শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:২৫ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সংগীতজগতের কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিনের জন্মদিন ছিল ৪ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার। তার এই বিশেষ দিনে ভক্ত-অনুরাগী থেকে শুরু করে সংগীতাঙ্গনের সহকর্মীরা ভালোবাসা ও শ্রদ্ধায় ভাসিয়ে তুলেছেন। কালজয়ী এ সংগীতশিল্পীর জন্মদিনে সামাজিক মাধ্যমে আবেগঘন একটি বার্তা দেন আরেক জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কনকচাঁপা।
গতকাল ৭২ বছর পূর্ণ করে ৭৩ বছরে পা রাখা কিংবদন্তিকে শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা জানিয়ে নিজের ফেসবুক পেজে পোস্ট করেছেন কনকচাঁপা। সাবিনা ইয়াসমিনের সঙ্গে তোলা একটি ছবি শেয়ার করেছেন তিনি। কনকচাঁপা লিখেছেন— ‘সাবিনা ইয়াসমিন- একটি নাম, একটি ইনস্টিটিউট।’
লেখক ও শিক্ষাবিদ আবদুল্লাহ আবু সাঈদের একটি স্মৃতিচারণ তুলে ধরে কনকচাঁপা লিখেন, ‘‘বহু বছর আগে এক ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানে আবদুল্লাহ আবু সাঈদ দর্শকদের প্রশ্ন করেছিলেন— কোকিল কখন গায়? দর্শকরা উত্তর দিয়েছিলেন— ‘বসন্তে’। এরপর তিনি জানতে চান, সারা বছর সুর ছড়িয়ে মাতিয়ে রাখে কোন পাখি? দর্শকদের উত্তরের অপেক্ষায় না থেকে তিনি নিজেই বলেছিলেন— সারা বছর গানে মাতিয়ে রাখা সেই পাখিটি আমাদের সাবিনা ইয়াসমিন।’’
আবদুল্লাহ আবু সাঈদের সেই কথার সূত্র ধরে তিনি আরও লিখেছেন, ‘সাবিনা ইয়াসমিন শুধু সারা বছর নয়, বাংলাদেশের মানুষকে সারাজীবন গানে ডুবিয়ে, ভাসিয়ে ও উজ্জীবিত করে রেখেছেন। একই সঙ্গে পরিণত বয়সেও কীভাবে তিনি নিজের কণ্ঠের জাদু একই রকম ধরে রেখেছেন, তা গবেষণার বিষয়।’
‘জন্ম আমার ধন্য হলো মাগো’, ‘সব কটা জানালা খুলে দাও না’ এবং ‘একটি বাংলাদেশ তুমি জাগ্রত জনতার’— এই তিনটি কালজয়ী গান ছাড়া তিনি যদি আর কোনো গান নাও গাইতেন, তবু তিনি আজ যেমন ‘মধুকণ্ঠী কোকিল’ নামে অভিহিত হয়ে গেছেন, ঠিক তেমনই থাকতেন’,- লিখেন কনকচাঁপা।
১৯৫৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জন্ম নেওয়া সাবিনা ইয়াসমিন দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ দশকের বেশি সময় ধরে বাংলা সংগীতজগৎকে সমৃদ্ধ করে আসছেন। ১৯৬৭ সালে ‘আগুন নিয়ে খেলা’ সিনেমার ‘মধুর জোছনা দীপালি’ গানের মাধ্যমে চলচ্চিত্রে তার প্লেব্যাক দেওয়া শুরু হয়। দীর্ঘ এই বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে ১০ হাজারের বেশি গান গেয়েছেন তিনি। তার এই অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ শিল্পীকে ১৯৮৪ সালে একুশে পদক এবং ১৯৯৬ সালে স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। এ ছাড়া জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে রেকর্ডসংখ্যকবার শ্রেষ্ঠ নারী সংগীতশিল্পীর সম্মাননা পেয়েছেন সাবিনা ইয়াসমিন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নিজে করি, অন্যকে উদ্বুদ্ধ করি’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে যশোরের শিল্প ও বাণিজ্য শহর নওয়াপাড়া পৌর এলাকায় ডেঙ্গু রোগের বিস্তার রোধের উদ্দেশ্যে পরিচ্ছন্নতা অভিযান এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি মশক নিধন কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। নওয়াপাড়া পৌরসভার উদ্যোগে শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে ৬ নম্বর ওয়ার্ডের গুয়াখোলা গ্রামে অভয়নগর উপজেলা পরিষদের নিকটবর্তী এলাকা থেকে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।
উদ্বোধন করেন নওয়াপাড়া পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আশীষ কুমার বসু।
এই সময় পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা (পিএনও) সাইফুল ইসলাম, সমাজ উন্নয়ন কর্মকর্তা রাজিবুর রহমান, শহর পরিকল্পনাবিদ সোহেল সরদার, নওয়াপাড়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) আশরাফ হোসেন প্রিন্স, পৌরসভার কর্মচারী শেখ শাহ জামাল, রাজু আহম্মেদ, আলী আকরাম, সেলিম মল্লিকসহ রেড ক্রিসেন্ট ও স্কাউটের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
