ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

নাসিরনগরের খান্দুরায় ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল তিন মাস পিছিয়ে, ক্ষোভ অংশগ্রহণকারী দলগুলোর


নাসিরনগরের খান্দুরায় ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল তিন মাস পিছিয়ে, ক্ষোভ অংশগ্রহণকারী দলগুলোর

নাসিরনগর উপজেলার খান্দুরা গ্রামে আয়োজিত একটি চায়নিজ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচ তিন মাস পিছিয়ে দেওয়ার ঘোষণা দেওয়ার ফলে অংশগ্রহণকারী দলের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

টুর্নামেন্টের আয়োজক মোঃ সবুজ মিয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একাধিক পোস্টে এই তথ্য জানান। তিনি জানান, মাঠে কাদা থাকার কারণে খেলোয়াড়দের নিরাপত্তার কথা ভেবে ফাইনাল ম্যাচ আগামী ২০ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে।

এদিকে, টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারী দলগুলো হলো খান্দুরা পশ্চিমপাড়া, খান্দুরা হিন্দুপাড়া, খান্দুরা দক্ষিণবাড়ি, খান্দুরা খা বাড়ি, সাহেববাড়ি, সাহেববাড়ি-২, দিঘিরপাড় জুমন একাদশ, দিঘিরপাড়, সাহেববাড়ি মাদ্রাসা, গাড়াউক, তারাউল্লাহ ও রামেশ্বর একাদশসহ একাধিক দল।

আরও পড়ুন: গোপালগঞ্জে শ্রেণিকক্ষে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, ৯ শিক্ষার্থীকে টিসি

প্রথম রাউন্ড, কোয়ার্টার ফাইনাল ও সেমিফাইনালের খেলা শেষ হওয়ার পর ফাইনাল আয়োজনের অপেক্ষায় ছিলেন খেলোয়াড় এবং দর্শকরা। কিন্তু হঠাৎ করে ফাইনাল ম্যাচ প্রায় তিন মাস পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দলের খেলোয়াড়দের এবং সমর্থকদের।

ফেসবুক পোস্টে আয়োজক সবুজ মিয়া উল্লেখ করেছেন, মাঠে কাদা থাকলে ফাইনাল আয়োজন করলে খেলোয়াড়দের হাত-পা ভেঙে যেতে পারে এবং তাদের ক্যারিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। খেলোয়াড়দের স্বার্থে ফাইনাল পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

তবে তিনি একই পোস্টে আরও উল্লেখ করেন, "তিন মাসের আগে কেউ যদি খেলার কথা বলেন তাহলে এক বছর পর খেলা হবে", এমনকি মন্তব্য করেন, "বেশি কথা বললে ২০২৭ সালের জুলাই মাসে ফাইনাল হবে"। এই ধরনের বক্তব্য নিয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

এ বিষয়ে কয়েকটি দলের খেলোয়াড়রা দাবি করেছেন, পুরো টুর্নামেন্ট শেষ হওয়ার পর ফাইনাল এত দীর্ঘ সময় স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত তাদের হতাশ করেছে। তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে ফাইনাল আয়োজনের দাবি জানান।

আরও পড়ুন: ৭ই নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবসের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন

তবে আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো লিখিত ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
বিশ্বকাপ ফাইনাল

ঢাবিতে রবিবার সন্ধ্যা থেকে বহিরাগত প্রবেশ ও যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৩৪ পি.এম


ঢাবিতে রবিবার সন্ধ্যা থেকে বহিরাগত প্রবেশ ও যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ফাইনাল ম্যাচকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। নিরাপত্তার স্বার্থে শিক্ষার্থী ও ক্যাম্পাসের সার্বিক নিরাপত্তার উদ্দেশ্যে ১৯ জুলাই (রবিবার) সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিট থেকে ২০ জুলাই (সোমবার) ভোর ৬টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বহিরাগত অতিথি ও সাধারণ যানবাহনের প্রবেশ নিয়ন্ত্রিত থাকবে।

শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর দপ্তর থেকে প্রচারিত একটি জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লিখিত সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারী ছাড়া অন্য কোন অতিথি ক্যাম্পাসে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশপথগুলো—শাহবাগ, দোয়েল চত্বর, শিববাড়ি ক্রসিং, ফুলার রোড ও নীলক্ষেত দিয়ে কেবল বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টিকারযুক্ত যানবাহন ও জরুরি সেবার গাড়িগুলোকেই ক্যাম্পাসে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে।

এছাড়া জরুরি সেবার আওতায় অ্যাম্বুলেন্স, চিকিৎসক ও রোগীবাহী যান, সাংবাদিকদের যানবাহন, রাইড-শেয়ার সেবা, খাবার সরবরাহকারী যান, অনলাইন শপিং সেবার যান এবং অন্যান্য সরকারি যানবাহনও অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এই সব যানবাহন ছাড়া অন্য সকল ধরনের যানবাহনের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হবে।

তবে পলাশী থেকে দোয়েল চত্বর হয়ে হাইকোর্ট মোড় পর্যন্ত সড়কটি উন্মুক্ত রাখা হবে এবং গণপরিবহন ও ভারী যানবাহনের প্রবেশ আগের মতোই নিয়ন্ত্রিত থাকবে, এ বিষয়টি বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দিয়েছে যে, বিশ্বকাপ ফাইনাল উপলক্ষে বিপুল সংখ্যক মানুষের সমাগমের সম্ভাবনা বিবেচনায় নিয়ে ক্যাম্পাসের আইনশৃঙ্খলা ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে দুই দিনে ডিএমপির ৩৫১২ মামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৩৭ পি.এম


ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে দুই দিনে ডিএমপির ৩৫১২ মামলা

 রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে গত দু’দিনে ৩ হাজার ৫১২টি মামলা সাজিয়েছে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ।

ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এসব মামলা করে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী আজ এ তথ্য জানিয়েছেন।

ট্রাফিক-রমনা বিভাগে ১৫৬, ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে ২৬৫, ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে ৫৯৭, ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে ৬২৩টি মামলা হয়েছে।

ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে ৫২৪, ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগে ৫৬৭, ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগে ৪৩৯, ট্রাফিক-গুলশান বিভাগে ৪০৫টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এছাড়াও অভিযানের সময়ে ৯৯৩টি গাড়ি ডাম্পিং করা হয়েছে এবং ৪৪৯টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হঠাৎ ধসে পড়লো স্কুল ভবন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৪০ পি.এম


হঠাৎ ধসে পড়লো স্কুল ভবন

খুলনার কয়রার গাজী আব্দুল জব্বার হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের ঝুঁকিপূর্ণ দুই তলা অ্যাকাডেমিক ভবনের সামনের অংশ ধসে পড়েছে। ভবনটি দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। ছাদের কেবল ও পিলারে বড় বড় ফাটল দেখা গিয়েছিল, পলেস্তারার খসে পড়া অংশও ছিল, এবং বেরিয়ে এসেছিল রড। বর্ষাকালে ছাদ চুইয়ে পড়ে পানি। নতুন ভবন নির্মাণের জন্য টেন্ডার সম্পন্ন হয়েছে। যদিও কার্যাদেশ জারি না হওয়ায় নির্মাণকাজ শুরু হওয়ার আগেই দুইতলা ভবনের একটি বড় অংশ ধসে পড়েছে। ঘটনাটি খুলনার কয়রার গাজী আব্দুল জব্বার হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজে ঘটেছে। ধসে পড়া ভবনটিতে মাধ্যমিকের ক্লাস অনুষ্ঠিত হতো। শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিকেলে ভবনটির দ্বিতীয় তলার ছাদসহ সামনের অংশ হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় ওই সময় শিক্ষার্থী বা শিক্ষক কেউ ভবনে ছিলেন না, তাই বড় ধরনের প্রাণহানি রোধ করা সম্ভব হয়েছে। তবে ভবনটি ধসে পড়ায় শিক্ষার্থীদের পাঠদান নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, রোববার (১৯ জুলাই) থেকে পাশের একতলা ভবনে মাধ্যমিক ও কলেজ— দুই শাখার ক্লাস একসঙ্গে নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে। গাজী আব্দুল জব্বার হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়ে উপকূলের অন্যতম পুরোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে বিবেচিত হয়। শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে ২০০০ সালে নির্মিত দুইতলা অ্যাকাডেমিক ভবনটি আইলা, ইয়াস ও রিমালের মতো ঘূর্ণিঝড়ে লবণাক্ত পানিতে বারবার প্লাবিত হয়ে কাঠামোগত দুর্বল হয়ে পড়ে। একসময় ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হলেও শ্রেণিকক্ষে সংকট থাকার কারণে সেখানে পাঠদান চলতে থাকে। ভবনধসে প্রাণহানির ঘটনা না ঘটায় কিছুটা স্বস্তি লাভ করেছেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সাইফুল হায়দার। তিনি জানান, শুক্রবার ছুটির দিনে ভবনের একটি বড় অংশ ধসে পড়া সত্ত্বেও কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবক গোলাম রসুল বলেছেন, শুক্রবার যে দিন ভবন ভেঙে পড়েছে, সেদিন স্কুল বন্ধ ছিল। তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ক্লাস চলাকালীন ভবনটি ধসে পড়লে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটতে পারত। এখন তিনি তাঁর সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে ভয় পাচ্ছেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির মাধ্যমিক শাখার শিক্ষক রবিউল ইসলাম জানান, বর্তমানে মাধ্যমিকে ২৩০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে, ১৯ জন শিক্ষক এবং ৫ জন কর্মচারী রয়েছেন। তিনি জানান, ধসে পড়া ভবনে তাদের আর ক্লাস নেওয়া সম্ভব হবে না। পাশের একতলা ভবনে এতদিন কলেজ শাখার ক্লাস হয়ে আসছিল। কিন্তু এখন একই ভবনে মাধ্যমিক ও কলেজ— দুই শাখার ক্লাস পরিচালনা করতে হবে। এতে শিক্ষার্থী এবং শিক্ষক সবাই সমস্যায় পড়েছেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে বড় ধরনের কোনো ঘূর্ণিঝড় হলে স্থানীয় লোকজন বড় বিপদে পড়তে পারেন। কয়রা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সভাপতি বিদেশরঞ্জন মৃধা জানিয়েছেন, ভবন ধসে পড়ার কারণে পাঠদান ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি দুর্যোগের সময় নিরাপদ আশ্রয়ের বিষয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তিনি দ্রুত নতুন ভবনের নির্মাণকাজ শুরু এবং বিকল্প শ্রেণিকক্ষের ব্যবস্থা করার দাবি জানাচ্ছেন। নতুন ভবন নির্মাণের আগেই ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটি ধসে পড়ার বিষয়টি নিয়ে কয়রা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম আজাদ বলেছেন, নতুন ভবন নির্মাণের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। ভবন ধসে পড়ার কারণে বিষয়টি আরও গুরুত্ব সহকারে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হবে। জানা গেছে, গাজী আবদুল জব্বার হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের নতুন অ্যাকাডেমিক ভবন নির্মাণের জন্য চলতি বছর আবার দরপত্র (টেন্ডার) সম্পন্ন হয়েছে। প্রকল্পটি মূলত ২০১৭–১৮ অর্থবছরে অনুমোদিত হলেও এলাকার মাটির স্তর (সয়েল লেয়ার)–সংক্রান্ত জটিলতার কারণে নকশা ও কারিগরি বিষয় একাধিকবার পুনর্বিবেচনা করতে হয়েছে। সয়েল টেস্টের জটিলতা কাটিয়ে আবারও টেন্ডার সম্পন্ন করা হয়েছে। খুলনা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী ধনঞ্জয় মিস্ত্রী জানিয়েছেন, প্রায় ১ কোটি ৭২ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে চারতলা ভিত্তির ওপর একতলা অ্যাকাডেমিক ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে, যা পর্যায়ক্রমে চারতলা পর্যন্ত সম্প্রসারণ করা যাবে। পাশাপাশি পাঠদান সচল রাখতে দুই ইউনিট টিনশেড ভবন নির্মাণেরও বরাদ্দ রয়েছে। তবে এখনো কার্যাদেশ (ওয়ার্ক অর্ডার) জারি হয়নি। কার্যাদেশ জারি হওয়ার পর প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষে নির্মাণকাজ শুরু হবে। দরপত্রে ঠিকাদারের দেওয়া দর অনুযায়ী প্রকল্পের চূড়ান্ত ব্যয় কিছুটা কমতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ শুটিং ফেডারেশনের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাইনুর রহমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৪৩ পি.এম


