ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

শেরপুরে কবরের যায়গা না পেয়ে নিজের থাকার ঘরে দাফন করা হয় করিম মিয়ার


শেরপুরে কবরের যায়গা না পেয়ে নিজের থাকার ঘরে দাফন করা হয় করিম মিয়ার

শেরপুরের শ্রীবরদীর শালমারা গ্রামে দাফনের জন্য আলাদা জায়গা না থাকায় বসতঘরের ভেতরেই কবর দেওয়া হয়েছে ৭০ বছর বয়সী করিম মিয়াকে। রোববার (২৫ অক্টোবর) বিকেলে মারা যান তিনি। আজ সোমবার সকাল ১০টায় জানাজা শেষে তাঁকে দাফন করা হয়। এখন ওই ঘরের এক পাশে তাঁর কবর, অন্য পাশে বসবাস করছেন স্ত্রী সাজেদা খাতুন (৬০)।

করিম মিয়া শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার তাতিহাটি ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের শালমারা গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বড় মেয়ে কোতুলী বেগম জানান, তাঁর বাবা দীর্ঘদিন পক্ষাঘাতে আক্রান্ত হয়ে ঘরে পড়ে ছিলেন। চিকিৎসার খরচ জোগাতে বাবার থাকার ঘরসহ তিন শতাংশ জমি ফুফুর কাছ থেকে কিনে নেন তিনি। জমিটি কেনার পরও ঘরটি তাঁর বাবা-মায়ের বসতবাড়ি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল।

কোতুলী বেগম বলেন, ‘আমরা দুই ভাই-বোন ঢাকায় বাসাবাড়িতে কাজ করি। বাবাকে কবর দেওয়ার মতো কোনো জায়গাজমি আমাদের নেই। তাই বাধ্য হয়ে ঘরের ভেতরে কবর দিতে হয়েছে। সরকারি কবরস্থান থাকলে সেখানে দাফন করতে পারতাম। কিন্তু আমাদের এখানে সেই ব্যবস্থা নেই।’

আরও পড়ুন: দুর্গাপুরে ১৯ মামলার আসামি বদিউজ্জামান গ্রেপ্তার

স্থানীয় বাসিন্দা মাসুদ মিয়া জানান, একসময় করিম মিয়ার জায়গাজমি ও প্রতিপত্তি ছিল। অসুস্থ হওয়ার পর চিকিৎসার খরচ জোগাতে তাঁকে জমি বিক্রি করতে হয়।

করিম মিয়ার দুই মেয়ে ও এক ছেলে। এক মেয়ে ও ছেলে ঢাকায় থাকেন, অন্য মেয়ে থাকেন স্বামীর বাড়িতে। তাঁর স্ত্রী সাজেদা খাতুন এখনো ওই ঘরেই বসবাস করছেন। ঘরের এক পাশে স্বামীর কবর, অন্য পাশে তাঁর থাকার জায়গা।

পরিবারের ভাষ্য, এলাকায় সরকারি কবরস্থানের ব্যবস্থা থাকলে করিম মিয়াকে সেখানে দাফন করা সম্ভব হতো।
‘কাকে ভোট দিলাম’ বলে লাইভে ক্ষোভ, সেই নারী কারাগারে ।

আরও পড়ুন: নতুন প্রজন্মের কাছে ইতিহাসবিদ আব্দুল জলীলকে পৌঁছে দেওয়ার তাগিদ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেরপুরে স্কুল ছাত্রী রিশাকে দায়িত্ব ও ভবিষ্যতে ভালো কিছু করবে সেই প্রতিশ্রুতি দিয়ে পুরস্কার দেন জেলা প্রশাসক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ মোঃ ওসমান গনি শেরপুর জেলা প্রতিনিধি

সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:২৩ পি.এম


শেরপুরে স্কুল ছাত্রী রিশাকে দায়িত্ব ও ভবিষ্যতে ভালো কিছু করবে সেই প্রতিশ্রুতি দিয়ে পুরস্কার দেন জেলা প্রশাসক

 

শেরপুর সদর উপজেলার কানাশাখোলা বাজার এলাকা থেকে একটি দেশি কড়ি কাইট্টা উদ্ধার করায় সাংবাদিক আমিনুল ইসলাম রাজুর মেয়ে আয়েশা সিদ্দিকা রিশাকে পুরস্কৃত করলেন শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন। ২৬ অক্টোবর সোমবার দুপুরে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে তিনি এ পুরস্কার প্রদান করেন।শেরপুর বার্ড ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং প্রকৃতি ও পরিবেশবাদী সংগঠন শাইন্ এর নির্বাহী পরিচালক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মো. মুগনিউর রহমান মনি বলেন, প্রকৃতি ও পরিবেশ বন্ধু এবং মানবিক জেলা প্রশাসক রিশার মহৎ কাজের জন্য যে প্রশংসা পুরস্কারটি দিলেন তা এ ধরণের ভালো কাজে এগিয়ে আসতে সবাইকে উদ্বুদ্ধ করবে। সংশ্লিষ্ট সবাইকে সবসময় সাধ্যমতো এ ধরণের ভালো কাজের পাশে দাড়ানো উচিত। ছোট ছোট পায়ে আমরা এভাবেই একদিন লক্ষ্যে পৌছতে পারবো। প্রাণ, প্রকৃতি ও পরিবেশের বন্ধু এবং মানবিক জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, আমার মধ্যেও রিশার মতো ছোট্ট একটা শিশু বাস করে। রিশার মতো শিশুরা আমাদের প্রেরণা হয়ে উঠুক। সমাজে রিশার মতো আরো অনেক শিশুর জন্ম হোক। অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী রিশার প্রাণ ও প্রকৃতির প্রতি প্রেম, দায়িত্ব এবং সচেতনতাবোধ আমাকে আপ্লুত ও বিস্মিত করেছে। যদিও রিশা আরো বড়ো পুরস্কার পাওয়ার দাবীদার। কিন্তু আমাদের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এরপরেও তাকে এবং সমাজের অন্য সবাইকেই প্রাণ ও প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসা এবং সহমর্মিতার বিষয়ে আরো উদ্বুদ্ধ করতেই তাকে ডেকে এনে আমরা তার কাজের প্রশংসা করেছি এবং ছোট্ট হলেও একটি পুরস্কার দিতে পেরেছি, এটি করতে পেরে আমাদের ভালো লেগেছে। উল্লেখ্য, ২৪ অক্টোবর শনিবার রাতে রিশা তাদের বাড়ি যাওয়ার রাস্তায় দেশি কড়ি কাইট্টাটিকে দেখতে পেয়ে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যায়। পরে রিশার বাবা সাংবাদিক রাজু বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ ও পরিবেশবাদী সংগঠনের কর্মকর্তাদের খবর দিলে তাঁরা ঘটনাস্থলে এসে তা জলাশয়ে অবমুক্ত করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্বামীর চাকরি ও মানসিক শান্তির জন্য শাহজালাল (রহ.) মাজারে স্ত্রীর চিঠি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৩০ পি.এম


স্বামীর চাকরি ও মানসিক শান্তির জন্য শাহজালাল (রহ.) মাজারে স্ত্রীর চিঠি

সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সে একটি চিঠি দিয়েছেন এক নারী, যেখানে তিনি স্বামীর জন্য একটি ভালো চাকরি এবং মানসিক শান্তি কামনা করেছেন। ওই চিঠিতে স্বামীর কর্মসংস্থান এবং মানসিক প্রশান্তির জন্য প্রার্থনা করা হয়েছে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে মাজারের দানবাক্স ও ডেকচির টাকা পঞ্চমবারের মতো গণনা করা হয়। এ সময় টাকা ও বৈদেশিক মুদ্রার পাশাপাশি ভক্তদের লেখা বিভিন্ন চিঠি পাওয়া যায়। এসব চিঠিতে অনেকেই তাদের ব্যক্তিগত দুঃখ-কষ্ট, প্রার্থনা ও শুভকামনা তুলে ধরেছেন।