নওয়াপাড়া পৌর কর্তৃপক্ষ জানায়, শনিবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের গুয়াখোলা গ্রামের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ডেঙ্গু রোগের বিস্তার রোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে লিফলেট বিতরণ এবং মশক নিধনের ব্যবস্থা করা হয়। পর্যায়ক্রমে পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। এ জন্য পৌরবাসীর সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সভায় সভাপতিত্ব করেন নারায়ণগঞ্জ জেলার জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ রায়হান কবির। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট আবুল কালাম, মাননীয় সংসদ সদস্য, নারায়ণগঞ্জ-৫। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব অধ্যাপক মোঃ মামুন মাহমুদ, প্রশাসক, জেলা পরিষদ, নারায়ণগঞ্জ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জনাব আলীনূর খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি), নারায়ণগঞ্জ, মাদ্রাসা ব্যবস্থাপনা পরিষদের সদস্যবৃন্দ, শিক্ষকবৃন্দ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
মতবিনিময় সভায় নৈতিক শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের বাস্তবিক জ্ঞান ও কারিগরি শিক্ষায় দক্ষ করে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ রায়হান কবির। একইসঙ্গে মাদ্রাসার শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন, শিক্ষার পরিবেশ উন্নতকরণ, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং নারায়ণগঞ্জ ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসাকে একটি আদর্শ ও মডেল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও মতবিনিময় করা হয়।
নারায়ণগঞ্জ ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসা, নারায়ণগঞ্জ || ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রি.
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামালপুর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ধারণক্ষমতার কয়েকগুণ বেশি রোগী চিকিৎসাধীন থাকায় চরম দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে। ২৫০ শয্যার বিপরীতে বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন ৮৬৭ জন রোগী। শিশু ওয়ার্ডে একটি ইনকিউবেটরে তিনটি করে নবজাতক রাখার ঘটনাও নজরে এসেছে। এর মধ্যে ২০২১ সালে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই চলছে চিকিৎসাসেবা।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে হাসপাতালটি পরিদর্শন করে এমন পরিস্থিতিতে বিস্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “আমার জীবনের সবচেয়ে খারাপ অভিজ্ঞতাগুলোর একটি আজ এই হাসপাতালে এসে হলো। হাসপাতাল দেখেছি, কিন্তু এমন পরিস্থিতি কখনো দেখিনি। বাংলাদেশে এমনও হাসপাতাল আছে, এটা আমার জানা ছিল না।”
মন্ত্রী বলেন, ২৫০ শয্যার হাসপাতালে ৮৬৭ জন রোগী চিকিৎসাধীন থাকায় তাদের মানবেতর পরিবেশে থাকতে হচ্ছে। হাসপাতালের এমন চিত্র দেখে তিনি অত্যন্ত বিস্মিত ও দুঃখিত হয়েছেন।
শিশু ওয়ার্ডের পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, একটি ইনকিউবেটরে যেখানে একজন নবজাতক থাকার কথা, সেখানে তিনটি করে নবজাতক রাখা হচ্ছে। সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো, ২০২১ সালে ভবনটিকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হলেও এখনো সেখানে রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
হাসপাতাল পরিদর্শনের সময় জামালপুরের পুলিশ সুপার মোছাঃ ফারহানা ইয়াসমিন, সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ আজিজুল হকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