১০:৫০ এম
ইসরাইল-হামাস যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে বিভিন্ন ফ্রন্টে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীর ১ হাজার ৩১৮ সদস্য নিহত হয়েছেন। এ তথ্য রোববার (৪ অক্টোবর) ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ফ্যামিলিজ, কমেমোরেশন অ্যান্ড হেরিটেজ বিভাগ প্রকাশ করেছে।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর নিহতদের মধ্যে রয়েছে ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ), পুলিশ, শিন বেত, ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ সার্ভিস, নিরাপত্তা সমন্বয়কারী এবং স্থানীয় প্রতিরোধ দলের সদস্যরা।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গাজা উপত্যকা ছাড়াও লেবানন ও পশ্চিম তীরসহ বিভিন্ন ফ্রন্টে এসব প্রাণহানি ঘটেছে।
আরও পড়ুন: স্পেনে ট্রেন দুর্ঘটনায় তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা
যুদ্ধের ফলে এ পর্যন্ত ৭ হাজার ১৫০ জনের বেশি মানুষকে স্বজন হারানো পরিবার হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে ২ হাজার ১৪৩ জন শোকাহত বাবা-মা, ৩৫৫ জন বিধবা এবং ৮৮০ জন এতিম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া, যুদ্ধে ৩ হাজার ৭৭২ জন তাদের ভাই বা বোন হারিয়েছেন।
গাজায় ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও ইসরায়েলি সেনাদের প্রাণহানি পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। গাজায় বাফার জোন নির্ধারণকারী ‘ইয়েলো লাইন’-সংলগ্ন এলাকায় বিভিন্ন ঘটনায় এখনও ইসরায়েলি সেনারা নিহত হচ্ছেন।
গত সপ্তাহে উত্তর গাজায় একটি সামরিক অবস্থানে আইডিএফের পরিচালিত একটি ড্রোন অবতরণের পর বিস্ফোরিত হলে দুই রিজার্ভ সেনা নিহত হন। তারা ১৬তম ব্রিগেডের সদস্য ছিলেন।
নিহত দুই সেনা হলেন- ২৪ বছর বয়সী মেজর (রিজার্ভ) নাদাভ কালি এবং ২৩ বছর বয়সী মেজর (রিজার্ভ) অফেক মোআলেম। কালি হার হালুতজ এলাকার এবং মোআলেম জেরুজালেমের বাসিন্দা ছিলেন।
আরও পড়ুন: ইসরাইলের নির্বাচনে হিজবুল্লাহর মাথাব্যথা নেই: নাঈম কাসেম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন