ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ধান রোপণ করে অভিনব প্রতিবাদ: ২০ বছরেও সংস্কার হয়নি বাউরিয়া–নাজিরহাট সংযোগ সড়ক


ধান রোপণ করে অভিনব প্রতিবাদ: ২০ বছরেও সংস্কার হয়নি বাউরিয়া–নাজিরহাট সংযোগ সড়ক

 

দীর্ঘ ১৫ থেকে ২০ বছর ধরে অবহেলিত অবস্থায় পড়ে থাকা বাউরিয়া মহব্বতখার কোণা থেকে নাজিরহাট সংযোগ সড়ক পাকা করার দাবিতে অভিনব প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী। বছরের পর বছর সংস্কারবঞ্চিত এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কে ধান রোপণ করে নিজেদের ক্ষোভ ও হতাশার বহিঃপ্রকাশ ঘটান এলাকার যুবসমাজ ও সাধারণ মানুষ।

স্থানীয়দের অভিযোগ, হাজার হাজার মানুষের দৈনন্দিন যাতায়াতের একমাত্র ভরসা এই সড়কটি সামান্য বৃষ্টিতেই কোমরসমান পানিতে তলিয়ে যায়। ফলে শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করে, যার কারণে অনেক সময় জরুরি যাতায়াতও ব্যাহত হয়।

আরও পড়ুন: নাব্যতা সংকটে হবিগঞ্জের সুতাং নদী মরা খালে পরিণত

এলাকাবাসী জানান, সড়কটি সংস্কার ও পাকাকরণের দাবিতে তারা বহুবার জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগ করেছেন। কিন্তু দীর্ঘদিনেও দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ না নেওয়ায় তারা হতাশ হয়ে পড়েছেন। তাদের ভাষ্য, নির্বাচন এলেই বিভিন্ন উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও বাস্তবে এই সড়কের ভাগ্যে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি।

এ অবস্থায় ক্ষোভ প্রকাশ করে স্থানীয়রা সড়কের ওপর ধান রোপণ করেন এবং দ্রুত সড়কটি পাকাকরণের দাবি জানান। তারা বলেন, মানুষের চলাচলের জন্য ব্যবহৃত একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক যখন বছরের পর বছর জলাবদ্ধতায় ডুবে থাকে, তখন তা উন্নয়নের চিত্র নয়; বরং অবহেলারই প্রতীক।

স্থানীয় বাসিন্দারা অবিলম্বে জনদুর্ভোগ নিরসনে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, সংসদ সদস্য ও প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। একই সঙ্গে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে সড়কটি পাকা করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

আরও পড়ুন: বরিশালে দুই যুবককে মারধরের অভিযোগ বিএনপি নেতা ফারুকের বিরুদ্ধে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চরফ্যাশন মাদ্রাজ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে সর্বোচ্চ আলোচনায় আবু সায়েম মালতিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

এইচ এম নোমান চরফ্যাশন

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৫০ পি.এম


চরফ্যাশন মাদ্রাজ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে সর্বোচ্চ আলোচনায় আবু সায়েম মালতিয়া

মাদ্রাজ ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে আবু সায়েম মালতিয়াকে ঘিরে স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক আলোচনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগের কারণে তিনি অনেকের কাছে প্রিয় মুখ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন।

আবু সায়েম মালতিয়া স্থানীয় সংসদ সদস্যের স্নেহধন্য।
তিনি সাবেক উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য প্রার্থী এবং সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মরহুম আব্দুস শহীদ মালতিয়ার সন্তান।
পারিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্য এবং দীর্ঘদিনের জনসম্পৃক্ততার কারণে ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে তাঁকে নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা রয়েছে।

ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অনেকেই চেয়ারম্যান হিসেবে আবু সায়েম মালতিয়াকে দেখতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের ভাষ্য, একজন তরুণ ও জনবান্ধব নেতৃত্ব হিসেবে তিনি ইউনিয়নের উন্নয়ন, স্বচ্ছতা এবং জনগণের সেবায় ভূমিকা রাখতে পারবেন বলে তারা আশা করেন।

নির্বাচনের ফলাফল নির্ধারণ করবেন ভোটাররাই, তবুও স্থানীয় আলোচনায় আবু সায়েম মালতিয়া অন্যতম আলোচিত ও শক্তিশালী চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফ্যামিলি কার্ড তথ্য সংগ্রহকারী হিসেবে ইউপি সদস্য, আবেদনে গৃহিণী; নীতিমালা জেনে ব্যবস্থা নেবেন ইউএনও

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ মাইদুল ইসলাম ভূরুঙ্গামারী কুড়িগ্রাম

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৫১ পি.এম


ফ্যামিলি কার্ড তথ্য সংগ্রহকারী হিসেবে ইউপি সদস্য, আবেদনে গৃহিণী; নীতিমালা জেনে ব্যবস্থা নেবেন ইউএনও

 

 

 

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার পাইকেরছড়া ইউনিয়নের ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য রেহানা খাতুনকে ফ্যামিলি কার্ড শুমারির তথ্য সংগ্রহকারী হিসেবে নিয়োগ দেওয়াকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।

 
স্থানীয়দের অভিযোগ, ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহের কাজে সরকারি ও আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত বেতনভুক্ত ব্যক্তিদের অযোগ্য হিসেবে বিবেচনা করা হলেও একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি কীভাবে তথ্য সংগ্রহকারী হিসেবে নিয়োগ পেলেন, তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
 
সরকারের অঙ্গীকার অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ড প্রদানের জন্য সুপারভাইজার ও তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগের আবেদন ও পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর জানা গেছে, পাইকেরছড়া ইউনিয়নের ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য রেহানা খাতুন ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির তথ্য সংগ্রহকারী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। তবে একজন জনপ্রতিনিধি একই সঙ্গে তথ্য সংগ্রহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন কি না, সে বিষয়ে কোনো বিধিনিষেধ রয়েছে কি না, তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা চলছে।
 
এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দলীয়করণের মাধ্যমে অনেককে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে সমালোচনা চলছে। একই সঙ্গে অন্যান্য উপজেলায় মোবাইল নম্বরসহ নিয়োগের তালিকা প্রকাশ করা হলেও ভূরুঙ্গামারীতে মোবাইল নম্বর ছাড়া ফলাফল প্রকাশ করায় প্রশ্ন উঠেছে।
 
সচেতন মহলের মতে, বিষয়টি নিয়ে জনমনে যে প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে, তার জবাব দিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত নিয়োগ প্রক্রিয়া ও যোগ্যতার শর্ত স্পষ্ট করা। প্রয়োজনে বিষয়টি তদন্ত করে কোনো অনিয়ম পাওয়া গেলে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণেরও দাবি জানিয়েছেন তারা।
 
রেহানা খাতুন জানান, তিনি সমাজসেবা অফিসে কাজের জন্য গেলে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগের বিষয়ে জানতে পারেন। পরে বাইরে একটি কম্পিউটার দোকান থেকে আবেদনপত্র সংগ্রহ করে জমা দেন এবং পেশা হিসেবে গৃহিণী উল্লেখ করেন।
 
তিনি জানান, পরীক্ষার মেসেজ পেয়ে পরীক্ষায় অংশ নেন। পরীক্ষায় চারটি প্রশ্ন করা হলে তিনি সঠিক উত্তর দেন। আমাকে নিয়ে লেখালিখি হয়েছে জানতে পেরে আজ ১৪ অক্টোবর রেজাল্ট দেখে আমার নাম দেখতে পাই। তিনি বলেন, ইউপি সদস্য হিসেবে তিনি ৩ হাজার ৫০০ টাকা সম্মানী পান। তার স্বামী আবু সাঈদ অসুস্থ এবং তার চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে হয়।
 
তাকে ঘিরে সমালোচনার বিষয়ে রেহানা খাতুন বলেন, একজন নাগরিক হিসেবে তিনি সরকারকে সহযোগিতা করতেই পারেন। তবে আইন অনুযায়ী যদি এটি সঠিক না হয়, তাহলে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হলে তার কোনো সমস্যা নেই।
 
