হোসেনপুর (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি
০৫:৪৫ পি.এম
কোরআনের আলোয় জীবন আলোকিত করার প্রত্যয়ে, কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার সাহেবের চর গ্রামে অবস্থিত উসমান জুন্নুরাইন নূরানী হাফিজিয়া কওমী মাদ্রাসায় নূরানী সমাপ্তকারী ১৩ জন শিক্ষার্থীর নাজেরার সবক প্রদান ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়ে গেছে।
শনিবার (১৮ জুলাই) সকালে মাদ্রাসা ক্যাম্পাসে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে নাজেরার সবক প্রদান করেন হাফেজ মাওলানা মুফতি নাসির উদ্দীন।
এ সময় তিনি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মানোন্নয়ন, কোরআন শিক্ষার গুরুত্ব এবং চরাঞ্চলে দ্বীনি শিক্ষার প্রসারে করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন।
অত্র মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা মাহবুবুর রাজ্জাক চঞ্চল-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিশেষ অতিথি ছিলেন হাফেজ মাওলানা মুফতি শরিফুল ইসলাম, মাওলানা রাফি। এ ছাড়া অত্র মাদ্রাসা শিক্ষক মাওলানা আজহারুল ইসলাম, হাফেজ ফয়সাল আহমেদসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, অভিভাবকবৃন্দ এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
দিকনির্দেশনামূলক আলোচনায় বক্তারা বলেন, মনোরম পরিবেশে জেনারেল শিক্ষার সমন্বয়ে তিনজন অভিজ্ঞ শিক্ষক দ্বারা পরিচালিত এই মাদ্রাসা যদি তার শিক্ষার মান অক্ষুণ্ন রাখতে পারে, তবে কুরআনের আলো ছড়ানোর ক্ষেত্রে এটি কালের সাক্ষী হয়ে থাকবে। শিক্ষার গুনগত মানের ভূয়সী প্রশংসাও করেন বক্তারা।
বক্তারা আরও বলেন, “কিয়ামতের দিন পুরো পৃথিবী ধ্বংস হয়ে গেলেও একমাত্র অক্ষুণ্ন থাকবে মহাগ্রন্থ আল কুরআন। আর যারা সন্তানকে কুরআনের হাফেজ বানানোর স্বপ্ন দেখেন, তাদের চেয়ে সৌভাগ্যবান আর কেউ হতে পারে না।”
নাজেরার সবক গ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, “আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস—এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাই একদিন সমাজ ও দেশকে ইসলামের আলোয় আলোকিত করবে।”
জানা জানা যায়, প্রত্যন্ত ও অবহেলিত চরাঞ্চলের মানুষের মাঝে ইসলামী শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে ২০২৫ সালে মাদ্রাসাটির যাত্রা শুরু হলেও তীব্র অর্থসংকটে একটি মাত্র টিনশেড ঘরেই পরিচালিত হচ্ছে সব ক্লাস। নেই পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষ, টয়লেট ও টিউবওয়েলসহ নানা মৌলিক সুবিধা।
“কোনো সরকারি বা বেসরকারি অনুদান ও সহায়তা পেলে এই অবহেলিত চরাঞ্চলেও ইসলামী শিক্ষায় একটি আলোকিত সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব হতো।”
অনুষ্ঠান শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্পেনের তরুণ ফুটবল তারকা লামিন ইয়ামাল মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও নিয়মিত আলোচনা ও গুঞ্জনের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকেন। এবার তার প্রেমিকা ইনেস গার্সিয়ার গলায় দেখা যাওয়া একটি বিশেষ কাস্টম ডায়মন্ড নেকলেসের কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।
বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালের আগে স্টেডিয়ামে ইনেস গার্সিয়াকে এই নেকলেস পরে দেখা যায়। এরপরই এর নকশা ও এতে থাকা বিভিন্ন প্রতীক নিয়ে ভক্তদের মধ্যে একটি বিরাট কৌতূহল তৈরি হয়।
স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম লা ভ্যানগার্ডিয়া জানায়, এটি বিশেষভাবে লামিন ইয়ামালের পক্ষ থেকে ইনেস গার্সিয়ার জন্য তৈরি করা একটি উপহার। নেকলেসটি ডিজাইন করেছেন স্প্যানিশ জুয়েলার ইনিয়াকি তোরেস, যিনি আইটি জুয়েলার্সের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে পরিচিত।
স্প্যানিশ ম্যাগাজিন ওলাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইনিয়াকি তোরেস জানান, গোলাপি সোনা ও উচ্চমানের হিরা দিয়ে হাতে তৈরি এই অলংকারটি সম্পূর্ণ কাস্টম ডিজাইনের। নেকলেসটিতে দুটি প্রধান অংশ রয়েছে।
এক অংশে রয়েছে ‘LY’, যা লামিন ইয়ামালের নামের আদ্যক্ষর। অন্য অংশে ১০, ১৯, ২৭ ও ৪১ এই চারটি সংখ্যা রয়েছে। এই সংখ্যাগুলি ইয়ামালের ফুটবল ক্যারিয়ারের বিভিন্ন সময়ে ব্যবহৃত জার্সি নম্বরের প্রতীক।
এছাড়া নেকলেসে যুক্ত করা হয়েছে ‘৩০৪’ প্রতীক, যা বার্সেলোনার রোকাফোন্দা এলাকার পোস্টাল কোড ০৮৩০৪-এর শেষ তিন অঙ্ক। এটি ইয়ামালের শৈশব, বেড়ে ওঠা এবং নিজের শিকড়ের প্রতি ভালোবাসার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। নকশায় আরও রয়েছে একটি মুকুট ও একটি ফুটবল বুটের প্রতিরূপ, যা তার সাফল্য ও ফুটবল ক্যারিয়ারের প্রতীকী উপস্থাপন।
দামের দিক থেকেও নেকলেসটি বেশ ব্যয়বহুল। লা ভ্যানগার্ডিয়া ও ওলা-এর তথ্য অনুযায়ী, এর মূল্য ২৫ হাজার থেকে ৩০ হাজার ইউরোর মধ্যে। সর্বোচ্চ মূল্য ৩০ হাজার ইউরো হিসেবে ধরলে, বাংলাদেশি মুদ্রায় এর আনুমানিক মূল্য প্রায় ৪৩ লাখ টাকা।
জুয়েলারি বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি একটি ‘ওয়ান-অফ-ওয়ান’ বা একক ডিজাইনের অলংকার। অর্থাৎ একই নকশার আর কোনো বাণিজ্যিক সংস্করণ বাজারে নেই। প্রতিটি প্রতীক ও নকশা ইয়ামালের ব্যক্তিগত জীবন, শৈশব এবং ফুটবল ক্যারিয়ারের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়কে তুলে ধরার উদ্দেশ্যেই তৈরি করা হয়েছে।
বিশ্বকাপ চলাকালে ইনেস গার্সিয়া প্রথমবার প্রকাশ্যে এই নেকলেস পরে আসার পর থেকেই এটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। অনেক ভক্তের মতে, এটি শুধুই একটি দামী উপহার নয় বরং লামিন ইয়ামালের জীবনসংগ্রাম, শিকড়ের প্রতি টান এবং সাফল্যের প্রতীক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. Shahadat Hossain আজ চট্টগ্রাম ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে অ্যাপটির উদ্বোধন করেন।
এতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, চট্টগ্রামকে একটি স্মার্ট, প্রযুক্তিনির্ভর ও জবাবদিহিমূলক নগরী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে নাগরিক সেবাকে এক প্ল্যাটফর্মে নিয়ে এসেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)।
এ লক্ষ্যে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ওয়ান স্টপ সিটিজেন সার্ভিস মোবাইল ও ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন ‘আমাদের চট্টগ্রাম’-এর শুভ উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র, ডা. Shahadat Hossain।
শনিবার সকাল ১১টায় চট্টগ্রাম ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে, প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে অ্যাপটির উদ্বোধন করেন।
অ্যাপটি বাস্তবায়নে করপোরেট সোশ্যাল রেসপন্সিবিলিটি (সিএসআর) খাত থেকে অর্থায়ন করেছে ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড (ইবিএল) এবং এর প্রযুক্তিগত উন্নয়ন করেছে ভেনটো টেক।
উদ্বোধনী বক্তব্যে মেয়র ডা. Shahadat Hossain বলেন, “আমাদের লক্ষ্য একটি স্মার্ট, পরিচ্ছন্ন, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক চট্টগ্রাম গড়ে তোলা।” তিনি জানান, নাগরিকরা এখন ঘরে বসেই রাস্তা, জলাবদ্ধতা, মশার উপদ্রব, ময়লা আবর্জনা, সড়কবাতি ও নর্দমাসহ ১০টি ক্যাটাগরির যেকোনো সমস্যা ছবি তুলে লোকেশনসহ সরাসরি সিটি কর্পোরেশনকে জানাতে পারবেন।
তিনি আরো বক্তব্যে বলেন, “শুধু অভিযোগই নয়, অভিযোগটি কোন পর্যায়ে রয়েছে, চলমান নাকি সমাধান হয়েছে, তাও লাইভ ট্র্যাক করা যাবে।” চসিক মেয়র আরও বলেন, এই অ্যাপের মাধ্যমে জরুরি সেবা, মেয়রের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ, হোল্ডিং ট্যাক্স ও ট্রেড লাইসেন্সসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নাগরিক সেবা একটি প্ল্যাটফর্মেই পাওয়া যাবে।
এ ছাড়াও, প্রশাসনিক দক্ষতা যেমন বাড়বে, তেমনি নাগরিকদের প্রতি আমাদের জবাবদিহিতাও নিশ্চিত হবে। মেয়র বলেন, “কোনো শহরকে শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে শতভাগ সুন্দর করা সম্ভব নয়। এজন্য প্রয়োজন নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ।”
তিনি বলেন, “আমাদের চট্টগ্রাম” অ্যাপ সেই অংশগ্রহণের নতুন দ্বার খুলে দিয়েছে। আমি চট্টগ্রামের প্রতিটি নাগরিককে অনুরোধ করবো, গুগল প্লে স্টোর কিংবা অ্যাপ স্টোর থেকে অ্যাপটি ডাউনলোড করুন এবং নিজের শহরকে সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য রাখতে সক্রিয় ভূমিকা রাখুন।
এ সময় অনুষ্ঠানের সভাপতি হিসেবে চসিক-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ও সচিব মোহাম্মদ আশরাফুল আমিন উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও অনুষ্ঠানে অংশ নেন চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মো. জানে আলম, ডিআইজি চট্টগ্রাম রেঞ্জ মো. মনিরুজ্জামান, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী ও রাজনীতিবিদ আবুল হাশেম বক্কর প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরানের হামলায় কুয়েতের একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ঘটনায় কয়েকজন আহত হয়েছে এবং উল্লেখযোগ্য পরিমাণে অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে কুয়েত পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (কেপিসি)।
শনিবার (১৮ জুলাই) সকালে এ হামলার ঘটনা ঘটে বলে কুয়েতের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা কুনার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
কেপিসি তাদের প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানায়, আহতদের দ্রুত চিকিৎসা দেয়া হয়েছে এবং সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে সংশ্লিষ্ট স্থাপনাটি খালি করা হয়েছে। হামলার পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ চলছে বলে জানানো হয়।
এর আগে কুয়েতের বিদ্যুৎ, পানি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি মন্ত্রণালয় তাদের এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইরানের হামলায় একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র ও একটি পানি শোধনাগারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
বিবৃতিতে আরও কিছু জানানো হয়েছে, বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা স্থিতিশীল রাখতে বিভিন্ন সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
এদিকে, কুয়েতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেশটির ভূখণ্ডে ইরানের হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। তারা তাদের বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে, বেসামরিক গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোকে ইচ্ছাকৃতভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে, যা ইরানের ‘ধারাবাহিক আগ্রাসী কর্মকাণ্ডের’ অংশ। কুয়েত জানিয়েছে, নিজেদের ভূখণ্ড ও নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার এবং আত্মরক্ষার অধিকার দেশটি রয়েছে।
তথ্যসূত্র: গালফ নিউজ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহের ভালুকার একটি সিরামিক কারখানার ইটিপি (এফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট) মেরামত করার সময় দুই শ্রমিকের মৃত্যু ঘটেছে। শনিবার (১৮ জুলাই) সকাল বেলায় উপজেলার হবিরবাড়ী ইউনিয়নের পাড়াগাঁও এলাকায় অবস্থিত এক্সিল্যান্ড সিরামিক্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত শ্রমিকদ্বয় হলেন খুলনার কয়রা উপজেলার নকসা গ্রামের ফারুক গাজীর ছেলে মেকানিক্যাল ওয়েল্ডার শফিকুল ইসলাম (২৮) এবং নেত্রকোনার খালিয়াজুড়ি উপজেলার বল্লী গ্রামের কোয়েল মিয়ার ছেলে ওয়েল্ডার হেলপার রুমেল মিয়া (২৫)।
শিল্প পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্র জানায় যে, শনিবার সকালে ইটিপি প্ল্যান্টের মেরামত কাজ চলাকালীন প্রথমে ওয়েল্ডার হেলপার রুমেল প্ল্যান্টের গর্তে নেমে যান। কিছুক্ষণ পর তিনি হঠাৎ অচেতন হয়ে পড়েন। এরপর সহকর্মী মেকানিক্যাল ওয়েল্ডার শফিকুল ইসলাম তাকে উদ্ধারে নিচে নেমে আসেন।
কিছু সময়ের মধ্যেই তিনিও অসুস্থ হয়ে পড়েন।
পরে অন্যান্য শ্রমিকেরা তাদের উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর কারখানার শ্রমিকরা অভিযোগ করেছেন যে, প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত না করায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। তারা কারখানা কর্তৃপক্ষের অবহেলাকে দায়ী করেছেন।
এক্সিল্যান্ড সিরামিক্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের স্যানিটারি প্ল্যান্টের ম্যানেজার অভিনাশ কুন্ডু বলেন, "প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ইটিপি প্ল্যান্টের গর্তে জমে থাকা বিষাক্ত গ্যাসের প্রভাবে দুই শ্রমিক অচেতন হয়ে পড়েন। দ্রুত তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলেও চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।"
ভালুকা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, "খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। তবে এর আগে কারখানা কর্তৃপক্ষ দুই শ্রমিককে হাসপাতালে নিয়ে যায়, যেখানে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। মরদেহ দুটি বর্তমানে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