সাব্বির হাসনাত, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
০৫:৩১ পি.এম
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আবদুস সোবাহান আজ মঙ্গলবার (২৮ জুলাই ২০২৬) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন-১-এ অবস্থিত মাননীয় উপাচার্যের কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেছেন। এর আগে মহামান্য রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয় গত সোমবার (২৭ জুলাই ২০২৬) জারিকৃত প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পেইন্টিং, ওরিয়েন্টাল আর্ট অ্যান্ড প্রিন্টমেকিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ আবদুস সোবাহানকে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ প্রদান করে। যোগদান উপলক্ষে মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক তাহ্মিনা আখতার নবনিযুক্ত উপ-উপাচার্যকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, দপ্তরপ্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। নবনিযুক্ত উপ-উপাচার্যকে স্বাগত জানিয়ে মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক তাহ্মিনা আখতার বলেন, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল, পরিকল্পিত ও টেকসই করতে সম্মিলিত নেতৃত্ব ও পারস্পরিক সহযোগিতার বিকল্প নেই। আমি বিশ্বাস করি, নবনিযুক্ত উপ-উপাচার্য তাঁর দীর্ঘ অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক অভিজ্ঞতার আলোকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা, প্রশাসন এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন। আমরা সবাই মিলে শিক্ষার্থীকেন্দ্রিক, গবেষণাবান্ধব ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন একটি বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করে যাব। নবনিযুক্ত উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আবদুস সোবাহান বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অসাম্প্রদায়িক চেতনা, সৃজনশীলতা এবং মানবকল্যাণের দর্শনকে ধারণ করে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা, শিল্পচর্চা ও উদ্ভাবনী কর্মকাণ্ডকে আরও সমৃদ্ধ করতে আমি সর্বোচ্চ নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করব। মাননীয় উপাচার্যের leadership এ বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল অংশীজনকে সঙ্গে নিয়ে একটি আধুনিক, জ্ঞানভিত্তিক ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে চাই। যোগদান শেষে নবনিযুক্ত উপ-উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। নবনিযুক্ত উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আবদুস সোবাহান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পেইন্টিং, ওরিয়েন্টাল আর্ট অ্যান্ড প্রিন্টমেকিং বিভাগের অধ্যাপক। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউট (বর্তমানে চারুকলা) থেকে ছাপচিত্র (Printmaking) বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলাদেশের ছাপচিত্র (Printmaking) বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর তেজগাঁওয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ জরিপ অধিদপ্তর পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম।
মঙ্গলবার, এই পরিদর্শনের সময়ে অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আজিজুর রউফ তাঁকে স্বাগত জানান।
পরিদর্শনকালে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা জাতীয় মানচিত্র প্রণয়ন ও হালনাগাদ, আন্তর্জাতিক সীমানা জরিপ, ভূস্থানিক তথ্য সংগ্রহ, স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ এবং ডিজিটাল এলিভেশন মডেল প্রস্তুতকরণ কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত হন। তিনি বলেছেন, নির্ভুল ও হালনাগাদ মানচিত্র উন্নয়ন পরিকল্পনা, অবকাঠামো নির্মাণ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। এজন্য তিনি সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ভূস্থানিক তথ্যের সমন্বয় ও নিয়মিত হালনাগাদের উপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
তিনি আরও বলেন, প্রশিক্ষণে জরিপ ও ভূস্থানিক জ্ঞানের ব্যবহার বৃদ্ধি করা, দেশীয় ডিজিটাল ম্যাপিং অ্যাপ্লিকেশন তৈরির সম্ভাবনা যাচাই করা এবং ভূকৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ এলাকার হালনাগাদ তথ্য নিয়মিত সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের নির্দেশনা প্রদান করা প্রয়োজন। এছাড়াও, তিনি ঢাকা ও চট্টগ্রামের ডিজিটাল এলিভেশন মডেল আগামী চার মাসের মধ্যে সম্পন্ন করার নির্দেশ দেন এবং পরবর্তী পর্যায়ে সিলেট ও কুমিল্লায় কাজ শুরুর কথা জানান।
পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, ‘উন্নত ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে সঠিক তথ্যভিত্তিক পরিকল্পনার বিকল্প নেই। নির্ভুল মানচিত্র ও আধুনিক ভূস্থানিক তথ্য সেই পরিকল্পনার পথ নির্দেশক।’
এসময় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আশরাফ উদ্দিন এবং বাংলাদেশ জরিপ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হরমুজ প্রণালি সংক্রান্ত একটি নতুন প্রস্তাব দিয়েছে ওমান, যা ইরানের কাছে যৌথভাবে পরিচালনার জন্য গ্রহণযোগ্য। এটি একটি কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ, যা পারস্য উপসাগরের অন্তর্ভুক্ত। দেশটি এই প্রস্তাবটি মধ্যপ্রাচ্যের চলতে থাকা উত্তেজনার মধ্যে আঞ্চলিক সহযোগিতার ভিত্তিতে উপস্থাপন করেছে।
প্রস্তাব অনুযায়ী, গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথের নিয়ন্ত্রণ কোনো একক দেশের হাতে থাকবে না; বরং এটি আঞ্চলিক সহযোগিতার মাধ্যমে পরিচালিত হবে। রয়টার্সের একটি প্রতিবেদনে জানা গেছে, উপসাগরীয় অঞ্চলের কিছু দেশের সমর্থন নিয়ে গত সপ্তাহান্তে তেহরানে ইরানি কর্মকর্তাদের কাছে এটি উপস্থাপিত হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের একক নিয়ন্ত্রণ থাকবে না।
এই প্রস্তাবটি মালাক্কা প্রণালির ব্যবস্থাপনা কাঠামোর অনুসরণে নির্মিত হয়েছে, যেখানে ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগরকে সংযুক্তকারী ওই প্রণালি ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর যৌথভাবে পরিচালনা করে।
ওমানের প্রস্তাব অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালি ব্যবহারকারী জাহাজগুলো স্বেচ্ছাভিত্তিতে একটি তহবিলের জন্য অর্থ প্রদান করবে। এই অর্থ নৌ-চলাচল ব্যবস্থাপনা, পরিবেশ সুরক্ষা, অনুসন্ধান ও উদ্ধার কার্যক্রমসহ বিভিন্ন সেবার ব্যয় মেটাতে ব্যবহৃত হবে।
বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) পরিবহনের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ সংঘাতের পূর্বে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল করত। বর্তমানে, ইরান যুদ্ধের অবসানের আলোচনায় এই প্রণালির ভবিষ্যৎ ব্যবস্থাপনা অন্যতম প্রধান অচলাবস্থার কারণ হয়ে উঠেছে।
তবে ইরান উল্লেখ করেছে, যুদ্ধের পূর্ববর্তী সময়ের মতো হরমুজ প্রণালিতে অবাধ নৌ-চলাচলের পরিস্থিতি ফিরিয়ে নিয়ে আসা সম্ভব নয়। অন্যদিকে উপসাগরীয় দেশগুলো জোর দিয়ে বলছে যে, তারা ইরানকে কোনো বাধ্যতামূলক ফি পরিশোধের ব্যবস্থা মেনে নেবে না।
গতকাল, সোমবার, হরমুজ প্রণালির বিষয়টি নিয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ওমান ও সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন।
এক বিবৃতিতে, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে যে, আরাঘচি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা এবং যুক্তরাষ্ট্রের ‘আগ্রাসী কর্মকাণ্ডের’ কারণে হরমুজ প্রণালিতে সৃষ্ট নিরাপত্তাহীনতা দূর করতে যৌথ কূটনৈতিক উদ্যোগের জন্য গুরুত্ব আরোপ করেছেন। এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মন্তব্য করেন যে, ইরানের সঙ্গে ওয়াশিংটনের ‘ভালো আলোচনা’ চলছে এবং একটি সমঝোতার সুযোগ রয়েছে। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি আলোচনা ব্যর্থ হয় তাহলে যুক্তরাষ্ট্র পুনরায় ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলা শুরু করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০২৬ বিশ্বকাপ শেষ হয়ে গেলেও ফুটবল দুনিয়ায় আলোচনা এখন ব্যালন ডি’অরের চারপাশে ঘুরছে। বিশ্বকাপজয়ী স্পেনের হয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের দরুণ রদরি অনেকের চোখে অন্যতম দাবিদার হয়ে উঠেছে। তবে চোটের কারণে ক্লাব ফুটবলে দীর্ঘ সময় মাঠের বাইরে থাকায় তার সম্ভাবনা কিছুটা অনিশ্চিত হতে পারে।
অন্যদিকে, বার্সেলোনার তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামাল ক্লাব পর্যায়ে এক উজ্জ্বল মৌসুম কাটালেও বিশ্বকাপে প্রত্যাশা অনুযায়ী কিছু করতে পারেননি। ফলে আলোচনার স্রোতে কিলিয়ান এমবাপ্পে, হ্যারি কেইন এবং লিওনেল মেসির নামও উঠে আসছে।
এখন এমবাপ্পের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় প্রশ্নটি হলো, ক্লাব কিংবা জাতীয় দলের হয়ে কোনো বড় শিরোপা না জিতেও কি তিনি ব্যালন ডি’অর জিততে পারবেন?
ইতিহাস এই প্রশ্নের উত্তরে উত্তর দিচ্ছে, সম্ভব। নব্বইয়ের দশকের পর থেকে অন্তত তিনজন ফুটবলার বড় কোনো দলীয় শিরোপা ছাড়াই ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত এই পুরস্কারটি জিতেছে।
জর্জ উইয়াহ (১৯৯৫)
১৯৯৫ সালে লাইবেরিয়ার কিংবদন্তী জর্জ উইয়াহ পিএসজির হয়ে অসাধারণ মৌসুম কাটিয়েছিলেন। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে দলকে সেমিফাইনালে পৌঁছাতে সাহায্য করলেও পিএসজি লিগ বা ইউরোপীয় কোনো বড় শিরোপা জিততে পারে নি। পরবর্তীতে তিনি এসি মিলানে যোগ দিলেও ব্যালন ডি’অর ঘোষণার সময় তার ঝুলিতে কোনো বড় দলীয় ট্রফি ছিল না। তবুও ইয়ুর্গেন ক্লিন্সমানকে পেছনে ফেলেই তিনি ইতিহাসের প্রথম আফ্রিকান ও প্রথম অ-ইউরোপীয় ফুটবলার হিসেবে ব্যালন ডি’অর লাভ করেন।
লুইস ফিগো (২০০০)
২০০০ সালে বার্সেলোনার হয়ে দুর্দান্ত খেললেও লুইস ফিগো কোনো বড় শিরোপা জিততে পারেননি। ইউরো ২০০০-এ পর্তুগালকে সেমিফাইনালে তুললেও শিরোপা তিনি পাননি। সেই বছর রেকর্ড ট্রান্সফারে রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেওয়ার পর তিনি ব্যালন ডি’অর জিতেছিলেন, যদিও তার কোনো দলই বড় ট্রফি জিততে পারলো না।
ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো (২০১৩)
২০১৩ সালে বায়ার্ন মিউনিখ ট্রেবল জিতে ইতিহাস গড়লেও সেই বছর ব্যালন ডি’অর যায় ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর কাছে। ওই সময় রিয়াল মাদ্রিদ কোনো বড় শিরোপা জিততে পারেনি। কিন্তু রোনালদোর অসাধারণ ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স, ৬৯ গোল এবং চ্যাম্পিয়ন্স লিগে সর্বোচ্চ গোলদাতার দেশে খ্যাতি, তাকে পুরস্কার এনে দেয়। ট্রেবলজয়ী বায়ার্নের তারকা ফ্র্যাঙ্ক রিবেরিকে পিছনে ফেলে পর্তুগিজ মহাতারকা ব্যালন ডি’অর অর্জন করেন।
এমবাপ্পের পক্ষে কী বলছে পরিসংখ্যান?
রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে দ্বিতীয় মৌসুমে কিলিয়ান এমবাপ্পে ব্যক্তিগতভাবে দুর্দান্ত ছিলেন। লা লিগায় ২৫ গোল করে তিনি টানা দ্বিতীয়বারের মতো পিচিচি ট্রফি জিতেছেন। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ১৫ গোল করে তিনি হন সর্বোচ্চ গোলদাতা। তবে রিয়াল মাদ্রিদ মৌসুম শেষে কোনো বড় শিরোপা ছাড়াই শেষ করেছে।
বিশ্বকাপেও ফরাসি অধিনায়ক দুর্দান্ত ছিলেন। আট ম্যাচে ১০ গোল করে তিনি গোল্ডেন বুট জিতেন এবং বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে পৌঁছান। তবুও সেমিফাইনালে বিদায় নেওয়ার কারণে বিশ্বকাপ ট্রফিও তার জন্য অধরা থেকে যায়।
ব্যালন ডি’অরের লড়াইয়ে দলীয় সাফল্য বরাবরই গুরুত্বপূর্ণ পরিমাণে গণ্য হয়, তবে ইতিহাস দেখিয়েছে, অসাধারণ ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স অনেক সময় ট্রফির অভাব পূরণ করতে পারে। জর্জ উইয়াহ, লুইস ফিগো এবং ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর মতো এমবাপ্পে কি সেই ব্যতিক্রমী তালিকায় নাম লেখাতে সক্ষম হবেন, এখন সেটিই ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলার পর ইরানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বুশেহর বিমানবন্দরটি পুরোপুরি অকার্যকর হয়ে পড়েছে।
মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ইরান সরকারের মুখপাত্র ফাতেমে মহাজেরানি।
ফাতেমে মহাজেরানি বলেন, ‘(এটি) গোড়া থেকে সম্পূর্ণ পুনর্নির্মাণের প্রয়োজন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা একটি সংস্কারকৃত বিমানের ধ্বংসাবশেষ দেখেছি যা জনগণের সেবার জন্য কেনা হয়েছিল। কিন্তু এটি একটি ক্ষেপণাস্ত্রের সরাসরি আঘাতে ধ্বংস হয়ে গেছে, শুধু এর লেজের একটি ছোট অংশ অবশিষ্ট রয়েছে।’
তিনি আরও যোগ করেন, বিমানবন্দর চত্বরে অবস্থিত বুশেহর আবহাওয়া কেন্দ্রটিও মার্কিন হামলায় প্রায় পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে, যা সম্পূর্ণ বেসামরিক কাজে ব্যবহৃত হতো।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তীব্র উত্তেজনা দেখা দেয়। এর জেরে মার্কিন বাহিনী ইরানে টানা বিমান হামলা চালায় এবং এর জবাবে তেহরান বাহরাইন, কুয়েত ও জর্ডানের মতো আরব দেশের মার্কিন ঘাঁটিতে পাল্টা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