প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
স্পেনের তরুণ ফুটবল তারকা লামিন ইয়ামাল মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও নিয়মিত আলোচনা ও গুঞ্জনের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকেন। এবার তার প্রেমিকা ইনেস গার্সিয়ার গলায় দেখা যাওয়া একটি বিশেষ কাস্টম ডায়মন্ড নেকলেসের কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।
বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালের আগে স্টেডিয়ামে ইনেস গার্সিয়াকে এই নেকলেস পরে দেখা যায়। এরপরই এর নকশা ও এতে থাকা বিভিন্ন প্রতীক নিয়ে ভক্তদের মধ্যে একটি বিরাট কৌতূহল তৈরি হয়।
স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম লা ভ্যানগার্ডিয়া জানায়, এটি বিশেষভাবে লামিন ইয়ামালের পক্ষ থেকে ইনেস গার্সিয়ার জন্য তৈরি করা একটি উপহার। নেকলেসটি ডিজাইন করেছেন স্প্যানিশ জুয়েলার ইনিয়াকি তোরেস, যিনি আইটি জুয়েলার্সের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে পরিচিত।
স্প্যানিশ ম্যাগাজিন ওলাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইনিয়াকি তোরেস জানান, গোলাপি সোনা ও উচ্চমানের হিরা দিয়ে হাতে তৈরি এই অলংকারটি সম্পূর্ণ কাস্টম ডিজাইনের। নেকলেসটিতে দুটি প্রধান অংশ রয়েছে।
এক অংশে রয়েছে ‘LY’, যা লামিন ইয়ামালের নামের আদ্যক্ষর। অন্য অংশে ১০, ১৯, ২৭ ও ৪১ এই চারটি সংখ্যা রয়েছে। এই সংখ্যাগুলি ইয়ামালের ফুটবল ক্যারিয়ারের বিভিন্ন সময়ে ব্যবহৃত জার্সি নম্বরের প্রতীক।
এছাড়া নেকলেসে যুক্ত করা হয়েছে ‘৩০৪’ প্রতীক, যা বার্সেলোনার রোকাফোন্দা এলাকার পোস্টাল কোড ০৮৩০৪-এর শেষ তিন অঙ্ক। এটি ইয়ামালের শৈশব, বেড়ে ওঠা এবং নিজের শিকড়ের প্রতি ভালোবাসার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। নকশায় আরও রয়েছে একটি মুকুট ও একটি ফুটবল বুটের প্রতিরূপ, যা তার সাফল্য ও ফুটবল ক্যারিয়ারের প্রতীকী উপস্থাপন।
দামের দিক থেকেও নেকলেসটি বেশ ব্যয়বহুল। লা ভ্যানগার্ডিয়া ও ওলা-এর তথ্য অনুযায়ী, এর মূল্য ২৫ হাজার থেকে ৩০ হাজার ইউরোর মধ্যে। সর্বোচ্চ মূল্য ৩০ হাজার ইউরো হিসেবে ধরলে, বাংলাদেশি মুদ্রায় এর আনুমানিক মূল্য প্রায় ৪৩ লাখ টাকা।
জুয়েলারি বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি একটি ‘ওয়ান-অফ-ওয়ান’ বা একক ডিজাইনের অলংকার। অর্থাৎ একই নকশার আর কোনো বাণিজ্যিক সংস্করণ বাজারে নেই। প্রতিটি প্রতীক ও নকশা ইয়ামালের ব্যক্তিগত জীবন, শৈশব এবং ফুটবল ক্যারিয়ারের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়কে তুলে ধরার উদ্দেশ্যেই তৈরি করা হয়েছে।
বিশ্বকাপ চলাকালে ইনেস গার্সিয়া প্রথমবার প্রকাশ্যে এই নেকলেস পরে আসার পর থেকেই এটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। অনেক ভক্তের মতে, এটি শুধুই একটি দামী উপহার নয় বরং লামিন ইয়ামালের জীবনসংগ্রাম, শিকড়ের প্রতি টান এবং সাফল্যের প্রতীক।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন