১১:২১ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইলের মধুপুরে একটি বেসরকারি হাসপাতালে টনসিল অপারেশনের পর এক রোগীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ময়মনসিংহে রেফার্ড করা হয়। বর্তমানে তিনি ময়মনসিংহের একটি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
জানা যায়, আজ শুক্রবার (৬ নভেম্বর) মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পশ্চিম পাশে অবস্থিত ডিজিটাল হাসপাতালে মধুপুর উপজেলার রানিয়াদ গ্রামের ওই রোগীর টনসিল অপারেশন করা হয়। অপারেশনের পর রোগীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সন্ধ্যায় তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহে পাঠায়। বর্তমানে তিনি আইসিইউতে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন।
এ ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহলে উদ্বেগ ও নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। রোগীর শারীরিক অবস্থার অবনতির কারণ এবং চিকিৎসাসেবার মান ও অপারেশন-পরবর্তী ব্যবস্থাপনা খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয় সুধী মহল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ফুলকুঁড়ি আসরের ৫২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে তারারমেলা শাখার উদ্যোগে ‘শিশু-কিশোর সমাবেশ ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান-২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্র-নজরুল ভবনের গগন হরকরা গ্যালারিতে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
“শিশুশ্রম রোধে আইনের চেয়ে সামাজিক সচেতনতা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ” এই উক্তিকে সামনে রেখে একটি বিতর্কের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুরু হয়। অনুষ্ঠানে শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফুলকুঁড়ি আসরের কেন্দ্রীয় সহকারী প্রধান পরিচালক আশরাফুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক খালিদ হাসান, ফুলকুড়ি আসর তারারমেলা শাখার পরিচালক খন্দকার আহনাফউজ্জামান, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটির (ইবিডিসি) সেক্রেটারি লাবিত হাসান ইফতি, উপদেষ্টা রায়হান আলী, অভিভাবকবৃন্দ, শিশু-কিশোরসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা৷
অতিথির বক্তব্যে কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক খালিদ হাসান বলেন, একজন শিক্ষার্থী কতটা ভালো, তা তার পোশাক বা পরিচয় দিয়ে নয়, বরং তার আচরণ ও অভ্যাসের মাধ্যমে প্রকাশ পায়। একজন ভালো শিক্ষার্থী হতে হলে প্রথমেই নিজের পড়ার টেবিল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও গোছানো রাখতে হবে। সভা-অনুষ্ঠানে বক্তার প্রতি পূর্ণ মনোযোগ দিতে হবে, চোখে চোখ রেখে কথা শুনতে হবে এবং অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা থেকে বিরত থাকতে হবে। একইভাবে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষকের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা, প্রশ্ন করা, জানার আগ্রহ প্রকাশ এবং শিক্ষকের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করতে হবে।
বন্ধুদের সঙ্গে আচরণের বিষয়ে তিনি বলেন, অকারণে ঝগড়া করা এবং কাউকে খারাপ নামে বা উপনামে ডাকা থেকে বিরত থাকতে হবে। পাশাপাশি পিতামাতার প্রতি সর্বোচ্চ সম্মান ও শ্রদ্ধা প্রদর্শন করতে হবে। তাদের সঙ্গে দেখা হলে ধর্মীয় ও সামাজিক রীতিনীতি অনুযায়ী সালাম ও সম্মান জানানোর অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।
শেখ সাদীর একটি গল্পের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, মানুষের প্রকৃত পরিচয় পোশাকে নয়, বরং তার ব্যক্তিত্ব ও আচরণে প্রকাশ পায়। তাই একজন শিক্ষার্থীকে এমনভাবে নিজেকে গড়ে তুলতে হবে, যেন তার আচরণই তার ভালো মানুষ হওয়ার পরিচয় বহন করে।
এ সময় টাইটানিক জাহাজডুবির ঘটনা উল্লেখ করে তিনি বলেন, অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস ও অসতর্কতা মানুষের জন্য বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। তাই জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে। ঘুম, খাদ্যাভ্যাস, পড়াশোনা ও ধর্মীয় অনুশীলনে নিয়মশৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে। নিজেকে কখনো অজেয় বা অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী মনে করা যাবে না; বরং বিনয়ী, কোমল ও সবার প্রতি শ্রদ্ধাশীল মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ফুলকুঁড়ি আসরের লক্ষ্য শিশুদের শুধু শিক্ষিত করা নয়, বরং তাদের ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা এবং পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে প্রস্তুত করা।
ফুলকুরি আসরের তারারমেলা শাখার পরিচালক খন্দকার আহনাফুজ্জামান বলেন, ফুলকুঁড়ি আসর প্রতিষ্ঠার পর থেকে বায়ান্ন বছর সফলভাবে পার করেছে। আসরের প্রয়াত সদস্যদের শাহাদাতের সর্বোচ্চ মাকামের জন্য দোয়া করছি। শিশুদের মেধা ও মনন বিকাশের জন্য ফুলকুঁড়ির আসরে বিনামূল্যে নিয়মিত গান, আবৃত্তি, তেলাওয়াত, হামদ, না’ত, চিত্রাঙ্কন, লেখালেখি ও খেলাধুলার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। ভালো ফলাফল অর্জনকারী শিশুদের এই কার্যক্রমে সম্পৃক্ত রাখতে এবং নিয়মিত ফুলকুঁড়ির আসরে পাঠাতে অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।
উল্লেখ্য, ১৯৭৪ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর ফুলকুঁড়ি আসরের যাত্রা শুরু হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংগঠনটি শিশু-কিশোরদের সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ, নৈতিক শিক্ষা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে উদ্বুদ্ধ করতে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ওয়ানডে ক্রিকেটে বিরাট কোহলি ৫৫টি সেঞ্চুরি এবং ৮০টি ফিফটির একটি বিশাল রেকর্ড স্থাপন করেছেন। ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে অনেকের মনে প্রশ্ন থাকতে পারে, এত সেঞ্চুরির মধ্যে ভারতীয় এই কিংবদন্তির নিজের দৃষ্টিতে সেরা ওয়ানডে ইনিংস কোনটি? সম্প্রতি, তার ৩৮তম জন্মদিন উপলক্ষে স্টার স্পোর্টসের একটি ভিডিও সাক্ষাৎকারে কোহলি এই রহস্যের জট খুলেছেন। তার মতে, ওয়ানডে ক্যারিয়ারের সেরা ইনিংসটি কোনো সেঞ্চুরি বা ফিফটি নয়, বরং একটি ছোট কিন্তু দলের জয়ে অত্যন্ত কার্যকরী ইনিংস।
কোহলির মতে, ২০১৩ চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলা ৩৪ বলে ৪৩ রানের ইনিংসটি তার ক্যারিয়ারের সেরা ওয়ানডে ইনিংস। বৃষ্টিবিঘ্নিত ওই ফাইনালে ভারত প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে মাত্র ৬৬ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে। সেই কঠিন পরিস্থিতিতে রবীন্দ্র জাদেজার সঙ্গে জুটি গড়ে দলকে বিপদ থেকে উদ্ধার করেন কোহলি। শেষ পর্যন্ত ভারত ৫ রানে ম্যাচটি জিতে শিরোপা উল্লাসে মেতে ওঠে। ব্যক্তিগত রেকর্ডের চেয়ে দলীয় সাফল্য ও ট্রফি জয়কে সর্বদা অগ্রাধিকার দিয়ে কোহলি এই ৪৩ রানকে তার সেরা হিসেবে বেছে নিয়েছেন।
কোহলির এই পছন্দের সামনে তার ক্যারিয়ারের অসংখ্য দুর্দান্ত সেঞ্চুরি ও মহাকাব্যিক ইনিংস হার মানে। স্টার স্পোর্টসের সেই আড্ডায় একের পর এক ঐতিহাসিক ইনিংসের তুলনা টেনে আনা হলেও কোহলি প্রতিবারই তার সেই ৪৩ রানকে প্রাধান্য দিয়েছেন।
এছাড়া, ২০১১ বিশ্বকাপ ফাইনালে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে চাপের মুখে খেলা ৩৫ রানের ইনিংসটিকে দ্বিতীয় স্থানে রেখেছেন কোহলি। ব্যক্তিগত অর্জনের চেয়ে দলের প্রয়োজন ও ফাইনালে ট্রফি জয়ে অবদান রাখার বিষয়টি বিরাট কোহলির কাছে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ, যা তার এই স্বীকারোক্তিতে স্পষ্ট।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর পল্লবী ও রূপনগর এলাকায় মাদক, চাঁদাবাজি ও দখলদারির বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, যদি কেউ দলের নাম বা তাঁর নাম ব্যবহার করে চাঁদাবাজি ও দখলদারি করে, তাহলে তাকে ধরে পুলিশের কাছে তুলে দিতে হবে। প্রয়োজনে তিনি নিজেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আইনের হাতে তুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করবেন।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) রাজধানীর রূপনগরে রূপনগর থানা ছাত্রদলের উদ্যোগে বৃহত্তর রূপনগর ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ১৮টি স্পোর্টিং ক্লাবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আমিনুল হক এসব কথা বলেন।
আমিনুল হক আরও বলেন, কোনো চাঁদাবাজ বা দখলদার আমাদের লোক হতে পারে না। যদি কেউ দলের নাম ভাঙিয়ে বা তাঁর নাম ব্যবহার করে চাঁদাবাজি বা দখলদারি করে, তাহলে সবার আগে তাকে ধরে পুলিশে দিতে হবে। যদি আপনারা তা না পারেন, তাহলে আমাকে জানাবেন, আমি তাদের আইনের হাতে তুলে দেব।
তিনি সমাজ থেকে মাদক নির্মূল এবং তরুণ প্রজন্মকে অপরাধ ও বিশৃঙ্খলা থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক চর্চা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের বিকল্প নেই বলেও মন্তব্য করেন। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ছাত্ররাই পারে আগামীর বাংলাদেশকে পরিবর্তন করতে। সমাজের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান, মাদক নির্মূল এবং ইতিবাচক সামাজিক পরিবর্তনে শিক্ষার্থীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে।
আমিনুল হক জানান, পল্লবী-রূপনগরের প্রতিটি ওয়ার্ডের পাড়া-মহল্লায় পর্যায়ক্রমে স্পোর্টিং ক্লাব, ক্রীড়া একাডেমি ও সাংস্কৃতিক সংগঠন গড়ে তোলা হবে। এর মাধ্যমে শিশু-কিশোর ও তরুণদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা, সংস্কৃতি ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা হবে। তাঁদের লক্ষ্য শুধু ডাক্তার, প্রকৌশলী বা সরকারি চাকরিজীবী তৈরি করা নয়; বরং একজন খেলোয়াড় হিসেবেও যেন তরুণেরা নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পারেন, সে সুযোগ তৈরি করা হবে।
তিনি জানান, পল্লবী ও রূপনগরে ইতিমধ্যে ১২টি স্পোর্টিং ক্লাব উদ্বোধন করা হয়েছে। শুক্রবার রূপনগরে আরও ১৮টি ক্লাব উদ্বোধন করা হলো। আগামী শুক্রবার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে আরও ১২টি ক্লাব উদ্বোধনের পরিকল্পনা রয়েছে। পর্যায়ক্রমে এলাকার সব ওয়ার্ডে এ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।
এলাকার ক্রীড়া অবকাঠামো উন্নয়নের পরিকল্পনা তুলে ধরে আমিনুল হক বলেন, পল্লবী ও রূপনগরে পাঁচটি ফুটসাল মাঠ এবং দুটি সুইমিং পুল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রূপনগরের মুকুল ফৌজ মাঠও রয়েছে। মাঠটিতে কৃত্রিম ঘাস, চারপাশে নিরাপত্তাবেষ্টনী, আলোর ব্যবস্থা এবং হাঁটার পথ তৈরি করা হবে। যাতে শিশু-কিশোরদের পাশাপাশি বয়স্ক ব্যক্তি ও নারীরাও মাঠটি ব্যবহার করতে পারেন।
তিনি জানান, প্রকল্পটি ইতিমধ্যে অনুমোদিত হয়েছে। দ্রুত কাজ শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি দুটি সুইমিং পুল শিশুদের সাঁতার শেখার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। উদ্বোধন করা প্রতিটি স্পোর্টিং ক্লাবের জন্য প্রয়োজনীয় ক্রীড়া সরঞ্জাম ও খেলার মাঠের ব্যবস্থা করার বিষয়েও যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় কাজ করবে।
বেকার তরুণদের প্রশিক্ষণের উদ্যোগ
তরুণদের কর্মসংস্থান ও আত্মনির্ভরশীল করে তোলার বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষিত বেকারদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীনে ফ্রিল্যান্সিং, কেয়ারগিভিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি, মোবাইল সার্ভিসিং ও ড্রাইভিং প্রশিক্ষণের মতো কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এসব প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তরুণ-তরুণীদের দক্ষ করে নিজেদের ও পরিবারকে স্বাবলম্বী করে তোলার লক্ষ্য রয়েছে।
বৃহত্তর মিরপুরে সরকারি হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন আমিনুল হক। তিনি বলেন, এ অঞ্চলে কোনো সরকারি হাসপাতাল না থাকায় অসুস্থ রোগীদের কুর্মিটোলা, শহীদ সোহরাওয়ার্দী বা শিশু হাসপাতালে যেতে হয়। এতে রোগীদের অনেক সময় ভোগান্তিতে পড়তে হয়।
তিনি জানান, পল্লবী সরকারি কলেজের পেছনে সাগুফতা মোড় এলাকায় প্রায় ১০ একর জমি সরকারি হাসপাতাল নির্মাণের জন্য বরাদ্দের অনুমোদন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে পাঠানো হয়েছে। দ্রুত হাসপাতাল নির্মাণের কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
এ ছাড়া এলাকার দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের জন্য সরকারিভাবে চিঠি পাওয়ার কথা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, পর্যায়ক্রমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো জাতীয়করণ করা গেলে নিম্ন আয়ের পরিবারের সন্তানদের কম খরচে উচ্চশিক্ষার সুযোগ তৈরি হবে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার ও মিথ্যাচার থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে আমিনুল হক বলেন, একটি বিরোধী দল জনগণের কাছে না গিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় থেকে অপপ্রচার চালাচ্ছে। তবে কোনো অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
নিজেকে এলাকার সন্তান ও সাধারণ মানুষের একজন উল্লেখ করে তিনি বলেন, এলাকার মানুষের সমস্যা সমাধানে তিনি অতীতের মতো ভবিষ্যতেও পাশে থাকবেন। জনগণের চাহিদা ও প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়েই উন্নয়ন পরিকল্পনা সাজানো হবে।
বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে মাদককে ‘না’ বলার আহ্বান জানিয়ে আমিনুল হক বলেন, মাদক থেকে দূরে থাকতে হবে। মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে পারলেই সত্যিকার অর্থে একটি সুস্থ সমাজ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