প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ পদত্যাগের দাবি তুলেছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে।
বুধবার (৩০ জুলাই) তিনি এই দাবি উত্থাপন করেন এবং অভিযোগ করেন, পরীক্ষায় অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় ২০ জুলাই সংসদ অভিযানের সময় ছাত্রদের ওপর পুলিশের অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ অমিত শাহের নির্দেশেই হয়েছে।
দীপক বলেন, যেভাবে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করতে থাকা ছাত্রদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে এবং তাদের রক্ত ঝরানো হয়েছে, তা অমিত শাহের নির্দেশ ছাড়া কখনোই সম্ভব নয়।
লোকসভার বিরোধী নেতা রাহুল গান্ধী বুধবার (২৯ জুলাই) বলেন, ২০ জুলাই শিক্ষার্থীদের ওপর আক্রমণে পেলেট বা ছররা গুলি চলেছে, এর নির্দেশ স্পষ্টভাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ছিল। আমাদের ছাত্রদের রক্তে ছররা গুলি ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছিল এবং এজন্য তাঁকে দায়ী করা হয়েছে। সে কারণে তাঁর পদত্যাগ করা উচিত।
রাহুল গান্ধীর অভিযোগের একদিন পর দীপক বলেন, আমি মনে করি, অমিত শাহের পদত্যাগ করা উচিত।
সিজেপি বিদেশি অর্থায়ন পেয়েছে—এরকম অভিযোগ খারিজ করে তিনি বলেন, যদি সত্যি আমাদের বিদেশি অর্থ পেতে হয়, আর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থেকেও অমিত শাহ তা আটকাতে পারেন না, তাহলে সেটা তাঁর ব্যর্থতা। তাহলে তিনি কীভাবে নিজেকে 'চাণক্য' বলবেন? সেক্ষেত্রে তাঁরও পদত্যাগ করা উচিত।
দীপক আরও অভিযোগ করেন, দিল্লি পুলিশ ইচ্ছাকৃতভাবে পাথর নিক্ষেপের ঘটনা ঘটিয়ে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অজুহাত তৈরি করেছিল। দাবি করেন, ২০ জুলাই দিল্লির যন্তর-মন্তনের আন্দোলনস্থলে একটি ট্রাকের মাধ্যমে পাথর এবং একটি ভাঙাচোরা গাড়ি আনা হয়েছিল, যাতে পুলিশি অভিযানের যুক্তি তুলে ধরা যায়।
তিনি বলেন, পাথর নিক্ষেপের পুরো ঘটনাই দিল্লি পুলিশ পরিকল্পিতভাবে ঘটিয়েছে। বিজেপির লোকজন এসে পাথর ছুড়ে এবং দোষ চাপানো হচ্ছে ছাত্রদের ওপর।
দীপক অভিযোগ করেন, তাঁকে এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিজেপিতে যোগ দিতে চাপ দেওয়া হয়েছে এবং হুমকি দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে তিনি বলেন, আমাকে হুমকি দেওয়া হয়েছে। আমার বাবা-মাকেও বিজেপিতে যোগ দিতে চাপ দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, দলে যোগ না দিলে পরিণতি ভোগ করতে হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন