ঢাকা রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

মজলুম থেকে জালিম হলে আবার গণমাধ্যমের কাছে বলবেনÑ বাঁচান: মাসুদ


মজলুম থেকে জালিম হলে আবার গণমাধ্যমের কাছে বলবেনÑ বাঁচান: মাসুদ

মজলুম থেকে জালিম হয়ে ওঠা ব্যক্তি হয়তো আবার মজলুম হলে এই সংবাদ মাধ্যমকেই আর্তচিৎকার করে বলবেন, "আমাকে বাঁচান! আমাকে বাঁচান!"

আজ রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের অ্যাকাউন্টে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁনকে ইঙ্গিত করে এই মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি।

শফিকুল ইসলাম মাসুদ তার পোস্টে উল্লেখ করেন, “মজলুম থেকে জালিম হয়ে ওঠা উনিই হয়তো আবার মজলুম হলে এই সংবাদ মাধ্যমকেই আর্তচিৎকার করে বলবেন আমাকে বাঁচান! আমাকে বাঁচান।”

আরও পড়ুন: গণধর্ষণের অভিযোগে কিশোরী মিথিলা আক্তারের মৃত্যু, অভিযুক্তদের নাম ভিডিওতে

প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের ১ জুলাই সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় রাশেদ খানের ‘আমাকে বাঁচান, আমাকে তুলে নিয়ে যাচ্ছে’ শিরোনামে একটি ফেসবুক লাইভ ভিডিও ব্যাপক আলোচনায় আসে। ওই দিন দুপুরে রাজধানীর মিরপুর-১৪ নম্বরের ভাষানটেক বাজার এলাকার একটি বাসা থেকে তিনি ফেসবুক লাইভে এসে দাবি করেন, গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তাকে ধাওয়া করছে এবং বাসার দরজায় ধাক্কা দিচ্ছে।

লাইভে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘আমাকে তুলে নিয়ে যাচ্ছে, আমাকে বাঁচান।’ পরে ওই দিনই কোটা সংস্কার আন্দোলনের এই যুগ্ম আহ্বায়ককে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। ছাত্রলীগের তৎকালীন কেন্দ্রীয় সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়ের করা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১৭ কোটি টাকার বিল অনুমোদন, টেন্ডার ব্যবস্থাপনা ও সম্পদের উৎস নিয়ে বিতর্কের কেন্দ্রে মাহবুবুল হক চৌধুরীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৪১ পি.এম


১৭ কোটি টাকার বিল অনুমোদন, টেন্ডার ব্যবস্থাপনা ও সম্পদের উৎস নিয়ে বিতর্কের কেন্দ্রে মাহবুবুল হক চৌধুরীর

গণপূর্ত অধিদপ্তরের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড মেকানিক্যাল (ই/এম) সার্কেল-৩-কে ঘিরে সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন, বিপুল অঙ্কের বিল অনুমোদন, টেন্ডার ব্যবস্থাপনায় কথিত অনিয়ম, সম্পদের উৎস এবং প্রশাসনিক প্রভাব বিস্তারসংক্রান্ত নানা অভিযোগ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। এসব অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন সার্কেলটির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান। যদিও উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সরকারি তদন্তে চূড়ান্ত সত্যতা প্রতিষ্ঠিত হয়নি, তবুও বিষয়গুলো সংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক আলোচনা ও উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।

গণপূর্ত অধিদপ্তরের একাধিক সংশ্লিষ্ট সূত্র, অভিযোগকারী এবং ঠিকাদারদের দাবি, দীর্ঘ সময় ধরে সার্কেল-৩-এর অধীন বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের প্রশাসনিক ও আর্থিক সিদ্ধান্ত একটি নির্দিষ্ট প্রভাববলয়ের মাধ্যমে পরিচালিত হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, টেন্ডার আহ্বান থেকে শুরু করে দরপত্র মূল্যায়ন, কার্যাদেশ প্রদান, সরঞ্জাম সরবরাহ, বিল যাচাই-বাছাই, অর্থ ছাড় এবং প্রকল্প বাস্তবায়নের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ধাপে একই প্রভাবশালী গোষ্ঠীর আধিপত্য ছিল। এর ফলে সরকারি ক্রয়ব্যবস্থায় প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং অনেক যোগ্য ঠিকাদার সমান সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন বলে অভিযোগকারীদের দাবি।

অভিযোগের অন্যতম আলোচিত বিষয় একটি সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে ১৭ কোটি ৮ লাখ ৮৩ হাজার ১৪৪ টাকার বিল অনুমোদন। অভিযোগকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রকল্পের দৃশ্যমান অগ্রগতি, মাঠপর্যায়ের বাস্তব কাজের পরিমাণ এবং অনুমোদিত বিলের মধ্যে সামঞ্জস্য রয়েছে কি না, তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তাদের দাবি, প্রকল্পের সব কাজ সম্পন্ন হওয়ার আগেই বিপুল অঙ্কের বিল অনুমোদনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।

সরকারি প্রকল্পে বিল অনুমোদনের আগে কাজের অগ্রগতি, প্রকৌশলগত মূল্যায়ন, পরিমাপ, গুণগত মান, প্রয়োজনীয় নথিপত্র এবং বিদ্যমান সরকারি বিধিমালা অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক। অভিযোগকারীদের মতে, সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে এসব প্রক্রিয়া যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সরকারি তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি এবং অভিযোগগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

টেন্ডার ব্যবস্থাপনাকে ঘিরেও একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, সার্কেল-৩-এর আওতাধীন বিভিন্ন প্রকল্পে দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী বলয় সক্রিয় ছিল, যারা প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে প্রভাব বিস্তার করে কিছু নির্দিষ্ট ঠিকাদারকে সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছে। এর ফলে সরকারি ক্রয়ব্যবস্থার স্বচ্ছতা, প্রতিযোগিতা এবং জবাবদিহিতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেন। যদিও এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি, তবুও সংশ্লিষ্টদের মতে, অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হলে প্রকৃত পরিস্থিতি স্পষ্ট হবে।

এদিকে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মাহবুবুল হক চৌধুরীর সম্পদের উৎস নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অভিযোগকারীরা। তাদের দাবি, রাজধানীর মোহাম্মদপুরের ইকবাল রোডে প্রায় সাড়ে তিন হাজার বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট, পশ্চিম আগারগাঁও এলাকায় একটি চারতলা ভবন এবং বনশ্রী-আমুলিয়া এলাকায় জমিসহ আরও কয়েকটি মূল্যবান স্থাবর সম্পদের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ অনুসন্ধান প্রয়োজন। অভিযোগকারীদের বক্তব্য, সরকারি চাকরির স্বাভাবিক আয়ের সঙ্গে এসব সম্পদের সামঞ্জস্য রয়েছে কি না, তা রাষ্ট্রীয় সংস্থার মাধ্যমে যাচাই হওয়া উচিত। তবে এসব সম্পদের মালিকানা, মূল্য কিংবা অর্থের উৎস সম্পর্কে এখন পর্যন্ত কোনো সরকারি তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি এবং অভিযোগগুলোও স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

জানা গেছে, ঠিকাদার আলাউদ্দিন ওয়াজেদ দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) একটি লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন। অভিযোগপত্রে সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়ন, বিল অনুমোদন, সরঞ্জাম ক্রয়, অর্থ পরিশোধ এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে। তবে অভিযোগটি বর্তমানে প্রাথমিক যাচাই পর্যায়ে রয়েছে এবং এ বিষয়ে দুদক এখনো কোনো চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন বা আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত প্রকাশ করেনি।

অভিযোগকারীদের আরও দাবি, প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক নানা পরিবর্তনের পরও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার প্রভাববলয় বহাল রয়েছে। তাদের অভিযোগ, অনিয়ম নিয়ে প্রশ্ন তোলা, তথ্য সংগ্রহ করা কিংবা সংবাদ প্রকাশের উদ্যোগ নিলে বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগের চেষ্টা করা হয়। তবে এসব অভিযোগও স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

গণপূর্ত অধিদপ্তরের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে জনগণের অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব। কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে তা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে প্রচলিত আইন ও সরকারি বিধিমালা অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর আয়-ব্যয়ের সঙ্গে সম্পদের অসামঞ্জস্য কিংবা সরকারি প্রকল্পে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেলে প্রথমে প্রাথমিক যাচাই করা হয়। সেই যাচাইয়ে অভিযোগের ভিত্তি পাওয়া গেলে পূর্ণাঙ্গ অনুসন্ধান ও তদন্ত শুরু হয়। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

এ বিষয়ে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মাহবুবুল হক চৌধুরীর বক্তব্য জানতে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। ফলে তার বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি। ভবিষ্যতে তিনি বক্তব্য প্রদান করলে তা যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাকেরগঞ্জে জাতীয় যুব দিবসে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও যুব ঋণের চেক বিতরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বাকেরগঞ্জ প্রতিনিধি

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৪৩ পি.এম


বাকেরগঞ্জে জাতীয় যুব দিবসে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও যুব ঋণের চেক বিতরণ

‘দক্ষ যুব গড়বে দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বরিশালের বাকেরগঞ্জে জাতীয় যুব দিবস উদ্‌যাপন উপলক্ষে নানা কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

রোববার (১ নভেম্বর) জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে বাকেরগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের আয়োজনে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়।

কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে সকাল ১০টায় যুব র‍্যালি, সকাল সাড়ে ১০টায় আলোচনা সভা এবং দুপুর ১২টায় যুব ঋণের চেক বিতরণ। অনুষ্ঠানগুলো বাকেরগঞ্জ উপজেলা পরিষদ হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ ফোরকান মোল্লার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার অভ্রজ্যোতি বড়াল। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য উপ-প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, পৌর বিএনপির সভাপতি নাসির উদ্দিন জোমাদ্দার, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব কামরুজ্জামান মিজান, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহাবুদ্দিন তালুকদার শাহিন, উপজেলা যুবদল আহবায়ক এনায়েত হোসেন খান বিপু, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি দানিসুর রহমান লিমন প্রমূখ।

জাতীয় যুব দিবসের এ আয়োজনের মাধ্যমে যুবসমাজকে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দেশের উন্নয়নে তরুণদের সম্পৃক্ত করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপকারভোগী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিত থাকার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গত ২৪ ঘণ্টায় ডিএমপির ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ১,৮১০ মামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৪৫ পি.এম


গত ২৪ ঘণ্টায় ডিএমপির ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ১,৮১০ মামলা

ঢাকা, ১ নভেম্বর, ২০২৬ : রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন স্থানে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে পরিচালিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ১,৮১০টি মামলা দায়ের করেছে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ।

শনিবার, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব মামলা করা হয়। ডিএমপির মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এই তথ্য জানানো হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ট্রাফিক-রমনা বিভাগে ৬৩টি, ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে ১৮১টি, ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে ৪১৩টি এবং ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে ১৬৭টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এছাড়া, ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে ৯৫টি, ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগে ২৮৪টি, ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগে ৩০৪টি এবং ট্রাফিক-গুলশান বিভাগে ৩০৩টি মামলা হয়েছে। অভিযান চলাকালে ৪৯৮টি গাড়ি ডাম্পিং করা হয়েছে এবং ৩৮১টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৩নং বড়দল দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় মোঃ নাসির মিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মুরাদ মিয়া,তাহিরপুর,সুনামগঞ্জ

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৪৫ পি.এম


৩নং বড়দল দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় মোঃ নাসির মিয়া
 
 
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার ৩নং বড়দল দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন তাহিরপুর উপজেলার বড়দল দক্ষিণ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সমাজসেবক গরীব অসহায় মানুষের সুখ-দুঃখের বন্ধু মোঃ নাসির মিয়া।স্থানীয় বাসিন্দা ও বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে,দলের কঠিন ও সংকটপূর্ণ সময়ে মাঠে থেকে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সংগঠিত রাখতে যারা ভূমিকা রেখেছেন,নাসির মিয়া তাঁদের অন্যতম। নেতাকর্মীদের মনোবল ধরে রাখতেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডেও যুক্ত রয়েছেন তিনি। তৃণমূলের মানুষের সঙ্গে তাঁর রয়েছে নিবিড় সম্পর্ক। সাধারণ মানুষের বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন তিনি। এ কারণে ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের মধ্যেও তাঁর গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের। দল থেকে এখনো প্রার্থী চূড়ান্ত না হলেও স্থানীয়দের অনেকেই আসন্ন বড়দল দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মোঃ নাসির মিয়াকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান বলে জানান।
 
 ৩নং বড়দল দক্ষিণ ইউনিয়ন এলাকার অনেকেই জানান,বিশিষ্ট সমাজ সেবক মোঃ নাসির মিয়া আমাদের দীর্ঘদিনের পরিচিত। তিনি অত্যন্ত ভালো একজন মানুষ। সহজেই মানুষের সঙ্গে মিশতে পারেন। স্থানীয়দের বিভিন্ন বিপদে-আপদে সবসময় পাশে থাকার চেষ্টা করেন।এসব গুণের কারণে মানুষের মধ্যে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে।
 
তারা আরও বলেন,নাসির একজন পরোপকারী ও গরিবের বন্ধু। তিনি সবসময় মানুষের বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়ান। আগামী দিনে তাঁর মতো তরুণ জনপ্রতিনিধিই  আমাদের বড়দল দক্ষিণ ইউনিয়নে প্রয়োজন।চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী বিশিষ্ট সমাজ সেবক মোঃ নাসির মিয়া বলেন,মানুষের সেবা করা মহান আল্লাহর একটি বিশেষ নিয়ামত।সেই ধারাবাহিকতায় আগামী বড়দল দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আমি অংশ নিতে চাই। নির্বাচিত হলে এ ইউনিয়নের শিক্ষা,স্বাস্থ্য ও যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নে কাজ করে যাব। পাশাপাশি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং নাগরিক সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে কাজ করব।
 
 
 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%