলি হামলায় শোকযাত্রায় অংশগ্রহণকারীসহ নিহত ১৪

গাজা উপত্যকার বিভিন্ন অঞ্চলগুলোতে ইসরায়েলের একাধিক হামলায় অন্তত ১৪ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। একই সঙ্গে আহত হয়েছে আরো অনেক মানুষ।

নিহতদের মধ্যে আটজন একটি জানাজা শেষে দাফনের উদ্দেশ্যে বের হওয়া শোকযাত্রায় অংশ নিয়েছিলেন। গাজার স্বাস্থ্য ও উদ্ধার কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, তাদের ওপর ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।

শুক্রবার মধ্য গাজার নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরের আল-বালাতা বাজার এলাকায় হামলার ঘটনাটি ঘটেছে। গাজার সিভিল ডিফেন্স সংস্থা এবং আল-আওদা হাসপাতাল জানায়, এই হামলায় আটজন নিহত এবং অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একই এলাকায় এর আগে একটি হামলায় নিহত হওয়া এক ফিলিস্তিনির জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। জানাজা শেষে দাফনের জন্য শোকযাত্রা বের হওয়ার সময় আহমদ ইয়াসিন মসজিদের সামনে অনেক লোক জড়ো হয়েছিলেন। ঠিক তখনই একটি ইসরায়েলি ড্রোন সেখানে হামলা চালায়। ফলে ঘটনাস্থলেই কয়েকজন নিহত হয়।

গাজা সিটি থেকে আল জাজিরার রিপোর্টকারী হানি মাহমুদ মন্তব্য করেন, যদিও যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকার কথা, কিন্তু বাস্তবে প্রতিদিন হামলা অব্যাহত রয়েছ। তার বলা মতে, মসজিদ থেকে বের হওয়ার সময় শোকযাত্রায় অংশ নেওয়া মানুষের ওপর ড্রোন হামলা বাধ্যতামূলক হয়েছে। বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এই হামলার কথা স্বীকার করেছে। তবে তারা দাবি করেছে, তারা মধ্য গাজায় একটি 'সন্ত্রাসী' দলের সদস্যদের লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। একই সঙ্গে তারা বলেছে, হামলার ফলে সাধারণ মানুষ হতাহত হওয়ার বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে এবং এটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

অন্যদিকে ফিলিস্তিনি সংগঠন হামাস এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে। হামাস অভিযোগ করেছে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকার পরও ইসরায়েল ধারাবাহিকভাবে সেই চুক্তি লঙ্ঘন করছে। সংগঠনটির দাবি, নিরীহ মানুষকে হত্যা এবং আতঙ্ক সৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও মধ্যস্থতাকারীরা এসব ঘটনাগুলো দেখলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না বলেও তারা অভিযোগ করেছে।

ফিরে গিয়ে, নুসেইরাতের পাশাপাশি গাজার অন্যান্য কয়েকটি এলাকায় হামলার খবর পাওয়া গেছে শুক্রবার। ফিলিস্তিনি বার্তা সংস্থা ওয়াফা জানায়, উত্তর গাজার বেইত লাহিয়া শহরের আবু তাম্মাম স্কুলের কাছে একটি ইসরায়েলি ড্রোন থেকে বোমা ফেলা হয়। এতে ৫২ বছর বয়সী এক নারী নিহত হন। মধ্য গাজার আজ-জাওয়াইদা এলাকায় সাধারণ জনগণের জড়ো হওয়া স্থানে আরেকটি হামলায় একজন নিহত এবং কয়েকজন আহত হন। নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরের পশ্চিমে আল-সাওয়ারহা এলাকায় বাস্তুচ্যুত মানুষের আশ্রয়কেন্দ্র হিসাবে ব্যবহৃত একটি স্থাপনার হামলায় আরো একজন নিহত হন। এছাড়াও গাজা সিটির একটি আবাসিক ভবনে ইসরায়েলি ড্রোন হামলার ফলে একজন ফিলিস্তিনি নিহত হন এবং এতে কয়েকজন শিশু ও অন্যান্য আহত হয়েছেন। দক্ষিণ গাযার খান ইউনিসের দক্ষিণ-পশ্চিমে ইসরায়েলি বাহিনী কর্তৃক গুলিবিদ্ধ আহত একজন নারী পরে মারা যান।

গত বছরের অক্টোবর থেকেই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরেও গাজায় ইসরায়েল নিয়মিত হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রায় প্রতিদিনই বিভিন্ন স্থানে বিমান হামলা, ড্রোন হামলা এবং গোলাবর্ষণের ঘটনাগুলো ঘটছে। গবেষণা প্রতিষ্ঠান 'আর্মড কনফ্লিক্ট লোকেশন অ্যান্ড ইভেন্ট ডেটা (এসিএলইডি)' বুধবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, গত মে মাসের পর থেকে গাজায় ইসরায়েলের হামলার সংখ্যা বাড়ছে। প্রতিষ্ঠানের তথ্য অনুযায়ী, গত মাসে গাজায় ৪০টির বেশি হামলার ঘটনা ঘটেছে। যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর এটি এক মাসে সর্বোচ্চ হামলার সংখ্যা। এই পরিস্থিতির কারণে যুদ্ধবিরতি কি কার্যকর তা নিয়ে নতুন প্রশ্ন উঠছে এবং গাজার সহিংসতা শেষ হবে কিনা, তা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে।

আল জাজিরার রিপোর্টকারী হানি মাহমুদ আরো বলেন, বর্তমানে গাজার আকাশে প্রায় সবসময়ই ড্রোন উড়তে দেখা যাচ্ছে। তার ভাষ্যমতে, চারপাশে ড্রোনের যান্ত্রিক শব্দ শোনা যাচ্ছে। সেইসঙ্গে ইসরায়েল গাজায় টিকে থাকা অবকাঠামোগুলো ধ্বংস করে চলেছে। ইসরায়েলি সংবাদপত্র 'হারেৎজ' শুক্রবার জানায়, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় ২৭৪ জন শিশু নিহত হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই সময়ে গড়ে প্রতিদিন একজন করে শিশু প্রাণ হারিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুয়েত প্রবাসীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা জারি দূতাবাসের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:১৪ এম


কুয়েত প্রবাসীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা জারি দূতাবাসের

কুয়েতে হাসাবিয়া ও আব্বাসিয়া এলাকার ঝুঁকিপূর্ণ ভবনসমূহ থেকে বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের প্রবাসীদের উচ্ছেদ করা হয়েছে। বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে সরকারি কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে তাদের উচ্ছেদ করা হয়।

পরে, কুয়েত সরকার তাদের জন্য হাসাবিয়া এলাকার একটি সরকারি বিদ্যালয়ে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রের ব্যবস্থা করে। সেখানে পর্যাপ্ত খাদ্য ও পানীয় রাখা হয়েছে। এছাড়া সেখানে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (এয়ারকন্ডিশন) সুবিধাও রয়েছে।

আশ্রয়কেন্দ্রে সাময়িকভাবে স্থান পাওয়া প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের সার্বিক অবস্থা বাংলাদেশ দূতাবাসের একটি উচ্চপদস্থ প্রতিনিধি দল সরেজমিনে পরিদর্শন করেছে। সরেজমিনে পরিদর্শনকালে তারা ওইসব এলাকায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কুয়েতের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গেও মতবিনিময় করেন।

পরিদর্শনকালে দূতাবাসের কাউন্সিলর ও মিশন প্রধান মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান এবং শ্রম কল্যাণ শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত কাউন্সিলর শোয়াইব-উল-ইসলাম তরফদারের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি আশ্রয়কেন্দ্রে গিয়ে সেখানে প্রবাসীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের খোঁজখবর নেন।

কুয়েতি কর্মকর্তাদের মতে, অবৈধ বিদেশি নাগরিকদের ফেরত পাঠাতে এবং ঝুঁকিপূর্ণ ভবন খালি করে অপসারণের লক্ষ্যে এই অভিযান চলছে। আগামীতে দেশটির অন্যান্য এলাকাতেও এই অভিযান অব্যাহত থাকতে পারে।

কুয়েত কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যাচাই-বাছাই শেষে বৈধ কাগজপত্রধারী প্রবাসীদের আশ্রয়কেন্দ্র ছাড়ার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। তবে অবৈধ প্রবাসীদের নির্বাসন কেন্দ্রের মাধ্যমে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে। উচ্ছেদে গৃহহীনরা বৈধ কাগজ দেখিয়ে সাময়িকভাবে আশ্রয়কেন্দ্রে থাকতে পারলেও, সেখানে থাকাকালীন কাজ বা অন্য কোনো উদ্দেশ্যে বাইরে যেতে পারবেন না।

চলমান অভিযানের কারণে যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে কুয়েতপ্রবাসী বাংলাদেশিদের আবাসনের বৈধতা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ রাখার অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ দূতাবাস। একই সঙ্গে, বাইরে চলাচলের সময় প্রত্যেককে নিজ নিজ কুয়েতি নাগরিক পরিচয়পত্র (সিভিল আইডি) বা অন্য কোনো বৈধ নথিপত্র সবসময় সাথে রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নাজমুন নাহার আর নেই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:১৬ এম


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নাজমুন নাহার আর নেই

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ড. নাজমুন নাহার ইন্তেকাল করেছেন। শুক্রবার (১৭ জুলাই) দিবাগত রাত ১২টা ১৫ মিনিটে তিনি রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন) অধ্যাপক ড. নাজমুন নাহার দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন। মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল ৫২ বছর। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর জানিয়েছে, অধ্যাপক নাজমুন নাহারের মরদেহ শনিবার দুপুর ১২টায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও শুভানুধ্যায়ীদের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগে নেওয়া হবে। পরে বাদ জোহর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে অধ্যাপক নাজমুন নাহারকে আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হবে। অধ্যাপক ড. নাজমুন নাহারের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%