ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কাদেরসহ ৭ নেতার মৃত্যুদণ্ড বিএনপির জিরো টলারেন্সের প্রমাণ: রাশেদ খান


কাদেরসহ ৭ নেতার মৃত্যুদণ্ড বিএনপির জিরো টলারেন্সের প্রমাণ: রাশেদ খান

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী (সচিব পদমর্যাদা) রাশেদ খাঁন বলেছেন, ওবায়দুল কাদেরসহ আওয়ামী লীগের সাত নেতার মৃত্যুদণ্ডের রায় বিএনপি সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির প্রমাণ। তিনি বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি স্ট্যাটাসে এই মন্তব্য করেন।

মঙ্গলবার, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ সাত নেতাকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে। এই নেতাদের মধ্যে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এবং সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত রয়েছেন। একই মামলায় আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, শেখ ফজলে শামস পরশ, মাইনুল হোসেন খান নিখিল, সাদ্দাম হোসেন ও শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানকেও মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।

রাশেদ খাঁন তার স্ট্যাটাসে দাবি করেন, জামায়াত ও এনসিপি বিএনপি সরকার গণহত্যার বিচার করবে না—এমন ‘ন্যারেটিভ’ ছড়িয়েছিল। তিনি বলেন, ওবায়দুল কাদেরসহ সাত নেতার মৃত্যুদণ্ডের রায়ের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে যে, বিএনপি সরকার অপরাধীদের বিচারে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে।

আরও পড়ুন: সৌদি আরব থেকে ৯ মাসে ২ হাজার মরদেহ, নারী কর্মীরা সন্তানের বাবার পরিচয় জানেন না

জামায়াতের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন রাশেদ খাঁন। তিনি দাবি করেন, গণহত্যার বিচারে জামায়াতের সহযোগিতা প্রত্যাশিত হলেও দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান আওয়ামী লীগকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার অবস্থান নিয়েছিলেন। ভোটের রাজনীতির কারণে জামায়াত গণহত্যার বিচারের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

রাশেদ খাঁন আরও বলেন, জামায়াত মুখে গণহত্যার বিচারের কথা বললেও বিএনপি সরকারকে ‘ট্যাগিং’ করাই তাদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মূল লক্ষ্য ছিল। সাত নেতার মৃত্যুদণ্ডের রায়ের পর জামায়াতের সেই ‘মিথ্যাচার’ পরাজিত হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলামসহ পুরো প্রসিকিউশন টিমকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন রাশেদ খাঁন। তিনি বলেন, তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ ও উপস্থাপনের মাধ্যমে আসামিদের বিরুদ্ধে রায় দিতে প্রসিকিউশন টিম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

স্ট্যাটাসের শেষাংশে জামায়াতের উদ্দেশে রাশেদ খাঁন বলেন, ১৯ সেপ্টেম্বরের লংমার্চ থেকে এ পর্যন্ত গণহত্যার বিচার নিয়ে বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা ট্যাগিং’ করার জন্য দলটির জাতির কাছে দুঃখপ্রকাশ করা উচিত।

আরও পড়ুন: দুধের উৎপাদন খরচ ৪৪.৮০ টাকা, বিক্রি ১০০-১১০ টাকায়

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্ধ মৌসুমে ফুজিতে হেলিকপ্টার উদ্ধারে গুণতে হবে ফি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:২৭ পি.এম


বন্ধ মৌসুমে ফুজিতে হেলিকপ্টার উদ্ধারে গুণতে হবে ফি

বন্ধ মৌসুমে মাউন্ট ফুজিতে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি ছাড়া আরোহণ করলে বিপদে পড়লে হেলিকপ্টারে উদ্ধারের জন্য ফি দিতে হতে পারে। এই নতুন ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাপানের ইয়ামানাশি প্রিফেকচার, যা অনিয়ন্ত্রিত ও ঝুঁকিপূর্ণ আরোহণকে নিরুৎসাহিত করার উদ্দেশ্যে গৃহীত হয়েছে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ইয়ামানাশি কর্তৃপক্ষ জানায়, বন্ধ মৌসুমে ফুজির ষষ্ঠ স্টেশন বা তার ওপরে আরোহণের জন্য আগেই বিস্তারিত আরোহণ পরিকল্পনা জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হবে। এই পরিকল্পনায় আরোহণের পথ, সরঞ্জাম এবং নিরাপত্তাব্যবস্থার তথ্য অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বন্ধ মৌসুমে ইয়ামানাশির দুর্যোগ মোকাবিলা হেলিকপ্টারে উদ্ধার করা হলে মূলত ফি নেওয়া হবে। তবে, আগে থেকে আরোহণের তথ্য জমা দিয়ে নির্ধারিত নিরাপত্তাব্যবস্থা মেনে চলা পর্বতারোহীদের জন্য ফি কমানোর বা পুরোপুরি মওকুফের সুযোগ রাখা হবে।

উদ্ধার ফি কত হবে, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। প্রতিবেশী সাইতামা প্রিফেকচারে চালু থাকা ব্যবস্থায় প্রতি পাঁচ মিনিটে ৮ হাজার ইয়েন ফি নেওয়া হয়। ইয়ামানাশি সম্ভাব্য ফি নির্ধারণের জন্য এই হারকে একটি রেফারেন্স হিসেবে বিবেচনা করছে।

ইয়ামানাশির গভর্নর কোটারো নাগাসাকি বলেন, "বন্ধ মৌসুমে ফুজিতে আরোহণ থেকে সাধারণ মানুষকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হচ্ছে।" শীতকালে পাহাড়টির কঠিন পরিবেশ ও ঝুঁকি সম্পর্কে মানুষকে নতুন করে ভাবতে উৎসাহিত করতেই এসব ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

মাউন্ট ফুজির আনুষ্ঠানিক আরোহণ মৌসুম সাধারণত জুলাইয়ের শুরু থেকে সেপ্টেম্বরের শুরু পর্যন্ত চলে। বন্ধ মৌসুমে পাহাড়টির আবহাওয়া ও পথের অবস্থা আরও কঠিন হয়ে ওঠে এবং অধিকাংশ পর্বত আশ্রয়কেন্দ্র ও শৌচাগার বন্ধ থাকে। এ সময়ে ইয়ামানাশি অংশে ঝুঁকিপূর্ণ আরোহণের ঘটনাও ঘটছে।

ইয়ামানাশি ২০২৭ সালের সেপ্টেম্বর থেকে নতুন ব্যবস্থা চালুর লক্ষ্য নিয়ে প্রয়োজনীয়条例 ও বিধি তৈরির প্রস্তুতি নিচ্ছে। একই সময়ে প্রতিবেশী শিজুওকা প্রিফেকচারও বন্ধ মৌসুমে ফুজিতে আরোহণের আগে নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা করছে। তবে, শিজুওকা এখনো হেলিকপ্টার উদ্ধারে ফি নেওয়ার সিদ্ধান্ত জানায়নি। তথ্যসূত্র: বিবিসি, রয়টার্স

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এপিবিএন আইনের গেজেট প্রকাশ, পেল যেসব ক্ষমতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:২৭ পি.এম


এপিবিএন আইনের গেজেট প্রকাশ, পেল যেসব ক্ষমতা

‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নস অর্ডিন্যান্স, ১৯৭৯’ বাতিল করে নতুনভাবে প্রণীত ‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইন ২০২৬’ গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রপতির সম্মতি পাওয়ার পর আইনটি সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হয়।

 

গেজেটে আইনটিকে ‘২০২৬ সালের ১১০ নম্বর আইন’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ১৯৭৯ সালের ‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নস অর্ডিন্যান্স’ বাতিল করে নতুন আইন কার্যকর করা হলো।

এর আগে গত ১০ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে ‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) বিল ২০২৬’ কণ্ঠভোটের মাধ্যমে পাস হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সংসদে বিলটি পাসের জন্য উত্থাপন করেন।

নতুন আইনে এপিবিএনকে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর একটি বিশেষায়িত ইউনিট হিসেবে গঠন ও পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এতে স্পেশাল সিকিউরিটি অ্যান্ড প্রোটেকশন ব্যাটালিয়ন, পার্বত্য ব্যাটালিয়ন, বিমানবন্দর ব্যাটালিয়ন এবং সরকার কর্তৃক নির্ধারিত অন্যান্য বিশেষ ব্যাটালিয়ন অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

আইনটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হলো—এপিবিএনকে নিজস্ব অধিক্ষেত্রে ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের জন্য প্রত্যক্ষ আইনি ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। এর ফলে ফৌজদারি কার্যবিধি ও প্রচলিত অন্যান্য আইন অনুসরণ করে বাহিনীটি অপরাধের স্থলে প্রবেশ, তল্লাশি, আলামত ও মালামাল জব্দ এবং সন্দেহভাজন আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হবে।

এছাড়া, প্রশাসনিক তথ্য সুরক্ষার জন্য নতুন আইনে বিশেষ বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ছাড়া এপিবিএনের কোনো সদস্য প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কোনো ইলেকট্রনিক গণমাধ্যম বা সংবাদপত্রে তথ্য, দাপ্তরিক দলিল বা স্পর্শকাতর বিষয় প্রকাশ করতে পারবেন না। একইসঙ্গে এসব তথ্য প্রকাশে কোনো ধরনের সহযোগিতাও করতে পারবেন না।

গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে সংসদে পাস হওয়া বিলটি এখন একটি পূর্ণাঙ্গ আইনে পরিণত হলো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাতক্ষীরার ব্লিস হাসপাতালে আগুন, রোগী-স্বজনদের মধ্যে আতঙ্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:২৭ পি.এম


সাতক্ষীরার ব্লিস হাসপাতালে আগুন, রোগী-স্বজনদের মধ্যে আতঙ্ক

সাতক্ষীরার চৌরঙ্গী মোড়ের বেসরকারি ব্লিস হাসপাতালে (সাবেক সিবি হাসপাতাল) আবারও আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। এটি মাত্র ৪২ দিনের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো ঘটল। এ ঘটনায় রোগী ও তাদের স্বজনদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে, ফলে কেউ সদর হাসপাতালে ছুটে যান, কেউ রাস্তার পাশে ভ্যানের ওপর শুয়ে ছিলেন, আবার কেউ অসুস্থ অবস্থায় হেঁটে বেরিয়ে আসেন।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টার দিকে হাসপাতালের অক্সিজেন সিলিন্ডার রাখার স্থান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে।

আগুনের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর হাসপাতালের বিভিন্ন তলায় অবস্থানরত রোগী ও স্বজনেরা দ্রুত নিচে নামতে শুরু করেন। নার্সরা রোগীদের দ্রুত বের হওয়ার নির্দেশ দেন। এ সময় স্বজনেরা অসুস্থ রোগীদের ধরে, কোলে করে কিংবা একাধিকজন মিলে নিচে নামিয়ে আনেন।

রোগীর স্বজন মশিয়ার রহমান বলেন, “আমরা রাতে খেয়ে রোগীকে ওষুধ খাওয়ানোর পর বসে ছিলাম। এরই মধ্যে নার্স এসে বলল, জিনিসপত্র থাক, মোবাইলটা নেন, দ্রুত বের হয়ে আসেন। ছয়তলায় সমস্যা হয়েছে। আমরা আস্তে আস্তে রোগী নিয়ে বের হয়ে আসলাম। বলল আগুন লেগেছে। নিচে এসে দেখলাম শুধু ধোঁয়া। আমরা খুব আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলাম।”

আরেক রোগীর স্বজন আব্দুল গফুর জানান, হাসপাতালে আগের দিনই একজনের সিজার হয়েছিল। রাতে হঠাৎ আগুনের খবর পেয়ে নার্সরা সবাইকে দ্রুত নিচে নেমে আসতে বলেন।

তিনি বলেন, “যে যেভাবে আছ নেমে আসো– এমন কথা বলা হচ্ছিল। ৮-১০ জন করে রোগী নিচে নিয়ে আসতে আসতে আমাদের জীবন শেষ। সবাই বলছে আগুন লাগছে, চিল্লাচিল্লি করছে, নার্সরাও আতঙ্কিত। আমাদের রোগীকে পরে সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।”

হাসপাতালের পাশের বাসিন্দা মো. ইদ্রিস আলী ময়না বলেন, রাত ১১টার দিকে তিনি এক বন্ধুর সঙ্গে বাসার সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলছিলেন। হঠাৎ জোরে শব্দ শুনে হাসপাতালের দিকে তাকিয়ে দেখেন, নিচের দিকে ধোঁয়ায় ভরে গেছে। তিনি আরো বলেন, “আমার বাসা পাশে। কয়েক দিন আগে এখান থেকে এমন একটি ঘটনা ঘটেছে। আমরা তো পরিবার নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় আছি। এটা কিভাবে সমাধান হয়, সমাধানের পথ বের করতে হবে, যেন আমরা ছেলে-মেয়ে নিয়ে নিরাপদে বসবাস করতে পারি। এখানে কয়েক দিন পর পর এই পরিস্থিতি হচ্ছে। এটা নিয়ে আমরা আতঙ্কিত।”

সাতক্ষীরা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের ওয়্যারহাউস ইনস্পেক্টর মো. নুরুল ইসলাম বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। সেখানে গিয়ে দেখা যায়, আগে যেখানে অক্সিজেন সিলিন্ডার রাখা ছিল, সেখান থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। ওই স্থানেই আগের আগুনের সূত্রপাত হয়েছিল।

নুরুল ইসলাম আরো বলেন, “আমরা সংবাদ পাই ব্লিস হাসপাতালে আবারও আগুন লেগেছে। সংবাদ পাওয়ামাত্রই এখানে আসি। উপস্থিত হয়ে দেখি, যেখানটায় অক্সিজেন সিলিন্ডার ছিল, ওই জায়গা থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। গত দিন যেখানে আগুনের সূত্রপাত ছিল, আজকেও একই জায়গায়। প্রথমে আমরা নিচে ঢুকে দেখি ধোঁয়ায় ভরা। পরে ভেতরে গিয়ে দেখি আগুন ছিল। আগুনটা নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা হয়েছে।”

তিনি জানান, ধোঁয়ার কারণে রোগী ও স্বজনরা ভীত হয়ে তাড়াহুড়ো করে নিচে নামছিলেন। আগুনের ঝুঁকি না থাকায় পরে তাদের শান্ত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। একসঙ্গে অনেক রোগী নামতে গেলে হুড়োহুড়িতে আহত হওয়ার আশঙ্কাও ছিল।

একই হাসপাতালে বারবার আগুনের বিষয়ে ফায়ার সার্ভিসের এ কর্মকর্তা বলেন, হাসপাতালটি বড় এবং প্রতিটি ফ্লোরে অক্সিজেনের লাইন রয়েছে। ভবনের নিচে থাকা সিলিন্ডার থেকেই পুরো ব্যবস্থাটি নিয়ন্ত্রণ করা হয়। তার ধারণা, কারিগরি ত্রুটির কারণে অক্সিজেনের চাপ নিয়ন্ত্রণে সমস্যা হয়ে পাইপ ফেটে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কলম্বিয়ার সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে গৃহকর্মীকে মিথ্যা শনাক্তকরণ পরীক্ষায় বসানোর অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:২৮ পি.এম


কলম্বিয়ার সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে গৃহকর্মীকে মিথ্যা শনাক্তকরণ পরীক্ষায় বসানোর অভিযোগ

কলম্বিয়ার সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী লরা সারাবিয়ার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ তুলেছেন দেশটির প্রসিকিউটাররা। অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি নিজের সন্তানকে দেখাশোনা করা এক গৃহকর্মীকে মিথ্যা শনাক্তকরণের পরীক্ষায় অংশ নিতে বাধ্য করেছিলেন।

বিবিসি জানায়, গৃহকর্মীর বিরুদ্ধে সারাবিয়ার বাসা থেকে নগদ টাকাভর্তি একটি ব্যাগ চুরির অভিযোগ উঠেছিল। তবে গৃহকর্মী শুরু থেকেই চুরির অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন। ২০২৩ সালে কলম্বিয়ার সাপ্তাহিক সংবাদপত্র সেমানায় এই ঘটনার ওপর প্রতিবেদন প্রকাশের পর ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, সারাবিয়ার ছেলের দেখাশোনার জন্য নিয়োগ দেওয়া গৃহকর্মী মারেলবিস মেসাকে মিথ্যা শনাক্তকরণের যন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। ঘটনার সময় সারাবিয়া কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রোর দপ্তরের প্রধান কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

আরো পড়ুন

নাশকতার সন্দেহে নেদারল্যান্ডসে বড় ধরনের রেল বিপর্যয়। প্রসিকিউটারদের অভিযোগ, সারাবিয়া তার বাসা থেকে টাকা নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি তদন্ত করতে গিয়ে সরকারি ক্ষমতা ব্যবহার করেছেন। তিনি পুলিশকে নির্দেশ দেন মেসাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য। প্রসিকিউটারদের মতে, এই নির্দেশ ক্ষমতার অপব্যবহার ছিল। কারণ, সারাবিয়ার ব্যক্তিগত বাসা থেকে টাকা নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা তার সরকারি দায়িত্বের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। তাদের অভিযোগ, রাষ্ট্রীয় সম্পদ এবং সরকারি ব্যবস্থাকে ব্যক্তিগত একটি বিষয় তদন্তে ব্যবহার করা হয়েছে। এক শুনানিতে সারাবিয়া এই অভিযোগ অস্বীকার করেন। তবে তিনি অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি।

মেসা সে সময় সেমানাকে জানান, সারাবিয়ার গাড়িচালক তাকে প্রেসিডেন্টের প্রাসাদের বিপরীতে একটি সরকারি ভবনে নিয়ে যান। সেখানে যাওয়ার পর তার মনে হয়েছিল, তাকে অপহরণ করা হয়েছে। পরে পুলিশ সদস্যরা তাকে মিথ্যা শনাক্তকরণের পরীক্ষার জন্য একটি যন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত করেন। এরপর সারাবিয়ার বাসা থেকে টাকা নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ নিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরীক্ষার সময় মেসা টাকা চুরি করার কথা অস্বীকার করেন। পরবর্তীতে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারেও তিনি নিয়মিতভাবে কোনো ধরনের অন্যায় করার কথা অস্বীকার করেছেন।

আরো পড়ুন

বাল্টিক সাগরে রুশ যুদ্ধজাহাজের ফ্লেয়ার ছোড়ার অভিযোগ ডেনমার্কের। লরা সারাবিয়া ছিলেন প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রোর ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক সহযোগীদের একজন। পেত্রো ২০২২ সালে কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন এবং ২০২৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। সারাবিয়ার বয়স তখন ছিল ৩২ বছর। পেত্রোর সরকারের গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাদের একজন হিসেবে তিনি দ্রুত আলোচনায় আসেন। ২০২৩ সালের জুনে প্রেসিডেন্টের দপ্তরের প্রধান কর্মকর্তার পদ থেকে সারাবিয়া পদত্যাগ করেন। পরে তাকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকেও পদত্যাগ করার পর তাকে যুক্তরাজ্যে কলম্বিয়ার রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

আরো পড়ুন

নাশকতার সন্দেহে নেদারল্যান্ডসে বড় ধরনের রেল বিপর্যয়। সারাবিয়া তার বিরুদ্ধে আনা সব ধরনের অন্যায় ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানিয়েছিলেন, বিষয়টি তার আইনজীবীরা দেখছেন। তিনি বিচারিক কর্তৃপক্ষের প্রতি সম্মান রয়েছে বলেও জানান। সারাবিয়া বলেন, তিনি বিচারিক প্রক্রিয়ার ওপর আস্থা রাখেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তকে সম্মান করবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%