ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সিলেটে রেলের টিকিট কালোবাজারির অভিযোগে দুইজন আটক


সিলেটে রেলের টিকিট কালোবাজারির অভিযোগে দুইজন আটক

সিলেটে অনলাইনে রেলওয়ের টিকিট কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগে রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর (আরএনবি) দুই সদস্যকে আটক করা হয়েছে। অভিযানের সময় তাদের কাছ থেকে বেশ কিছু রেলের টিকিট ও মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

গতকাল মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে সিলেট রেল স্টেশন এলাকায় জেলা প্রশাসন এই অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযানে আটক হওয়া ব্যক্তিরা হলেন সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার মজলিসপুর এলাকার সঞ্জীব দাসের ছেলে সঞ্জয় দাস এবং সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার জলিলপুর এলাকার মো. আব্দুল হান্নানের ছেলে মো. আবু তাহের। উভয়েই রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর (আরএনবি) সদস্য বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন: ৯৬ লাখ টাকা চুরির ঘটনায় ভাগ নেওয়ার অভিযোগে ইউপি চেয়ারম্যান শাহ আলম গ্রেপ্তার

অভিযানের নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার মো. রাকিবুল আলম। এ সময় অভিযানে সহযোগিতা করেন রেলওয়ে থানা পুলিশ, দক্ষিণ সুরমা থানা পুলিশ এবং আনসার বাহিনীর সদস্যরা।

জানা যায়, মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ১১টার দিকে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত সিলেট রেল স্টেশন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় টিকিট কালোবাজারির সক্রিয় দুই সদস্যকে আটক করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, তারা অনলাইনে অবৈধভাবে রেলের টিকিট ক্রয় ও ডাউনলোড করে বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করতেন।

আটকের সময় তাদের কাছে থাকা টিকিট এবং ব্যবহৃত মোবাইল ফোনগুলো জব্দ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তের জন্য রেলওয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানা যায়।

জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার মো. রাকিবুল আলম বাসস’কে জানিয়েছেন, রেলওয়ের টিকিট কালোবাজারি বন্ধে চলমান অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিনি আরও জানান, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে সিলেটে রেলওয়ের টিকিট কালোবাজারির ঘটনা অনেকাংশে কমে আসবে।

আরও পড়ুন: সাঈদীর মামলার বাদী মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর গার্ড অব অনার দিতে বাধার অভিযোগ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানের দুর্বলতা ফাঁস, কাজের চেয়ে কথায় বড়?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৫৩ এম


মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানের দুর্বলতা ফাঁস, কাজের চেয়ে কথায় বড়?

যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান এফ-৩৫ নিয়ে বিশ্বজুড়ে যে জল্পনা-কল্পনা এবং সমালোচনা চলছে, তা সম্প্রতি এক চাঞ্চল্যকর বিশ্লেষণে নতুনভাবে উঠে এসেছে। সামরিক বিশেষজ্ঞ এবং মিলিটারি রাশিয়া প্রকল্পের প্রতিষ্ঠাতা ও লেখক দিমিত্রি কোর্নেভ একটি বিশদ নিবন্ধে উল্লেখ করেছেন, আধুনিক আকাশে আধিপত্য বিস্তারের উদ্দেশ্যে তৈরি করা হলেও, বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল এই সামরিক প্রকল্পটি বিভিন্ন প্রযুক্তিগত ত্রুটি, লাগামহীন খরচ এবং এর প্রকৃত যুদ্ধক্ষমতা নিয়ে একাধিক অস্বস্তিকর প্রশ্নের সম্মুখীন হচ্ছে। ২০০টির বেশি ইউনিট ইতোমধ্যে তৈরি করা হয়েছে এবং ইরানসহ বিভিন্ন সংঘাতময় এলাকায় মোতায়েন করা হলেও, বিমানটির পঞ্চম প্রজন্মের আদর্শ মান পূরণ নিয়ে গভীর সংশয় রয়ে গেছে।

এফ-৩৫ বিমানের পারফরম্যান্স নিয়ে বিতর্ক নতুন কিছু নয়। ২০১৫ সালের জুনে মার্কিন এক টেস্ট পাইলটের একটি গোপনীয় রিপোর্ট অনলাইনে ফাঁস হয়ে যায়, যেখানে প্রকাশ পায় যে এক পরীক্ষামূলক ডগফাইটে চতুর্থ প্রজন্মের পুরনো এফ-১৬ডি বিমানের কাছে নতুন এফ-৩৫ পরাজিত হয়েছিল। উচ্চমাত্রার আক্রমণাত্মক মহড়ায় এটি এফ-১৬ডি বিমানের পেছনে যেতে ব্যর্থ হয় এবং বিমানের গতি ও পিচ রেটের দিক থেকেও পিছিয়ে পড়ে। তবে সেই সময় প্রচারমাধ্যমগুলো এই বিষয়টি এড়িয়ে যায় যে, পরীক্ষাটিতে ব্যবহৃত এফ-৩৫টি ছিল একটি পরীক্ষামূলক প্রোটোটাইপ, যাতে পূর্ণাঙ্গ সমরাস্ত্র পরিচালনার সফটওয়্যার ছিল না এবং এর অভিকর্ষীয় চাপ সহ্যসীমা ছিল মাত্র ৫.৫ জি, যেখানে এফ-১৬ বিমান ৯ জি পর্যন্ত সহ্য করতে পারে। পরবর্তীকালে ব্লক ৩এফ সফটওয়্যার চালিত উন্নত সংস্করণগুলো 'রেড ফ্ল্যাগ' মহড়ায় এফ-১৬ সহ অন্যান্য চতুর্থ প্রজন্মের বিমানকে বেশ দূর থেকেই হারিয়ে দেয়। তবে এই সাফল্য কোনো আকাশ মহড়ার কৌশলে আসেনি, বরং এসেছে এর দূরপাল্লার রাডার-অদৃশ্য বা স্টিলথ প্রযুক্তির বদৌলতে, যার ফলে বিমানটি প্রতিপক্ষের কাছাকাছি না গিয়েই আঘাত হানতে সক্ষম হয়।

আমেরিকান সামরিক কৌশলে পঞ্চম প্রজন্মের বিমানের প্রধান ভিত্তি হলো এই স্টিলথ ক্ষমতা। বিমানের বিশেষ নকশা এবং রাডার তরঙ্গ শোষণকারী প্রলেপের মাধ্যমে একটি অতি ক্ষুদ্র রাডার সংকেত তৈরি করা হয়, যার মাধ্যমে প্রতিপক্ষের নজর এড়িয়ে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে প্রতিপক্ষকে ধ্বংস করা সম্ভব হয়। এর পাশাপাশি এফ-৩৫ এর দ্বিতীয় সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এর নেটওয়ার্ক-কেন্দ্রিক যুদ্ধ পরিচালনা ক্ষমতা। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে বিমানটি কেবল তথ্য আদান-প্রদানই করে না, বরং অন্যান্য বিমান এবং ড্রোন বহরকে সরাসরি পরিচালনা করতে পারে। দৃশ্যত এই কথিত অদৃশ্য বিমানটি একা বা নিজের সহযোগীদের নিয়ে যেকোনো প্রতিপক্ষকে চিহ্নিত করে আক্রমণ পরিচালনা করার ক্ষেত্রে প্রযুক্তিগতভাবে বেশ উপযুক্ত।

তবে বিমানটির অন্যান্য প্রযুক্তিগত দিকগুলো যথেষ্ট উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। একটি আদর্শ পঞ্চম প্রজন্মের বিমান আফটারবার্নার ব্যবহার না করেই একটানা সুপারসনিক বা শব্দের চেয়ে দ্রুত গতিতে উড়তে সক্ষম হওয়ার কথা। কাগজে-কলমে এফ-৩৫ এই শর্ত পূরণ করলেও বাস্তবে এর এফ-৩৫বি এবং এফ-৩৫সি সংস্করণ দুটি ম্যাক ১.২ গতির ওপরে বেশিক্ষণ উড়তে পারে না। দীর্ঘ সময় অতিরিক্ত গতিতে চললে এর লেজের অংশ এবং মূল্যবান স্টিলথ প্রলেপ তাপের কারণে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। একটি সুপারসনিক যুদ্ধবিমান হয়েও কিভাবে এটি দ্রুত গতি ধরে রাখতে পারে না; তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এমনকি এর প্রধান এফ-৩৫এ সংস্করণটিও একটানা সুপারসনিক গতি ধরে রাখতে হিমশিম খায়। উপরন্তু, বিমানটিতে ব্যবহৃত প্র্যাট অ্যান্ড হুইটনি এফ১৩৫ ইঞ্জিনের টারবাইন ব্লেড ক্ষয়, অতিরিক্ত গরম হয়ে যাওয়া এবং সময়মতো মেরামতের জন্য যন্ত্রাংশের চরম সংকটের বিষয়টি মিডিয়া ও পর্যবেক্ষকদের নজর কেড়েছে।

প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতার পাশাপাশি এর আকাশচুম্বী খরচ পুরো কর্মসূচিকে এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এফ-৩৫ এর উন্নয়ন ও সার্বিক জীবনচক্রের মোট ব্যয় ইতোমধ্যে প্রায় দুই ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে এবং তা দিন দিন বেড়েই চলেছে, যা একে ইতিহাসের সবচেয়ে ব্যয়বহুল সমরাস্ত্র কর্মসূচিতে পরিণত করেছে। একজন ব্যবহারকারীর জন্য এর প্রতি ঘণ্টার উড্ডয়ন খরচ দাঁড়িয়েছে ৩৫ হাজার থেকে ৪২ হাজার ডলারের মধ্যে, যেখানে একটি মানসম্মত এফ-১৬ বিমানের প্রতি ঘণ্টার খরচ পড়ে প্রায় ২২ হাজার ডলার। গণহারে উৎপাদিত কোনো যুদ্ধবিমানের জন্য এই পরিচালন ব্যয় অত্যন্ত আকাশচুম্বী।

অন্যান্য প্রতিযোগী বিমান, যেমন রাশিয়ার সু-৫৭ এর তুলনায় এফ-৩৫ ম্যানুভারেবিলিটি বা আকাশ কৌশলে অনেক পিছিয়ে। এটি সত্যি যে শত্রু যদি অদৃশ্য বিমানটির মাধ্যমে শুরুতেই দূর থেকে ধ্বংস হয়ে যায়, তবে আর সামনাসামনি ডগফাইটের প্রয়োজন নাও হতে পারে। কিন্তু কোনো কারণে যদি এটিকে সরাসরি আকাশে মুখোমুখি যুদ্ধে লিপ্ত হতে হয়, তবে অত্যন্ত চটপটে ও ক্ষিপ্রগতির অন্যান্য চতুর্থ বা পঞ্চম প্রজন্মের বিমানের বিরুদ্ধে এফ-৩৫ চরম বিপদের মুখোমুখি হবে।

সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এফ-৩৫ মূলত চালিত হয় অতি জটিল একটি সফটওয়্যার ব্যবস্থার মাধ্যমে, যা প্রায় ২৪ মিলিয়ন বা দুই কোটি ৪০ লাখ কোডিং লাইনের সমন্বয়ে গঠিত। পেন্টাগনের অডিটররা ইতোমধ্যে এটিতে ৮০০-এরও বেশি অমীমাংসিত ত্রুটি (বাগ) চিহ্নিত করেছেন। এত জটিল ও ত্রুটিপূর্ণ একটি সফটওয়্যার চালিত সামরিক ব্যবস্থা কতটুকু নিরাপদ এবং আধুনিক সমরে কতটুকু নির্ভরযোগ্য, তা নিয়ে গভীর প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে।

এত ত্রুটি ও বিপুল পরিচালনা ব্যয় সত্ত্বেও কেন বিশ্বজুড়ে এই বিমানটিকে এত বিপুল পরিমাণে তৈরি করা হচ্ছে এবং ডজন ডজন দেশ তা লুফে নিচ্ছে; তা নিয়ে বড় প্রশ্ন উঠে এসেছে। বর্তমানে ১৩শ'টিরও বেশি বিমান তৈরি হয়ে গেছে এবং আরও প্রায় দুই হাজার বিমান তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। আগামী এক দশকে ২০টিরও বেশি দেশ এটি পরিচালনা করবে। এই আন্তর্জাতিক প্রবণতার পেছনে মূল কারণ বিমানের নিজস্ব প্রযুক্তিগত দক্ষতা নয় বরং মার্কিন কূটনীতি ও ভূ-রাজনীতি। এফ-৩৫ এখন কেবল একটি যুদ্ধবিমান নয়, এটি ওয়াশিংটনের সাথে কোনো দেশের সম্পর্কের গভীরতার প্রতীক।

যেসব দেশ এফ-৩৫ ক্রয় করছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে বিশেষ কিছু কূটনৈতিক ও সামরিক সুবিধা পেয়ে থাকে। যেমন, ইসরায়েল এটি ক্রয়ের পর সামরিক অভিযানে সম্পূর্ণ স্বাধীনতা এবং আমেরিকার অস্ত্র ভাণ্ডারে অবাধ প্রবেশাধিকার পেয়েছে। আবার জার্মানির ক্ষেত্রে এফ-৩৫ কেনার প্রধান কারণ হলো, এটিই একমাত্র বিমান যা ন্যাটোর পরমাণু বিনিময় কর্মসূচির আওতায় মার্কিন পারমাণবিক বোমা বহনের জন্য অনুমোদিত।

অন্যদিকে দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান কিংবা তুরস্কের মতো দেশগুলো নিজেদের নিজস্ব পঞ্চম বা ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান প্রস্তুত করার আগ পর্যন্ত মধ্যবর্তী সময়ে এফ-৩৫ এর নেটওয়ার্ক-কেন্দ্রিক ক্ষমতা ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছে। রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতা এবং জরুরি প্রয়োজনীয়তার কারণেই দেশগুলো এর বিভিন্ন ত্রুটি ও ব্যাটল পেঙ্গুইন (এর স্থূল আকৃতির কারণে পাইলটদের দেয়া ডাকনাম) খেতাবকে উপেক্ষা করে ওয়াশিংটনের সাথে সম্পর্ক বজায় রাখছে। কারণ যুক্তরাষ্ট্র এবং ব্রাসেলসের কঠোর অবস্থানের কারণে তারা অন্তত রাশিয়ার তৈরি সু-৫৭ বিমান কিনতে পারবে না; যদিও প্রযুক্তিগত দৃষ্টিকোণ থেকে তা হয়তো মোটেও খারাপ বিকল্প ছিল না।

সূত্র: আরটি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সকালে ২০ মিনিট বন্ধ ছিল মেট্রোরেল চলাচল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৫৪ এম


সকালে ২০ মিনিট বন্ধ ছিল মেট্রোরেল চলাচল

ঢাকা মেট্রোরেলের সচিবালয় স্টেশনে ওভারহেড ক্যাটেনারি সিস্টেমের (ওসিএস) ক্যাবলের ওপর একটি অতিরিক্ত তার ঝুলে থাকার কারণে সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ২০ মিনিটের জন্য ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছিল। এই কারণে যাত্রীরা কিছুটা ভোগান্তিতে পড়েন।

পরে ঝুলে থাকা তারটি অপসারণ করার পর ট্রেন চলাচল পুনরায় স্বাভাবিকভাবে শুরু হয়।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে সচিবালয় স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

এমআরটি পুলিশের পরিদর্শক (অপারেশন) মোহাম্মদ মহসিন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা গেছে, সকাল ৭টা ১০ মিনিটের দিকে সচিবালয় স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে ওসিএস ক্যাবলের ওপর একটি অচেনা তার ঝুলতে দেখা যায়। বিদ্যুতায়িত মূল লাইনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য তাৎক্ষণিকভাবে ওই রুটে ট্রেন চলাচল স্থগিত করা হয়। এরপর সকাল ৭টা ১০ মিনিট থেকে ৭টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত ২০ মিনিটের মধ্যে ঝুলে থাকা তারটি সরিয়ে ফেলা হয়।

তারটি সফলভাবে অপসারণের পর সকাল ৭টা ৩০ মিনিট থেকে মেট্রোরেল চলাচল পুনরায় স্বাভাবিক হয়ে যায়।

বর্তমানে মেট্রোরেল নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ট্রেন চলাচল করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
বিবিসির বিশ্লেষণ

দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান, ব্রিটেন-ইসরায়েল সম্পর্কে বড় ধাক্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৫৫ এম


দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান, ব্রিটেন-ইসরায়েল সম্পর্কে বড় ধাক্কা

অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতিতে উৎপাদিত পণ্যের বাণিজ্য নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাজ্য। এই পদক্ষেপের ফলে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। ব্রিটেনের এই সিদ্ধান্ত এবং একই সঙ্গে আরও ১১টি দেশের নিষেধাজ্ঞামূলক ব্যবস্থা দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় অবনতির ইঙ্গিত দিচ্ছে।

যুক্তরাজ্য ইসরায়েলের ক্ষোভের মূল লক্ষ্য হলেও, ১২টি দেশ একযোগে একই ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করায় বিষয়টি আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। লন্ডন পূর্ব থেকেই জানত যে, ইসরায়েল-ফিলিস্তিন নীতিতে এমন বড় পরিবর্তন তীব্র প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিতে পারে। তবে ইসরায়েলের প্রতিক্রিয়ার গতি ও তীব্রতা ব্রিটিশ কর্মকর্তাদের জন্যও বিস্ময়ের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ইসরায়েলের পাল্টা পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে পূর্ব জেরুজালেমে ব্রিটিশ কনস্যুলেট বন্ধ করে দেওয়া। এই কনস্যুলেট পশ্চিম তীরের বিষয়াদি নিয়ে কাজ করে এবং রামাল্লায় ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখে। পাশাপাশি গাজা উপত্যকায় স্থিতিশীলতা ও ত্রাণ কার্যক্রম সমন্বয়ের জন্য গঠিত ইন্টারন্যাশনাল গাজা সাপোর্ট সেন্টার থেকেও ব্রিটিশ প্রতিনিধিদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

ইসরায়েলের এই পদক্ষেপগুলো থেকে বোঝা যাচ্ছে, যুক্তরাজ্যসহ ১২ দেশের মঙ্গলবারের সিদ্ধান্তকে দেশটি কতটা গুরুতর হিসেবে দেখছে। ওই দেশগুলোর মধ্যে ফ্রান্স, স্পেন ও কানাডাও রয়েছে।

ইসরায়েল থেকে রপ্তানি হওয়া পণ্যের তুলনায় বসতিতে উৎপাদিত পণ্যের পরিমাণ হয়তো খুব বেশি নয়। তবে এসব পণ্যকে আলাদাভাবে নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনার রাজনৈতিক তাৎপর্য অনেক বেশি। দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন পশ্চিমা সরকার

অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েলি বসতিগুলোকে অবৈধ বলে বিবেচনা করে এলেও

সেখান থেকে উৎপাদিত বা চাষ করা পণ্যের ওপর সরাসরি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেনি।

এবার ব্রিটেন সেই অবস্থানে বড় পরিবর্তন এনেছে। ২০২৪ সালের আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের (আইসিজে) রায়ের সঙ্গে যুক্তরাজ্য একমত বলে ঘোষণা করার পর দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড বলেছেন, দখলদারত্বকে কেন্দ্র করে ব্রিটেনের অর্থনৈতিক সম্পর্কেও সেই অবস্থানের প্রতিফলন থাকা উচিত।

এর ফলে শুধু বসতিতে উৎপাদিত পণ্য নয়, বসতিগুলোর নির্মাণ, অবকাঠামো উন্নয়ন বা অর্থায়নের সঙ্গে যুক্ত কোম্পানিগুলোকেও নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হয়েছে। পাশাপাশি এমন অস্ত্র বিক্রিতেও বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে, যা ‘দখলদারত্বে বস্তুগতভাবে অবদান রাখে’। প্রত্যাশার তুলনায় এসব পদক্ষেপ অনেক বেশি কঠোর বলে মনে করা হচ্ছে।

ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এডওয়ার্ড মিলিব্যান্ড বলেছেন,

পশ্চিম তীরের কিছু এলাকায় ‘বসতিস্থাপনকারীদের সন্ত্রাসবাদ’ ব্যাপক আকার ধারণ করেছে এবং এর ফলে ফিলিস্তিনিদের ‘জাতিগত নিধন’ ঘটছে

। একই সঙ্গে ইসরায়েলি সরকার এসব কর্মকাণ্ডের দিকে চোখ ফিরিয়ে রেখেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

মিলিব্যান্ড ব্রিটিশ নীতির এই পরিবর্তনকে ‘রিসেট’ বা নতুন করে সাজানোর উদ্যোগ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তবে এর ব্যাপ্তি দেখে এটিকে কেবল নীতির পুনর্বিন্যাস নয়, বরং বড় ধরনের পুনর্বিবেচনা হিসেবেও দেখা হচ্ছে। এর ফলে ব্রিটেন-ইসরায়েল সম্পর্ক কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে নাজুক অবস্থায় পৌঁছেছে।

ইসরায়েলে আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে উত্তপ্ত রাজনৈতিক পরিবেশ দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিওন সারের কঠোর প্রতিক্রিয়ায় ভূমিকা রাখতে পারে। তবে দেশটির অধিকাংশ মানুষও ব্রিটেনের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হয়েছেন বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

ইসরায়েলের অনেক নাগরিক কিছু বসতিস্থাপনকারীর সহিংস ও ধর্মীয় উগ্র মতাদর্শকে সমস্যা মনে করেন। এমনকি কেউ কেউ তাদের দেশের জন্য বিব্রতকর বলেও মনে করেন। কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে তারা ১৯৬৭ সালের ছয় দিনের যুদ্ধে দখল করা ভূখণ্ডে গড়ে ওঠা বসতিগুলোকে অবৈধ বলে মনে করেন।

অন্যদিকে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী এহুদ ওলমার্ট গত বছর বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে ইসরায়েলকে আন্তর্জাতিকভাবে একঘরে করে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছিলেন। এমন বক্তব্যের সঙ্গে অধিকাংশ ইসরায়েলি একমত নাও হতে পারেন। তবে আন্তর্জাতিক চাপ যে ক্রমেই বাড়ছে, তা নিয়ে তাদের উদ্বেগ রয়েছে।

ইউরোভিশন ও বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় ইসরায়েলবিরোধী প্রতিবাদ, দেশটির নেতাদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক গ্রেপ্তারি পরোয়ানা এবং এবার বসতিতে উৎপাদিত পণ্যের ওপর নিষেধাজ্ঞা—সব মিলিয়ে ইসরায়েলের ওপর আন্তর্জাতিক চাপের পরিধি বাড়ছে। এতে দেশটির মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ও আত্মরক্ষামূলক মনোভাব আরও জোরালো হচ্ছে।

ফিলিস্তিনিদের দৃষ্টিতে অবশ্য পরিস্থিতিটি ভিন্ন। তারা ১২ দেশের নেওয়া পদক্ষেপকে অগ্রগতি হিসেবে দেখছে। ফিলিস্তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিষেধাজ্ঞা আরোপকারী দেশগুলোকে স্বাগত জানালেও ইসরায়েলের ‘অবৈধ বসতি স্থাপন কার্যক্রম’ বন্ধে আরও ‘জরুরি ও বাস্তব পদক্ষেপ’ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

লন্ডনে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রদূত ড. হুসাম জোমলট ব্রিটিশ সরকারের সিদ্ধান্তকে যুক্তরাজ্য-ফিলিস্তিন সম্পর্কের ‘একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তার ভাষ্য, ব্রিটেনের ‘সাহসী পদক্ষেপ’ ১৯৬৭ সালের সীমান্তের ভিত্তিতে পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করতে সহায়তা করবে।

তবে জোমলটও জানেন, ইসরায়েলের ৫৯ বছরের দখলদারত্ব এই সিদ্ধান্তের ফলে শেষ হয়ে যায়নি, এমনকি এতে পরিস্থিতির মৌলিক পরিবর্তনও ঘটেনি। কার্যকর ও টেকসই ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা এখনও অত্যন্ত ক্ষীণ। ১২ দেশের সম্মিলিত পদক্ষেপে পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের ক্রমবর্ধমান নিয়ন্ত্রণ থামবে—এমন তাৎক্ষণিক কোনো লক্ষণও নেই।

এ ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। ১৯৯১ সালে প্রেসিডেন্ট জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ এবং তার তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেমস বেকার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী ইয়িৎসহাক শামিরের সরকারকে ১০ বিলিয়ন ডলারের ঋণ নিশ্চয়তা বন্ধের হুমকি দিয়েছিলেন। অধিকৃত ভূখণ্ডে বসতি স্থাপনে ওই অর্থ ব্যবহার করা হবে না—এমন নিশ্চয়তা দিতে শামির অস্বীকৃতি জানালে ওয়াশিংটন এই চাপ প্রয়োগ করেছিল।

কিন্তু বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখন পর্যন্ত নেতানিয়াহুর বসতি সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নিয়ন্ত্রণে আনার কোনো আগ্রহ দেখাননি। ট্রাম্পের ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ (ম্যাগা) আন্দোলনের কিছু অংশ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইসরায়েলের সমালোচনা করলেও ইসরায়েলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি একজন দৃঢ় খ্রিস্টান জায়নবাদী। তিনি পশ্চিম তীরকে ইহুদিদের জন্য ঈশ্বরের প্রতিশ্রুত ভূমি হিসেবে দেখার ইসরায়েলি অবস্থানের সঙ্গে একমত।

ফলে যুক্তরাজ্য ও তার অংশীদার ১১ দেশের মঙ্গলবারের পদক্ষেপ শুধু ইসরায়েলের বিরুদ্ধেই নয়, বরং ওয়াশিংটনে ইসরায়েলের প্রধান সমর্থক যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানের সঙ্গেও এক ধরনের সংঘাত তৈরি করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতিকে ‘অবৈধ’ ঘোষণা করল ইউরোপীয় ইউনিয়ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৫৬ এম


পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতিকে ‘অবৈধ’ ঘোষণা করল ইউরোপীয় ইউনিয়ন

ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের চলমান বসতি সম্প্রসারণকে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন ও সম্পূর্ণ বেআইনি হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে। ২৭টি দেশের সমন্বয়ে গঠিত এই শীর্ষ জোটের সকল সদস্য রাষ্ট্র একমত হয়ে জানায়, ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের নতুন বসতি স্থাপনের পদক্ষেপ গ্রহণযোগ্য নয়। যুক্তরাজ্যসহ বিশ্বমঞ্চের ১২টি দেশ পশ্চিম তীরের অবৈধ বসতিতে উৎপাদিত পণ্যের ওপর বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা আরোপের যৌথ প্রস্তাব দেওয়ার পর ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতৃত্ব থেকে এই ঘোষণা এসেছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্র ও নিরাপত্তা নীতিবিষয়ক উচ্চ প্রতিনিধি কায়া কাল্লাস জোটের অভিন্ন অবস্থান প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, "পশ্চিম তীরে ইসরায়েল সরকারের ক্রমাগত বসতি সম্প্রসারণের আগ্রাসী নীতি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ‘দুই-রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান’ অর্জনের সব সম্ভাবনা ও ভবিষ্যৎকে মারাত্মকভাবে ধ্বংস করছে।" তিনি সতর্ক করে বলেন, ইসরায়েলের এই একপেশে ও উসকানিমূলক পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তির পরিবেশ বিনির্মাণে বড় বাধা তৈরি করছে।

চলমান মানবিক সংকটের প্রেক্ষাপটে ফিলিস্তিনিদের পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে ইইউর এই শীর্ষ কূটনীতিক জানান, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে গাজা এবং পশ্চিম তীরে সবচেয়ে বেশি মানবিক সাহায্য ও ত্রাণসহায়তা প্রদানকারী একক সংস্থা হিসেবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন তার দায়িত্ব পালন অব্যাহত রেখেছে। তিনি উল্লেখ করেন, ফিলিস্তিনি জনগোষ্ঠীর মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে ইইউর মানবিক সহায়তা অব্যাহত রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে।

আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে সংঘাত নিরসনে মধ্যপ্রাচ্যনীতির চূড়ান্ত রূপরেখা তুলে ধরে কায়া কাল্লাস জানান, ইউরোপীয় ইউনিয়ন একটি দীর্ঘস্থায়ী, ন্যায়সংগত ও সামগ্রিক শান্তির বিষয়ে পূর্ণাঙ্গভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি বলেন, "এই কাঙ্ক্ষিত শান্তি কেবল তখনই সম্ভব, যখন দুই-রাষ্ট্র সমাধানের ভিত্তিতে নিরাপদ ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সীমানার মধ্যে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন—দুটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র পাশাপাশি শান্তিতে বসবাস করতে পারবে।"

সূত্র: আল জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%