ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

প্রায় প্রস্তুত রাশিয়া-উত্তর কোরিয়ার প্রথম সংযোগ সড়ক, উদ্বিগ্ন পশ্চিমারা


প্রায় প্রস্তুত রাশিয়া-উত্তর কোরিয়ার প্রথম সংযোগ সড়ক, উদ্বিগ্ন পশ্চিমারা

ইতিহাসের প্রথমবারের মতো সরাসরি সড়ক সংযোগ চালুর দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়া। দুই দেশের সীমান্তবর্তী তুমেন নদীর ওপর নির্মিত সেতুর কাজ প্রায় শেষ হলেও এটি শুধু বাণিজ্য ও পর্যটনের জন্য নয়। বরং ইউক্রেন যুদ্ধে সামরিক সহযোগিতা জোরদারের একটি কৌশলগত করিডোরে পরিণত হতে পারে- এমন আশঙ্কা গবেষক ও বিশ্লেষকদের।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান প্রকাশিত এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, নতুন সেতুটি রাশিয়ার দূরপ্রাচ্যের খাসান এবং উত্তর কোরিয়ার তুমানগাংকে যোগ করবে। সীমান্তের এই প্রত্যান্ত অঞ্চলে এতদিন দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম ছিল একটি রেলসেতু, যা ‘ফ্রেন্ডশিপ ব্রিজ’ নামে পরিচিত।

আরও পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত শেষ হলেও জ্বালানি সংকট অব্যাহত থাকবে: আইইএ প্রধান

উদ্বোধনে বিলম্বজনিত কারণে, প্রতিবেদনে বলা হয়, উত্তর কোরিয়া তাদের অংশের নির্মাণকাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন করেছে। সেখানে কাস্টমস ও কোয়ারেন্টিনসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামোও প্রস্তুত করে ফেলা হয়েছে। গত ১৯ জুন সেতুটি উদ্বোধনের জন্য পরিকল্পনা ছিল। তবে রাশিয়ার অংশের কাজ সময়মতো শেষ না হওয়ায় উদ্বোধন স্থগিত করা হয়েছে। নতুন কোনও তারিখ এখনও ঘোষণা করা হয়নি।

রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়া উভয়ই প্রকাশ্যে জানিয়েছে, এই সেতু নির্মাণের উদ্দেশ্য দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, পর্যটন এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।

কিন্তু ইউক্রেনের মানবাধিকার সংস্থার ট্রুথ হাউন্ডস পরিচালিত একটি নতুন অনুসন্ধানে দাবি করা হয়েছে, সেতুটির প্রকৃত উদ্দেশ্য অর্থনৈতিক নয়; বরং এটা সামরিক সরঞ্জাম, সেনা ও প্রযুক্তি আদান-প্রদানের জন্য একটি তুলনামূলক গোপন লজিস্টিক করিডোর হিসেবে ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

সংস্থাটির ওপেন-সোর্স গবেষণা বিভাগের প্রধান নাজার মিহুন বলেছেন, সড়কপথে চলাচল রেলপথের তুলনায় পশ্চিমা দেশগুলোর স্যাটেলাইট নজরদারি এড়িয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে অনেক সহজ।

আরও পড়ুন: পিরোজপুরে লাশ দাফনে বাধা, নাহিদ ইসলামের নিন্দা ও ইনসাফের আহ্বান

তিনি আরও বলেন, রেলপথের মালামালের ধরনের ওপর ভিত্তি করে অনুমান করা সম্ভব। আবার খোলা ওয়াগনে বহন করা পণ্যও স্যাটেলাইট চিত্রে শনাক্ত করা সম্ভব হয়।

অন্যদিকে, ট্রাকগুলো প্রায় একই ধরনের দেখায় এবং যেকোনও স্থান থেকে দ্রুত মালামাল ওঠানো-নামানো সম্ভব হওয়ায় সেগুলোর গতিবিধি নজরদারি করা খুবই কঠিন।

নতুন সেতুটি তুমেন নদীর ওপর প্রায় এক কিলোমিটার দীর্ঘ এবং সাত মিটার প্রশস্ত। এতে দুই লেনের সড়ক থাকবে। সংযোগ সড়কসহ পুরো প্রকল্পের দৈর্ঘ্য প্রায় ৪ দশমিক ৭ কিলোমিটার।

স্যাটেলাইট চিত্রে রাশিয়ার অংশে একটি হেলিকপ্টার অবতরণস্থলসহ অতিরিক্ত অবকাঠামোর নির্মাণেরও প্রমাণ পাওয়া গেছে।

আরও পড়ুন: মিসরের পার্লামেন্ট সৌদিকে সামরিক সহায়তা দিতে অনুমোদন করেছে

বিশ্লেষকদের মতে, বিদ্যমান রেলপথের একটি বড় সীমাবদ্ধতা হলো দুই দেশের রেললাইনের গেজ বা প্রস্থ এক নয়। ফলে সীমান্ত অতিক্রম করার সময়ে ট্রেনের চাকা পরিবর্তন করতে হয়, যা খুবই সময়সাপেক্ষ। নতুন সড়ক সেতুতে এই ধরনের কোনও বাধা থাকবে না।

অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে ট্রুথ হাউন্ডসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রকল্পটির যৌক্তিকতা দুর্বল।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে সেতুটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১০০ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি। অথচ ২০২৪ সালে রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল মাত্র ৩ কোটি ৪০ লাখ ডলার।

অন্যদিকে উত্তর কোরিয়ায় রাশিয়ার পর্যটকদের সংখ্যাও খুবই সীমিত। ২০২৫ সালে দেশে প্রায় ১০ হাজার রুশ নাগরিক ভ্রমণ করেন, যাদের অধিকাংশই সরকারি তত্ত্বাবধানে নির্ধারিত সফরে অংশ নেন। রাজধানী পিয়ংইয়ং, যেখানে বিদেশি পর্যটকদের বেশির ভাগ প্রবেশ করে, সেটি এই সীমান্ত সেতু থেকে ৫০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূরে অবস্থিত।

আরও পড়ুন: বিদেশি ঋণ শোধে চাপ বাড়ছে, সহায়তার অর্থছাড় কমেছে

এসব তথ্যের ভিত্তিতে গবেষকদের ধারণা, সেতুটির মূল লক্ষ্য বাণিজ্য নয়, বরং সামরিক ও কৌশলগত সহযোগিতা সহজতর করা।

বিশ্লেষকরা মনে করেন, নতুন সড়কপথ চালু হবার ফলে উত্তর কোরিয়ার সেনা, নির্মাণ ব্রিগেড ও সামরিক কর্মকর্তাদের দ্রুত রাশিয়ায় পাঠানো সম্ভব হবে। একইভাবে রাশিয়ার সামরিক প্রযুক্তি, সরঞ্জাম ও অন্যান্য সম্পদও উত্তর কোরিয়ায় দ্রুত স্থানান্তর হবে।

নাজার মিহুন বলেন, ইউক্রেন যুদ্ধের ক্ষেত্রে রাশিয়ার সক্ষমতা ধরে রাখতে উত্তর কোরিয়ার সহযোগিতা এখন অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

তিনি মনে করেন, দুই দেশের ক্রমবর্ধমান সামরিক সম্পর্ক অস্ত্র ও প্রযুক্তির বিনিময়কে আরও সহজ এবং কম স্বচ্ছ করে তুলছে, যা উত্তর কোরিয়ার প্রতিবেশী দেশগুলোর জন্যও একটি নিরাপত্তা ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে।

আরও পড়ুন: চকরিয়ায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা আকিত হোসেন সজিব গ্রেফতার

ট্রুথ হাউন্ডসের এসব অভিযোগের বিষয়ে মন্তব্য জানতে ক্রেমলিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

পুতিন-কিম চুক্তির পরই নির্মাণ শুরু

২০২৪ সালের জুনে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন একটি বিস্তৃত কৌশলগত অংশীদারিত্ব চুক্তি স্বাক্ষর করেন। এরপর সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয়।

এর পরে দুই দেশের সামরিক সম্পর্ক দ্রুত গভীর হয়েছে। পশ্চিমা ও ইউক্রেনীয় সূত্রের দাবি, উত্তর কোরিয়া রাশিয়াকে সেনাসদস্য, গোলাবারুদ এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করেছে।

আরও পড়ুন: আওয়ামী লীগ আখ্যা দিয়ে বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সিপিবি কার্যালয়ে হামলা

