ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নয়, যুদ্ধের মধ্যে তেলের দাম কমানোই যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান লক্ষ্য


ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নয়, যুদ্ধের মধ্যে তেলের দাম কমানোই যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান লক্ষ্য

ঢাকা, ১৪ আগস্ট, ২০২৬ : ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান অগ্রাধিকার এখন আর দেশটির পরমাণু কর্মসূচি নয়। বরং মার্কিন ভোক্তাদের জন্য পেট্রোলের দাম কমানোই এখন প্রধান লক্ষ্য। বৃহস্পতিবার মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এ কথা বলেছেন। একই সঙ্গে অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, তেহরানকে চাপে ফেলতে নতুন অর্থনৈতিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা শিগগিরই আসছে।

ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টের এসব মন্তব্য থেকে বোঝা যায়, হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়ে তেহরান কতটা শক্তিশালী দর-কষাকষির ক্ষমতা অর্জন করেছে। ওয়াশিংটন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরে ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখাকে যুদ্ধের প্রধান কারণ হিসেবে তুলে ধরেছেন। তবে ভ্যান্স ফক্স নিউজকে বলেছেন, এখন সেই লক্ষ্য পেছনে পড়েছে। হরমুজ প্রণালি দিয়ে আবার অবাধে তেল সরবরাহ নিশ্চিত করাই এখন অগ্রাধিকার।

আরও পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত শেষ হলেও জ্বালানি সংকট অব্যাহত থাকবে: আইইএ প্রধান

ভ্যান্সের মন্তব্যে যুদ্ধের বর্তমান বাস্তবতা স্পষ্ট হয়েছে। এখন যুদ্ধের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ট্রাম্প ও ইসরাইল ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করার আগে গুরুত্বপূর্ণ এই জ্বালানি সরবরাহের পথটি উন্মুক্ত ছিল।

প্রতিশোধ হিসেবে ইরান কার্যত প্রণালিটি বন্ধ করে দিয়েছে। এর ফলে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে তারা একটি গুরুত্বপূর্ণ দর-কষাকষির হাতিয়ার পেয়ে গেছে। অন্যদিকে ট্রাম্প যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছেন এবং ইরানের বিরুদ্ধে আবার বড় ধরনের হামলা চালানো থেকে পিছিয়ে থাকছেন।

ফক্স নিউজকে ভ্যান্স বলেন, ‘আমি জানি আজ তেলের দাম কমেছে এবং সংঘাতের শুরুর দিকের সর্বোচ্চ দামের তুলনায় এটি অনেকটাই কম। আমাদের এক নম্বর লক্ষ্য হলো-দেশজুড়ে আমেরিকানদের জন্য তেল ও গ্যাসের দাম সস্তা রাখা।’

তিনি আরও বলেন, ‘ অবশ্যই দ্বিতীয় লক্ষ্য হলো, ইরান যেন কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে- সেটি নিশ্চিত করা।’

আরও পড়ুন: পিরোজপুরে লাশ দাফনে বাধা, নাহিদ ইসলামের নিন্দা ও ইনসাফের আহ্বান

-‘নিম্ন মাত্রায় রাখছি’-

ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানের বিরুদ্ধে শুরু করা সামরিক অভিযানের ব্যাপারে প্রশাসনের সবচেয়ে সন্দিহান সদস্যদের একজন ছিলেন ভাইস প্রেসিডেন্ট।

তবে তাঁর এসব মন্তব্যে এখন মার্কিন প্রেসিডেন্টের পছন্দের আরও সতর্ক অবস্থানেরই ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। এ অবস্থানের আওতায় ইরানের ওপর কঠোর অর্থনৈতিক চাপ বজায় রাখা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে দেশটির বন্দর অবরোধ এবং তেল বিক্রি ঠেকানো।

আরও অর্থনৈতিক শাস্তির ঘোষণা দিয়ে বেসেন্ট ইরানকে ‘বিশ্ব আগে কখনো দেখেনি এমন’ অর্থনৈতিক বিচ্ছিন্নতার মুখে ফেলার হুমকি দিয়েছেন। তিনি বলেন, আগামী সপ্তাহে নতুন পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: মিসরের পার্লামেন্ট সৌদিকে সামরিক সহায়তা দিতে অনুমোদন করেছে

মাত্র কয়েক দিন আগেও ট্রাম্প বলেছিলেন, হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার জন্য একটি চুক্তি হওয়া আসন্ন। কিন্তু এখন তার প্রশাসন কঠোর অবস্থানে থাকার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

কূটনৈতিক তৎপরতা স্থগিত রয়েছে। কারণ ট্রাম্প আশা করছেন, অর্থনৈতিক দুর্ভোগ ইরানকে নতি স্বীকার করতে বাধ্য করবে।

ট্রাম্প রোববার বলেন, ‘আমরা বিষয়টি নিম্ন মাত্রায় রাখছি। আমরা তাদের সঙ্গে কেবল আংশিকভাবে আলোচনা করছি। আমরা শুধু দেখছি, ইরানে ব্যাপক মূল্যস্ফীতি হচ্ছে এবং তারা বেশ  অর্থ সংকটে আছে।’

মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস পরিবেশিত খবরে বলা হচ্ছে, যুদ্ধ শুরুর পর কয়েক মাসে মার্কিন সামরিক বাহিনী বিপুল অর্থ ব্যয়ে অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র ও অন্যান্য অস্ত্রের মজুত ব্যবহার করেছে এবং এখন এসব অস্ত্রের মজুত কমে আসছে। ফলে ইরানের ওপর আবার হামলা চালানোর ক্ষেত্রে ট্রাম্পের বিকল্পও সীমিত হয়ে পড়ছে।

আরও পড়ুন: বিদেশি ঋণ শোধে চাপ বাড়ছে, সহায়তার অর্থছাড় কমেছে

ভ্যান্স আরও বলেন, ‘কখনো কখনো আমরা জ্বালানি নিয়ে বেশি মনোযোগ দিই। কারণ আমরা চাই আমেরিকানরা যেন তেল ও গ্যাসের দাম বহন করতে পারে। আবার কখনো আমরা অবশ্যই সামরিক বিষয়, পরমাণু কর্মসূচির দিকে মনোযোগ দিই।’

সম্প্রতি ট্রাম্প বলেছিলেন, হরমুজ প্রণালি দ্রুত খুলে দেওয়ার বিষয়ে একটি সমঝোতা হলে তবেই তিনি ইরানে আবার হামলা চালানো থেকে বিরত থাকবেন।

এখন প্রণালিটি খুলে দেওয়ার জন্য ইরান কয়েকটি শর্ত দিয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষে এসব শর্ত মেনে নেওয়ার সম্ভাবনা কম। শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে সব ফ্রন্টে যুদ্ধের অবসান, ইরানের বন্দরগুলোর ওপর মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, জব্দ করা সম্পদ ফেরত দেওয়া এবং যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ দেওয়া।

এসব শর্ত জুনে স্বাক্ষরিত কথিত সমঝোতা স্মারকের শর্তগুলোর সঙ্গে মিলে যায়। যুদ্ধ আবার শুরু হওয়ায় ওই সমঝোতা ভেস্তে যায়। এতে ইরানের জন্য ৩০ হাজার কোটি ডলারের পুনর্গঠন তহবিল গঠনের একটি বিধানও ছিল।

আরও পড়ুন: চকরিয়ায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা আকিত হোসেন সজিব গ্রেফতার

এসব শর্ত জুনে সম্পাদিত তথাকথিত সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) শর্তগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। যুদ্ধ পুনরায় শুরু হওয়ার পর ওই সমঝোতা ভেঙে যায়। এতে ইরানের জন্য ৩০০ বিলিয়ন ডলারের পুনর্গঠন তহবিল গঠনের একটি প্রস্তাবও ছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামের জাহাজভাঙা কারখানায় বিষাক্ত গ্যাসে নিহত বেড়ে ৯

