ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ঝিনাইদহে ট্রাক্টরের চাকায় পিষ্ট হয়ে ৪ বছরের শিশুর প্রাণ গেল


ঝিনাইদহে ট্রাক্টরের চাকায় পিষ্ট হয়ে ৪ বছরের শিশুর প্রাণ গেল

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার মধুহাটী ইউনিয়নে একটি মাটিবাহী ট্রাক্টরের নিচে চাপা পড়ে মৃত্যু ঘটেছে চার বছর বয়সী একটি শিশুর, যার নাম জাকিয়া। শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সদরের মধুহাটী ইউনিয়নের কামতা পূর্বপাড়া গ্রামে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত শিশুটি কামতা গ্রামের জাফিরুল ইসলামের কন্যা।

শিশুটির ফুপা সাবদার হোসেন জানিয়েছেন, কামতা পূর্বপাড়া এলাকায় মাঠের পাশে অন্য শিশুদের সঙ্গে খেলা করছিল জাকিয়া। এ সময় একটি ট্রাক্টর ঘটনাস্থলে পৌঁছালে শিশুটি হঠাৎ করে রাস্তা পার হওয়ার চেষ্টা করে। মুহূর্তের মধ্যে ট্রাক্টরটি তাকে পিষে দেয় এবং চাকার নিচে পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু ঘটে।

মধুহাটী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, শিশুটি রাস্তার পাশে খেলা করছিল। ট্রাক্টরের হর্ণ শুনে রাস্তা পার হতে গিয়ে সে ট্রাক্টরের নিচে চাপা পড়ে। রক্তাক্ত অবস্থায় ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। ঘটনার পরপরই ট্রাক্টর চালক কামতা গ্রামের নজরুলের ছেলে মাসুদ এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়।

আরও পড়ুন: তাহিরপুরে প্রবাসীর স্ত্রী ও পাঁচ লাখ টাকা নিয়ে উধাও নাজমুল, পরিবার উদ্বিগ্ন

ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদ-উজ-জামান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে শিশুটির লাশ উদ্ধার করে। লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর থেকে পলাতক চালক মাসুদকে গ্রেপ্তার ও ট্রাক্টরটি জব্দের জন্য পুলিশ এলাকায় অবস্থান করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্যালন ডি’অরের সেরা কোচের নাম ফাঁস, দৌড়ে লুইস দে লা ফুয়েন্তে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৮ পি.এম


ব্যালন ডি’অরের সেরা কোচের নাম ফাঁস, দৌড়ে লুইস দে লা ফুয়েন্তে

স্পেনের কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে ব্যালন ডি’অরের সেরা পুরুষ কোচের পুরস্কার জয়ের দৌড়ে উল্লেখযোগ্য ব্যবধানে এগিয়ে আছেন। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মুন্দো দেপোর্তিভোর তথ্য অনুযায়ী, তিনি প্যারিস সেন্ট জার্মেইর (পিএসজি) কোচ লুইস এনরিকেকে পিছনে ফেলে পুরস্কার জয়ের পথে রয়েছেন।

সেরা পুরুষ কোচের পুরস্কারের জন্য মনোনীত পাঁচজনের মধ্যে দে লা ফুয়েন্তে ও এনরিকের সঙ্গে আছেন আর্সেনালের মিকেল আর্তেতা, অ্যাস্টন ভিলার উনাই এমেরি এবং বায়ার্ন মিউনিখের ভিনসেন্ট কোম্পানি।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার (২৬ অক্টোবর) লন্ডনে একটি জমকালো অনুষ্ঠানে বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে। সেখানে স্পেনের কোচ দে লা ফুয়েন্তের উপস্থিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তার সঙ্গে রয়্যাল স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি রাফায়েল লুজানসহ অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তাদের উপস্থিতি আশা করা হচ্ছে।

দে লা ফুয়েন্তের পক্ষে সবচেয়ে বড় যুক্তি হলো স্পেনের সাম্প্রতিক সাফল্য। গত ১৯ জুলাই বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে পরাজিত করে ১২ বছর পর শিরোপা জিতেছে স্পেন। পুরো টুর্নামেন্টে মাত্র একটি গোল হজম করে তারা অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।

অন্যদিকে, লুইস এনরিকের কৃতিত্ব হলো পিএসজিকে টানা দুটি চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতানো। ক্লাব ফুটবলে তার সাফল্যও তাকে এই পুরস্কারের অন্যতম দাবিদার করে তুলেছে। তবে মুন্দো দেপোর্তিভোর দাবি, এবারের দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন দে লা ফুয়েন্তে।

স্পেনের এই কোচের অধীনে দলটি আন্তর্জাতিক ফুটবলে ধারাবাহিক সাফল্য অর্জন করেছে। তবে শেষ পর্যন্ত ব্যালন ডি’অরের সেরা পুরুষ কোচের পুরস্কার কার হাতে উঠবে, তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণার জন্য।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আইএমএফ’র তথ্যে উন্মোচিত মোদি-অমিত শাহের ভোটার তালিকা ভণ্ডামি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৮ পি.এম


আইএমএফ’র তথ্যে উন্মোচিত মোদি-অমিত শাহের ভোটার তালিকা ভণ্ডামি

ভারতের নির্বাচন ব্যবস্থাকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে কোটি কোটি বৈধ নাগরিকের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার ভয়ঙ্কর চক্রান্তে লিপ্ত রয়েছে ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। অবৈধ ‘বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী’ তাড়ানোর বিভেদকামী স্লোগান তুলে পুরো দেশকে এক চরম নৈরাজ্যের দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। हाल ही में প্রকাশিত আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) অর্থনৈতিক তথ্য এবং ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বাস্তবতা উগ্র হিন্দুত্ববাদী দল বিজেপির এই ‘বড় মিথ্যা’ ও ফাঁকা প্রপাগান্ডার থলের বিড়াল সম্পূর্ণ উন্মোচন করেছে।

ভারতীয় বিশ্লেষণাত্মক সংবাদমাধ্যম স্ক্রল ডট ইন-এ প্রকাশিত একটি নিবন্ধে দেখা যায়, বিজেপির এই সাজানো নাটক কেবল তাদের রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধি এবং ভারতের মুসলিম নাগরিকদের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার একটি সুদূরপ্রসারী নীলক নকশা ছাড়া আর কিছুই নয়।

ভারতের ভোটার তালিকা পর্যালোচনার নামে গৃহীত তথাকথিত ‘স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন’ (এসআইআর) বা বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে এখন পুরো ভারতজুড়ে আগুন জ্বলছে। গত সপ্তাহে রাজধানী দিল্লি উত্তাল হয়ে ওঠে রাজপথের অভূতপূর্ব গণবিক্ষোভে। বিজেপি সরকার এই আন্দোলন দমনে পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীকে লেলিয়ে দিয়ে দিল্লির বড় অংশকে কার্যত অবরুদ্ধ সামরিক জোনে পরিণত করেছে। হাজার হাজার প্রতিবাদকারী নাগরিক এবং বহু সাংবাদিককে গ্রেপ্তার ও আটক করা হয়েছে।

কিন্তু কেন এই চণ্ডনীতি? কারণ, এই এসআইআর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভোটার তালিকার খসড়া থেকে এক ধাক্কায় কল্পনাতীত ১৩ কোটি ভোটারের নাম ছেঁটে ফেলা হয়েছে! পরিসংখ্যান ও তথ্য বিশ্লেষণ করে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে, এই বিশাল বাদ পড়া গোষ্ঠীর বড় অংশই ভারতের সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়, যারা প্রচলিতভাবে বিজেপির হিন্দুত্ববাদী ও সাম্প্রদায়িক রাজনীতির কঠোর বিরোধী। এমনকি পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির ঐতিহাসিক রাজনৈতিক সুবিধার পেছনেও এই বিতর্কিত এসআইআর প্রক্রিয়ার হাত রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এই নজিরবিহীন ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের পক্ষে সাফাই গাইতে গিয়ে মোদী সরকারের অন্যতম মূল কারিগর ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ রাজপথে আন্দোলনের মুখেই দাবি করেন—কংগ্রেসসহ বিরোধী দলগুলো নাকি অবৈধ ‘ঘুসপেটিয়া’ বা অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করার জন্য এসআইআরের বিরোধিতা করছে!

তবে আসল সত্য হলো, কতজন তথাকথিত ‘বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী’ শনাক্ত করা গেছে—তার বিন্দুমাত্র হিসাব বা পরিসংখ্যান খোদ ভারতের নির্বাচন কমিশনের কাছেই নেই! কতজন অবৈধ নাগরিক ভোটার তালিকায় ঢুকেছিল, সেটির কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য ছাড়াই ১৩ কোটি মানুষের নাম কেটে দেওয়া হলো। পক্ষান্তরে, হাজার হাজার এমন নজির সামনে আসছে, যেখানে শতবর্ষ ধরে ভারতে বসবাসকারী খাঁটি ও বৈধ ভারতীয়দের নাম তালিকা থেকে রাতারাতি হাওয়া হয়ে গেছে।

আইএমএফ’র তথ্যে উন্মোচিত বিজেপির ভণ্ডামি

বিজেপি ও তার অনুসারীরা ভারতের জনমনে আতঙ্ক তৈরি করতে চায় যে, বাংলাদেশ থেকে লাখ লাখ দরিদ্র মানুষ ভারতে উপচে পড়ছে। অথচ আইএমএফের সর্বশেষ অর্থনৈতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপি ভারতের চেয়েও বেশি!

বিষয়টি উল্লেখ করে নিবন্ধে বলা হয়, বিশ্বের কোথাও নিজেদের সমান বা ভালো অর্থনীতির প্রতিবেশী দেশ থেকে গণ-অভিবাসন বা কাজের খোঁজে পালিয়ে আসার নজির দেখা যায় না। কিন্তু মোদী-অমিত শাহদের ভারতে প্রপাগান্ডার ওপর ভর করে এমন এক কাল্পনিক ও হাস্যকর গল্প সাজানো হচ্ছে, যা অর্থনৈতিক বাস্তবতার সম্পূর্ণ বিপরীত।

এর আগেও ২০১৯ সালে একই ধরনের ঘৃণ্য রাজনীতি করা হয়েছিল আসামের ‘ন্যাশনাল রেজিস্টার অব সিটিজেনস’ (এনআরসি) প্রক্রিয়ায়। আসাম ভারতের অন্যতম দরিদ্র একটি রাজ্য, যার অর্থনৈতিক অবস্থা বাংলাদেশের অনেক নিচে। বর্তমানে বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপি আসামের চেয়ে প্রায় ১.৫ গুণ বেশি! সত্যটা এমন হওয়া সত্ত্বেও বিজেপি নেতারা গুজব রটিয়েছিলেন যে, প্রায় ৬০ লাখ বাংলাদেশি আসামে গিজগিজ করছে। কিন্তু বছরের পর বছর সাধারণ মানুষের জীবন নরক বানিয়ে এনআরসির চূড়ান্ত তালিকায় দেখা গেল, বাদ পড়েছে মাত্র ১৯ লাখ মানুষ—যার একটা বড় অংশই আবার হিন্দু সম্প্রদায়ের লোক! অর্থাৎ, অর্থনৈতিক কাজের খোঁজে বাংলাদেশ থেকে আসামে বিশাল গণ-অভিবাসনের যে দাবি তোলা হয়েছিল, তা ছিল এক নির্মম ও সাজানো মিথ্যা।

আইনি নজির শূন্য, উদ্দেশ্য কেবলই ভোটাধিকার হরণ

বিজেপির এই বাংলাদেশবিরোধী কার্ড যে একটি ভোঁতা অস্ত্র, তার বড় প্রমাণ হলো আইনি বাস্তবতা। ভারতে অবৈধ সীমান্ত অতিক্রম করা একটি গুরুতর অপরাধ। যদি কোটি কোটি অবৈধ বাংলাদেশি সত্যিই ভারতে বাস করত, তবে বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলোতে লাখ লাখ অবৈধ নাগরিকের বিরুদ্ধে মামলা ও বিচার হচ্ছে না কেন? আদালত ও আইনি ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রকৃত কতজন বাংলাদেশি ধরা পড়েছে? পরিসংখ্যান বলছে, সেই সংখ্যাটি প্রায় শূন্যের কোঠায়!

অতএব, বিষাক্ত এই রাজনীতির আসল হিসাব বুঝতে খুব বেশি দূর যাওয়ার প্রয়োজন নেই। ‘বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী’ তাড়ানোর নামে বিজেপি মূলত তাদের নিজস্ব ধর্মীয় বিভাজনের রাজনীতি ও নির্বাচনী বৈষম্য চরিতার্থ করছে। লক্ষ্য একটাই—ভারতের মূলধারার মুসলিম নাগরিকদের ভোটার তালিকা থেকে মুছে ফেলা, যাতে বিরোধী দলগুলো নিশ্চিত ভোটব্যাংক হারায় এবং অন্যায্য উপায়ে নির্বাচনে জয়লাভের পথ সুগম হয়।

আইএমএফের অর্থনৈতিক তথ্য এবং বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে বিজেপির এই ‘বাংলাদেশি’ জিকির ও এসআইআর নাটক এখন সম্পূর্ণ মিথ্যা প্রমাণিত। তবে প্রপাগান্ডা কাল্পনিক হলেও, এর নির্মম শিকার হচ্ছেন ভারতের কোটি কোটি সাধারণ নাগরিক, যাদের মাথার ওপর থেকে কেড়ে নেওয়া হচ্ছে তাদের গণতান্ত্রিক মৌলিক অধিকার—‘ভোটাধিকার’।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাস-ট্রাক সংঘর্ষে ২ নিহত, ১৫ আহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৯ পি.এম


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাস-ট্রাক সংঘর্ষে ২ নিহত, ১৫ আহত

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে যাত্রীবাহী বাস এবং ট্রাকের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষের ফলে দুই বাসযাত্রী প্রাণ হারিয়েছেন। আজ শনিবার সকালে উপজেলার বেড়তলা এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতদের মধ্যে রয়েছেন দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার কাজীপাড়ার আবু বক্করের ছেলে সৌরভ (৩২) এবং রংপুর জেলা সদরের হরকলি চৌরাপাড়ার মুমিনুল ইসলামের ছেলে আসিফ (১৮)।

এ দুর্ঘটনায় বাসের অন্তত ১৫ যাত্রী আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে তিনজনকে গুরুতর অবস্থায় ঢাকায় চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। অন্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

খাঁটিহাতা হাইওয়ে অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল হালিম দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, রংপুর থেকে সিলেটগামী একটি বাস বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বালুভর্তি ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এই সংঘর্ষের ফলে বাসটি সড়কে উল্টে যায়। পরে পুলিশ এবং স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে পাঠান। এই ঘটনায় আসিফ ও সৌরভ নামে দুজনের মৃত্যু ঘটে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নওগাঁয় তিনজন প্রসিদ্ধ ছিনতাইকারীকে গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৯ পি.এম


নওগাঁয় তিনজন প্রসিদ্ধ ছিনতাইকারীকে গ্রেফতার

নওগাঁর সদর উপজেলায় এক মিস্ত্রিকে ভয়ভীতি দেখিয়ে মোটরসাইকেল ও মোবাইল ফোন ছিনতাইয়ের ঘটনায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তিনজন প্রসিদ্ধ ছিনতাইকারীকে গ্রেফতার করেছে। একই সাথে ছিনতাই হওয়া মোটরসাইকেল ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন, সদর উপজেলার জগৎ সিংহপুর গ্রামের মৃত-খলিলুর রহমানের ছেলে ইমাম হাসান বুলেট (৪৪), রাণীনগর উপজেলার চককুতুব গ্রামের সামছুর রহমানের ছেলে ফারুক শেখ ওরফে ওমর আলী (২২) এবং জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার হাস্তা বসন্তপুর গ্রামের মৃত-মনতাছার রহমানের ছেলে আশিকুর রহমান ছানি (৩৯)। পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের নির্দেশনায় ডিবি পুলিশের একটি চৌকস দল ঘটনার তিন দিনের মধ্যে শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সদর উপজেলার হাপানিয়া বাজার থেকে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম জানান, ১৭ অক্টোবর রাতে কাজ শেষে মোটরসাইকেল নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন গ্রীল মিস্ত্রি হানিফ। ওই রাত আনুমানিক সোয়া আটটার দিকে রাণীনগর উপজেলা সংলগ্ন সদর উপজেলার চুনিয়াগাড়ি গ্রামের শিহাব হোসেনের জমির পাশের সড়কের নির্জন স্থানে পৌঁছালে অজ্ঞাত পরিচয় তিন ব্যক্তি তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে মোটরসাইকেল ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। ঘটনাটি জানার পর তিনি জেলা গোয়েন্দা পুলিশকে দ্রুত জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত এবং ছিনতাই হওয়া মালামাল উদ্ধার করার নির্দেশ দেন। পরে ডিবির একটি দল ঘটনার বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে তদন্ত শুরু করে। একপর্যায়ে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে নওগাঁ ও জয়পুরহাটের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এরই ধারাবাহিকতায় নওগাঁ সদর উপজেলার হাপানিয়া বাজার থেকে ওই তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের হেফাজত থেকে ছিনতাই হওয়া মোটরসাইকেল ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম আরও জানান, গ্রেফতারকৃত ইমাম হাসান বুলেটের বিরুদ্ধে চুরি, ডাকাতির প্রস্তুতি, মাদকদ্রব্য ও অস্ত্র আইনের মামলাসহ ছয়টি মামলা রয়েছে। অপর গ্রেফতারকৃত আশিকুর রহমান ছানির বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইনে একটি মামলা রয়েছে। অপরাধ দমন এবং জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নওগাঁ জেলা পুলিশ সর্বাত্মক তৎপর রয়েছে। অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত, গ্রেফতার এবং অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আলামত উদ্ধারে পুলিশের অভিযান এবং তৎপরতা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে। নওগাঁয় অপরাধ করে পার পাওয়ার কোন সুযোগ নেই বলেও তিনি হুশিয়ারী প্রদান করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%