বাংলাদেশ শুটিং ফেডারেশনের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাইনুর রহমান

বাংলাদেশ শুটিং ফেডারেশনের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাইনুর রহমান নির্বাচিত হয়েছেন।

 

লেফটেন্যান্ট জেনারেল মুহাম্মদ মাইনুর রহমান বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর চিফ অফ জেনারেল স্টাফ (সিজিএস) হিসেবে দায়িত্বরত রয়েছেন এবং তিনি এবার বাংলাদেশ শুটিং ফেডারেশনের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।

বাংলাদেশ শুটিং ফেডারেশনের গঠনতন্ত্র অনুসারে, অ্যাডহক কমিটি নির্বাচন আয়োজন করা হয় এবং নির্বাচিত কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তরের জন্য জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ আইন, ২০১৮ (জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (সংশোধন) আইন ২০২৬ সহ)-এর ২১ ধারা মোতাবেক জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের উপর অর্পিত ক্ষমতাবলে এবং ধারা: ২ (৪) ও ২(৮) অনুযায়ী পরিষদের চেয়ারম্যানের মাধ্যমে বাংলাদেশ শুটিং ফেডারেশনের নতুন অ্যাডহক কমিটি নিয়োগ দেওয়া হয়।

এছাড়া, একই প্রক্রিয়ার অনুবৃত্তিক্রমে পরিষদের চেয়ারম্যানের অধীনে বাংলাদেশ শুটিং ফেডারেশনের বিদ্যমান অ্যাডহক কমিটি ভেঙে দেওয়া হয়েছে।

নিয়োগকৃত অ্যাডহক কমিটির গঠন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ আইন, ২০১৮-এর ১৪ (৩) ধারার অনুসরণে করা হয়েছে। গঠিত নতুন অ্যাডহক কমিটি আদেশ জারির পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করে দায়িত্ব হস্তান্তর করবেন।

সরকারি আদেশে বলা হয়েছে যে, আদেশ জারির তারিখ থেকে গঠিত নতুন অ্যাডহক কমিটি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%