০২:৫২ এম
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন, যেসব জাহাজ হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল করবে, তাদের ওপর ২০ শতাংশ ফি বা মাশুল বসানো হবে। তবে এই ঘোষণা ইরানের পক্ষ থেকে তীব্র সমালোচনা পেয়েছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র নয়, বরং ইরান চিরকাল এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথের আসল পাহারাদার।
আব্বাস আরাগচি সামাজিক মাধ্যম এক্সে লেখেন, ট্রাম্পের কথায় সঠিক যে পাহারাদারকে পারিশ্রমিক দেওয়া উচিত। কিন্তু তিনি আরো যোগ করেন, ২০ শতাংশ ফি আসলে অনেক বেশি। তিনি স্পষ্টভাবে জানান যে, ইরান ন্যায্য ফি নেবে।
এর আগে ট্রাম্প এক পোস্টে বলেছেন, এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালির পাহারাদার এবং নিরাপত্তার জন্য সব জাহাজের পণ্যের ওপর ২০ শতাংশ ফি নেওয়া হবে। এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী ঘোষণা দিয়েছে যে, ১৪ জুলাই থেকে ইরানের বন্দরগুলোতে নৌ-অবরোধ পুনরায় শুরু হবে। সেন্টকম জানায়, ইরানের বন্দরে যাওয়া-আসা করা সমস্ত জাহাজকে তারা আটকে দেবে।
আরও পড়ুন: ভেনেজুয়েলাকে যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম অঙ্গরাজ্য করার সম্ভাবনার ইঙ্গিত ট্রাম্পের
আগে একটি সাময়িক চুক্তির কারণে এই অবরোধ তুলে নেওয়া হয়েছিল, কিন্তু বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা আবারও শুরু হয়েছে। ইরান দাবি করেছে, চুক্তি অনুযায়ী হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতে রয়েছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের দাবি হলো, আন্তর্জাতিক নিয়মে এই পথ সবার জন্য উন্মুক্ত। তবে ট্রাম্পের উক্তি ছিল, ওই চুক্তির মেয়াদ এখন শেষ হয়ে গেছে।
এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের পাঁচ ভাগের এক ভাগ তেল যায়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের শীর্ষ নেতা আলি খামেনি নিহত হন। এরপর থেকেই এই জলপথ নিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত বেড়ে চলেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন