প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইসরায়েলের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনো প্রধানমন্ত্রী সিরিয়ার শীর্ষ নেতার সাথে সরাসরি ফোনালাপের চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছেন বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ২০২৫ সালের জুলাই মাসে দামেস্কে সিরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও প্রেসিডেন্সিয়াল প্যালেসের নিকটবর্তী এলাকায় ইসরায়েলি বিমান হামলার পর সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার সাথে তার এই কথোপকথন ঘটে।
দীর্ঘকাল ধরে যুদ্ধাবস্থায় থাকা এবং কূটনৈতিক সম্পর্ক না থাকা দুই চিরশত্রু দেশের শীর্ষ নেতার মধ্যে সরাসরি কথা বলার ঘটনা এটিই প্রথম বলে মনে করা হচ্ছে। সম্প্রতি দ্রুজ সম্প্রদায়ের এক লিকুদ কনফারেন্সে নেতানিয়াহু এই বিস্ফোরক তথ্যটি প্রকাশ করেন।
সেদিনের ফোনালাপের স্মৃতি স্মরণ করে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বলেন, "আমি ফোনটি তুলে শারাাকে কল করলাম। কথোপকথনটি ছিল অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত এবং কড়া বার্তার। আর এর ফলেই সিরিয়ায় দ্রুজদের ওপর চলা হত্যাযজ্ঞ বন্ধ হয়েছিল।"
বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৪ সালের শেষের দিকে দীর্ঘকালীন শাসক বাশার আল-আসাদের পতনের পর ক্ষমতা গ্রহণকারী আহমেদ আল-শারাার সরকারের সাথে ইসরায়েলের এই যোগাযোগ মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে একটি বড় মোড় হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইসরায়েল দাবি করেছে, সিরিয়ার দ্রুজ-প্রধান সুয়েদা অঞ্চলে চলা সাম্প্রদায়িক সংঘাত এবং সেখানকার দ্রুজ সম্প্রদায়কে রক্ষা করার জন্যই ওই বিমান হামলা চালানো হয়েছিল।
কনফারেন্সে দ্রুজ সম্প্রদায়কে আশ্বস্ত করে নেতানিয়াহু বলেন, "আমাদের এবং আপনাদের ভাইদের সুরক্ষায় আমি আমার সাধ্যমতো সবকিছু করব।"
বর্তমানে ইসরায়েল ও শারাা সরকারের মধ্যে একটি সম্ভাব্য নিরাপত্তা চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে এই চুক্তির পথে অন্যতম বড় বাধা সিরিয়ার ভূখণ্ড। আসাদ সরকারের পতনের পর থেকে সিরীয় সীমান্তে আইডিএফ (ইসরায়েলি সেনাবাহিনী) যে বাফার জোন দখল করে রেখেছে, সেখান থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের জোরালো দাবি জানিয়ে আসছে সিরিয়া। সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন