১১:০৯ এম
বার্সেলোনা ফাউন্ডেশন এবং কাতালান দৈনিক দিয়ারিও স্পোর্তের দাতব্য ক্যালেন্ডারের জন্য ২০০৭ সালের ডিসেম্বরে একটি ফটোশ্যুটে অংশ নিয়েছিলেন তৎকালীন বার্সেলোনা তারকা লিওনেল মেসি। তখন প্রতিবছর বার্সার ফুটবলারদের সাথে শিশুদের ছবি তুলে ক্যালেন্ডার বিক্রি করা হতো। আয় যেত ইউনিসেফসহ বিভিন্ন দাতব্য প্রতিষ্ঠানে। এই ফটোশ্যুটে বার্সেলোনার স্কোয়াডের ১২ জন ফুটবলারকে বছরের ১২ মাসের প্রতীক হিসেবে একেকটি শিশুর সাথে জুড়ে দেওয়া হতো। অনেক খেলোয়াড়ই অংশ নিয়েছিলেন এমন ফটোশ্যুটে, তবে সেসব ছবির বেশিরভাগই হারিয়ে গেছে সময়ের সাথে। কিন্তু একটি ছবি আজও ইতিহাস হয়ে রয়েছে।
ছবিটি বর্তমান বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার লিওনেল মেসির সঙ্গে উদীয়মান প্রতিভা লামিন ইয়ামালের। পাঁচ মাস বয়সী ইয়ামালকে বাথটাবে গোসল করিয়ে দিচ্ছেন মেসি, এবং দাতব্য ক্যালেন্ডারের জন্য এই মুহূর্ত ধারণ করা হয়েছিল ১৯ বছর আগে। তখন ছবিটি তেমন নজর না পেলেও, আজ এই ছবিই সারা বিশ্বকে ভূমিধ্বংসী আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।
বিভিন্ন দিন আগে এই ছবি নিয়ে গণমাধ্যমে মন্তব্য করেছিলেন লামিন। তাকে উদ্ধৃত করে বলা হয়, 'আমি অনেক বড় হয়ে গেছি এবং লিও-ও। আমি আশা করি ফাইনালে মেসির মুখোমুখি হতে পারব, যেহেতু আমরা ফিনালিসিমায় খেলতে পারিনি।'
আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নলকূপ খননের স্থান থেকে গ্যাসের আগুন, বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে
লামিনের পর এবার সেই ছবিটি নিয়ে প্রশ্নের সম্মুখীন হন লিওনেল মেসিও। শুক্রবার (৭ জুলাই) ফিফার একটি অনুষ্ঠানে মেসি অংশ নেন। এ আয়োজনের অংশ হিসেবে, দুদলের কোচ এবং অধিনায়করা উপস্থিত ছিলেন। সেখানে লামিনের সঙ্গে তার ২০০৭ সালে তোলা ছবির প্রসঙ্গ উঠেছিল।
ছবিটি প্রসঙ্গে মেসি মন্তব্য করেন, ‘সত্যি কথা হলো ছবিটা অদ্ভুত। কারণ এটাই জীবন। যখন আমি ছোট ছিলাম তখন ছবিটা তুলেছিলাম। এখন বিশ্বকাপ ফাইনালে তার মুখোমুখি হচ্ছি। এটা অবিশ্বাস্য। তবে সে এখন বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার। সে ইতোমধ্যেই স্পেনের হয়ে ইউরো জয় করেছে। বর্তমানে সে দারুণ করছে এবং ভবিষ্যতও তার জন্য উজ্জ্বল। কিন্তু এই ম্যাচে আমরা চেষ্টা করব, যাতে সে তার সেরাটা খেলতে না পারে।’
মেসি বার্সেলোনায় তার সেরা সময় কাটিয়েছেন। আর্জেন্টিনা ছেড়ে কৈশোরে মূলত বার্সেলোনাতেই বেড়ে উঠেছেন তিনি। তাই ইয়ামালের প্রতি তার আলাদা একটি স্নেহ রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, 'বার্সেলোনায় আমি অনেক সময় কাটিয়েছি এবং সেখান থেকে তার সঙ্গেও পরিচয় রয়েছে।' ২০০৭ সালের ইয়ামাল-মেসির ছবিটি আজ আলোচনা তৈরি করেছে। দুই দশক পর এখন তারা একে অন্যের বিরুদ্ধে বিশ্বকাপের ফাইনালে লড়াই করছেন। যা মেসি ‘ভাগ্যের অবিশ্বাস্য গল্প’ হিসেবেও উল্লেখ করেছেন।
আরও পড়ুন: কুমিল্লায় রাজস্ব কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী হত্যা মামলায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন