ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিশ্বজুড়ে অ্যাপ স্টোর থেকে হঠাৎ উধাও টেলিগ্রাম, কারণ কী


বিশ্বজুড়ে অ্যাপ স্টোর থেকে হঠাৎ উধাও টেলিগ্রাম, কারণ কী

বিশ্বের কয়েকটি দেশে জনপ্রিয় মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম টেলিগ্রাম অ্যাপলের অফিসিয়াল অ্যাপ স্টোর থেকে হঠাৎ সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এর ফলে আইফোন ব্যবহারকারীরা নতুন করে অ্যাপটি খুঁজে পাচ্ছেন না এবং ডাউনলোড করতে পারছেন না।

রুশ বার্তা সংস্থা তাসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) তারিখ থেকে রাশিয়া, তুরস্ক ও যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি দেশে অ্যাপ স্টোরে টেলিগ্রাম অনুপলব্ধ হয়ে গেছে।

তবে, যেসব আইফোনে টেলিগ্রাম অ্যাপটি আগে থেকেই ইনস্টল করা রয়েছে, সেগুলোতে অ্যাপটি স্বাভাবিকভাবে ব্যবহার হচ্ছে। অর্থাৎ নতুন করে ডাউনলোডে সমস্যা সৃষ্টি হলেও বিদ্যমান ব্যবহারকারীদের জন্য সেবায় কোনো বিঘ্ন ঘটেনি।

আরও পড়ুন: ভোটার এলাকা পরিবর্তনের আবেদন ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত গ্রহণযোগ্য

অন্যদিকে, অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রে এমন কোনো সমস্যা দেখা যাচ্ছে না। গুগল প্লে স্টোর এবং রাশিয়ার স্থানীয় অ্যাপ মার্কেটপ্লেস রুস্টোরে টেলিগ্রাম এখনও স্বাভাবিকভাবে ডাউনলোড ও আপডেট করা যাচ্ছে।

টেলিগ্রাম কেন আইওএস অ্যাপ স্টোর থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, সেটি কারিগরি ত্রুটি নাকি কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত সেই বিষয়ে এখন পর্যন্ত অ্যাপল বা টেলিগ্রাম কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি।

এর আগে, গত ৩০ জুন টেলিগ্রামের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা Pavel Durov-কে ‘সন্ত্রাসী’ ও ‘চরমপন্থি’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করে রাশিয়া।

এ ছাড়া, সন্ত্রাসবাদ-সংশ্লিষ্ট কনটেন্ট অপসারণে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগে অস্ট্রেলিয়ার ই-সেফটি কমিশনারও টেলিগ্রামের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিয়েছে।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর দুই দেশের সম্পর্ক উন্নীত করবে: জহির উদ্দিন স্বপন

অ্যাপ স্টোরে টেলিগ্রামের অনুপস্থিতির প্রকৃত কারণ জানতে এখন অ্যাপল ও টেলিগ্রাম কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের জন্য প্রযুক্তি বিশ্ব অপেক্ষা করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতের হরিয়ানার ফরিদাবাদে, একটি বেসরকারি স্কুলের ভেতরে প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাতে এক স্কুলশিক্ষিকাকে ৩০ সেকেন্ডে ৩৪ বার ছুরিকাঘাত করে হত্যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:০৬ পি.এম


ভারতের হরিয়ানার ফরিদাবাদে, একটি বেসরকারি স্কুলের ভেতরে প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাতে এক স্কুলশিক্ষিকাকে ৩০ সেকেন্ডে ৩৪ বার ছুরিকাঘাত করে হত্যা

ভারতের হরিয়ানার ফরিদাবাদে, একটি বেসরকারি স্কুলের ভেতরে প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাতে এক স্কুলশিক্ষিকাকে হত্যা করা হয়েছে। সিসিটিভিতে ধারণ হওয়া এই হত্যাকাণ্ড দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে।

বুধবার (২৯ জুলাই) সকালে ফরিদাবাদের সিকরোনা গ্রামের একটি বেসরকারি স্কুলে ২৯ বছর বয়সী শিক্ষিকা সন্ধ্যাকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। স্কুলটি একটি পুলিশ ফাঁড়ি থেকে মাত্র কয়েক মিটার দূরে অবস্থিত।

স্কুল প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মুখোশ পরা এক যুবক স্কুলে এসে শিক্ষিকা সন্ধ্যার সঙ্গে দেখা করতে চান। এই খবর পেয়ে সন্ধ্যা স্কুলের প্রধান ফটকে গেলে অভিযুক্ত তাকে বাইরে ডেকে নেন। এরপরই হামলাকারী ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা শুরু করেন।

সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, মাত্র ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে হামলাকারী শিক্ষিকার মুখ, গলা ও বুকে ৩০টিরও বেশি ছুরিকাঘাত করেন। একপর্যায় সন্ধ্যা মাটিতে লুটিয়ে পড়লেও হামলা থামেনি অভিযুক্ত। বরং মাটিতে পড়ে থাকা অবস্থায়ও তাকে বারবার ছুরিকাঘাত করা হয়।

চিৎকার শুনে স্কুলের এক প্রশাসক ঘটনাস্থলে ছুটে এলে হামলাকারী ছুরি নিয়ে তার দিকে তেড়ে যান। আত্মরক্ষার জন্য তিনি সরে গেলে অভিযুক্ত আবারও শিক্ষিকার কাছে ফিরে গিয়ে আরও কয়েক দফা ছুরিকাঘাত করেন। পরে নম্বরপ্লেটবিহীন একটি মোটরসাইকেলে করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।

পরে গুরুতর আহত অবস্থায় সন্ধ্যাকে স্থানীয় আল-ফালাহ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এনডিটিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে স্কুলের প্রশাসক জানান, তিনি নিজের কক্ষে বসে থাকা অবস্থায় করিডোর থেকে চিৎকার শুনে বাইরে বেরিয়ে আসেন। তখন দেখেন, এক ব্যক্তি শিক্ষিকা সন্ধ্যাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করছেন। বাধা দিতে গেলে হামলাকারী তাকে ছুরি দেখিয়ে ভয় দেখান।

পুলিশ জানায়, ঘটনার প্রায় দুই ঘণ্টার মধ্যেই ২১ বছর বয়সী অভিযুক্ত অমিতকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি ফরিদাবাদের কোট গ্রামের বাসিন্দা। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

তদন্তে জানা গেছে, প্রায় দুই বছর আগে অমিতের সঙ্গে সন্ধ্যার পরিচয় হয়েছিল। এরপর থেকে তিনি বারবার শিক্ষিকার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা ও তাকে অনুসরণ করতেন। এতে বিরক্ত হয়ে সন্ধ্যা তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দেন এবং কয়েক দিন আগে শ্লীলতাহানির অভিযোগও দায়ের করেন। সে সময় অভিযুক্ত প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়েছিলেন।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, ওই অভিযোগের জেরে প্রতিশোধ নিতেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত চলছে।

সূত্র: এনডিটিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সংবিধান সংশোধনে অংশীজনদের মতামত নেওয়া হবে: আইনমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:০৯ পি.এম


সংবিধান সংশোধনে অংশীজনদের মতামত নেওয়া হবে: আইনমন্ত্রী

ঢাকা, ৪ আগস্ট, ২০২৬ : জুলাই সনদকে ভিত্তি করে সংবিধান সংশোধনের লক্ষ্যে গঠিত সংসদীয় বিশেষ কমিটি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্য, জুলাই যোদ্ধা, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী, সাংবাদিক, আইনজীবী, অবসরপ্রাপ্ত বিচারকসহ সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের মতামত গ্রহণ করবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনে সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত সংসদীয় বিশেষ কমিটির প্রথম সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, জুলাই সনদ ২০২৫-এর আলোকে সংবিধান সংশোধনের জন্য জাতীয় সংসদ প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় বিশেষ কমিটি গঠন করেছে। কমিটি সাংবিধানিক ও আইনি কাঠামোর মধ্যে থেকে জুলাই সনদের সংস্কার প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করবে।

তিনি বলেন, জুলাই সনদ প্রণয়নে যারা নিরলসভাবে কাজ করেছেন, তাদের সঙ্গেও আলোচনা করা হবে। এসব মতামত পর্যালোচনা করে সংবিধান সংশোধনের প্রস্তাব চূড়ান্ত করা হবে, যাতে জুলাই সনদের চেতনা বাস্তবায়িত হয়।

মন্ত্রী জানান, প্রথমে ১৭ সদস্যের কমিটি গঠনের পরিকল্পনা ছিল। এতে সাতজন বিএনপির সংসদ সদস্য, সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের চারজন সদস্য, একজন স্বতন্ত্র সদস্য এবং বিরোধী দলের পাঁচজন সদস্য রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তবে বিরোধী দল এখনো তাদের সদস্যদের নাম দেননি। তারপরও তাদের জন্য কমিটির দরজা খোলা রয়েছে এবং তারা নাম দিলে তাৎক্ষণিকভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

তিনি বলেন, বিরোধী দল কমিটিতে যোগ না দিলেও জুলাই সনদে স্বাক্ষরকারী ৩৩টি রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যের সুপারিশগুলো সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে বিবেচনায় থাকবে। তবে যৌক্তিক সমালোচনা ও পরামর্শ গ্রহণে কমিটি উন্মুক্ত থাকবে।

এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, জুলাই সনদের ১ থেকে ৪৭ নম্বর অনুচ্ছেদের প্রস্তাবগুলো হুবহু ভাষায় নয়, বরং সাংবিধানিক ও আইনি পরিভাষায় সংবিধান সংশোধনের খসড়ায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট সংসদ ও নির্বাচন পদ্ধতির পরিবর্তনের বিষয়ে তিনি বলেন, এগুলোও জুলাই সনদের অংশ। তবে যেখানে কোনো রাজনৈতিক দলের ভিন্নমত রয়েছে এবং তা তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে প্রতিফলিত হয়েছে, সেখানে জুলাই সনদের নির্দেশনা অনুযায়ী সেই অবস্থান বিবেচনায় নেওয়া হবে।

আইনমন্ত্রী বলেন, সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে পুরো সংবিধান পর্যালোচনা করতে হবে, যাতে এর বিভিন্ন ধারার মধ্যে সামঞ্জস্য বজায় থাকে। একই সঙ্গে ভারতের ‘বেসিক স্ট্রাকচার থিওরি’সহ সাংবিধানিক আইনশাস্ত্রের প্রতিষ্ঠিত নীতিগুলোও বিবেচনায় নেওয়া হবে। আবেগ নয়, আইনি ও সাংবিধানিক ভিত্তিতেই সংস্কার কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

তিনি বলেন, সংবিধান সংশোধন স্বল্পমেয়াদি কোনো উদ্দেশ্যে নয়; ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রয়োজন বিবেচনায় দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গি নিয়েই এটি করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় সময় নিয়েই সংস্কার কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।

আইনমন্ত্রী আরও বলেন, ভারতের সংবিধান ১৯৫০ সাল থেকে শতাধিকবার সংশোধিত হয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানেও একাধিক সংশোধনী আনা হয়েছে। ফলে প্রয়োজন অনুযায়ী সংবিধান সংশোধন একটি স্বাভাবিক ও চলমান প্রক্রিয়া।

এর আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিটির প্রথম সভায় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, জয়নুল আবেদীন, মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, আন্দালিভ রহমান, মো. নুরুল হক, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, ফারজানা শারমীন, সাকিলা ফারজানা ও মো. মাহমুদুল হক রুবেল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সমঝোতার ভিত্তিতেই সংবিধান সংস্কার চায় সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:১১ পি.এম


সমঝোতার ভিত্তিতেই সংবিধান সংস্কার চায় সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সংবিধান সংশোধন কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সরকার সমঝোতার ভিত্তিকভাবে সংবিধানের সংস্কার করতে চাচ্ছে, যা সার্বিক জনপ্রত্যাশা পূরণ করতে সক্ষম হবে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে নবযাত্রা এবং রাষ্ট্র কাঠামোর গণতান্ত্রিক সংস্কারের জন্য যা কিছু প্রয়োজন, তা সংবিধানের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

