বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৬:০৫ পি.এম
সরকার পূর্বের নিয়োগ বাতিল করে ৮৬ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবং ১৭৯ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ দিয়েছে।
আইন মন্ত্রণালয়ের সলিসিটর অনুবিভাগ থেকে গত বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, মহামান্য রাষ্ট্রপতি অত্র অনুবিভাগের বিভিন্ন তারিখের স্মারকমূলে পূর্বে নিয়োগপ্রাপ্ত সকল ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবং সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল এর নিয়োগ আদেশ বাতিলপূর্বক Bangladesh Law Officers Order, 1972 (P.O.No. 6 of 1972) এর ৩(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতা দ্বারা ৮৬ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও ১৭৯ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) তিন সদস্য নিহত হয়েছেন।
দেশটির আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে আইআরজিসির জানজান প্রদেশ শাখা আনসার আল-মাহদি নিহত তিন সদস্যের পরিচয় প্রকাশ করেছে। তারা হলেন- মাহমুদ মোল্লাজাবারি, মোহাম্মদরেজা চেরাঘি এবং জামাল আমিরি।
আইআরজিসির দাবি, ৩০ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের চালানো ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তারা নিহত হন। বিবৃতিতে বলা হয়, “ইরানের সীমান্ত ও জনগণকে রক্ষা করার দায়িত্ব পালনকালে যুক্তরাষ্ট্রের নৃশংস হামলায় তারা শাহাদাত বরণ করেছেন।”
নিহত সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আইআরজিসি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা, নিহতদের পরিবার এবং দেশের জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছে। একই সঙ্গে তারা এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে এর জন্য দায়ী করেছে।
এই দাবি এমন এক সময়ে এলো, যখন ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলার জেরে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি ক্রমেই অস্থিতিশীল হয়ে উঠছে।
তবে আইআরজিসির এ দাবির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি। নিহতের সংখ্যা বা হামলার বিষয়ে স্বাধীন কোনও সূত্র থেকেও রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তথ্য যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ পদত্যাগের দাবি তুলেছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে।
বুধবার (৩০ জুলাই) তিনি এই দাবি উত্থাপন করেন এবং অভিযোগ করেন, পরীক্ষায় অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় ২০ জুলাই সংসদ অভিযানের সময় ছাত্রদের ওপর পুলিশের অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ অমিত শাহের নির্দেশেই হয়েছে।
দীপক বলেন, যেভাবে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করতে থাকা ছাত্রদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে এবং তাদের রক্ত ঝরানো হয়েছে, তা অমিত শাহের নির্দেশ ছাড়া কখনোই সম্ভব নয়।
লোকসভার বিরোধী নেতা রাহুল গান্ধী বুধবার (২৯ জুলাই) বলেন, ২০ জুলাই শিক্ষার্থীদের ওপর আক্রমণে পেলেট বা ছররা গুলি চলেছে, এর নির্দেশ স্পষ্টভাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ছিল। আমাদের ছাত্রদের রক্তে ছররা গুলি ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছিল এবং এজন্য তাঁকে দায়ী করা হয়েছে। সে কারণে তাঁর পদত্যাগ করা উচিত।
রাহুল গান্ধীর অভিযোগের একদিন পর দীপক বলেন, আমি মনে করি, অমিত শাহের পদত্যাগ করা উচিত।
সিজেপি বিদেশি অর্থায়ন পেয়েছে—এরকম অভিযোগ খারিজ করে তিনি বলেন, যদি সত্যি আমাদের বিদেশি অর্থ পেতে হয়, আর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থেকেও অমিত শাহ তা আটকাতে পারেন না, তাহলে সেটা তাঁর ব্যর্থতা। তাহলে তিনি কীভাবে নিজেকে 'চাণক্য' বলবেন? সেক্ষেত্রে তাঁরও পদত্যাগ করা উচিত।
দীপক আরও অভিযোগ করেন, দিল্লি পুলিশ ইচ্ছাকৃতভাবে পাথর নিক্ষেপের ঘটনা ঘটিয়ে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অজুহাত তৈরি করেছিল। দাবি করেন, ২০ জুলাই দিল্লির যন্তর-মন্তনের আন্দোলনস্থলে একটি ট্রাকের মাধ্যমে পাথর এবং একটি ভাঙাচোরা গাড়ি আনা হয়েছিল, যাতে পুলিশি অভিযানের যুক্তি তুলে ধরা যায়।
তিনি বলেন, পাথর নিক্ষেপের পুরো ঘটনাই দিল্লি পুলিশ পরিকল্পিতভাবে ঘটিয়েছে। বিজেপির লোকজন এসে পাথর ছুড়ে এবং দোষ চাপানো হচ্ছে ছাত্রদের ওপর।
