ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

২০ শতাংশ অনেক বেশি, আমরা ন্যায্যটা নেব : ট্রাম্পের হরমুজ ফি নিয়ে ইরান


২০ শতাংশ অনেক বেশি, আমরা ন্যায্যটা নেব : ট্রাম্পের হরমুজ ফি নিয়ে ইরান

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন, যেসব জাহাজ হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল করবে, তাদের ওপর ২০ শতাংশ ফি বা মাশুল বসানো হবে। তবে এই ঘোষণা ইরানের পক্ষ থেকে তীব্র সমালোচনা পেয়েছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র নয়, বরং ইরান চিরকাল এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথের আসল পাহারাদার।

আব্বাস আরাগচি সামাজিক মাধ্যম এক্সে লেখেন, ট্রাম্পের কথায় সঠিক যে পাহারাদারকে পারিশ্রমিক দেওয়া উচিত। কিন্তু তিনি আরো যোগ করেন, ২০ শতাংশ ফি আসলে অনেক বেশি। তিনি স্পষ্টভাবে জানান যে, ইরান ন্যায্য ফি নেবে।

এর আগে ট্রাম্প এক পোস্টে বলেছেন, এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালির পাহারাদার এবং নিরাপত্তার জন্য সব জাহাজের পণ্যের ওপর ২০ শতাংশ ফি নেওয়া হবে। এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী ঘোষণা দিয়েছে যে, ১৪ জুলাই থেকে ইরানের বন্দরগুলোতে নৌ-অবরোধ পুনরায় শুরু হবে। সেন্টকম জানায়, ইরানের বন্দরে যাওয়া-আসা করা সমস্ত জাহাজকে তারা আটকে দেবে।

আরও পড়ুন: ভেনেজুয়েলাকে যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম অঙ্গরাজ্য করার সম্ভাবনার ইঙ্গিত ট্রাম্পের

আগে একটি সাময়িক চুক্তির কারণে এই অবরোধ তুলে নেওয়া হয়েছিল, কিন্তু বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা আবারও শুরু হয়েছে। ইরান দাবি করেছে, চুক্তি অনুযায়ী হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতে রয়েছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের দাবি হলো, আন্তর্জাতিক নিয়মে এই পথ সবার জন্য উন্মুক্ত। তবে ট্রাম্পের উক্তি ছিল, ওই চুক্তির মেয়াদ এখন শেষ হয়ে গেছে।

এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের পাঁচ ভাগের এক ভাগ তেল যায়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের শীর্ষ নেতা আলি খামেনি নিহত হন। এরপর থেকেই এই জলপথ নিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত বেড়ে চলেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জ্যান্ত মাছ সরবরাহে শীর্ষে রাজশাহী, প্রতিদিন বিক্রি ২০ কোটি টাকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৫৭ এম


জ্যান্ত মাছ সরবরাহে শীর্ষে রাজশাহী, প্রতিদিন বিক্রি ২০ কোটি টাকা

দেশের শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে রাজশাহী জেলা, যেখানে জ্যান্ত মাছ সরবরাহ করা হচ্ছে। প্রতিদিন নিয়মিত দুই শতাধিক ট্রাকে জ্যান্ত মাছ ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হচ্ছে। এতে এ অঞ্চলের মাছ চাষিরা শুধু উৎসাহিত হচ্ছেন না, লাভবানও হচ্ছেন। ক্রেতারাও বাজারে ফরমালিনমুক্ত তাজা মাছ পাচ্ছেন। রাজশাহী বিভাগীয় মৎস্য অফিসের সূত্রে জানা গেছে, জ্যান্ত মাছ ঢাকাসহ বিভিন্ন বাজারে পাঠানোর কৌশলটি দেশে প্রথম আবিষ্কার করেন রাজশাহীর চাষিরা। বর্তমানে রাজশাহীর পবা, দুর্গাপুর, পুঠিয়া, বাগমারা, মোহনপুর এবং নাটোরের গুরুদাসপুর, বড়াইগ্রাম ও সিংড়া উপজেলার চাষিরা এই মাছ ঢাকাসহ সারাদেশে পাঠাচ্ছেন। শুধু রাজশাহী জেলার চাষিরাই প্রতিদিন দুই শতাধিক ট্রাকে জ্যান্ত মাছ ঢাকায় পাঠান। রাজশাহী বিভাগে রুই-কাতলাসহ কার্পজাতীয় মাছ চাষে বিপ্লব ঘটেছে। আটটি জেলায় বছরে উৎপাদন হচ্ছে সাড়ে ৫ লাখ মেট্রিকটনের বেশি মাছ। লাভজনক হওয়ায় আগ্রহও বাড়ছে চাষিদের। রাজশাহী বিভাগের চাহিদা মিটিয়ে প্রতিদিন এই মাছ রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হচ্ছে, আর এতে বিক্রি হচ্ছে ২০ কোটি টাকারও বেশি মাছ। রাজশাহীতে গত কয়েক বছরে পুকুরের সংখ্যা বেড়েছে। লোকসান হওয়ায় বাধ্য হয়ে চাষিরা পুকুর খনন করে মাছ চাষে নামছেন। অন্য ফসলের তুলনায় মাছ চাষ তুলনামূলকভাবে বেশ লাভজনক হওয়ায় এ পেশায় ঝুঁকছেন অনেকে। রাজশাহী বিভাগীয় মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক সাইফুদ্দিন ইয়াহিয়া জানিয়েছেন, আগে শুধুমাত্র রাজশাহীতে মিশ্র প্রক্রিয়ায় মাছ চাষ হতো, এখন বিভাগে অন্যান্য জেলাতেও এই পদ্ধতি হচ্ছে। পুকুরে প্রধান মাছ যদি রুই হয়, তবে সিলভার কার্প, কাতলাসহ দেশি ছোট মাছও চাষ করা হচ্ছে। এর ফলে পুকুরে ভারসাম্য রক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে। রাজশাহী জেলা থেকে বড় মাছ ছাড়াও দেশি পাবদা, শিং, কই, মাগুর চাষ হচ্ছে। সেগুলো রাজশাহীর বাইরেও একটি বড় বাজার তৈরি করে ফেলেছে। এ ছাড়া পাবদা মাছ নিয়মিত ভারতে রফতানি হচ্ছে। সাইফুদ্দিন ইয়াহিয়া বলেন, এখানকার চাষিরা নিয়ম মেনে মাছ চাষ করেন এবং বছরে দেড় হাজারেরও বেশি মানুষকে মাছ চাষ বিষয়ক প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকেন। তারা নিয়মিত কৃষকের মাছ প্রদর্শনের মতো কর্মসূচি পালন করেন। রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয় জানিয়েছে, বিভাগের আটটি জেলায় মোট পুকুরের সংখ্যা ৪ লাখ ৪৯ হাজার ৬৫৩টি এবং মাছ চাষিতে সংখ্যা ১ লাখ ৬৫ হাজার ৭০৬টি। বছরে ৫ লাখ ৯৬ হাজার ৪৬৭ মেট্রিকটন মাছ উৎপাদন করা হচ্ছে এবং এর মধ্যে নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে দেড় লাখ মেট্রিকটন মাছ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাঠানো হচ্ছে। প্রায় ৩ লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির পাশাপাশি বিদেশেও রফতানি হচ্ছে। মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলেন, ২৪ বছর আগে রাজশাহী জেলা থেকে তাজা মাছ পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়। ঢাকা, চট্টগ্রাম, বরিশাল, সিলেট, ময়মনসিংহসহ অন্তত ২৫টি জেলায় প্রতিদিন তাজা মাছ পাঠানো হচ্ছে। এর ফলে রাজশাহীর বাইরের মানুষ ফরমালিনমুক্ত মাছ খেতে পারছেন। ফলে এ বিভাগের মাছের চাহিদা বাড়ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র আরও জানিয়েছে, প্রতিদিন বিকাল থেকে ভোররাতের মধ্যে প্রায় ৫০০ ট্রাকের বেশি তাজা মাছ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যায়, এবং প্রতি ট্রাকে কমপক্ষে ৭০০ থেকে ৮০০ কেজি মাছ থাকে। সেই হিসেবে প্রতিদিন ২০ কোটি টাকার বেশি এই তাজা মাছ বিক্রি হয়। রাজশাহী জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি মাছ চাষ হয় পবা উপজেলায়। পারিলা ইউনিয়নে ঢুকলেই চোখ পড়ে পুকুর আর পুকুর। সেখান থেকে মাছ ধরা হচ্ছে এবং কিছুটা দূরে গিয়ে তা রাস্তায় দাঁড়ানো পানি ভর্তি ছোট-বড় ট্রাকে তোলা হচ্ছে। এই পারিলা গ্রাম থেকেও প্রতিদিন ৫০ ট্রাকের মতো তাজা মাছ যায় ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলা শহরে। আর পুরো রাজশাহী থেকে ২০০ ট্রাকের বেশি তাজা মাছ পাঠানো হচ্ছে। পারিলা গ্রামের মোশারফ হোসেন ১৪ বছর ধরে ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় মাছ পাঠান। প্রায় ২২ বিঘা জমির ওপর তার পুকুর রয়েছে। তিনি জানান, এক সময় রাজশাহীতেই মাছ বিক্রি করতে হতো যেখানে দাম তেমন পাওয়া যেত না। পরে তারা ট্রাকে মাছ নিতে শুরু করেন ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায়। তখন ট্রাকে এক-দুজন লোক রাখতে করতে হতো এবং তারা সারা রাস্তা পানিতে পা দোলাতেন। কিন্তু এখন শ্যালো মেশিন দিয়ে পানি দেওয়া হয় যা সারা রাস্তায় চলে। এর ফলে মাছ পুকুরের মতো করে চলে যায় এক স্থান থেকে অন্য স্থানে। ফলস্বরূপ, দামও ভালো পাওয়া যাচ্ছে। ওই দিন তিনি ১ হাজার ২০০ কেজি মাছ নিয়ে গিয়েছিলেন ঢাকার নিউমার্কেটে, এবং সেদিন তিন লাখ টাকায় বিক্রি হয়েছিল ওই মাছ। রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার গোলাম সাকলাইন ১৯৯৪ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়নে অনার্স পড়াকালে নিজ এলাকায় মাত্র দুই বিঘা জমিতে মাছ চাষ শুরু করেন। ৭ হাজার টাকা পুঁজিতে শুরু করা চাষে প্রথমবারেই লাভ করেন ৬ হাজার টাকা। এরপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। বর্তমান সময়ে তিনি ১ হাজার বিঘা জমির পুকুর লিজ নিয়ে মাছ চাষ করছেন যা ১৫২ জনের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করেছে। তিনি বলেন, কৃষির সঙ্গে মাছচাষকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছি এবং মাছচাষ করবো বলে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ার সময়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তবে আমার পরিবারের সদস্যরা সে সময়ে কেউ এই পেশায় আসতে দিতে চাননি। সেই থেকেই শুরু করে আজ পর্যন্ত মাছ চাষ করে যাচ্ছি। বর্তমানে আমার পুকুরের আয়তন প্রায় ১ হাজার বিঘা। এখান থেকে প্রতিদিন ২০টির মতো ট্রাক রাজধানীতে মাছ নিয়ে যাচ্ছে। মিঠা পানির কার্পজাতীয় মাছ উৎপাদনে রাজশাহী বিভাগ দেশের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে এবং নাটোর ও নওগাঁয় মাছের উৎপাদন ও কেনাবেচা বেশি হয়। তবে এসব অঞ্চলের পুকুরগুলোতে রুই, কাতলা, মৃগেল, সিলভার কার্প, পাবদা, ট্যাংরা শিংসহ বিভিন্ন ধরনের মাছ চাষ করা হয়। এসব মাছ পুকুর থেকে তুলে বিশেষ সংরক্ষণের মাধ্যমে জীবিত অবস্থায় সরবরাহ করা হয় রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। দুর্গাপুর উপজেলার অন্য এক মৎস্যচাষি ইদ্রিস আলী জানান, এই উপজেলা থেকে ৫০ ট্রাকের বেশি মাছ ঢাকায় যায়। তবে বর্তমানে মাছের দাম কিছুটা কমেছে। খাদ্যের দাম যেভাবে বেড়েছে, মাছের দাম তেমন বাড়েনি। এতে লাভ কম হচ্ছে। এ ছাড়া ঢাকায় মাছ নিতে বাড়তি ট্রাকভাড়া গুনতে হচ্ছে তিন-চার হাজার টাকা। মৎস্য অধিদপ্তর থেকে আর্থিক কোনো সহযোগিতা পাওয়া যাচ্ছে না। তবে নানা রকম পরামর্শ ও সেমিনারের আয়োজন করা হয়, এবং এতে উপকৃত হওয়া যায়। রাজশাহী বিভাগীয় মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক সাইফুদ্দিন ইয়াহিয়া বলেন, রাজশাহী অঞ্চলের মাছ চাষে বিপুল পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। এখন খাঁচায় মাছ চাষও বেশ লাভজনক হয়েছে। নদীর অনেক দামি মাছও এখন পুকুরে চাষ হচ্ছে। এসবের মধ্যে রয়েছে পাবদা, গুলসা টেংড়া, চিতল, ফলি ইত্যাদি। প্লাবনভূমির শোল, শিং, মাগুর বাণিজ্যিকভাবে চাষ করেও লাভবান হচ্ছেন চাষিরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজশাহীতে ইয়াবাসহ মাদককারবারি গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:০১ এম


রাজশাহীতে ইয়াবাসহ মাদককারবারি গ্রেপ্তার

রাজশাহী মহানগরীর এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ ও বায়া বাজার পুলিশ ফাঁড়ির যৌথ চেকপোস্ট অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে, তার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৯৮৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট।

তথ্যটি নিশ্চিত করে সোমবার (১৩ জুলাই) বিকেলে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) উপপুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানান যে, গত রবিবার (১২ জুলাই) বিকেল আনুমানিক পৌনে ৬টার দিকে এয়ারপোর্ট থানার পশ্চিম বাঘাটা এলাকায় রাজশাহী-নওগাঁ মহাসড়কে পরিচালিত চেকপোস্ট পরিচালনার সময় একটি মোটরসাইকেলযোগে আগত দুই ব্যক্তিকে থেমে তল্লাশির সময় আজমাল ওরফে আজমল (৪৮)-এর কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় ৯৮৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট।

তল্লাশি অভিযান চলাকালীন মাদক পরিবহন ও সরবরাহের কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৭ বছর বয়সী মোটরসাইকেল আরোহী একটি কিশোরকেও গ্রেপ্তার করা হয়। আজমল রাজশাহী জেলার মোহনপুর থানাধীন তাহিরপুর (তাহেরপুর পাকুড়িয়া) গ্রামের মৃত বাদশার পুত্র।

ঘটনাস্থল থেকে মাদক পরিবহন ও সরবরাহের কাজে ব্যবহৃত ১টি মোটরসাইকেল ও ৩টি মোবাইল জব্দ করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃত আসামি এবং আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশু পরস্পরের যোগসাজশে দীর্ঘদিন ধরে মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় গোপনে ইয়াবা ট্যাবলেট বিক্রি করে আসছিল।

এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পর সোমবার দুপুরে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মান্দায় জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:০৫ এম


মান্দায় জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ

নওগাঁর মান্দায় সাম্প্রতিক দিনগুলির ভারী বর্ষণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে উপজেলা যুবদলের উদ্যোগে শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। আজ সোমবার (১৩ জুলাই) বিকেলে উপজেলার ভালাইন ইউনিয়নের মনোহরপুর, গাংতা এবং চুকিনগর এলাকায় এই খাবারগুলো বিতরণ করা হয়।

বিতরণ অনুষ্ঠানে উপজেলা যুবদলের সভাপতি আব্দুল জলিল, সাধারণ সম্পাদক ওবাইদুল হক, সিনিয়র সহ-সভাপতি আল মামুন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক হেলাল উদ্দিন হিল্লোল, ভালাইন ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মমতাজ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আনিছার রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম এবং ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি আফাজ উদ্দিনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা যুবদলের সভাপতি আব্দুল জলিল এ বিষয়ে বলেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. ইকরামুল বারী টিপুর নির্দেশনায় জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার প্রথম দফায় মোট ১০০ পরিবারের মধ্যে এসব খাবার বিতরণ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মান্দায় প্রভাব খাটিয়ে সরকারি সড়কের গাছ কাটার অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:১০ এম


মান্দায় প্রভাব খাটিয়ে সরকারি সড়কের গাছ কাটার অভিযোগ

নওগাঁর মান্দা উপজেলায় ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে বনবিভাগের কোনো রকম অনুমোদন ছাড়াই তিনটি সরকারি রাস্তার ২৩৭টি ইউক্যালিপটাস ও আম গাছ কেটে সাবাড় করার অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে। স্থানীয় এক মহিলাদল নেত্রীর বিরুদ্ধে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে অবৈধ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এসব সরকারি গাছ বিক্রি করে দেওয়ার একটি ঘটনা ঘটছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার প্রসাদপুর ইউনিয়নের দ্বারিয়াপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ থেকে মণ্ডলপাড়া, খাঁপাড়া ও প্রামানিকপাড়া রাস্তায় সামাজিক বনায়ন কর্মসূচির আওতায় ২০০৫ সালে ইউক্যালিপটাস ও আম গাছের চারা রোপণ করা হয়েছিল। হঠাৎ করেই গাছগুলো বিক্রির ব্যবস্থা শুরু করে ফ্যামিলি ওয়েল ফেয়ার অ্যাসোসিয়েন দ্বারিয়াপুর (এফডব্লিউএডি) নামের একটি বেসরকারি সংস্থা।

এফডব্লিউএডি নিজস্ব লোকজনের মাধ্যমে বিক্রির জন্য ১২০টি ইউক্যালিপটাস এবং ১১৭টি আম গাছ চিহ্নিত করে। তবে স্থানীয়দের দাবি অনুযায়ী, গাছের সংখ্যা ৪০০ এর বেশি হবে। গত ৬ জুলাই, গাছগুলো নিলাম দেওয়ার যাবতীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন ওই বেসরকারি সংস্থার চেয়ারম্যান কেএম লুৎফর রহমান এবং সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা দলের সহসভাপতি আসমা ইসলাম। সেই নিলাম ডাকে প্রসাদপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন মণ্ডলও ছিলেন। তবে বনবিভাগের অনুমোদন না থাকায় গাছ ব্যবসায়ীরা ডাকে অস্বীকৃতি জানালে ওই নিলাম কার্যক্রম ভেস্তে যায়।

এ অবস্থায় বিএনপি নেত্রী দলীয় প্রভাব খাটিয়ে আবারও নিলাম ডাকের আয়োজন করেন। গতকাল রোববার (১২ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে দ্বারিয়াপুর স্কুল সংলগ্ন মোড়ে নতুন করে নিলাম ডাক হয়েছে। নিলামে অংশ নেন বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা ২১ জন গাছ ব্যবসায়ী। ৯ লাখ ৭০ হাজার টাকায় গাছগুলো ডাক দিয়ে নেন দ্বারিয়াপুর গ্রামের বাসিন্দা গাছ ব্যবসায়ী আব্দুস সামাদ। নিলাম ডাক কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন উপজেলার প্রসাদপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন মণ্ডল, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেত্রী আসমা ইসলাম, এফডব্লিউএডির চেয়ারম্যান কেএম লুৎফর রহমান খান, প্রধান শিক্ষক সদেরুল ইসলামসহ গ্রামপুলিশ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা জানান, নিলাম ডাকের পরদিন সোমবার (১৩ জুলাই) ডাককারী আব্দুস সামাদ বেশকিছু শ্রমিক নিয়োগ করে গাছগুলো কাটা শুরু করেন। ইতোমধ্যে অন্তত ৫০টি গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। বনবিভাগের অনুমোদন ছাড়াই কীভাবে এভাবে গাছগুলো কাটা হচ্ছে এ নিয়ে স্থানীয়রা প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন।

উপজেলা মহিলাদলের সহ-সভাপতি এবং সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আসমা ইসলাম জানান, তারা দলীয় প্রভাব খাটিয়ে নয়, ইউনিয়ন পরিষদের সকল নীতিমালা মেনেই গাছগুলোর টেন্ডার প্রদান করেছেন। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসকে অবগত করা হয়েছে।

বেসরকারি সংস্থা এফডব্লিউএডির চেয়ারম্যান কেএম লুৎফর রহমান মন্তব্য করেন, মোবাইলফোনের মাধ্যমে এ নিয়ে কোনো তথ্য দেওয়া সম্ভব নয়। তথ্য নিতে হলে অফিসে আসতে হবে বলেই তিনি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। এ প্রসঙ্গে মান্দা উপজেলা বন কর্মকর্তা আহমেদ আলী মণ্ডল বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। আমার দপ্তরে এ ধরণের কোনো আবেদন করা হয়নি। তবে বনবিভাগের অনুমোদন ছাড়া সরকারি রাস্তার গাছ কেউ কেটে নিতে পারেন না।’

মান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আখতার জাহান সার্থী জানান, ওইসব রাস্তার গাছ টেন্ডার মাধ্যমে বিক্রির অনুমোদনের জন্য এ দপ্তরে কোনো আবেদন করা হয়নি। তবে, কয়েকদিন পূর্বে একটি অবগত কপি পাওয়া গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%