ফারুক হোসেন টঙ্গী (গাজীপুর) প্রতিনিধি
০৭:৫১ পি.এম
গাজীপুরের টঙ্গীর আন্দারুল এলাকা থেকে ১০টি ককটেল উদ্ধার করেছে পুলিশ। এতে পুরো এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় এক ছাত্রলীগ নেতার বাড়ির সামনে থেকে ককটেলগুলো উদ্ধার করা হয়। পরে ঢাকা থেকে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট এসে ককটেলগুলো নিষ্ক্রিয় করে। এই ঘটনায় শনিবার দুপুরে বিক্ষোভ ও ঝাড়ু মিছিল করেছে স্থানীয় এলাকাবাসী।
শনিবার (০৩ অক্টোবর) রাত দুইটার দিকে ককটেল ও ব্যানার উদ্ধার করা বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে ককটেলগুলো নিস্ক্রিয় করা হয়।
পুলিশ জানায়, টঙ্গী পশ্চিম থানাধীন আন্দারুল এলাকায় স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতা হৃদয়ের বাড়ির সামনে পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি বিস্কুটের কার্টুনের ভিতর থেকে ১০টি ককটেল ও ২টি ব্যানার উদ্ধার করা হয়। পরে ঢাকা থেকে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট এসে ককটেলগুলো নিষ্ক্রিয় করে।
অপরদিকে স্থানীয়দের দাবী শনিবার রাত আনুমানিক দেড়টা থেকে পৌনে দুইটার দিকে একটি প্রাইভেট কার যোগে স্থানীয় শাহজালাল নামের এক ব্যাক্তি পরিকল্পিত ভাবে ককটেলগুলো ছাত্রলীগ নেতার বাড়িতে ককটেলগুলো রেখে যায়। এর পনের মিনিট পরেই পুলিশ এসে বাড়টি ঘিরে ফেলে এবং ককটেলগুলো উদ্ধার করে।
এ বিষয়ে টঙ্গী পশ্চিম থানার অফিসার ইনচার্জ আরিফুর রহমান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ছাত্রলীগ নেতার বাড়ির সামনে থেকে পরিত্যাক্ত অবস্থায় একটি বিস্কুটের কার্টুন থেকে দশটি তাজা ককটেল ও দুইটি ব্যানার উদ্ধার করা হয়। পরে ঢাকার বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে ককটেলগুলো নিষ্ক্রিয় করে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কর্তৃক ১১ জন নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শককে দেশের বিভিন্ন রেঞ্জ ও ইউনিটে বদলি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স থেকে অ্যাডিশনাল আইজিপি (অ্যাডমিন) এ কে এম আওলাদ হোসেনের স্বাক্ষরিত একটি প্রজ্ঞাপনে এই বদলির নির্দেশনা প্রকাশিত হয়।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয় যে, নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শকদের মধ্যে মো. মহিদুল ইসলামকে সিলেট রেঞ্জে (সিলেট রেঞ্জ অফিসে সংযুক্তি বহালসহ) এবং সিরাজুল ইসলাম খানকে চট্টগ্রাম রেঞ্জে বদলি করা হয়েছে। এছাড়া, নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক তোফায়েল আহমেদকে রংপুর রেঞ্জে, মো. মেহেদী হাসানকে এপিবিএনে, মো. হাফিজুর রহমানকে রংপুর রেঞ্জে এবং ঠাকুর দাস মালোকে নৌ-পুলিশে বদলি করা হয়েছে।
এছাড়া, নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক এস কে খোদা নেওয়াজকে ট্যুরিস্ট পুলিশে, মো. ইয়ামিন কবীরকে চট্টগ্রাম রেঞ্জে, মো. আলমগীর সিদ্দিককে বরিশাল রেঞ্জে, মো. নজরুল ইসলামকে এপিবিএনে এবং মো. নূর আলমকে খুলনা রেঞ্জে বদলি করা হয়েছে।
বর্ণিত নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শকদের বদলির আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আগামী ৭ অক্টোবরের মধ্যে তাদের বর্তমান কর্মস্থল থেকে ছাড়পত্র গ্রহণ করে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে। অন্যথায়, ৮ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখ থেকে তারা অবমুক্ত বা স্ট্যান্ড রিলিজ (Stand Release) হিসেবে গণ্য হবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের ১০১ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। নতুন কমিটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সরকারের ভূমি ও পাবর্ত্য বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মো. হেলাল উদ্দীন। মহাসচিবের পদে নির্বাচিত হয়েছেন নগর বিএনপির দপ্তর সম্পাদক শওকত আজম খাজা।
শনিবার (৩ অক্টোবর) বিকেলে ক্লাবটির পক্ষ থেকে নতুন কমিটি গঠনের বিষয়টি জানানো হয়। সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন সৈয়দ সাহাব উদ্দীন শামীম, এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন মোশাররফ হোসেন দিপ্তি। অতিরিক্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আহমেদ উল আলম রাসেল।
সহ-সভাপতি পদে ১৫ জনকে মনোনীত করা হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন হাজী ইদ্রিছ মিয়া, মো. আবদুল মালেক, নিয়াজ মোহাম্মদ খান, লায়ন মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, জহির আহমদ চৌধুরী, ইসমাইল হোসেন বালি, আলী আব্বাস, দিদারুল আলম লাবু, মাহফুজুর রহমান, আমিনুল ইসলাম, জহুরুল ইসলাম আলমগীর, মোহাম্মদ শাহ আলম, হাবিবুর রহমান, আলমগীর পারভেজ ও আছিফ চৌধুরী।
যুগ্ম সম্পাদকের পদে সাতজনকে রাখা হয়েছে। তারা হলেন ইকবাল হোসেন, সাহেদ আকবর, মোহাম্মদ আবু বকর ছিদ্দিক, এনামুল হক রাজু, শরিফুল ইসলাম তুহিন, ইশতিয়াক আলম চৌধুরী ও রাজিব চৌধুরী।
ফজলুল হক সুমনকে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব পেয়েছেন ইয়াসির আরাফাত চৌধুরী। মহিলা বিষয়ক সম্পাদক করা হয়েছে দেওয়ান মাহমুদ লিটাকে এবং আইন সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন অ্যাডভোকেট ওমর চৌধুরী। বিভিন্ন সম্পাদকীয় ও সহ-সম্পাদকীয় পদের পাশাপাশি ৫৪ জনকে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার নওয়াপাড়া ইউনিয়নের আস্কারপুর গ্রামে শেখ এবাদুল ইসলাম নামে এক ভুঁইফোড় ও ভুয়া চিকিৎসকের সন্ধান মিলেছে। চিকিৎসাসেবার নামে সাধারণ ও অপ্রাপ্তবয়স্ক রোগীদের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলার এক ভয়াবহ অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। অনুসন্ধানে জানা যায়, গত ১ অক্টোবর ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) সরেজমিনে ওই তথাকথিত চিকিৎসকের আস্তানায় গিয়ে দেখা যায় এক আশঙ্কাজনক চিত্র। চেম্বারের বাইরে গাদাগাদি করে অপেক্ষা করছেন প্রায় ৫০ জন রোগী, যাদের অধিকাংশই অবুঝ শিশু এবং নারী। ডাক্তারের চটকদার প্রচারণায় বিভ্রান্ত হয়ে দূর-দূরান্ত থেকে তারা এসেছেন চিকিৎসা নিতে। সেখানে চিকিৎসা নিতে আসা সবিতা রাণী নামের এক ভুক্তভোগী নারী আক্ষেপ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমি কিছু জটিল ও গোপনীয় রোগের চিকিৎসার জন্য এই ডাক্তারের কাছে আসছি। কিন্তু দিনের পর দিন টাকা ঢাললেও কোনো সুফল পাচ্ছি না, বরং শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটছে। স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায় এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সচেতন নাগরিক জানান, নিজের নামের আগে ডাক্তার পদবি এবং প্যাডে বড় বড় ডিগ্রি ব্যবহার করলেও শেখ এবাদুল ইসলাম মূলত নিম্নমাধ্যমিকের গণ্ডিও পার হতে পারেননি। নূন্যতম প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছাড়া কীভাবে একজন ব্যক্তি মানুষের জীবন-মরণ নিয়ে এমন ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন, তা নিয়ে এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মা ও শিশু কিংবা স্ত্রীরোগ সংক্রান্ত চিকিৎসাসেবা প্রদান করতে হলে একজন চিকিৎসককে এমবিবিএস ডিগ্রির পর অবস্টেট্রিক্স অ্যান্ড গাইনোকলজি (প্রসূতিবিদ্যা ও স্ত্রীরোগবিদ্যা) বিষয়ে দীর্ঘমেয়াদী উচ্চতর প্রশিক্ষণ ও অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হয়। কিন্তু ভুয়া ডাক্তার এবাদুল সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে নিজেকে মহাখালী ঢাকা-ভিত্তিক আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন প্রতিষ্ঠান আই,সি,ডি,ডি,আর,বি (ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ডায়রিয়াল ডিজিজি রিচার্জ, বাংলাদেশ) থেকে ডিগ্রিপ্রাপ্ত বলে দাবি করছেন। অনুসন্ধানে জানা গেছে, তার এই দাবিকৃত ডিগ্রিও সম্পূর্ণ ভুয়া ও বানোয়াট। আই,সি,ডি,ডি,আর,বি-এর মতো নামকরা প্রতিষ্ঠানের নাম ভাঙিয়ে এবং ভুয়া পরিচয়ে প্রেসক্রিপশন দিয়ে তিনি প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। এতে একদিকে যেমন রোগীরা সঠিক চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হয়ে অঙ্গহানি বা অকালমৃত্যুর ঝুঁকির মুখে পড়ছেন, অন্যদিকে চিকিৎসকদের পবিত্র পেশাকে চরমভাবে কলঙ্কিত করা হচ্ছে।
বিষয়টি নিয়ে কথিত ডা. শেখ এবাদুল ইসলামের ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বারে একাধিকবার কল দিলে নাম্বার টা বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে দেবহাটা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা কঠোর প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (BMDC) সনদ ব্যতীত নিজেকে ডাক্তার দাবি করা এবং প্রেসক্রিপশন দেওয়া সম্পূর্ণ বেআইনি ও দণ্ডনীয় অপরাধ। নিম্নমাধ্যমিক পাস কোনো ব্যক্তির পক্ষে চিকিৎসা দেওয়া মানে মানুষের জীবনকে সরাসরি মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া। আই,সি,ডি,ডি,আর,বি-এর ভুয়া ডিগ্রি ব্যবহার করে রোগীদের প্রতারিত করার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুতর। এ ধরনের ভুঁইফোড় ও ভুয়া চিকিৎসকের বিরুদ্ধে আমরা বিন্দুমাত্র ছাড় দেব না। খুব শীঘ্রই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ওই ভুয়া ডাক্তারের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং তার চেম্বার সিলগালা করা হবে।
অন্যদিকে, সাধারণ মানুষ যখন এই ভুয়া ডাক্তারের শাস্তি দাবি করছেন, ঠিক তখন সাতক্ষীরা জেলা সিভিল সার্জন ডা. আব্দুস সালাম উক্ত ভুয়া ডাক্তার শেখ এবাদুল ইসলামের পক্ষে সাফাই গেয়ে এক বিতর্কিত বক্তব্য দিয়েছেন।
তিনি শেখ এবাদুল ইসলামের পক্ষাবলম্বন করে বলেন, প্রাথমিক অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা দেখুক বিষয়টা। তারপর না হয় আমি ব্যবস্থা নিব।
জেলা স্বাস্থ্য প্রশাসনের সর্বোচ্চ কর্তা ব্যক্তি হয়েও সিভিল সার্জন কীভাবে একজন ভুয়া ও নিম্নমাধ্যমিক পাস ব্যক্তির পক্ষে এমন প্রকাশ্য ও বিতর্কিত বক্তব্য দিতে পারেন, তা নিয়ে সচেতন মহলে তীব্র সমালোচনা ও চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। প্রশাসনের ওপরের মহলের এমন পক্ষপাতমূলক আচরণের কারণেই এসব ভুঁইফোড় চিকিৎসকরা পার পেয়ে যাচ্ছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
আই,সি,ডি,ডি,আর,বি-এর মতো প্রতিষ্ঠানের নাম ভাঙিয়ে এবং ভুয়া পরিচয়ে রোগীদের কাছ থেকে প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়া এই ভুয়া ডাক্তারের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি দীর্ঘ প্রায় নয় মাস অভিনয় থেকে দূরে ছিলেন। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। মস্তিষ্কের টিউমারে আক্রান্ত হয়ে ফেব্রুয়ারিতেই একটি অস্ত্রোপচার করা হয় তানিয়ার। পরবর্তী চিকিৎসার জন্য ৯ মার্চ তিনি ভারতের চেন্নাইয়ে যান। সেখানে অভিনেত্রীর আরও একটি অস্ত্রোপচার হয়। চিকিৎসা শেষে এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে দেশে ফিরে আসেন তানিয়া। এরপর থেকে বিশ্রামে এবং চিকিৎসায় রয়েছেন তিনি।
তবে শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হওয়ায় অভিনয়ে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন এই অভিনেত্রী। শনিবার (৩ অক্টোবর) বিকেলে এক ফেসবুক লাইভে নিজের শারীরিক অবস্থার বিষয়ে কথা বলেন তানিয়া বৃষ্টি।
তিনি জানান, আগের তুলনায় এখন অনেকটাই ভালো আছেন। একই সঙ্গে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার কথাও জানান অভিনেত্রী। লাইভে এক দর্শকের প্রশ্নের জবাবে তানিয়া বৃষ্টি বলেন, “এখন আমার কেমো থেরাপি চলছে। ছয় মাসের মধ্যে তিন মাস শেষ হলো, চতুর্থ মাসের কেমো চলছে। আরও দুই মাস এটা চলার পর কিছু টেস্ট করা হবে। সেটার পর ডাক্তার জানাবে, পরবর্তী চিকিৎসা কী হবে।”
অসুস্থতার কারণে দীর্ঘদিন শুটিং থেকে দূরে থাকলেও এখন আবার কাজে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন তানিয়া। তার কথায়, “আমার ইচ্ছা আছে। এই মাস থেকেই শুটিং শুরু করতে চাই। কথাবার্তা চলছে। শুটিং শুরু করলে অবশ্যই জানাব।”
তানিয়া আরো বলেন, “আমি আসলে নয় মাসের মতো শুটিং করিনি, কারণ আমি অসুস্থ ছিলাম। এখনো আছি, তবে তখন একটু বেশি খারাপ ছিলাম। এখন অনেকটা ভালো আছি। এটা চিন্তাভাবনা করে এখন করছি।”
ভক্তদের ভালোবাসা ও সমর্থনের কথাও বিশেষভাবে উল্লেখ করেন তানিয়া। তিনি বলেন, “যারা আমাকে ভালোবাসেন, আমাকে সাপোর্ট দেন, আমার জন্য অপেক্ষা করেন, তাদের যেটা চাওয়া আমি সেটা করতে চাই। যদি এত মানুষ চান আমি করি, তাহলে আমি অবশ্যই করব।”
লাইভের শেষ দিকে দীর্ঘ সময় পাশে থাকার জন্য দর্শকদের ধন্যবাদ জানান তানিয়া বৃষ্টি। অসুস্থতার সময় যারা তাঁর জন্য দোয়া করেছেন, খোঁজ নিয়েছেন এবং অভিনয়ে ফেরার অপেক্ষায় ছিলেন, তাদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।
এদিকে অভিনয়ে ফেরার অপেক্ষায় থাকা তানিয়ার হাতে রয়েছে ‘ট্রাইব্যুনাল’ নামের একটি সিনেমার কাজ। রায়হান খান নির্মিত এই ছবিতে আরও অভিনয় করছেন তারিক আনাম খান, সাবেরী আলম, মৌসুমী হামিদ, সায়রা আক্তার জাহান, আদর আজাদ, শাহেদ আলী, মিলন ভট্টাচার্য, অশোক ব্যাপারী, রাকিব হোসেন ইভন ও উপমা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