নিয়োগ কমিটির সদস্য সচিব ও উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ শামছুজ্জামান বলেন, আবেদনে যদি ইউপি সদস্য হিসেবে উল্লেখ করা হতো, তাহলে বিষয়টি সহজ হতো। এ বিষয়ে সভাপতি ও ইউএনওর সঙ্গে কথা না বলে তিনি কিছু বলতে পারবেন না।
 
নিয়োগ কমিটির সভাপতি ও ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমৃত দেব নাথ বলেন, যারা এ কার্যক্রমের আওতায় কাজ করতে পারবেন না, তিনি যদি নীতিমালার সেই শ্রেণির মধ্যে পড়ে থাকেন, তাহলে সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
 
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দলীয় ব্যক্তি বা সুপারিশপ্রাপ্তদের নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ বিষয়ে বলেন, সঠিকভাবে পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
 
অন্যান্য উপজেলায় মোবাইল নম্বরসহ ফলাফল প্রকাশ করা হলেও ভূরুঙ্গামারীতে না হওয়া বিষয়ে বলেন, একেকজন একেক ফরম্যাটে ফলাফল প্রকাশ করেছেন। তবে মোবাইল নম্বর ছাড়া প্রয়োজনীয় অন্যান্য তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
 
নীতিমালা ও বাস্তবতায় দাবি কী?
 
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন নীতিমালা এবং উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের শুমারিকালীন তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগসংক্রান্ত নির্দেশনা অনুযায়ী মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের জন্য নিরপেক্ষ ও খণ্ডকালীন স্বেচ্ছাসেবক বা প্যানেলভুক্ত ব্যক্তিদের দায়িত্ব পালনের কথা উল্লেখ রয়েছে।
 
নীতিমালা অনুযায়ী জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্ব হলো তথ্য সংগ্রহ শেষে স্থানীয় পর্যায়ে তালিকা যাচাই ও তদারকি করা। তবে সরাসরি তথ্য সংগ্রহকারী বা এনুমারেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করলে স্বার্থের সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
 
তাদের দাবি, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের বিধিমালা লঙ্ঘিত হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত করা প্রয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজবাড়ীতে টাকার দাবী পুরণ না করায় অনৈতিক সম্পর্কের অপবাদ দিয়ে নারীর চুল কেটে গলায় জুতার মালা দিয়ে ঘোরানোর অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রাজবাড়ী প্রতিনিধি

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৫৩ পি.এম


রাজবাড়ীতে টাকার দাবী পুরণ না করায় অনৈতিক সম্পর্কের অপবাদ দিয়ে নারীর চুল কেটে গলায় জুতার মালা দিয়ে ঘোরানোর অভিযোগ
 

 

 

 

রাজবাড়ী সদর উপজেলার পাঁচুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের এক গ্রাম পুলিশ সদস্যের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ এনে টাকা দাবীর পর চাহিদামতো অর্থ না পেয়ে এক নারীকে চুল কেটে ও গলায় জুতার মালা পরিয়ে নির্যাতন করেছে স্থানীয় লোকজন। এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনার সাথে জড়িতদের তদন্ত পুর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। পাশাপাশি ওই গ্রামপুলিশ সদস্যকেও একই কায়াদায় নির্যাতন করা হয়। তাদের দুজনকে একসঙ্গে গ্রাম ঘোরানো হয়েছে। 
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, আগে কি হয়েছে আমরা জানি না। তবে ফেসবুকে প্রবাসীর স্ত্রীর সাথে গ্রাম পুলিশের আপত্তিকর অবস্থায় আটক করার খবর ছড়িয়ে পড়ে। এরপর বিভিন্ন কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ফেনসবুক ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন ভাবে ভিডিও করে ছড়িয়ে দেয়। আসলে ঘটনাটি সঠিক কিনা যাচাই করার প্রয়োজন ছিল। আমরা অপরাধীদের শাস্তির দাবী জানাই। 
নির্যাতনের শিকার পাচুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশ সদস্য ফরিদপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আর ওই নারী মান সম্মান হারিয়ে এখন বাড়িছাড়া।
গ্রাম পুলিশ সদস্যে বলেন, রাজবাড়ীর শ্রীপুর বাজারে কলা বিক্রি করেন। স্থানীয় দোকানগুলোতে পাইকারি দামে পণ্য দিতেন। গত ৯ আগস্ট সকাল ৭টার দিকে শ্রীপুর বাজারে কলা বিক্রি করছিলেন। এ সময় পাশের আলীপুর ইউনিয়নের কল্যাণপুর এলাকার পূর্বপরিচিত এক নারী তার কাছ থেকে কলা নেন। এক হাজার টাকার নোট ভাঙতি না থাকায় টাকা দেবেন বলে চলে যান। টাকা নিতে বাড়ি যেতে বলেন।
গ্রাম পুলিশ বলেন, সেখানে যাওয়া মাত্রই স্থানীয় আব্দুল কাদের বেপারীর ছেলে অটোরিকশাচালক লাভলু বেপারী তাকে ওই নারীর ঘরের ভেতর ঢুকিয়ে দিয়ে চিৎকার দিয়ে বলতে থাকে দুজনের (কলা বিক্রেতা ও ক্রেতা) মধ্যে অনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। এ সময় তার কাছে দুই লাখ টাকা দাবি করে লাভলু। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আশপাশের লোকজন ডেকে মারধর করে। দুজনের গলায় জুতার মালা, কোমরে রশি দিয়ে বেঁধে এলাকায় ঘোরানো হয়। নারীর চুল কেঁটে দেওয়া হয়। পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় মুক্ত হই। এখন ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছি।
তিনি আরও বলেন, তাদের দাবীকৃত টাকা না দেওয়ায় মারধর করার পর জুতার মালা গলায় দিয়ে ঘুরিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিও ছড়িয়ে দিয়েছে। ওই নারীর চুল কেটে দেওয়া হয়েছে। এখন পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস করা মুশকিল হয়েছে। আমার অপরাধ কি? আমি কলার টাকা আনতে গিয়ে অর্থদাবীকারীদের রোষানলে পড়েছি। এখন দু’টি পরিবার সর্বশান্ত। আমি সঠিক বিচার দাবী করছি। আশা করছি প্রশাসন সঠিক তদন্ত করে প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনবেন। 
পাঁচুরিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মজিবর রহমান রতন বলেন, ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখছি। অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রাজবাড়ী সদর থানার ওসি উত্তম কুমার ঘোষ বলেন, এখন পর্যন্ত নির্যাতনের শিকার কেউ অভিযোগ দেয়নি। ভিডিওতে যা দেখেছি খুবই দুঃখজনক। এভাবে কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নিতে পারে না। জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সায়েম মালতিয়ার সুস্থতা কামনায় মাদ্রাজের বিভিন্ন মসজিদে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

​চরফ্যাশন প্রতিনিধি

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৫৫ পি.এম


সায়েম মালতিয়ার সুস্থতা কামনায় মাদ্রাজের বিভিন্ন মসজিদে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত

আব্দুস সহিদ মালতিয়ার সন্তান সায়েম মালতিয়ার আশু সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনায় মাদ্রাজ ইউনিয়নের বিভিন্ন মসজিদে জুমার নামাজ শেষে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ জুমার নামাজ শেষে ইউনিয়নের বিভিন্ন জামে মসজিদে স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা এই বিশেষ প্রার্থনায় অংশ নেন। মোনাজাতে সায়েম মালতিয়ার দ্রুত আরোগ্য, শারীরিক সুস্থতা এবং সার্বিক কল্যাণ কামনা করে মহান আল্লাহর দরবারে আকুল প্রার্থনা জানানো হয়।
এ সময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, এলাকার মুরব্বি এবং বিপুল সংখ্যক স্থানীয় বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত সকলে সায়েম মালতিয়ার দ্রুত সুস্থতার জন্য মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে দোয়া করেন এবং তাঁর পরিবারের প্রতি সমবেদনা ও সহমর্মিতা জ্ঞাপন করেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সায়েম মালতিয়া বেশ কিছুদিন ধরে দুর্ঘটনা বসত হাতে কনুইয়ের সামান্য অংশ ভেঙে অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাঁর সুস্থতার জন্য পরিবার ও এলাকাবাসী সকলের কাছে দোয়া প্রার্থনা করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%