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ইউক্রেনের কুরস্ক অঞ্চলে রাশিয়ার পাশে ১৪ হাজারেরও বেশি উত্তর কোরীয় সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি সম্প্রতি দাবি করেছেন, রাশিয়া আরও প্রায় ৩০ হাজার উত্তর কোরীয় সেনা গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

অস্ত্র সরবরাহের অভিযোগে, ২০২৩ সালে বার্তা সংস্থা রয়টার্স স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে জানায়, উত্তর কোরিয়ার রাসন বন্দর থেকে প্রায় দুই হাজার কনটেইনার রাশিয়ায় পাঠানো হয়েছিল। ধারণা করা হয়, এসব কনটেইনারে কামানের গোলা এবং স্বল্পপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ছিল।

এদিকে কিম জং উন রাশিয়ার হয়ে যুদ্ধ করতে গিয়ে নিহত উত্তর কোরীয় সেনাদের প্রশংসা করেছেন এবং নিহতদের পরিবারের জন্য নতুন আবাসনও উদ্বোধন করেছেন।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মূল্যায়নে ধারণা করা হয়েছে, ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার পক্ষে লড়াই করতে গিয়ে অন্তত দুই হাজার উত্তর কোরীয় সেনা নিহত হয়েছেন। এছাড়া গুরুতর আহত দুই সেনাকে ইউক্রেনীয় বাহিনী জীবিত আটক করেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, তুমেন নদীর ওপর নতুন এই সড়ক সেতু শুধু দুই দেশের ভৌগোলিক সংযোগ নয়; বরং মস্কো ও পিয়ংইয়ংয়ের ক্রমবর্ধমান সামরিক জোটের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক, যার প্রভাব ইউক্রেন যুদ্ধের পাশাপাশি পূর্ব এশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতিতেও পড়তে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভক্তের কাণ্ডে আতঙ্কিত অভিনেত্রী, দিলেন আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:২৯ পি.এম


ভক্তের কাণ্ডে আতঙ্কিত অভিনেত্রী, দিলেন আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি

দক্ষিণী ও বলিউড চলচ্চিত্রের একজন জনপ্রিয় অভিনেত্রী কাজল আগারওয়াল ক্যারিয়ারজুড়ে অগণিত ভক্তের ভালোবাসা পেলেও, সম্প্রতি শুটিং সেটে এক চরম অনভিপ্রেত ও বিভীষিকাময় পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন। সম্প্রতি, একটি চলচ্চিত্রের শুটিং চলাকালে, তার ব্যক্তিগত ক্যারাভানে হঠাৎ ঢুকে পড়েন এক সহকারী পরিচালক। ঘটনাক্রমে, বিনা অনুমতিতে ঘরে ঢুকে ওই ব্যক্তি তার শার্ট খুলে বুকের ছাতিজুড়ে কাজলের নামের ট্যাটু প্রদর্শন করেন, যা দেখে মুহূর্তে আতঙ্কে শিউরে ওঠেন অভিনেত্রী।

ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দিয়ে একটি সংবাদমাধ্যমকে কাজল বলেন, "কয়েক দিন আগের কথা, একটি ছবির শুটিং শেষ করে আমি নিজের ক্যারাভানে বিশ্রাম নিচ্ছিলাম। ঠিক সেই সময় ছবিতে কর্মরত একজন সহকারী পরিচালক অনুমিত ছাড়া বা দরজায় কড়া না নেড়েই হঠাৎ আমার ক্যারাভানে ঢুকে পড়ে। সে ঢুকেই নিজের গায়ের শার্ট খুলে ফেলে এবং তার বুকে আঁকা আমার নামের ট্যাটু দেখায়। পুরো ঘটনায় আমি এতটাই স্তম্ভিত ও আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলাম যে আমার হাত ও পা কাঁপতে শুরু করছিল।"

