ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী জরুরি বৈঠকে


শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী জরুরি বৈঠকে

দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার মধ্যে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার প্রেক্ষাপটে দেশজুড়ে শিক্ষার্থীদের তীব্র আন্দোলনের মুখে জাতীয় সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে জরুরি বৈঠকে বসেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদ অধিবেশনের এক ফাঁকে এই বৈঠক শুরু হয়।

দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার মধ্যে পরীক্ষা আয়োজনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হিসেবে এবং শিক্ষামন্ত্রীর ‘অসংগতিপূর্ণ’ বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় মঙ্গলবার সকাল থেকেই সারা দেশে আন্দোলন শুরু করেন এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা শিক্ষামন্ত্রীকে আজ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে পদত্যাগ করতে এবং জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে একটি চূড়ান্ত আলটিমেটাম প্রদান করেছেন। বিকেলে পৌনে ৫টার দিকে রাজধানীর সায়েন্স ল্যাব মোড়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পক্ষে এই ঘোষণা দেন ঢাকা সিটি কলেজের পরীক্ষার্থী মো. মিরাজ হোসেন।

আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন মাভাবিপ্রবি উপাচার্য

শিক্ষার্থীদের পক্ষে মিরাজ হোসেন বলেন, ‘আজ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে এবং তার অসংগতিপূর্ণ কথাবার্তার জন্য জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।’

তিনি আরও দাবি করেন, সোমবার(১৩ জুলাই) প্রতিকূল ও অস্বস্তিকর পরিবেশে যে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে, তাতে যারা অংশ নিয়েছেন এবং যারা প্রবল জলাবদ্ধতার কারণে অংশ নিতে পারেননি, সবার কথা বিবেচনা করে ওই পরীক্ষাটি পুনরায় নেওয়া উচিত। একই সঙ্গে বুধবারের নির্ধারিত পরীক্ষা বাতিল করে নতুন রুটিন প্রকাশ ও প্রশ্নপত্রের মানদণ্ড শিক্ষার্থীবান্ধব করার দাবি জানান তিনি।

এর আগে বেলা সাড়ে ১১টার পরে থেকে রাজধানীর সায়েন্স ল্যাব এলাকায় বিভিন্ন কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা জড়ো হতে শুরু করেন। পরে পৌনে ১২টার দিকে তারা সরাসরি সড়কে নেমে ধানমন্ডি থেকে নিউমার্কেটমুখী রাস্তা পুরোপুরি অবরোধ করেন। এ ছাড়া আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ দীর্ঘ সময় ধরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।

বিক্ষোভ চলাকালে শিক্ষার্থীরা ‘দফা এক দাবি এক, মিলনের পদত্যাগ’, ‘ভোগান্তির দায় নিতে হবে’, ‘বন্যা-জলাবদ্ধতায় পরীক্ষা নয়’সহ বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দেন। এ সময় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের হাতে পরীক্ষা স্থগিত ও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিসংবলিত বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড দেখা যায়।

আরও পড়ুন: ক্ষমতা হারালেই কি গ্রেফতার হবেন নেতানিয়াহু?

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশে ১০১টি পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে: গৃহায়নমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৩৩ পি.এম


দেশে ১০১টি পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে: গৃহায়নমন্ত্রী

গৃহায়ন ও গণপূর্ত উপদেষ্টা জাকারিয়া তাহের আজ জানিয়েছেন, সরকার সারা দেশে ১০১টি পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

তিনি বলেন, উদ্দেশ্য হল পার্ক, খেলার মাঠ ও উন্মুক্ত স্থানের তীব্র সংকট নিরসন করা।

১৪ জুলাই, ২০২৬ তারিখে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বিরোধী দলের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলামের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এই তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করছিলেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের আরও জানান, ১০১টি পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য বর্তমানে সরকারি প্রতিষ্ঠান দেশব্যাপী প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু করেছে।

রাজধানীর ফার্মগেটে আনোয়ারা উদ্যানের একটি পার্ক নির্মাণ করা হবে। এছাড়া, রামপুরা, খিলগাঁও উচ্চ বিদ্যালয় এলাকা এবং খিলগাঁও পুনর্বাসন এলাকায় তিনটি খেলার মাঠ উন্নয়নের কাজ চলমান রয়েছে।

তাছাড়া, খিলগাঁওয়ে ঈদগাহ, পার্ক ও কমিউনিটি সেন্টার নির্মাণ প্রকল্পের উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে চট্টগ্রামে দুটি এবং কক্সবাজারে দুটি পার্ক নির্মাণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

ঢাকার রমনা পার্কও আধুনিকায়নের কাজ সম্পন্ন করে জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে।

এছাড়া, ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দায় আরও একটি পার্ক নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে।

জাকারিয়া তাহের বলেন, সরকার পরিকল্পিত নগরায়ণ নিশ্চিত করতে সকল উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে পরিবেশ সংরক্ষণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

তিনি যোগ করেছেন, যথাযথ পরিকল্পনা ও গবেষণার মাধ্যমে ভূমির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে বহুতল ভবন নির্মাণে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

এমনকি, নগর উন্নয়ন প্রকল্পে আধুনিক নির্মাণ প্রযুক্তি, পরিবেশবান্ধব নির্মাণসামগ্রী, জ্বালানি-সাশ্রয়ী ব্যবস্থা, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, স্বতন্ত্র পয়ঃশোধনাগার (এসটিপি) এবং পর্যাপ্ত সবুজায়নের ব্যবহারে সরকার উৎসাহিত করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নগর ও জনপদে ১০১টি নতুন পার্ক নির্মাণ করবে সরকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৩৬ পি.এম


নগর ও জনপদে ১০১টি নতুন পার্ক নির্মাণ করবে সরকার

গৃহায়ন ও গণপূর্ত উপদেষ্টা জাকারিয়া তাহের বলেছেন, পার্ক, খেলার মাঠ এবং উন্মুক্ত স্থানের তীব্র সংকট নিরসনে সরকার সারা দেশে ১০১টি পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের (জামায়াতে ইসলামী) চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলামের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এই তথ্য জানিয়েছেন।

অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

জাকারিয়া তাহের বলেন, ১০১টি পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বর্তমানে দেশে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে।

তিনি জানান, রাজধানীর ফার্মগেটে আনোয়ারা উদ্যানে একটি পার্ক নির্মাণ, রামপুরা, খিলগাঁও উচ্চ বিদ্যালয় এলাকা এবং খিলগাঁও পুনর্বাসন এলাকায় তিনটি খেলার মাঠ উন্নয়ন, পাশাপাশি খিলগাঁওয়ে ঈদগাহ, পার্ক ও কমিউনিটি সেন্টার নির্মাণ প্রকল্পের উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে চট্টগ্রামে দুটি এবং কক্সবাজারে দুটি পার্ক নির্মাণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

এছাড়া ঢাকার রমনা পার্ক আধুনিকায়নের কাজ শেষ করে তা জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দায় আরও একটি পার্ক নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে।

জাকারিয়া তাহের বলেন, পরিকল্পিত নগরায়ণ নিশ্চিত করতে সরকার সকল উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে পরিবেশ সংরক্ষণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

তিনি বলেন, যথাযথ পরিকল্পনা ও গবেষণার মাধ্যমে ভূমির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে বহুতল ভবন নির্মাণে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

এছাড়া নগর উন্নয়ন প্রকল্পে আধুনিক নির্মাণ প্রযুক্তি, পরিবেশবান্ধব নির্মাণসামগ্রী, জ্বালানি-সাশ্রয়ী ব্যবস্থা, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, স্বতন্ত্রীত পয়ঃশোধনাগার (এসটিপি) এবং পর্যাপ্ত সবুজায়নের ব্যবহারে সরকার উৎসাহিত করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টাইফুন বাভিকে ঘিরে উত্তর কোরিয়ায় সর্বোচ্চ সতর্কতার নির্দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৩৮ পি.এম


টাইফুন বাভিকে ঘিরে উত্তর কোরিয়ায় সর্বোচ্চ সতর্কতার নির্দেশ

টাইফুন বাভি উত্তর কোরিয়ার দিকে এগিয়ে আসায়, পিয়ংইয়ং মঙ্গলবার ভারী বৃষ্টি ও প্রবল বাতাসের সতর্কতা জারি করেছে। সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়ানোর জন্য দেশের নেতা কিম জং উন কর্তৃক ‘সর্বোচ্চ সতর্কতা’ অবলম্বনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

উত্তর কোরিয়ায় দুর্বল অবকাঠামো ও ভঙ্গুর অর্থনীতির কারণে প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রভাব তুলনামূলকভাবে বেশি পড়ে। এ খবর সিউল থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি জানাচ্ছে।

রাষ্ট্রীয় দৈনিক রোডং সিনমুনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টাইফুনটি মঙ্গলবার থেকে বুধবারের মধ্যে পীত সাগর হয়ে দেশের মধ্যাঞ্চল অতিক্রম করার পূর্বে দুর্বল হয়ে নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে।

পত্রিকাটি জানাচ্ছে, দেশটির আবহাওয়া সংস্থা ভারী বৃষ্টি ও প্রবল বাতাসের সতর্কতা জারি করেছে। কিম জং উনকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, সব কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে ‘সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থেকে ক্ষয়ক্ষতি কমাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার’ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রোডং সিনমুন জানিয়েছে, মঙ্গলবার দেশের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় ৮০ থেকে ১২০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হতে পারে। ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৬০ মিলিমিটার পর্যন্ত ভারী বর্ষণের পূর্বাভাসও দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া দক্ষিণাঞ্চলসহ কয়েকটি এলাকায় ১৫০ থেকে ২০০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হতে পারে। পশ্চিম উপকূল ও কিছু অভ্যন্তরীণ এলাকায় প্রতি সেকেন্ডে ১০ থেকে ১৫ মিটার বেগে বাতাস বয়ে যেতে পারে।

গত সপ্তাহে কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি (কেসিএনএ) জানায়, উত্তর কোরিয়া দুর্যোগ প্রতিরোধে কার্যক্রম জোরদার করেছে।

এদিকে সম্প্রতি দক্ষিণ কোরিয়াতে ভারী বৃষ্টিপাত ঘটেছে। কোথাও কোথাও ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

মধ্যাঞ্চলের চুংচিয়ং প্রদেশে কয়েক শত বাসিন্দাকে এলাকা ছেড়ে যেতে হয়েছে এবং অনেকে বন্যার পানিতে আটকা পড়েছেন।

সম্প্রচারমাধ্যম কেবিএস জানিয়েছে, দক্ষিণাঞ্চলের গিয়ংসাং অঞ্চলে ফুলে-ফেঁপে ওঠা নদীর স্রোতে ভেসে যাওয়ার কারণে সত্তরের কোঠার এক ব্যক্তি নিখোঁজ হয়েছেন।

সিউলের আবহাওয়া সংস্থা মঙ্গলবার থেকে বুধবার পর্যন্ত সারা দেশে বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে এবং মধ্যাঞ্চল ও দক্ষিণের জিওল্লা প্রদেশে ভারী বর্ষণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে চরম আবহাওয়া এখন আরও ঘন ঘন, দীর্ঘস্থায়ী ও তীব্র হয়ে উঠছে।

গত গ্রীষ্মটি দক্ষিণ কোরিয়াতে ইতিহাসের সবচেয়ে উষ্ণ ছিল। একইভাবে দুই কোরিয়াতেই এবারের জুন মাসও রেকর্ড উষ্ণ ছিল।

এ বছর এল নিনোর ফিরে আসাও ঝুঁকি বৃদ্ধি করেছে। প্রশান্ত মহাসাগরের এ প্রাকৃতিক উষ্ণায়ন প্রবণতা এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে তাপপ্রবাহ, খরা ও ভারী বৃষ্টিপাতের সঙ্গে সম্পর্কিত।

উত্তর কোরিয়ায় দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যুৎ সংকট বিদ্যমান। বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশের অধিকাংশ বাসিন্দার ঘরে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রও নেই।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সংঘাতের মধ্যেই রোমে লেবানন-ইসরাইল বৈঠক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৪১ পি.এম


মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সংঘাতের মধ্যেই রোমে লেবানন-ইসরাইল বৈঠক

 ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে নতুন করে আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে মঙ্গলবার ইতালির রাজধানী রোমে লেবানন ও ইসরাইল নতুন দফার আলোচনা করছে।

দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধাবস্থায় থাকা এই দুই দেশ গত ২৬ জুন ওয়াশিংটনে পাঁচ দফা আলোচনার পর একটি কাঠামোগত চুক্তিতে পৌঁছায়।

চুক্তির লক্ষ্য ছিল ইসরাইল ও ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর মধ্যে যুদ্ধের অবসান ঘটানো এবং শান্তির পথ তৈরি করা। বৈরুত থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

তবে হিজবুল্লাহ এই চুক্তি প্রত্যাখ্যান করেছে। চুক্তিতে সংগঠনটির নিরস্ত্রীকরণের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। এর বাস্তবায়ন শুরু হওয়ার কথা ছিল দক্ষিণ লেবাননের দুটি 'পাইলট অঞ্চল' থেকে ইসরাইলি বাহিনীর প্রত্যাহারের মাধ্যমে।

লেবাননের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় সোমবার জানায়, রোমে বৈঠকে অংশগ্রহণকারী তাদের প্রতিনিধি দলকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, আগে কোনো আলোচনা শুরু করার আগে ইসরাইলি বাহিনীর অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়েছে দুটি পাইলট অঞ্চল থেকে।

আলোচনার বিষয়বস্তু সম্পর্কে অবগত এক লেবাননি কূটনৈতিক সূত্র জানায়, ‘ইসরাইলি বাহিনী যে এলাকা থেকে ধাপে ধাপে সরে যাবে, সেখানে লেবাননের সেনাবাহিনী পর্যায়ক্রমে নিয়ন্ত্রণ নিতে প্রস্তুত রয়েছে।’

তেল আবিবভিত্তিক ইনস্টিটিউট ফর ন্যাশনাল সিকিউরিটি স্টাডিজের (আইএনএসএস) বিশ্লেষক অরনা মিজরাহি এএফপিকে বলেন, 'ইসরাইল ধাপে ধাপে সেনা প্রত্যাহারে প্রস্তুত,' তবে তার শর্ত হলো, 'যেসব এলাকা থেকে ইসরাইল সরে যাবে, সেখানে হিজবুল্লাহর কোনো উপস্থিতি থাকতে পারবে না।'

তিনি আরও বলেন, ইসরাইল আরও নিশ্চিত হতে চায় যে, লেবাননের সেনাবাহিনীর এমন সক্ষমতা থাকবে, যাতে ওই এলাকাগুলোকে নিরপেক্ষ অঞ্চল হিসেবে রাখা সম্ভব হয় এবং হিজবুল্লাহ সেখানে আবার ফিরে আসতে না পারে।

শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক প্রতিনিধিদল বৈরুতে লেবাননের সেনাবাহিনীর সঙ্গে ওই দুটি পাইলট অঞ্চলের একটিতে ইসরাইলি বাহিনীর প্রত্যাহার প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা শুরু করেছে।

সাফল্যের সম্ভাবনা সীমিত-

প্যারিসের সায়েন্সেস পো-র শিক্ষক করিম বিতার এএফপিকে বলেন, 'রোমের বৈঠকে বড় ধরণের অগ্রগতির সম্ভাবনা খুবই সীমিত।'

তিনি আরও বলেন, 'বরং এটা দেখানোর একটি সুযোগ হতে পারে যে, প্রক্রিয়াটি এখনও চলছে। বিরোধিতা ও নতুন নতুন বাধা সত্ত্বেও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।'

১৭ জুন ওয়াশিংটনের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক চূড়ান্ত করতে তেহরান লেবাননে যুদ্ধবিরতির দাবি জানিয়েছিল।

তবে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে আবারও উত্তেজনা বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্র টানা তৃতীয় রাতে ইরানে হামলা চালিয়েছে। একই সঙ্গে মঙ্গলবার ইরানের বন্দরের ওপর নৌ অবরোধ পুনর্বহালেরও পরিকল্পনা রয়েছে।

মিজরাহি বলেন, 'ইরান আঞ্চলিক যুদ্ধ নিয়ে আলোচনার সঙ্গে লেবাননের বিষয়টিকে যুক্ত করতে চায়। কিন্তু আমরা এই দুই বিষয়কে আলাদা রাখতে চাই।'

তিনি বলেন, বর্তমানে তেহরানের প্রধান অগ্রাধিকার হচ্ছে হরমুজ প্রণালী ও পারমাণবিক ইস্যু।

তার ভাষায়, 'লেবাননকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করছে ইরান। তারা সব সময়ই এটিকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করবে।'

২ মার্চ ইসরাইলের বিরুদ্ধে ইরানের সমর্থনে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে হিজবুল্লাহ লেবাননকে এই আঞ্চলিক যুদ্ধে জড়িয়ে ফেলে।

করিম বিতার বলেন, আঞ্চলিক উত্তেজনার কারণে, লেবাননে আবার বড় ধরণের যুদ্ধ শুরু হওয়ার ঝুঁকি 'অবশ্যই উড়িয়ে দেওয়া যায় না।'

তবে তিনি বলেন, 'আমার মনে হয়, ইরান এখন হিজবুল্লাহকে ইসরাইলের বিরুদ্ধে নতুন করে হামলা চালাতে বলার আগে দুবার ভাববে।'

তার মতে, তেহরান 'দীর্ঘমেয়াদি প্রতিরোধের একটি উপায় হিসেবে হিজবুল্লাহকে ধরে রাখতে চায়। তাই এখনই নতুন একটি যুদ্ধফ্রন্ট খুলতে সংগঠনটিকে ব্যবহার করতে চায় না।'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%