বুধবার (৪ আগস্ট) জাতীয় সংসদ ভবনে সংবিধান সংশোধন কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকটি উদ্বোধনের পূর্বে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ বিষয়গুলো উল্লেখ করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং শিগগিরই দিন ও তারিখ নির্ধারণ করা হবে। এছাড়া বিরোধী দলের পক্ষ থেকে জাতীয় সংসদের পাঁচটি সদস্যের নাম দেওয়ার কথা থাকলেও, তা এখনো পাওয়া যায়নি। তবে তিনি আশা প্রকাশ করেন, বিরোধী দল তা দ্রুত অনুধাবন করে নাম পাঠাবেন।

বিরোধী দলের সদস্যরা বৈঠকে বসলে তাঁদের স্বাগতম জানানো হবে, এবং বৈঠকের বাইরে তাঁদের লেখা সুপারিশগুলোকেও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে একটি গ্রহণযোগ্য সংশোধনী প্রস্তাব এবং প্রতিবেদন তৈরি করা হবে, বলেও জানান তিনি।

সংবিধান সংশোধন নিয়ে কোনো বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে কি না- জিজ্ঞেস করা হলে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, এটিকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে না দেখে প্রত্যাশা হিসেবে দেখছেন তাঁরা। ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান এবং জাতির সদাহাস্য আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের ধারা তৈরিতে কাজ করতে বদ্ধপরিকর এই কমিটি। এই শক্তিশালী গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ধরে রাখার জন্য সংবিধান সংস্কার করা প্রথম পদক্ষেপ।

তিনি আরও জানান, কেবল রাজনীতিবিদ নয়, সমাজের সর্বস্তরের মানুষ ও পেশাজীবী সংগঠনগুলো যদি আগ্রহ প্রকাশ করেন, তবে তাঁদের সঙ্গেও পর্যায়ক্রমে আলোচনা করা হবে।

অতএব, আলোচনা শেষ করার জন্য নির্দিষ্ট সময় এখনই জানানো হচ্ছে না।

রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল হিসেবে জুলাই জাতীয় সনদের সংগৃহীত বিষয়গুলো এবং যেসব বিষয়ে নোট অব ডিসেন্ট রয়েছে, সেগুলোও বিবেচনায় নেওয়া হবে। এর পাশাপাশি সরকারী দলের নিজস্ব নির্বাচনী ইশতেহার ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত করে সর্বজনগ্রাহ্য একটি সংবিধানের সংস্কারের পথনির্দেশ করবে কমিটি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাবনায় আকাশছোঁয়া কাঁচামরিচের দাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:১৯ পি.এম


পাবনায় আকাশছোঁয়া কাঁচামরিচের দাম

বর্ষাকালের টানা বৃষ্টির ফলে পাবনার কাঁচাবাজারে পড়েছে প্রভাব। সরবরাহ কম থাকায় বেশির ভাগ সবজির দাম বেড়েছে। গত দুই সপ্তাহের মধ্যে কাঁচামরিচের দাম আকাশছোঁয়া পর্যায়ে পৌঁছেছে। জেলার বিভিন্ন এলাকায় কাঁচামরিচ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৮০ থেকে ৩৫০ টাকায়। কাঁচামরিচের এই অস্বাভাবিক দামে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিপদ নেমে এসেছে। তবে সবচেয়ে বেশি সংকটে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষ। এছাড়া বেগুন, পটল, পটোলা (স্থানীয়ভাবে পোল্লা), ঝিঙে, করলা, শশাসহ অধিকাংশ সবজির দামও বেড়েছে। এই অবস্থায় জরুরি ভিত্তিতে কাঁচামরিচের দাম নিয়ন্ত্রণে বিদেশ থেকে আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

পাবনার বড়বাজার, মাসুম বাজার, দাশুড়িয়া বাজার, বেড়া সিঅ্যান্ডবি চত্বর বাজার, সাঁথিয়া বাজার ও কাশীনাথপুর বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রায় সব ধরনের সবজির দাম বেড়েছে। এসব বাজারে বর্তমানে কাঁচামরিচ ২৮০-৩৫০ টাকা, পেঁয়াজ ৫০-৫৫ টাকা, শশা ৫০-৬০ টাকা, আলু ২৫-৩০ টাকা, বেগুন ৮০-১০০ টাকা, পটল ৬০-৭০ টাকা, করলা ৮০-১০০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০-৭০ টাকা, ঝিঙে ৬০-৭০ টাকা, মুখিকচু ৬০-৭০ টাকা, মুলা ৬০-৮০ টাকা, টমেটো ১২০-১৫০ টাকা এবং আগাম জাতের শিম ২৫০-৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া লাউ প্রতিটি ৬০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া প্রতি কেজি ৬০ টাকা এবং চালকুমড়া প্রতিটি ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে আলু, পেঁপে ও পোল্লার দাম তুলনামূলক কম থাকায় কিছুটা স্বস্তি ক্রেতাদের মধ্যে রয়েছে।

জানা গেছে, আষাঢ় ও শ্রাবণ মাসের ভারী বর্ষণে পাবনার অধিকাংশ আবাদি জমিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এই জলাবদ্ধতার ফলে কৃষিপণ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সবজির উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। জেলার বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টির পানিতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় বেগুন, মরিচ, পটলসহ বিভিন্ন সবজির গাছ নষ্ট হয়ে যাওয়ায় এর প্রভাব পড়েছে স্থানীয় বাজারে।

দাশুড়িয়া এলাকার ফটোস্ট্যাট ও স্টুডিও ব্যবসায়ী তুহিন জানান, মরিচসহ অন্যান্য তরকারির দাম বাড়ছে, যার কারণে তাদের মতো মধ্যবিত্তদের টিকে থাকাটাই কঠিন হয়ে পড়েছে। এক হাজার টাকা নিয়ে বাজারে গেলেও চার থেকে পাঁচ সদস্যের পরিবারের এক সপ্তাহের কাঁচাবাজার (সয়াবিন তেলসহ) হয় না। এভাবে চলতে থাকলে নিম্ন ও মধ্যবিত্তদের জীবন আরও দুর্বিষহ হয়ে উঠবে।

আতাইকুলা এলাকার কৃষক ইকবাল হোসেন বলেন, বাজার করতে গিয়ে কাঁচা তরিতরকারির দাম দেখে তিনি হতবাক হয়েছেন। কাঁচামরিচ না কিনেই ফিরে এসেছেন। যদি এভাবে চলতে থাকে, তবে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়বে।

নাকালিয়া নয়নপুর এলাকার গৃহবধূ জেসমিন আক্তার বলেন, তারা নিম্ন আয়ের মানুষ। দিনমজুরির আয়ে সংসার চলে। ৭০-৮০ টাকার এক পোয়া কাঁচামরিচ কেনার সামর্থ্য তাদের নেই। বাধ্য হয়ে মরিচ ছাড়া তরকারি রান্না করছে তারা।

পাবনার মাসুম বাজারের এক কাঁচামাল ব্যবসায়ী জানান, বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় সবজির সরবরাহ কম থাকায় দাম বেড়েছে। দাম বাড়ায় ক্রেতার সংখ্যাও কমে গিয়েছে। তারা অন্য এলাকা থেকে পণ্য কিনে এনে বিক্রি করে। বিক্রি কম হওয়ায় অনেক কাঁচামাল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্কুলশিক্ষক জানান, তাদের সীমিত বেতনের চাকরি। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের স্বার্থে দ্রুত বাজার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

পাবনা জেলার বিভিন্ন এলাকার সচেতন নাগরিকরা মনে করেন, বৈরী আবহাওয়া, টানা বৃষ্টিতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা এবং কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর অতিরিক্ত মুনাফার প্রবণতা সবজির বাজারে ঊর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছে। বাজার নিয়ন্ত্রণে জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের নিয়মিত বাজার তদারকি জোরদার করা জরুরি।

এ বিষয়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, পাবনার সহকারী পরিচালক মাহমুদ হাসান রনি বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য ও সবজির বাজারদর নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত বাজার তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। এ কাজে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%