এক নারীর চিঠিতে স্বামীর চাকরি ও মানসিক শান্তির আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ পেয়েছে। তিনি চিঠিতে উল্লেখ করেছেন, ‘হে শাহজালাল রহমাতুল্লাহি আলাইহি, আপনার উছিলায় আমার আহাল (স্বামী)-উনাকে একটা ভালো চাকরি দিন এবং উনার মানসিক শান্তি দান করুন।’

চিঠিতে ওই নারী তার নাম বা ঠিকানা উল্লেখ করেননি। স্বামীর পরিচয় কিংবা চাকরির বিষয়ে বিস্তারিত তথ্যও পাওয়া যায়নি।

এর আগে ২৩ সেপ্টেম্বর, মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনতে গঠিত কমিটির সভায় দানের অর্থ ব্যবহারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরের নেতৃত্বে গঠিত কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দানের অর্থের ৩৫ শতাংশ মাজারের উন্নয়নকাজে ব্যয় করা হবে। বাকি ৬৫ শতাংশ ব্যবহার করা হবে দৈনন্দিন খরচ ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ পরিদর্শন করলেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৩১ পি.এম


ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ পরিদর্শন করলেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক

ফরিদপুর, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬ : স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. ফারুক আহাম্মদ ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের পরিদর্শন করেছেন।

আজ সোমবার দুপুরে, পরিদর্শনের সময় তিনি কলেজের শিক্ষক ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং কলেজের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. আসিফ উল আলম, উপাধ্যক্ষ ও মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. খান মোহাম্মদ আরিফ, হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. ওবায়দুর রহমান, হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. আজমল হোসেনসহ কলেজের অন্যান্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও শিক্ষকরা।

এটি উল্লেখযোগ্য যে, অধ্যাপক ডা. ফারুক আহাম্মদ পূর্বে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হেবরনের বাস্তুচ্যুতদের জন্য ফিলিস্তিনিরা খুলছেন ঘরের দরজা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৩১ পি.এম


হেবরনের বাস্তুচ্যুতদের জন্য ফিলিস্তিনিরা খুলছেন ঘরের দরজা

দখলকৃত পশ্চিম তীরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ও ঐতিহাসিক শহর হেবরনে ইসরায়েলি বাহিনীর প্রবল হামলা ও সর্বাত্মক লকডাউনের কারণে হাজার হাজার ফিলিস্তিনি নিজেদের বাড়িঘর ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন। এই চরম মানবিক সংকটের মধ্যেও ফিলিস্তিনিদের মধ্যে পারস্পরিক সহমর্মিতা ও সামাজিক বন্ধন নতুন করে আশার আলো দেখাচ্ছে। স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও স্বনামধন্য উদ্যোক্তারা বাস্তুচ্যুত ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে নিজেদের ঘরের দরজা খুলে দিয়েছেন।

গত শুক্রবার হেবরনের ফারশ আল-হাওয়া এলাকায় এক সামরিক চেকপোস্টে দুই ফিলিস্তিনির হামলায় দুই ইসরায়েলি সেনা নিহত হওয়ার পর থেকেই শহরটিতে ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করে ইসরায়েলি বাহিনী। এর ফলে শহরজুড়ে কারফিউ ও কঠোর অবরোধ আরোপ করা হয়েছে, যা হেবরন ও এর আশপাশের প্রায় ১০ লাখ ফিলিস্তিনির ওপর প্রভাব ফেলেছে। ইসরায়েলি সেনা ও উগ্র ডানপন্থী মন্ত্রীদের নির্দেশে হেবরনের বিভিন্ন এলাকায় তিনতলা ভবন ও শিল্প স্থাপনা বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, এই আকস্মিক সামরিক আগ্রাসনে এখন পর্যন্ত দুই হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। এর মধ্যে প্রায় অর্ধেকই শিশু, ১৮ বছরের কম বয়সী, যার মধ্যে রয়েছে ৮১ জন গর্ভবতী নারী এবং ২০৪ জন প্রবীণ নাগরিক। আকস্মিক এই হামলায় ঘরছাড়া ফাহদ আহমারো নামের এক ব্যক্তি জানান, “আমরা পরনের কাপড় ছাড়া আর কিছুই সঙ্গে নিয়ে বের হতে পারিনি। আমাদের জমানো অর্থ, সব আসবাবপত্র এবং জরুরি নথিপত্র বাড়িতেই রয়ে গেছে। পরিস্থিতি এতই ভয়াবহ যে নিরাপত্তাঝুঁকির কারণে পরিবারের নারী ও শিশুদের বের করে আনার পর আর ফিরে যেতে পারিনি।”

হেবরনের ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ এই ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় মোকাবিলায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। সরকারি সংস্থা, বেসরকারি খাত এবং সুশীল সমাজের সমন্বয়ে একটি বিশেষ ক্রাইসিস গ্রুপ গঠন করা হয়েছে। এই কমিটির সদস্য রিয়াদ খামিস আল জাজিরাকে জানান, হেবরনের মানুষ বরাবরই তাদের সামাজিক সংহতি এবং উদারতার জন্য পরিচিত। করোনা মহামারী কিংবা এর আগের যেকোনো সংকটেও শহরটির মানুষ সবার আগে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। আজ যখন প্রতিবেশীরা চরম বিপদে, তখন সবাই এক হয়ে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন।

মানবিক এই আহ্বানে সাড়া দিয়ে রিয়েল এস্টেট ডেভেলপার মোহাম্মদ আল-রুজুব হেবরনের কাছের শহর দুরাতে অবস্থিত নিজের খালি অ্যাপার্টমেন্টগুলো বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোর জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছেন। তার দেখাদেখি আরও অনেকেই নিজেদের ঘরবাড়ি ও অ্যাপার্টমেন্ট বাস্তুচ্যুত মানুষের আশ্রয়ের জন্য ছেড়ে দিয়েছেন। বর্তমানে আল-রুজুব তার নিজের অ্যাপার্টমেন্টেই ৩০ জন শিশুসহ তিনটি বড় পরিবারকে আশ্রয় দিয়েছেন।

তিনি বলেন, “আমাদের অবশ্যই মানুষের মর্যাদার সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। আজ আমরা এই ভালো মানুষগুলোকে আশ্রয় দিচ্ছি, কিন্তু কাল হয়তো আমাদেরও অন্যের আশ্রয়ের প্রয়োজন হতে পারে। আমরা সবাই একই দখলদারিত্বের শিকার এবং সমানভাবে ঝুঁকিপূর্ণ।”

এদিকে হেবরনের ওপর ইসরায়েলি অবরোধের কারণে শিক্ষা ও চিকিৎসাসেবাও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। শহরটির বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এবং স্কুলগুলো অনলাইনে ক্লাস চালাতে বাধ্য হয়েছে। এমনকি ফাওয়ার শরণার্থী শিবিরসহ বেশ কিছু এলাকা পুরোপুরি অবরুদ্ধ থাকায় সাধারণ মানুষ জরুরি চিকিৎসা বা মৌলিক প্রয়োজন মেটানোর জন্যও বাইরে বের হতে পারছেন না। স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করছেন, ইসরায়েলে আসন্ন সাধারণ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে এবং উগ্র ডানপন্থী ভোটারদের সন্তুষ্ট করতেই প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকার হেবরনে এই নৃশংস সামরিক অভিযান চালাচ্ছে। সূত্র: আল-জাজিরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%