বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:২৫ পি.এম
পবিত্র হারামাইন শরীফাইন—মক্কার মসজিদুল হারাম এবং মদিনার মসজিদে নববীর নিরাপত্তা, সুরক্ষা ও পবিত্রতা রক্ষা করা মুসলিম উম্মাহর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ঈমানি দায়িত্ব। পবিত্র এই দুই স্থানের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার যেকোনো চেষ্টা নিন্দনীয় বলে উল্লেখ করেছেন বাংলাদেশ জমঈয়তে আহলে হাদীসের সভাপতি অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ ফারুক।
বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ জমঈয়তে আহলে হাদীসের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘হারামাইন শরীফাইনের সুরক্ষায় হুথি সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অবস্থান: আমাদের ঈমানি দায়িত্ব’ শীর্ষক জাতীয় সেমিনারে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ ফারুক মন্তব্য করেন, ‘হারামাইন শরীফাইনের সুরক্ষা আমাদের ঈমানের অংশ। পবিত্র মক্কা ও মদিনা বিশ্ব মুসলিমের হৃদয়ের স্পন্দন। এ দুই পবিত্র স্থানের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার যেকোনো অপচেষ্টা অত্যন্ত নিন্দনীয়।’ তিনি বিশ্বের মুসলমানদের হারামাইন শরীফাইনের মর্যাদা ও নিরাপত্তা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠীর হামলা ও আগ্রাসন মুসলিম উম্মাহর জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয়। পবিত্র দুই মসজিদের নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনো ধরনের আপসের সুযোগ নেই। বাংলাদেশ সরকার হারামাইন শরীফাইনের সুরক্ষায় সেনাবাহিনী পাঠানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করায় তাদের ধন্যবাদ জানান তিনি। সরকারের আরও জোরালো ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে মুসলিম বিশ্বের দেশগুলোকে সমন্বিত, কার্যকর ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের জন্য আহ্বান জানান।
জমঈয়তে আহলে হাদীসের সভাপতি বলেন, মুসলিম উম্মাহর পারস্পরিক বিভেদ ভুলে পবিত্র হারামাইন শরীফাইনের সুরক্ষায় ঐক্যবদ্ধ অবস্থান গ্রহণ করা প্রয়োজন। পবিত্র স্থানগুলোর ওপর যেকোনো ধরনের আগ্রাসন ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার অপচেষ্টার বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নেওয়া সময়ের দাবি।
ইরানের কঠোর সমালোচনা করে আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামের অধ্যাপক ড. মুসলেহ উদ্দীন বলেন, ভারত যেমন দক্ষিণ এশিয়ার রাষ্ট্রগুলোর বড় সমস্যা ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি, ইরান সারা বিশ্বের মুসলমানদের মধ্যে শিরক ও বিদআত সরবরাহ করে থাকে। তিনি উল্লেখ করেন, হুথিদের নিয়ে ইরান পবিত্র হারামাইন শরীফাইনের নিয়ন্ত্রণ নিতে চায়। তারা যদি এর নিয়ন্ত্রণ নিতে সক্ষম হয়, তাহলে আজান পরিবর্তন করে দেবে এবং সেখানে খোমেনির ছবি টানিয়ে দেবে। ফলে ঈমান-আকিদার স্বার্থে মুসলিম বিশ্বকে ঐক্যবদ্ধভাবে ভূমিকা রাখতে হবে।
সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জমঈয়তে আহলে হাদীসের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মুহাম্মদ আসাদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহসভাপতি প্রফেসর ড. দেওয়ান আব্দুর রহীম, প্রফেসর ড. আহমাদুল্লাহ ত্রিশালী, আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামের অধ্যাপক ড. মুসলেহ উদ্দীন, কেন্দ্রীয় জমঈয়তের উপদেষ্টা শাইখ সাইফুদ্দীন বেলাল মাদানী, সহসভাপতি শাইখ ড. মুহাম্মদ হারুন হুসাইন, প্রফেসর ড. মুহাম্মদ রঈসুদ্দীন, শাইখ ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ খান মাদানী এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইমাম হুসাইন।
আলোচনায় অংশ নেন সংগঠনের যুগ্ম সেক্রেটারি জেনারেল শাইখ ড. মুযাফফর বিন মুহসিন, ফাতাওয়া ও গবেষণাবিষয়ক সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ ইবরাহীম মাদানী, তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক সেক্রেটারি আনওয়ারুল ইসলাম জাহাঙ্গীর এবং জমঈয়ত শুব্বানে আহলে হাদীস বাংলাদেশের সভাপতি আব্দুল্লাহিল হাদী ও সাধারণ সম্পাদক শাইখ তানযীল আহমাদসহ অন্যান্য নেতারা।
আয়োজক সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পবিত্র মক্কা ও মদিনার নিরাপত্তা এবং হারামাইন শরীফাইনের মর্যাদা রক্ষার বিষয়ে বিশ্ব মুসলিমের মধ্যে সচেতনতা, সংহতি ও দায়িত্বশীল অবস্থান জোরদার করাই এ সেমিনারের অন্যতম উদ্দেশ্য।
হারামাইন শরীফাইনের মর্যাদা ও নিরাপত্তা সুরক্ষায় তারা সেখানে লোক পাঠানোর অঙ্গীকারও ব্যক্ত করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ ও বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য নূরুল ইসলাম মনি বামনা উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং জনসেবার মানোন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরের কর্মকর্তাদের সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশনা প্রদান করেছেন।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে বামনা উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এ নির্দেশনা দেন।
চিফ হুইপ উল্লেখ করেন, সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণের লক্ষ্যে কর্মকর্তাদের সততা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। সরকারি সেবার মান বৃদ্ধি এবং উন্নয়ন প্রকল্পে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা অপরিহার্য। দুর্নীতির বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা বজায় রেখে মানুষের ভোগান্তি লাঘব করাই প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত।
সভায় আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজার নিরাপত্তা, মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার মানোন্নয়ন, হাসপাতালের স্বাস্থ্যসেবার ঘাটতি দূরীকরণ এবং কৃষি কার্ড ও সামাজিক সুরক্ষা ভাতার সঠিক বণ্টন নিশ্চিত করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়। এছাড়া ভাঙাচোরা সড়ক সংস্কার এবং নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়।
বামনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোসা. নিকহাত আরার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বনালী দেবনাথ, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুক হোসেন খান, বিশিষ্ট শিল্পপতি মো. রুহুল আমিন শরীফ, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার আবুল কালাম আজাদ রানা, বীর মুক্তিযোদ্ধা মতিন আল হোসাইন সেলিম সরদার এবং চিফ হুইপের একান্ত সচিব মো. তৌহিদুল ইসলাম তৌহিদসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সাংবাদিকরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল রেঞ্জ পুলিশের ডিআইজি জুলফিকার আলী হায়দার শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো গুজবের প্রতি কান না দেওয়ার এবং উসকানি মূলক প্রচারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি সকলকে পূজামণ্ডপে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না করার জন্য সজাগ থাকারও অনুরোধ করেন।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বরগুনার আমতলী উপজেলায় শারদীয় দুর্গাপূজার সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ বছর আমতলী উপজেলায় ১৬টি পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজা উদযাপিত হবে। সভায় পূজামণ্ডপের নেতৃবৃন্দ, সনাতন ধর্মাবলম্বী, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় প্রশাসন, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
ডিআইজি জুলফিকার আলী হায়দার জানান, একদিন পর পূজামণ্ডপগুলোতে দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়বে। সেখানে শিশু, নারী ও বয়স্ক ব্যক্তিরা আসবেন। তাঁদের নিরাপদ চলাচল ও সার্বিক সহযোগিতা নিশ্চিত করতে পুলিশ, আনসার ও স্বেচ্ছাসেবীরা দায়িত্ব পালন করবেন। তবে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে কোনো গোষ্ঠী উসকানিমূলক প্রচারণা চালাতে পারে। তাই এ ধরনের প্রচারণায় বিভ্রান্ত হওয়া যাবে না এবং কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নেবেন না। কোথাও কোনো সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড বা বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা দেখা দিলে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ অথবা স্থানীয় থানা-পুলিশকে জানানোর আহ্বান জানান তিনি। পুলিশ অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলেও আশ্বস্ত করেন।
সভায় আমতলী উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট হরিহর চন্দ্র দাসের সভাপতিত্বে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সভাটি সঞ্চালনা করেন আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইয়াকুব হোসাইন।
সভায় বক্তব্য দেন বরগুনার পুলিশ সুপার মো. কুদরতই খুদা বিপিএম, আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান মো. হাফিজুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. জালাল উদ্দীন ফকির, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. তুহিন মৃধা, পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মো. কবির ফকির এবং গুলিশাখালী ইউনিয়ন পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি মনিন্দ্র নাথ মাঝি প্রমুখ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন আমতলী-তালতলী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. তারিকুল ইসলাম মাসুদ, পৌর বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মো. জালাল আহমেদ খান, যুবদল নেতা মেহেদী হাসান রাকিব, উপজেলা কেন্দ্রীয় দুর্গামন্দিরের সাধারণ সম্পাদক বিল্টু পাল, সিনিয়র সাংবাদিক সাইফুল্লাহ নাসির, হায়াতুজ্জামান মিরাজ, নাসির উদ্দীন মাহমুদ, মহসিন মাতুব্বর, সজিব মিয়া, মৃধা বেলাল, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও মানবাধিকারকর্মী জোসেফ মাহতাবসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা।
আমতলীর সনাতন ধর্মাবলম্বীরা আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপনের প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁরা আশা প্রকাশ করেন, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় জনগণের সম্মিলিত সহযোগিতায় আমতলীতে শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসরায়েলের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনো প্রধানমন্ত্রী সিরিয়ার শীর্ষ নেতার সাথে সরাসরি ফোনালাপের চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছেন বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ২০২৫ সালের জুলাই মাসে দামেস্কে সিরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও প্রেসিডেন্সিয়াল প্যালেসের নিকটবর্তী এলাকায় ইসরায়েলি বিমান হামলার পর সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার সাথে তার এই কথোপকথন ঘটে।
দীর্ঘকাল ধরে যুদ্ধাবস্থায় থাকা এবং কূটনৈতিক সম্পর্ক না থাকা দুই চিরশত্রু দেশের শীর্ষ নেতার মধ্যে সরাসরি কথা বলার ঘটনা এটিই প্রথম বলে মনে করা হচ্ছে। সম্প্রতি দ্রুজ সম্প্রদায়ের এক লিকুদ কনফারেন্সে নেতানিয়াহু এই বিস্ফোরক তথ্যটি প্রকাশ করেন।
সেদিনের ফোনালাপের স্মৃতি স্মরণ করে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বলেন, "আমি ফোনটি তুলে শারাাকে কল করলাম। কথোপকথনটি ছিল অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত এবং কড়া বার্তার। আর এর ফলেই সিরিয়ায় দ্রুজদের ওপর চলা হত্যাযজ্ঞ বন্ধ হয়েছিল।"
বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৪ সালের শেষের দিকে দীর্ঘকালীন শাসক বাশার আল-আসাদের পতনের পর ক্ষমতা গ্রহণকারী আহমেদ আল-শারাার সরকারের সাথে ইসরায়েলের এই যোগাযোগ মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে একটি বড় মোড় হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইসরায়েল দাবি করেছে, সিরিয়ার দ্রুজ-প্রধান সুয়েদা অঞ্চলে চলা সাম্প্রদায়িক সংঘাত এবং সেখানকার দ্রুজ সম্প্রদায়কে রক্ষা করার জন্যই ওই বিমান হামলা চালানো হয়েছিল।
কনফারেন্সে দ্রুজ সম্প্রদায়কে আশ্বস্ত করে নেতানিয়াহু বলেন, "আমাদের এবং আপনাদের ভাইদের সুরক্ষায় আমি আমার সাধ্যমতো সবকিছু করব।"
বর্তমানে ইসরায়েল ও শারাা সরকারের মধ্যে একটি সম্ভাব্য নিরাপত্তা চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে এই চুক্তির পথে অন্যতম বড় বাধা সিরিয়ার ভূখণ্ড। আসাদ সরকারের পতনের পর থেকে সিরীয় সীমান্তে আইডিএফ (ইসরায়েলি সেনাবাহিনী) যে বাফার জোন দখল করে রেখেছে, সেখান থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের জোরালো দাবি জানিয়ে আসছে সিরিয়া। সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬ : গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের আজ একটি বিবৃতিতে জানিয়েছেন, সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের বাসা বরাদ্দ প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ, সহজ, দ্রুত এবং জনবান্ধব করার উদ্দেশ্যে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় অনলাইনে বাসা বরাদ্দ প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
অনলাইন বাসা বরাদ্দের ফলাফল প্রকাশের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী উল্লেখ করেন, "দেশে সুশাসন, স্বচ্ছতা ও নাগরিক সেবা সহজীকরণ করাই আমাদের সরকারের অঙ্গীকার।"
তিনি আরও বলেন, মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও সুশাসন নিশ্চিত করার অংশ হিসেবে সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের বাসা বরাদ্দ প্রক্রিয়াকে আরও জনবান্ধব করতে এই অনলাইন বরাদ্দের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ সময় গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর, মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ওবায়দুর রহমান, অতিরিক্ত সচিব মো. আব্দুল মতিন এবং সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের পরিচালক মো. জহিরুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন।
এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে গত ১৫ সেপ্টেম্বর অনলাইনে বাসা বরাদ্দের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তির অনুযায়ী, গত ১৬ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করা হয়। বিভিন্ন শ্রেণির জন্য মোট ৫৪টি শূন্য বাসার বিপরীতে ৫৯৬টি আবেদন জমা পড়েছে। প্রাপ্ত আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে ৩৪২টি আবেদন গ্রহণযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হয় এবং ২৫৪টি আবেদন প্রয়োজনীয় শর্তাবলি পূরণ না হওয়ায় বাতিল করা হয়।
আজ সচিবালয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের এই অনলাইন বাসা বরাদ্দের ফলাফল প্রকাশের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
আগে সরকারি বাসা বরাদ্দ প্রক্রিয়া ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে সম্পন্ন হতো। প্রযুক্তির ব্যবহার করে সেবা প্রদান কার্যক্রমকে আরও জনবান্ধব করতে সরকারি আবাসন পরিদপ্তর বাসা বরাদ্দ প্রদান সেবাকে স্বয়ংক্রিয় করেছে।
অনলাইনে বাসা বরাদ্দের ফলাফল প্রকাশের ফলে বরাদ্দপ্রত্যাশীরা সহজেই ফলাফল জানতে পারবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