বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:২৭ পি.এম
‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নস অর্ডিন্যান্স, ১৯৭৯’ বাতিল করে নতুনভাবে প্রণীত ‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইন ২০২৬’ গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রপতির সম্মতি পাওয়ার পর আইনটি সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হয়।
গেজেটে আইনটিকে ‘২০২৬ সালের ১১০ নম্বর আইন’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ১৯৭৯ সালের ‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নস অর্ডিন্যান্স’ বাতিল করে নতুন আইন কার্যকর করা হলো।
এর আগে গত ১০ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে ‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) বিল ২০২৬’ কণ্ঠভোটের মাধ্যমে পাস হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সংসদে বিলটি পাসের জন্য উত্থাপন করেন।
নতুন আইনে এপিবিএনকে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর একটি বিশেষায়িত ইউনিট হিসেবে গঠন ও পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এতে স্পেশাল সিকিউরিটি অ্যান্ড প্রোটেকশন ব্যাটালিয়ন, পার্বত্য ব্যাটালিয়ন, বিমানবন্দর ব্যাটালিয়ন এবং সরকার কর্তৃক নির্ধারিত অন্যান্য বিশেষ ব্যাটালিয়ন অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
আইনটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হলো—এপিবিএনকে নিজস্ব অধিক্ষেত্রে ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের জন্য প্রত্যক্ষ আইনি ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। এর ফলে ফৌজদারি কার্যবিধি ও প্রচলিত অন্যান্য আইন অনুসরণ করে বাহিনীটি অপরাধের স্থলে প্রবেশ, তল্লাশি, আলামত ও মালামাল জব্দ এবং সন্দেহভাজন আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হবে।
এছাড়া, প্রশাসনিক তথ্য সুরক্ষার জন্য নতুন আইনে বিশেষ বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ছাড়া এপিবিএনের কোনো সদস্য প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কোনো ইলেকট্রনিক গণমাধ্যম বা সংবাদপত্রে তথ্য, দাপ্তরিক দলিল বা স্পর্শকাতর বিষয় প্রকাশ করতে পারবেন না। একইসঙ্গে এসব তথ্য প্রকাশে কোনো ধরনের সহযোগিতাও করতে পারবেন না।
গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে সংসদে পাস হওয়া বিলটি এখন একটি পূর্ণাঙ্গ আইনে পরিণত হলো।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাতক্ষীরার চৌরঙ্গী মোড়ের বেসরকারি ব্লিস হাসপাতালে (সাবেক সিবি হাসপাতাল) আবারও আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। এটি মাত্র ৪২ দিনের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো ঘটল। এ ঘটনায় রোগী ও তাদের স্বজনদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে, ফলে কেউ সদর হাসপাতালে ছুটে যান, কেউ রাস্তার পাশে ভ্যানের ওপর শুয়ে ছিলেন, আবার কেউ অসুস্থ অবস্থায় হেঁটে বেরিয়ে আসেন।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টার দিকে হাসপাতালের অক্সিজেন সিলিন্ডার রাখার স্থান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে।
আগুনের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর হাসপাতালের বিভিন্ন তলায় অবস্থানরত রোগী ও স্বজনেরা দ্রুত নিচে নামতে শুরু করেন। নার্সরা রোগীদের দ্রুত বের হওয়ার নির্দেশ দেন। এ সময় স্বজনেরা অসুস্থ রোগীদের ধরে, কোলে করে কিংবা একাধিকজন মিলে নিচে নামিয়ে আনেন।
রোগীর স্বজন মশিয়ার রহমান বলেন, “আমরা রাতে খেয়ে রোগীকে ওষুধ খাওয়ানোর পর বসে ছিলাম। এরই মধ্যে নার্স এসে বলল, জিনিসপত্র থাক, মোবাইলটা নেন, দ্রুত বের হয়ে আসেন। ছয়তলায় সমস্যা হয়েছে। আমরা আস্তে আস্তে রোগী নিয়ে বের হয়ে আসলাম। বলল আগুন লেগেছে। নিচে এসে দেখলাম শুধু ধোঁয়া। আমরা খুব আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলাম।”
আরেক রোগীর স্বজন আব্দুল গফুর জানান, হাসপাতালে আগের দিনই একজনের সিজার হয়েছিল। রাতে হঠাৎ আগুনের খবর পেয়ে নার্সরা সবাইকে দ্রুত নিচে নেমে আসতে বলেন।
তিনি বলেন, “যে যেভাবে আছ নেমে আসো– এমন কথা বলা হচ্ছিল। ৮-১০ জন করে রোগী নিচে নিয়ে আসতে আসতে আমাদের জীবন শেষ। সবাই বলছে আগুন লাগছে, চিল্লাচিল্লি করছে, নার্সরাও আতঙ্কিত। আমাদের রোগীকে পরে সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।”
হাসপাতালের পাশের বাসিন্দা মো. ইদ্রিস আলী ময়না বলেন, রাত ১১টার দিকে তিনি এক বন্ধুর সঙ্গে বাসার সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলছিলেন। হঠাৎ জোরে শব্দ শুনে হাসপাতালের দিকে তাকিয়ে দেখেন, নিচের দিকে ধোঁয়ায় ভরে গেছে। তিনি আরো বলেন, “আমার বাসা পাশে। কয়েক দিন আগে এখান থেকে এমন একটি ঘটনা ঘটেছে। আমরা তো পরিবার নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় আছি। এটা কিভাবে সমাধান হয়, সমাধানের পথ বের করতে হবে, যেন আমরা ছেলে-মেয়ে নিয়ে নিরাপদে বসবাস করতে পারি। এখানে কয়েক দিন পর পর এই পরিস্থিতি হচ্ছে। এটা নিয়ে আমরা আতঙ্কিত।”
সাতক্ষীরা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের ওয়্যারহাউস ইনস্পেক্টর মো. নুরুল ইসলাম বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। সেখানে গিয়ে দেখা যায়, আগে যেখানে অক্সিজেন সিলিন্ডার রাখা ছিল, সেখান থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। ওই স্থানেই আগের আগুনের সূত্রপাত হয়েছিল।
নুরুল ইসলাম আরো বলেন, “আমরা সংবাদ পাই ব্লিস হাসপাতালে আবারও আগুন লেগেছে। সংবাদ পাওয়ামাত্রই এখানে আসি। উপস্থিত হয়ে দেখি, যেখানটায় অক্সিজেন সিলিন্ডার ছিল, ওই জায়গা থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। গত দিন যেখানে আগুনের সূত্রপাত ছিল, আজকেও একই জায়গায়। প্রথমে আমরা নিচে ঢুকে দেখি ধোঁয়ায় ভরা। পরে ভেতরে গিয়ে দেখি আগুন ছিল। আগুনটা নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা হয়েছে।”
তিনি জানান, ধোঁয়ার কারণে রোগী ও স্বজনরা ভীত হয়ে তাড়াহুড়ো করে নিচে নামছিলেন। আগুনের ঝুঁকি না থাকায় পরে তাদের শান্ত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। একসঙ্গে অনেক রোগী নামতে গেলে হুড়োহুড়িতে আহত হওয়ার আশঙ্কাও ছিল।
একই হাসপাতালে বারবার আগুনের বিষয়ে ফায়ার সার্ভিসের এ কর্মকর্তা বলেন, হাসপাতালটি বড় এবং প্রতিটি ফ্লোরে অক্সিজেনের লাইন রয়েছে। ভবনের নিচে থাকা সিলিন্ডার থেকেই পুরো ব্যবস্থাটি নিয়ন্ত্রণ করা হয়। তার ধারণা, কারিগরি ত্রুটির কারণে অক্সিজেনের চাপ নিয়ন্ত্রণে সমস্যা হয়ে পাইপ ফেটে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কলম্বিয়ার সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী লরা সারাবিয়ার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ তুলেছেন দেশটির প্রসিকিউটাররা। অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি নিজের সন্তানকে দেখাশোনা করা এক গৃহকর্মীকে মিথ্যা শনাক্তকরণের পরীক্ষায় অংশ নিতে বাধ্য করেছিলেন।
বিবিসি জানায়, গৃহকর্মীর বিরুদ্ধে সারাবিয়ার বাসা থেকে নগদ টাকাভর্তি একটি ব্যাগ চুরির অভিযোগ উঠেছিল। তবে গৃহকর্মী শুরু থেকেই চুরির অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন। ২০২৩ সালে কলম্বিয়ার সাপ্তাহিক সংবাদপত্র সেমানায় এই ঘটনার ওপর প্রতিবেদন প্রকাশের পর ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, সারাবিয়ার ছেলের দেখাশোনার জন্য নিয়োগ দেওয়া গৃহকর্মী মারেলবিস মেসাকে মিথ্যা শনাক্তকরণের যন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। ঘটনার সময় সারাবিয়া কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রোর দপ্তরের প্রধান কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
আরো পড়ুন
নাশকতার সন্দেহে নেদারল্যান্ডসে বড় ধরনের রেল বিপর্যয়। প্রসিকিউটারদের অভিযোগ, সারাবিয়া তার বাসা থেকে টাকা নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি তদন্ত করতে গিয়ে সরকারি ক্ষমতা ব্যবহার করেছেন। তিনি পুলিশকে নির্দেশ দেন মেসাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য। প্রসিকিউটারদের মতে, এই নির্দেশ ক্ষমতার অপব্যবহার ছিল। কারণ, সারাবিয়ার ব্যক্তিগত বাসা থেকে টাকা নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা তার সরকারি দায়িত্বের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। তাদের অভিযোগ, রাষ্ট্রীয় সম্পদ এবং সরকারি ব্যবস্থাকে ব্যক্তিগত একটি বিষয় তদন্তে ব্যবহার করা হয়েছে। এক শুনানিতে সারাবিয়া এই অভিযোগ অস্বীকার করেন। তবে তিনি অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি।
মেসা সে সময় সেমানাকে জানান, সারাবিয়ার গাড়িচালক তাকে প্রেসিডেন্টের প্রাসাদের বিপরীতে একটি সরকারি ভবনে নিয়ে যান। সেখানে যাওয়ার পর তার মনে হয়েছিল, তাকে অপহরণ করা হয়েছে। পরে পুলিশ সদস্যরা তাকে মিথ্যা শনাক্তকরণের পরীক্ষার জন্য একটি যন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত করেন। এরপর সারাবিয়ার বাসা থেকে টাকা নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ নিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরীক্ষার সময় মেসা টাকা চুরি করার কথা অস্বীকার করেন। পরবর্তীতে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারেও তিনি নিয়মিতভাবে কোনো ধরনের অন্যায় করার কথা অস্বীকার করেছেন।
আরো পড়ুন
বাল্টিক সাগরে রুশ যুদ্ধজাহাজের ফ্লেয়ার ছোড়ার অভিযোগ ডেনমার্কের। লরা সারাবিয়া ছিলেন প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রোর ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক সহযোগীদের একজন। পেত্রো ২০২২ সালে কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন এবং ২০২৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। সারাবিয়ার বয়স তখন ছিল ৩২ বছর। পেত্রোর সরকারের গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাদের একজন হিসেবে তিনি দ্রুত আলোচনায় আসেন। ২০২৩ সালের জুনে প্রেসিডেন্টের দপ্তরের প্রধান কর্মকর্তার পদ থেকে সারাবিয়া পদত্যাগ করেন। পরে তাকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকেও পদত্যাগ করার পর তাকে যুক্তরাজ্যে কলম্বিয়ার রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
আরো পড়ুন
নাশকতার সন্দেহে নেদারল্যান্ডসে বড় ধরনের রেল বিপর্যয়। সারাবিয়া তার বিরুদ্ধে আনা সব ধরনের অন্যায় ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানিয়েছিলেন, বিষয়টি তার আইনজীবীরা দেখছেন। তিনি বিচারিক কর্তৃপক্ষের প্রতি সম্মান রয়েছে বলেও জানান। সারাবিয়া বলেন, তিনি বিচারিক প্রক্রিয়ার ওপর আস্থা রাখেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তকে সম্মান করবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামায়াত আসলে মুখে মুখে গণহত্যার বিচারের কথা বললেও, তাদের রাজনীতি ছিল বিএনপিকে ট্যাগিং করা। আজ কিছুটা প্রশান্তি অনুভব হচ্ছে যে জামায়াতের মিথ্যাচার পরাজিত হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী (সচিব পদমর্যাদা) রাশেদ খান নিজের ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাসে এ মন্তব্য করেন।
আরো পড়ুন
রাশেদ খান মনোনয়ন এবং নির্বাচনী কর্মশালা প্রত্যাখ্যান করে ছাত্রদলের বিরুদ্ধে লেখেন, ‘জামায়াত-এনসিপি মিথ্যা ন্যারেটিভ ছড়িয়ে দিয়েছিল যে বিএনপি সরকার গণহত্যার বিচার করবে না! কিন্তু ওবায়দুল কাদেরসহ খুনিদের ফাঁসির রায়ের মাধ্যমে প্রমাণিত হলো, বিএনপি সরকার অপরাধীদের বিচারে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে।’
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘যেখানে গণহত্যার বিচারে জামায়াতের সহযোগিতা কাম্য ছিল, সেখানে উল্টো আওয়ামী লীগকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেন জামায়াতের আমির ডাক্তার শফিকুর রহমান। শুধু ভোটের রাজনীতির জন্য খুনিদের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করে গণহত্যার বিচারের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিল জামায়াত।’
আরো পড়ুন
রাশেদ খান বিএনপি নেতাদের উদ্দেশ্যে লেখেন, ‘আমি ধন্যবাদ জানাই, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলামাসহ পুরো প্রসিকিউশন টিমকে, যারা অক্লান্ত পরিশ্রম করে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করার মাধ্যমে খুনিদের বিরুদ্ধে রায় প্রদানে সহযোগিতা করেছে।’
তিনি বলেন, ‘পরিশেষে আমি জামায়াতকে বলব, ১৯ সেপ্টেম্বরের লং মার্চ থেকে এত দিন গণহত্যার বিচার নিয়ে বিএনপি সরকারকে মিথ্যা ট্যাগিং করার জন্য জাতির কাছে দুঃখ প্রকাশ করুন।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজ বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩, ৪ রবিউস সানি ১৪৪৮।
ঢাকা এবং এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের নামাজের সময়সূচি নিম্নরূপ উল্লেখ করা হলো—
জোহরের সময় শুরু হবে দুপুর ১১টা ৫৭ মিনিটে।
আসরের সময় শুরু হবে ৪টা ১৮ মিনিটে।
মাগরিবের সময় নির্ধারিত হয়েছে ৬টা ৫ মিনিটে।
এশার সময় শুরু হবে ৭টা ১৯ মিনিটে।
আগামীকাল ফজর শুরু ৪টা ৩৩ মিনিটে
আজ ঢাকায় সূর্যাস্তের সময় ৬টা ৬ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয়ের সময় ৫টা ৪৪ মিনিটে হবে।
সূত্র : ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বসুন্ধরা, ঢাকা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