ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ঢাকার মাদরাসায় পাওয়া গেছে ‘মেইড ইন পাকিস্তান’ লেখা অস্ত্র


ঢাকার মাদরাসায় পাওয়া গেছে ‘মেইড ইন পাকিস্তান’ লেখা অস্ত্র

ঢাকার আশুলিয়ার একটি মাদরাসার প্রাঙ্গণে নির্মাণাধীন ওয়াশরুম থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে একটি পাকিস্তানি রিভলবার এবং দুই রাউন্ড গুলি।

এই উদ্ধার ঘটনা ঘটে বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে, যখন র‍্যাব-৪ অভিযান চালায় আশুলিয়া থানার শ্রীপুর গণকবাড়ী এলাকায় অবস্থিত মাদরাসায়।

র‍্যাব সূত্র জানায়, র‍্যাব-৪-এর সিপিসি-২, নবীনগর ক্যাম্পের একটি টহল দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপস্থিত হয়ে ওই মাদরাসায় অভিযান পরিচালনা করে। প্রথমে মাদক ব্যবসায়ীদের মাদক মজুতের তথ্য পেয়ে তারা সেখানে আসে। পরবর্তীতে মাদরাসা প্রাঙ্গণের অভিভাবকদের জন্য নির্ধারিত ওয়েটিং রুমের পাশে নির্মাণাধীন ওয়াশরুমে তল্লাশি শুরু হয়।

আরও পড়ুন: নারী শিল্পীদের উপস্থিতি নিয়ে আপত্তির কারণে সুনামগঞ্জে বাউল গানের আসর বন্ধ

তল্লাশির এক পর্যায়ে ওয়াশরুমের টয়লেটের মেঝেতে কয়েকটা ইটের নিচে একটি ছেঁড়া শপিং ব্যাগ লুকিয়ে থাকার লক্ষণ পাওয়া যায়। সেই ব্যাগের ভেতর বুঝতে পারা যায় যে সবুজ পলিথিনে মোড়ানো একটি রিভলবার এবং দুই রাউন্ড ২২ বোরের গুলি রয়েছে।

র‍্যাব জানায়, উদ্ধারকৃত আট চেম্বারবিশিষ্ট সিলিন্ডারের রিভলবারটির সবকিছু অক্ষত অবস্থায় রয়েছে, যেমন ব্যারেল, ট্রিগার ও হ্যামার। অস্ত্রটির গায়ে ইংরেজিতে ‘মেইড ইন পাকিস্তান’ লেখা খোদাই করা আছে। এছাড়া উদ্ধার হওয়া গুলির পেছনেও ইংরেজি অক্ষর ‘টি’ খোদাই করা ছিল।

র‍্যাব-৪, সিপিসি-২-এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর আরমান হোসেন হৃদয় জানান, উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও গুলিগুলো পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে। এই অস্ত্রের মূল উৎস এবং কারা এটি মাদরাসায় এনে লুকিয়ে রেখেছিল, তা উদ্ধারে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম ও তদন্ত চলছে। উদ্ধার হওয়া আলামত আশুলিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং এই ঘটনায় অস্ত্র আইনে একটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

আরও পড়ুন: বি আর বি ক্যাবল, ৪৮ বছর বিশ্বাসের পথে সমৃদ্ধির যাত্রা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুর্যোগ প্রস্তুতি জোরদারে আইআরসির সঙ্গে অংশীদারিত্বে আগ্রহী বাংলাদেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৫০ পি.এম


দুর্যোগ প্রস্তুতি জোরদারে আইআরসির সঙ্গে অংশীদারিত্বে আগ্রহী বাংলাদেশ

প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে ইন্টারন্যাশনাল রেসকিউ কমিটির (আইআরসি) একটি প্রতিনিধিদল মিলিত হয়।

দুর্যোগ প্রস্তুতি এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমকে আরও জোরদার করতে ইন্টারন্যাশনাল রেসকিউ কমিটি (আইআরসি)’র সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

আজ, তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ইন্টারন্যাশনাল রেসকিউ কমিটি (আইআরসি)’র প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এই আগ্রহের কথা জানান।

আইআরসির প্রতিনিধিদলে নেতৃত্ব দেন সংস্থাটির এশিয়া অঞ্চলের উপ-আঞ্চলিক পরিচালক হাসিনা রহমান। এ সময় সংস্থাটির আঞ্চলিক অ্যাডভোকেসি বিশেষজ্ঞ ও অ্যাডভোকেসি অ্যান্ড কমিউনিকেশনস প্রধান শাবিরা নুপুরও উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে দুর্যোগ প্রস্তুতি, ঝুঁকি হ্রাস এবং জলবায়ু পরিবর্তনজনিত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়গুলো উভয় পক্ষ আলোচনা করে।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, হুমায়ুন কবির বলেন, সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক অংশীদারিত্ব প্রতিষ্ঠা বাংলাদেশের দুর্যোগ প্রস্তুতি ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কর্মসূচিকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে সহায়ক হতে পারে।

তিনি আরো বলেন, যদি দুর্যোগ মোকাবিলায় জনগণের সক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, সচেতনতা জোরদার হয় এবং তৃণমূল পর্যায়ে সহনশীলতা গড়ে তোলা যায়, তবে প্রাণহানি ও জীবিকার ক্ষতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব।

আলোচনায় দুর্যোগ-পূর্ব প্রস্তুতি জোরদার করা, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং জলবায়ুজনিত দুর্যোগ ও অন্যান্য জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় কমিউনিটির সক্ষমতা বাড়ানোর গুরুত্বও তুলে ধরা হয়।

উভয় পক্ষ টেকসই সহনশীলতা গড়ে তোলা এবং বাংলাদেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অগ্রাধিকার বাস্তবায়নে যৌথ উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করে।

তারা দুর্যোগ ও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ভবিষ্যৎ ঝুঁকি ও চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় দেশের সক্ষমতা আরও জোরদার করতে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই বৈঠক বাংলাদেশ ও আইআরসির মধ্যে সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাকলায়েনকে বাধ্যতামূলক অবসর দিয়েছে পুলিশ, প্রজ্ঞাপনে যে তথ্য রয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৫৪ পি.এম


সাকলায়েনকে বাধ্যতামূলক অবসর দিয়েছে পুলিশ, প্রজ্ঞাপনে যে তথ্য রয়েছে

সরকার মো. গোলাম সাকলায়েনকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে। তিনি ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাবেক অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) ছিলেন এবং বর্তমানে ঝিনাইদহ ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের শৃঙ্খলা-২ শাখার সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীর স্বাক্ষর সংবলিত এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়।

এর আগে, ২০২৪ সালের ১৩ জুন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা-২ শাখা থেকে উপসচিব রোকেয়া পারভিন জুঁইয়ের স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে গোলাম সাকলায়েনকে ‘গুরুদণ্ড’ হিসেবে চাকরি থেকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর বিষয়ে মতামত চেয়ে সরকারি কর্মকমিশনে (পিএসসি) এক চিঠি প্রেরণ করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, গোলাম সাকলায়েন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে ঢাকায় ডিবির গুলশান বিভাগে কর্মরত থাকাকালীন সরকারি দায়িত্বের বাইরে চিত্রনায়িকা পরীমণির সঙ্গে নৈতিকতা বিরোধী একটি ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক স্থাপন করেছেন। এর ফলে সরকারের ভাবমূর্তি গঠনে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

গোলাম সাকলায়েনের বিরুদ্ধে ২০২৩ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ এর ৩ (খ) বিধি অনুযায়ী ‘অসদাচরণ’ এর অভিযোগে বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হয়। তাকে কারণ দর্শাতে বলা হয় এবং অভিযোগের বিস্তারিত পর্যালোচনার পর তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়।

তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, গোলাম সাকলায়েনের বিরুদ্ধে আনীত ‘অসদাচরণ’-এর অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। এর ভিত্তিতে তাকে দ্বিতীয় কারণ দর্শানো নোটিশ প্রদান করা হয় এবং তিনি তাতে জবাব দেন। প্রতিবেদনের পর্যালোচনা শেষে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ এর ৪ (৩) (খ) বিধি অনুযায়ী তাকে চাকরি হতে ‘বাধ্যতামূলক অবসর প্রদানের’ প্রাথমিক সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

প্রজ্ঞাপনে আরও জানানো হয়েছে যে, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ এর ৭(১০) বিধি অনুসারে এই গুরুদণ্ড কার্যকর করতে সরকারের কাছে পরামর্শ চাওয়া হলে সরকারি কর্ম কমিশন তাকে চাকরি হতে ‘বাধ্যতামূলক অবসর প্রদান’ প্রস্তাব করে। পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতি ১৭ জুন সেক্ষেত্রে আনীত সুপারিশে অনুমোদন দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভাণ্ডারিয়ায় হানিফ পরিবহনের ধাক্কায় অটোরিকশা চালক নিহত, দম্পতি আহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৫৪ পি.এম


ভাণ্ডারিয়ায় হানিফ পরিবহনের ধাক্কায় অটোরিকশা চালক নিহত, দম্পতি আহত
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলায় হানিফ পরিবহনের একটি বাস ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে অটোরিকশা চালক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুই যাত্রী।

বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ভাণ্ডারিয়া-চরখালী সড়কের চায়না প্রজেক্ট এলাকার সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত অটোরিকশা চালক মো. হারুন বয়াতি (৬৫) উপজেলার ২ নম্বর নদমূলা-শিয়ালকাঠী ইউনিয়নের হেতালিয়া গ্রামের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা জিন্নাত আলীর পুত্র। আহতরা হলেন দম্পতি বিজয় শিকদার (২৫) ও রূপা শিকদার (২০)।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঠবাড়িয়া থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী হানিফ পরিবহনের একটি বাস (ঢাকা মেট্রো-১৫-৪৩৯৩) ভাণ্ডারিয়া-চরখালী সড়কের চায়না প্রজেক্ট এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা চরখালীগামী একটি অটোরিকশার সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং এতে চালকসহ তিনজন গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয় পথচারীরা আহতদের উদ্ধার করে ভাণ্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক হারুন বয়াতিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার সময় তার অবস্থার অবনতি হলে তিনি মারা যান। আহত বিজয় শিকদার ও রূপা শিকদার চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

কর্তব্যরত মেডিকেল অফিসার ডা. জান্নাতুল মাওয়া জানান, হারুন বয়াতিকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল। তার মাথা, কোমর ও পায়ে গুরুতর আঘাত ছিল। প্রাথমিক চিকিৎসা চলাকালে তার মৃত্যু হয়। আহত অপর দুইজনকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

দুর্ঘটনার পর বাসের চালক ও হেলপার ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাসটি জব্দ করে থানায় নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে ভাণ্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেওয়ান জগলুল হসান জানান, দুর্ঘটনার ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। বাসটি পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং পলাতক চালক ও হেলপারকে শনাক্ত ও আটকের চেষ্টা চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাংবাদিক অভিশেক চন্দ্র রায়ের পুত্র আবিরের মৃত্যু, শোকের ছায়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মো : সুমন হাসান বাপ্পি, স্টাফ রিপোর্টার

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৫৬ পি.এম


সাংবাদিক অভিশেক চন্দ্র রায়ের পুত্র আবিরের মৃত্যু, শোকের ছায়া
 
 
ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার সাংবাদিক অভিশেক চন্দ্র রায়ের দ্বিতীয় পুত্র সন্তান আবির রায় (৫) আর নেই। বৃহস্পতিবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঠাকুরগাঁও সদর হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
 
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রথমে জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার পর আবিরের শরীরে চিকেন পক্সের লক্ষণ দেখা দেয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঠাকুরগাঁও সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে।
 
আবিরের অকাল মৃত্যুতে পরিবার, আত্মীয়-স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীদের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে সাংবাদিক মহলসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ শোক প্রকাশ করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।
 
এদিকে ঠাকুরগাঁও জেলার সাংবাদিকরা মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন। তারা মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে পরিবারের সদস্যদের এই অপূরণীয় শোক সহ্য করার শক্তি কামনা করেন।
 
 
 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%