অভিযুক্ত ব্যক্তি কাজলের অনুরাগী হলেও, এবং শরীরে তার নাম ট্যাটু করানোর বিষয়টিকে সম্মানের চোখে দেখলেও, সেটের এই অনাকাঙ্ক্ষিত ও অপেশাদার আচরণকে কঠোর ভাষায় প্রত্যাখ্যান করেছেন কাজল। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, "অজন মানুষ আমাকে ভালোবেসে তার শরীরে আমার নাম ট্যাটু করিয়েছে—এ কথা ভেবে আমার ভালো লেগেছিল ঠিকই। কিন্তু একজন নারী যখন একা থাকেন, তখন কোনো অনুমতি ছাড়া তার ব্যক্তিগত কক্ষে প্রবেশ করা সম্পূর্ণ নীতিবিরুদ্ধ ও অনুচিত। কেউ যতই বড় ভক্ত হোক না কেন, এই ধরনের আচরণ কখনোই সমর্থনযোগ্য নয়। আমি তাকে সতর্ক করে জানাই যে এই কাজের জন্য তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে এবং তারপর তাকে সেখান থেকে বের করে দিই।"

উল্লেখ্য, ২০০৪ সালে হিন্দি ছবি ‘কিউঁ! হো গয়া না...’-এ একটি পার্শ্বচরিত্রের মাধ্যমে রুপালি জগতে পা রেখেছিলেন কাজল আগারওয়াল। তবে ২০০৯ সালে এস এস রাজামৌলির ঐতিহাসিক ফ্যান্টাসি সিনেমা ‘মাগাধীরা’ তাকে রাতারাতি তারকাখ্যাতি এনে দেয়। এর পর ‘ডার্লিং’, ‘বৃন্দাবনম’, ‘মি. পারফেক্ট’, ‘বিজনেসম্যান’, ‘নায়ক’, ‘বাদশাহ’, ‘ইয়েভাদু’ এবং ‘টেম্পার’-এর মতো একের পর এক সুপারহিট বাণিজ্যিক চলচ্চিত্রে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করে নিজের অবস্থান সুদৃঢ় করেন তিনি।

বলিউডেও কাজল আগারওয়ালের ঝুলিতে রয়েছে বড় সাফল্য। তিনি অজয় দেবগনের বিপরীতে ব্লকবাস্টার অ্যাকশন ছবি ‘সিংহাম’ এবং ক্রাইম থ্রিলার ‘স্পেশাল ২৬’-এ অভিনয় করে সর্বভারতীয় স্তরে প্রশংসিত হন।

কাজল আগারওয়ালের নতুন সিনেমা ‘দ্য ইন্ডিয়া স্টোরি’ গত ২৪ জুলাই সিনেমা হলে মুক্তি পেয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌ রুটে স্বাভাবিক হলো লঞ্চ চলাচল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৩১ পি.এম


দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌ রুটে স্বাভাবিক হলো লঞ্চ চলাচল

এক ঘণ্টার বন্ধের পর দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে লঞ্চ চলাচল এখন স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিকেল পৌনে ৫টা থেকে লঞ্চ চলাচল ফের শুরু হয়। এর আগে, বৈরী আবহাওয়ার কারণে নৌ দুর্ঘটনা এড়াতে বিকেল পৌনে ৪টা থেকে ওই নৌপথে সব লঞ্চ চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয় বিআইডাব্লিউটিএ। বিআইডাব্লিউটিএর ট্রাফিক সুপারভাইজার মো. শিমুল ইসলাম বিষয়টি কালের কণ্ঠকে নিশ্চিত করে বলেন, বৈরী আবহাওয়ার কারণে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া রুটে এক ঘণ্টা লঞ্চ সার্ভিস বন্ধ ছিল। বর্তমানে আবহাওয়া পরিস্থিতি অনুকূলে আসায় লঞ্চ চলাচল শুরু করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে নবনিযুক্ত উপ-উপাচার্যের যোগদান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সাব্বির হাসনাত, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৩১ পি.এম


রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে নবনিযুক্ত উপ-উপাচার্যের যোগদান

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আবদুস সোবাহান আজ মঙ্গলবার (২৮ জুলাই ২০২৬) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন-১-এ অবস্থিত মাননীয় উপাচার্যের কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেছেন। এর আগে মহামান্য রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয় গত সোমবার (২৭ জুলাই ২০২৬) জারিকৃত প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পেইন্টিং, ওরিয়েন্টাল আর্ট অ্যান্ড প্রিন্টমেকিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ আবদুস সোবাহানকে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ প্রদান করে। যোগদান উপলক্ষে মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক তাহ্‌মিনা আখতার নবনিযুক্ত উপ-উপাচার্যকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, দপ্তরপ্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। নবনিযুক্ত উপ-উপাচার্যকে স্বাগত জানিয়ে মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক তাহ্‌মিনা আখতার বলেন, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল, পরিকল্পিত ও টেকসই করতে সম্মিলিত নেতৃত্ব ও পারস্পরিক সহযোগিতার বিকল্প নেই। আমি বিশ্বাস করি, নবনিযুক্ত উপ-উপাচার্য তাঁর দীর্ঘ অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক অভিজ্ঞতার আলোকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা, প্রশাসন এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন। আমরা সবাই মিলে শিক্ষার্থীকেন্দ্রিক, গবেষণাবান্ধব ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন একটি বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করে যাব। নবনিযুক্ত উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আবদুস সোবাহান বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অসাম্প্রদায়িক চেতনা, সৃজনশীলতা এবং মানবকল্যাণের দর্শনকে ধারণ করে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা, শিল্পচর্চা ও উদ্ভাবনী কর্মকাণ্ডকে আরও সমৃদ্ধ করতে আমি সর্বোচ্চ নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করব। মাননীয় উপাচার্যের leadership এ বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল অংশীজনকে সঙ্গে নিয়ে একটি আধুনিক, জ্ঞানভিত্তিক ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে চাই। যোগদান শেষে নবনিযুক্ত উপ-উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। নবনিযুক্ত উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আবদুস সোবাহান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পেইন্টিং, ওরিয়েন্টাল আর্ট অ্যান্ড প্রিন্টমেকিং বিভাগের অধ্যাপক। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউট (বর্তমানে চারুকলা) থেকে ছাপচিত্র (Printmaking) বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলাদেশের ছাপচিত্র (Printmaking) বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মানচিত্রে নির্ভুলতা, উন্নয়নে গতি ও জাতীয় নিরাপত্তায় নতুন শক্তি: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৩২ পি.এম


মানচিত্রে নির্ভুলতা, উন্নয়নে গতি ও জাতীয় নিরাপত্তায় নতুন শক্তি: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা

রাজধানীর তেজগাঁওয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ জরিপ অধিদপ্তর পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম।

মঙ্গলবার, এই পরিদর্শনের সময়ে অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আজিজুর রউফ তাঁকে স্বাগত জানান।

পরিদর্শনকালে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা জাতীয় মানচিত্র প্রণয়ন ও হালনাগাদ, আন্তর্জাতিক সীমানা জরিপ, ভূস্থানিক তথ্য সংগ্রহ, স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ এবং ডিজিটাল এলিভেশন মডেল প্রস্তুতকরণ কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত হন। তিনি বলেছেন, নির্ভুল ও হালনাগাদ মানচিত্র উন্নয়ন পরিকল্পনা, অবকাঠামো নির্মাণ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। এজন্য তিনি সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ভূস্থানিক তথ্যের সমন্বয় ও নিয়মিত হালনাগাদের উপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

তিনি আরও বলেন, প্রশিক্ষণে জরিপ ও ভূস্থানিক জ্ঞানের ব্যবহার বৃদ্ধি করা, দেশীয় ডিজিটাল ম্যাপিং অ্যাপ্লিকেশন তৈরির সম্ভাবনা যাচাই করা এবং ভূকৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ এলাকার হালনাগাদ তথ্য নিয়মিত সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের নির্দেশনা প্রদান করা প্রয়োজন। এছাড়াও, তিনি ঢাকা ও চট্টগ্রামের ডিজিটাল এলিভেশন মডেল আগামী চার মাসের মধ্যে সম্পন্ন করার নির্দেশ দেন এবং পরবর্তী পর্যায়ে সিলেট ও কুমিল্লায় কাজ শুরুর কথা জানান।

পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, ‘উন্নত ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে সঠিক তথ্যভিত্তিক পরিকল্পনার বিকল্প নেই। নির্ভুল মানচিত্র ও আধুনিক ভূস্থানিক তথ্য সেই পরিকল্পনার পথ নির্দেশক।’

এসময় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আশরাফ উদ্দিন এবং বাংলাদেশ জরিপ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%