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৪৪ পি.এম


চট্টগ্রামের জাহাজভাঙা কারখানায় বিষাক্ত গ্যাসে নিহত বেড়ে ৯

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারির একটি জাহাজভাঙা কারখানায় বিষাক্ত গ্যাসের বিষক্রিয়ায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৯ জনে দাঁড়িয়েছে।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে ভাটিয়ারি ইউনিয়নের স্টেশন রোড এলাকার ফেরদৌস স্টিল নামের একটি কারখানায় এ ঘটনাটি ঘটে।

এরপর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসক ইশতিয়াক রহমান জানিয়েছেন, যে ওই কারখানা থেকে দুই দফায় সাতজনকে হাসপাতালে আনা হয়। এর মধ্যে ছয়জনকে মৃত অবস্থায় আনা হয়েছে। তাদের মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে। অপরজনকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তাছাড়া ঘটনাস্থলে দুজনের মরদেহ রয়েছে, বলে জানিয়েছেন সীতাকুণ্ড থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আলমগীর।

এদিকে বিকেলে চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান আরেক শ্রমিক।

কলকারখানা পরিদর্শন অধিদপ্তরের উপমহাপরিদর্শক মাহবুবুল হাসান জানিয়েছেন, ১০ জন শ্রমিক অসুস্থ হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে, যাদের মধ্যে ৯ জনের মৃত্যু ঘটেছে। ঘটনাটি গ্যাস নিঃসরণ নাকি বিস্ফোরণ, তা তদন্ত করা হচ্ছে এবং পাশাপাশি শ্রমিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

মারা যাওয়া আট শ্রমিকের মধ্যে চারজনের নাম ও পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন, সানি জলদাস (২২), পলাশ জলদাস (২৭) এবং দুই সহোদর মনসুর আলী (৪০) ও নাসির উদ্দিন (৩৮)। তারা সবাই ভাটিয়ারী এলাকার বাসিন্দা।

স্থানীয় জেলেরা জানিয়েছেন, শুক্রবার সকালে কারখানাটির ভেতর থেকে গ্যাস বের হতে দেখা গেছে। কারখানাটির ভেতর থেকে বের হওয়া গ্যাসের গন্ধের তীব্রতা এত বেশি ছিল যে সাগরে ইলিশ ধরতে যাওয়া জেলেরা কারখানাটির পাশের খালে প্রবেশ করতে পারেননি। তাদের অন্তত আধা কিলোমিটার দূরে গিয়ে ঘাটে নৌকা ভেড়াতে হয়েছে।

স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, হঠাৎ করে কারখানার ভেতর থেকে মানুষের চিৎকার শুরু হয়। তারা কারখানা এলাকায় গেলে দেখতে পান, অসুস্থ কিছু লোককে গাড়িতে করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এরপর জাহাজের ভেতরে কয়েকজন মৃত পড়ে রয়েছে এমন খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন বিক্ষুব্ধ হয়ে কারখানার ভেতরে ঢুকে ভাঙচুর করেন। পুলিশ পরে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এ বিষয়ে কারখানার মালিক মো. মহিউদ্দিন মুঠোফোনে জানিয়েছেন, তিনি কারখানার বাইরে রয়েছেন। কারখানা থেকে তিনি জেনেছেন জাহাজে থাকা ছয় থেকে আটজন কর্মী অসতর্কতায় বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তিনি কারখানায় গিয়ে বিস্তারিত জানাবেন।

এদিকে, সকালে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন ফায়ার সার্ভিস চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, ফেরদৌস স্টিল শিপব্রেকিং ইয়ার্ড ও রিসাইক্লিং কারখানায় যে জাহাজ কাটা হচ্ছে, সেটি এলএনজি বহন করত। এ ধরনের জাহাজগুলোকে আগে গ্যাসমুক্ত করে তারপর কাটতে হয়। কিছু কিছু ট্যাংকে ফ্লোরিন, কার্বন মনোক্সাইড, কার্বন ডাই-অক্সাইড থাকতে পারে। তিনি আরও বলেন, কারখানা কর্তৃপক্ষ ট্যাংক গ্যাসমুক্ত না করে কাটার কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। সেখানে শ্রমিকদের নিরাপত্তাব্যবস্থা অত্যন্ত দুর্বল ছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকারের ১৮০ দিন পূর্তিতে যুবদলের শুভেচ্ছা মিছিল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৪৬ পি.এম


সরকারের ১৮০ দিন পূর্তিতে যুবদলের শুভেচ্ছা মিছিল

বিএনপি সরকারের ১৮০ দিন (ছয় মাস) পূর্তি উপলক্ষে রাজধানীর নয়াপল্টন এলাকায় শুভেচ্ছা ও আনন্দ মিছিল করেছেন জাতীয়তাবাদী যুবদলের নেতাকর্মীরা। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রাজধানীর নটরডেম কলেজের সামনে থেকে মিছিলটি শুরু হয়।

পরে ফকিরাপুল মোড় হয়ে মিছিলটি বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। মিছিলে নেতৃত্ব দেন যুবদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম মওলা শাহীন। এতে যুবদলের বিভিন্ন পর্যায়ের কয়েক হাজার নেতাকর্মী অংশ নেন।

সংক্ষিপ্ত সমাবেশে গোলাম মওলা শাহীন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব গ্রহণের পর দেশের উন্নয়নে ১৮০ দিনের একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা দিয়েছিলেন।

জনগণের কাছে বিএনপির প্রতিশ্রুতি ছিল কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ড চালুর বিষয়ে। পাশাপাশি স্বাধীনতার পর থেকে যে মসজিদ ও মাদ্রাসার ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খতিবদের বিষয়টি অবহেলিত ছিল, নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর তাদের সরকারি বেতন ও ভাতা বাড়ানোর যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তা ইতিমধ্যে বাস্তবায়ন হয়েছে।

দেশে চলমান গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট প্রসঙ্গ টেনে যুবদলের এই নেতা বলেন, ‘বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই বিশ্ব এক যুদ্ধ ও আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংকটের দিকে এগিয়ে যায়। বর্তমানে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার কারণেই মূলত এ সংকট তৈরি হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পশ্চিম তীরে ইসরাইলি সেটেলারদের সহিংসতার নিন্দা যুক্তরাজ্যের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৪৭ পি.এম


পশ্চিম তীরে ইসরাইলি সেটেলারদের সহিংসতার নিন্দা যুক্তরাজ্যের

ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরাইলি সেটেলার তথা অবৈধ বসতিস্থাপনকারীদের সহিংসতার ঘটনায় যুক্তরাজ্য তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। আল জাজিরার খবর অনুযায়ী, ফিলিস্তিনের নাবলুসের দক্ষিণে কুসরা গ্রামে ইসরাইলি সেটেলার তথা অবৈধ বসতিস্থাপনকারীদের হামলা ও অবরোধের খবর প্রকাশিত হওয়ার পর আজ শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে ব্রিটিশ মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক মন্ত্রী স্টিফেন ডাউটি উল্লেখ করেন, ঘটনাগুলোর খবর পেয়ে তিনি ‘ভীষণভাবে উদ্বিগ্ন’ হয়েছেন।

ডাউটি বলেন, বেসামরিক নাগরিকদের অবশ্যই সুরক্ষা দেবার প্রয়োজন এবং হামলার জন্য দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। তিনি একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার জন্য একটি আহ্বান জানান।

যুক্তরাজ্যের মধ্যপ্রাচ্য, আফগানিস্তান ও পাকিস্তান বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইসরাইলি বসতিগুলো আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে অবৈধ এবং এগুলো দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের সম্ভাবনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, কুসরা গ্রামের তিনটি ফিলিস্তিনি বাড়ি ইতোমধ্যে কয়েক দিন ধরে ঘেরাও করে রেখেছে ইসরাইলি সেটেলাররা। অভিযোগ রয়েছে, বাড়িগুলোতে পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, প্রবেশপথ অবরুদ্ধ করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় খাদ্য ও অন্যান্য সরবরাহে বাধা দেওয়া হয়েছে।

বিবিসি জানাচ্ছে, গত বৃহস্পতিবার ওই তিনটি বাড়ির দুটির বাসিন্দাদের বাড়ি ছেড়ে যাওয়ার জন্য বলা হয়েছে। পরে তারা তৃতীয় বাড়িটিতে আশ্রয় নেন। এ ছাড়া গ্রামের অন্যান্য এলাকায় আরো ১১টি বাড়ির বাসিন্দাদেরও বাড়ি ছেড়ে যেতে বলা হয়েছে।

এদিকে কুসরার মেয়র আবদেল আজিম ওয়াদি জানিয়েছেন, গ্রামটিকে ‘অবরুদ্ধ সামরিক এলাকা’ ঘোষণা করা হয়েছে। মেয়র বলেন, ইসরাইলি বাহিনী খালি করা কয়েকটি ফিলিস্তিনি বাড়ি ব্যারাক হিসেবে ব্যবহার করছে।

এসব ঘটনার ফলে নিন্দার ঝড় উঠেছে। আরব দেশগুলোর পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এতে যোগ দিয়েছে। এমনকি ইসরাইলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবিও এর নিন্দা করেছেন। নাবলুসে ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরাইলি সেটেলারদের অবরোধকে তিনি ‘ভয়াবহ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে হাকাবি বলেন, ওই পরিবারের বাড়ির সঙ্গে যে আচরণ করা হচ্ছে, সেগুলো ‘অপরাধমূলক’। তিনি বলেন, ‘পরিবারটিকে ভয় দেখানো ও হয়রানি করার উদ্দেশ্যে যারা এই ভয়াবহ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়েছে, তাদের আচরণ ঘৃণ্য। এ ধরনের গুন্ডামির কোনো অজুহাত নেই।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধান রোপণ করে অভিনব প্রতিবাদ: ২০ বছরেও সংস্কার হয়নি বাউরিয়া–নাজিরহাট সংযোগ সড়ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আমিনুল ইসলাম রিয়াদ সন্দ্বীপ চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৪৯ পি.এম


ধান রোপণ করে অভিনব প্রতিবাদ: ২০ বছরেও সংস্কার হয়নি বাউরিয়া–নাজিরহাট সংযোগ সড়ক

 

দীর্ঘ ১৫ থেকে ২০ বছর ধরে অবহেলিত অবস্থায় পড়ে থাকা বাউরিয়া মহব্বতখার কোণা থেকে নাজিরহাট সংযোগ সড়ক পাকা করার দাবিতে অভিনব প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী। বছরের পর বছর সংস্কারবঞ্চিত এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কে ধান রোপণ করে নিজেদের ক্ষোভ ও হতাশার বহিঃপ্রকাশ ঘটান এলাকার যুবসমাজ ও সাধারণ মানুষ।

স্থানীয়দের অভিযোগ, হাজার হাজার মানুষের দৈনন্দিন যাতায়াতের একমাত্র ভরসা এই সড়কটি সামান্য বৃষ্টিতেই কোমরসমান পানিতে তলিয়ে যায়। ফলে শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করে, যার কারণে অনেক সময় জরুরি যাতায়াতও ব্যাহত হয়।

এলাকাবাসী জানান, সড়কটি সংস্কার ও পাকাকরণের দাবিতে তারা বহুবার জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগ করেছেন। কিন্তু দীর্ঘদিনেও দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ না নেওয়ায় তারা হতাশ হয়ে পড়েছেন। তাদের ভাষ্য, নির্বাচন এলেই বিভিন্ন উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও বাস্তবে এই সড়কের ভাগ্যে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি।

এ অবস্থায় ক্ষোভ প্রকাশ করে স্থানীয়রা সড়কের ওপর ধান রোপণ করেন এবং দ্রুত সড়কটি পাকাকরণের দাবি জানান। তারা বলেন, মানুষের চলাচলের জন্য ব্যবহৃত একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক যখন বছরের পর বছর জলাবদ্ধতায় ডুবে থাকে, তখন তা উন্নয়নের চিত্র নয়; বরং অবহেলারই প্রতীক।

স্থানীয় বাসিন্দারা অবিলম্বে জনদুর্ভোগ নিরসনে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, সংসদ সদস্য ও প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। একই সঙ্গে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে সড়কটি পাকা করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%