দীপক অভিযোগ করেন, তাঁকে এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিজেপিতে যোগ দিতে চাপ দেওয়া হয়েছে এবং হুমকি দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে তিনি বলেন, আমাকে হুমকি দেওয়া হয়েছে। আমার বাবা-মাকেও বিজেপিতে যোগ দিতে চাপ দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, দলে যোগ না দিলে পরিণতি ভোগ করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিরাজগঞ্জের তাড়াশের একটি গ্রামে বসবাসকারী গ্রামের মানুষদের বহু বছরের একটি চলাচলের একমাত্র রাস্তায় ঈদগাহ মাঠের সীমানা প্রাচীর নির্মাণের কারণে ওই গ্রামের কৃষক, চাকরিজীবী, নারী, শিশু, শিক্ষার্থীসহ প্রায় ৪০টি পরিবার তাঁদের চলাচলের পথ বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে উক্ত পরিবারগুলো চরম ভোগান্তিতে পড়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার বারুহাস ইউনিয়নের মনোহরপুর গ্রামের পশ্চিমপাড়ায়।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো গ্রামপ্রধানদের কাছে কোনো প্রতিকার না পেয়ে বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুসরাত জাহান বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
লিখিত অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুসরাত জাহান নিশ্চিত করেছেন।
লিখিত অভিযোগের সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার মনোহরপুর গ্রামের মসজিদ ও ঈদগাহ মাঠের এলাকার আশেপাশে ৪০টি পরিবারের সদস্যরা বংশপরম্পরায় বসবাস করে আসছেন। মূলত এই পরিবারগুলো দীর্ঘদিন ধরে ঈদগাহ মাঠের পাশ দিয়ে চলাচলের ওই রাস্তায় ফসল আনা-নেওয়া, রোগী পরিবহন, শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াতসহ যাবতীয় কাজে এই রাস্তা ব্যবহার করে যাচ্ছেন। আবার একই পথে থাকা মনোহরপুর জামে মসজিদে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করেছিলেন পরিবারের মুসল্লীরা। অথচ গ্রামের কতিপয় গ্রামপ্রধান স্থানীয়দের চলাচলের একমাত্র রাস্তায় ঈদগাহ মাঠের সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করায় চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। যার ফলে ঈদগাহ মাঠের আশেপাশের ৪০টি পরিবারের সদস্যরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
গ্রামপ্রধান মো. সাখাওয়াৎ হোসেন জানান, ওই পরিবারগুলোর চলাচলের জন্য অন্য একটি রাস্তা রয়েছে। তারা সেখান দিয়েই চলাচল করবে।
ভুক্তভোগী পরিবারের একাধিক সদস্য জানিয়েছেন, বিকল্প রাস্তাটি অত্যন্ত সরু এবং সেখানে একজন মানুষের স্বাচ্ছন্দ্যে হাঁটাচলার ক্ষেত্রেও সমস্যা হচ্ছে।
ঈদগাহ মাঠের পাশ দিয়েই চলাচলের একমাত্র রাস্তা দাবি করে মো. শাহআলম প্রাং, মোছা. জমিনা খাতুন, মোছা. লাইলী খাতুনসহ একাধিক ভুক্তভোগী বলেন, "ঈদগাহ মাঠের প্রাচীর নির্মাণ হোক এটা আমরাও চাই। তবে দীর্ঘদিন ধরে আমরা ৪০টি পরিবারের মানুষ একমাত্র এই রাস্তা দিয়েই চলাচল করে আসছি। অথচ ঈদগাহ মাঠের প্রাচীর নির্মাণের মাধ্যমে আমাদের পরিবারগুলোকে অনেকটা অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছি। আর প্রাচীর নির্মাণ হলে আমাদের বের হওয়ার কোনো উপায় থাকবে না। ছেলে-মেয়েরাও স্কুলে যেতে পারবে না। তাই ভুক্তভোগী ৪০ পরিবারের সদস্যদের স্বাক্ষরিত একটি লিখিত অভিযোগ তাড়াশ ইউএনও বরাবর দাখিল করেছি।"
এ প্রসঙ্গে তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুসরাত জাহান বলেন, "লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা সংক্রান্ত একটি ঘটনায় গ্রেপ্তার করার পর সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল লতিফ সিদ্দিকীকে হাতকড়া পরানোর বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তার ছোট ভাই কাদের সিদ্দিকী।
তিনি হাতকড়াকে নববধূর চুড়ির সঙ্গে তুলনা করে মন্তব্য করেন, ‘এ নিয়ে কোনো কথা বলার নেই। এটা সরকার বুঝবে। আমাদের হাতে বহুবার হাতকڑا পড়েছে। আমরা খুব খারাপ কিছু মনে করি না। বিয়ের সময় মেয়ের হাতে চুড়ি যেমন দেওয়া হয়, আমরা তেমনই মনে করি।’
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব বলেছেন।
কাদের সিদ্দিকী আরো বলেন, নিষ্পাপ একজন মানুষকে অন্যায়ভাবে আসামি করায় প্রতিবাদ জানাতে এসেছি। আদালতে প্রত্যেক অভিযুক্ত কথা বলতে পারেন। এটা তার অধিকার। লতিফ সিদ্দিকীও তেমন কথাই বলতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তাকে সুযোগ দেওয়া হয়নি। আমি মনে করি সম্মানী ব্যক্তিদের সম্মান দেওয়া উচিত।
লতিফ সিদ্দিকীর অভিযোগ নিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তার বয়স ৮৭ বছর হয়ে গেছে। এখন যদি কোনো অপরাধের দায়ে (যা তিনি করেননি) তার ফাঁসি হয়, তাহলে আমরা সাদরে গ্রহণ করব। কারণ আল্লাহ তায়ালা তাকে তখন মুক্তি দেবেন।
শাপলা চত্বরে গণহত্যার পরিকল্পনাকারী হিসেবে লতিফ সিদ্দিকীকে আসামি করা হয়েছে, এমন একটি প্রশ্নে কাদের সিদ্দিকী জানান, পরিকল্পনাকারী বলা যায় না। কারণ তিনি ‘কিচেন কেবিনেটেও’ ছিলেন না। তিনি তখন পাটমন্ত্রী ছিলেন। পাট নিয়ে হত্যা চলে না। ওই সময় আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার কাছে কিছু ঘটনা নিয়ে বিতর্কিত ছিলেন তিনি।
এছাড়াও, রাজধানীর মতিঝিলে শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশ ঘিরে সংঘটিত গণহত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে বৃহস্পতিবার লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেপ্তার করে ট্রাইব্যুনাল-২ কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