ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জাতীয় স্বার্থে রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করলেন ট্রাম্প


জাতীয় স্বার্থে রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করলেন ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গেছেন। তিনি রাশিয়ার রপ্তানি পণ্যের ওপর আরোপিত অনেক নিষেধাজ্ঞা ও শুল্ক শিথিল করেছেন। গত মাসে স্বাক্ষরিত একটি আইনের আওতায় রোববার থেকে এসব নিষেধাজ্ঞা ও শুল্ক কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। ট্রাম্পের দাবি, ‘জাতীয় স্বার্থে’ এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

যদি প্রস্তাবিত পদক্ষেপ কার্যকর হয়, তাহলে রাশিয়ার জ্বালানি কেনা দেশগুলোর ওপর সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের সুযোগ সৃষ্টি হতো। এতে ভারত ও চীনসহ অন্তত ১০টি দেশ শুল্কের ঝুঁকিতে পড়তে পারত।

এক্ষেত্রে ওই দেশগুলোকে ছাড় দেওয়া হয়েছে বলে মার্কিন কংগ্রেসকে জানিয়েছেন ট্রাম্প। শুক্রবার গভীর রাতে প্রকাশিত এক নির্বাহী আদেশে তিনি উল্লেখ করেন, ‘আমি এতদ্বারা গ্রাহাম আইনে নির্ধারিত নিষেধাজ্ঞা, বিধিনিষেধ ও শুল্ক প্রয়োগ স্থগিত করছি। এ মুহূর্তে এ ধরনের ছাড় দেওয়া যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় স্বার্থে—এ মর্মে আমি কংগ্রেসে একটি প্রত্যয়নপত্র জমা দিয়েছি।’

আরও পড়ুন: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে প্রাণ হারালেন চান্দিনার সাগর

তবে এই সিদ্ধান্তকে স্থায়ী অব্যাহতি হিসেবে দেখা যাবে না। নির্বাহী আদেশে আপাতত সংশ্লিষ্ট শুল্ক কার্যকর করা স্থগিত রাখা হয়েছে। ভবিষ্যতে পরিস্থিতি বিবেচনায় ট্রাম্প চাইলে আবারও এসব শুল্ক আরোপ করতে পারবেন।

যদিও ট্রাম্পের সেই ‘জাতীয় স্বার্থের’ নেপথ্যে আদতে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ভয় আছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল। আগামী ৩ নভেম্বর মধ্যবর্তী নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে।

এর আগে মার্কিনিদের মন জয়ে রাশিয়া থেকে বিপুল পরিমাণে ডিজেল কেনার কথা ঘোষণা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। যদিও এর আগে রাশিয়ার থেকে তেল কেনার জন্য অন্যদের হুঁশিয়ারি দিতেন ট্রাম্প। এখন তিনিই রাশিয়ার থেকে ডিজেল কেনার কথা ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন: সৌদি-হুথি সংঘাত সমাধানে সহযোগিতার জন্য প্রস্তুত ইরান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পুঁজিবাজারে অব্যাহত দরপতনে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনায় রবিবারে মানববন্ধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:২১ এম


পুঁজিবাজারে অব্যাহত দরপতনে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনায় রবিবারে মানববন্ধন

পুঁজিবাজারে অব্যাহত দরপতন ও বিনিয়োগকারীরা ব্যাপক লোকসানে নিঃস্ব হওয়ার প্রতিবাদে বাংলাদেশ ক্যাপিটাল মার্কেট ইনভেস্টম্যান্ট এসোসিয়েশন এর উদ্যোগে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি হস্হক্ষেপ কামনা করে আগামী কাল ১৮ অক্টোবর রবিবার দুপুর ২.৩০ পুরাতন ডি এস ইসি ভবনের সামনে বিনিয়োগকারীদের নিয়ে বিশাল মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়েছে।
বাংলাদেশ ক্যাপিটার মার্কেট ইনভেস্টমেন্ট এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দরা জানান বর্তমান বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে প্রধানমন্ত্রীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা ছাড়া কোন বিকল্প নেই।
তারা বলেন দীর্ঘদিন ধরে দেশের পুঁজিবাজারে অস্থিরতা ও দরপতন অব্যাহত থাকায় সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ে নিঃস্ব হয়েছেন। অনেক বিনিয়োগকারী তাদের সঞ্চয় হারিয়ে চরম হতাশায় দিন কাটাচ্ছেন।
বক্তারা অভিযোগ করেন, পুঁজিবাজারে আস্থার সংকট তৈরি হওয়ায় নতুন বিনিয়োগকারীরাও বাজারে আসতে নিরুৎসাহিত হচ্ছেন। বাজারে কারসাজি, অনিয়ম ও অস্বাভাবিক দরপতন বন্ধ করে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
বিজ্ঞপ্তিতে পুঁজিবাজারের বর্তমান সংকট নিরসনে সরকারের উচ্চপর্যায়ের দ্রুত হস্তক্ষেপ, এবং ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষায় কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবিতে রবিবারে মানববন্ধন সফল করার আহবান জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেহা বোরাকে মুক্তি দিল পুলিশ, দীপকেকে আদালতে তোলা হবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:২৯ এম


নেহা বোরাকে মুক্তি দিল পুলিশ, দীপকেকে আদালতে তোলা হবে

দিল্লি পুলিশ অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (এআইএসএ) সভাপতি নেহা বোরাকে কয়েক ঘণ্টা আটক রাখার পর মুক্তি দিয়েছে। তবে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকেকে মুক্তি দেওয়া হয়নি। পুলিশ জানিয়েছে, তাকে নিম্ন আদালতে পেশ করা হবে।

সংবাদ সংস্থা এএনআইয়ের রিপোর্ট অনুযায়ী, শুক্রবার সন্ধ্যায় সতর্কতামূলক ধারায় নেহা ও অভিজিৎকে আটক করা হয়েছিল। দিল্লি পুলিশ আইনের ৬৫ নম্বর ধারার আওতায় আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর নেহাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, অভিজিতের বিরুদ্ধে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (বিএনএসএস) আওতায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সিজেপি আইনি বিভাগের প্রধান রত্না সিং জানিয়েছেন, অভিজিৎকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাকে বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে পেশ করা হয়েছে। তবে তার অবস্থান সম্পর্কে এখনও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তিনি উল্লেখ করেছেন, ‘অভিজিৎকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাকে বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেটের কোর্টে পেশ করা হয়েছে। এখনো তার অবস্থান জানা যায়নি। তার সঙ্গে আইনজীবীরা দেখা করতে পারেননি।’

শুক্রবার দিল্লির কনট প্লেসে ‘লেহরা দো তিরঙ্গা’ প্রতিবাদ মিছিলের আগে দিল্লি পুলিশ অভিজিত দীপকে ও নেহা বোরাকে প্রতিরোধমূলক হেফাজতে নিয়েছিল।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

আরএ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কক্সবাজারের টুপটুপ রিসোর্টে আগুন, ৫ জনের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:২৯ এম


কক্সবাজারের টুপটুপ রিসোর্টে আগুন, ৫ জনের মৃত্যু

কক্সবাজারের মেরিনড্রাইভে টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের একটি ঘটনা ঘটেছে। এই অগ্নিকাণ্ডের ফলে পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে। আজ শনিবার সকালে এই দুঃখজনক ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আরো চার জনকে গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

বিস্তারিত আসছে...

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বজুড়ে ১০ বছরে সাড়ে ৪ হাজারেরও বেশি শিশু অভিবাসীর মৃত্যু: আইওএম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৩০ এম


বিশ্বজুড়ে ১০ বছরে সাড়ে ৪ হাজারেরও বেশি শিশু অভিবাসীর মৃত্যু: আইওএম

ঢাকা, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬ : উন্নত জীবন ও নিরাপত্তার সন্ধানে ঝুঁকিপূর্ণ উপায়ে অভিবাসনের চেষ্টা করার ফলে গত দশ বছরে সাড়ে চার হাজারেরও বেশি শিশু মারা গেছে।

এই উদ্বেগজনক তথ্য আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)-এর সর্বশেষ প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে। তবে সংস্থাটি সতর্ক করেছে যে, নিখোঁজ ও নথিপত্রহীন ঘটনার কারণে শিশু মৃত্যুর প্রকৃত সংখ্যা এই তালিকার চেয়ে অনেক বেশি হতে পারে।

আইওএম-এর ‘মিসিং মাইডেলিকেট গ্রেন্টস প্রজেক্ট’ (নিখোঁজ অভিবাসী প্রকল্প)-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০১৪ সাল থেকে সাম্প্রতিক সময় পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন অভিবাসন রুটে অন্তত ৪,৪১৪ জন শিশু অভিবাসীর মৃত্যু বা নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সমুদ্রের উত্তাল ঢেউ, মরুভূমির তীব্র আবহাওয়া এবং মানব পাচারকারীদের নিষ্ঠুরতার শিকার হয়ে প্রতি বছর শত শত শিশু প্রাণ হারাচ্ছে। ভূমধ্যসাগরকে সবচেয়ে বিপজ্জনক রুট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই রুট পাড়ি দিয়ে ইউরোপে যাওয়ার পথে অর্ধেকেরও বেশি শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। মৃত ও নিখোঁজ শিশুদের একটি বড় অংশ সাব-সাহারা আফ্রিকা, যুদ্ধবিধ্বস্ত মধ্যপ্রাচ্য এবং দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের নাগরিক।

আইওএম এবং জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ যৌথভাবে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে জানায়, উদ্ধারকৃত মরদেহ বা ডুবে যাওয়া নৌকার যাত্রীদের অর্ধেকেরও বেশি ক্ষেত্রে বয়স বা সঠিক পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। ফলে নথিবদ্ধ তথ্যের বাইরে হাজার হাজার শিশুর মৃত্যু আড়ালেই থেকে যাচ্ছে।

আইওএম-এর মহাপরিচালক বলেন, 'আইনি ও নিরাপদ অভিবাসন পথের অভাবই শিশুদের এই চরম ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে। প্রতিটি শিশুমৃত্যু বিশ্বনেতাদের জন্য একটি জরুরি সতর্কবার্তা।'

সংস্থাটি বিশ্বজুড়ে মানব পাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনপদের শিশুদের সুরক্ষায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে অবিলম্বে সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

রুটভিত্তিক শিশু মৃত্যুর ভয়াবহ পরিসংখ্যান

ভূমধ্যসাগরীয় রুট: উত্তর আফ্রিকা থেকে সমুদ্রপথে ইউরোপে যাওয়ার এই রুটটি শিশুদের জন্য সবচেয়ে প্রাণঘাতী প্রমাণিত হয়েছে। মোট শিশু মৃত্যুর অর্ধেকেরও বেশি (২,০০০-এর বেশি শিশু) এই রুটে সাগরে ডুবে মারা গেছে।

যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্ত এবং আমেরিকা অঞ্চল: ল্যাটিন আমেরিকা থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের চেষ্টা করার সময় মরুভূমির চরম আবহাওয়া ও নদীতে ডুবে কমপক্ষে ৮৫০ জন শিশুর মৃত্যু রেকর্ড করা হয়েছে।

আফ্রিকা মহাদেশীয় রুট: সাহারা মরুভূমি ও হর্ন অব আফ্রিকা অঞ্চলের দুর্গম পথ পাড়ি দিতে গিয়ে আরও শত শত শিশু পানিশূন্যতা ও তীব্র গরমে প্রাণ হারিয়েছে।

লিঙ্গ ও বয়স ভিত্তিক বিশ্লেষণ

আইওএম জানিয়েছে, মৃত শিশুদের মধ্যে যাদের বয়স চিহ্নিত করা সম্ভব হয়েছে, তাদের শতাধিক শিশুর বয়স ৫ বছরের কম ছিল। এছাড়া মোট মৃত্যুর মধ্যে মেয়ে শিশুদের তুলনায় ছেলে শিশুদের মৃত্যুর হার কিছুটা বেশি (প্রায় ৬০ শতাংশ)। তবে অর্ধেকেরও বেশি ক্ষেত্রে (প্রায় ৫২% মরদেহ) বয়স বা লিঙ্গ কোনোটিই সঠিকভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

মৃত্যুর প্রধান কারণসমূহ

নৌকাডুবি ও সলিলসমাধি: অনিরাপদ ও ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই প্লাস্টিক বা কাঠের নৌকা উল্টে যাওয়া।

চরম আবহাওয়া: মরুভূমিতে তীব্র তাপপ্রবাহ, পানিশূন্যতা এবং অনাহার।

পাচারকারীদের সহিংসতা: মানব পাচারকারী ও দালাল চক্রের হাতে শারীরিক নির্যাতন এবং ঝুঁকিপূর্ণ পথে জোরপূর্বক ঠেলে দেওয়া।

আন্তর্জাতিক সংস্থার জরুরি আহ্বান

আইওএম এবং জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ এক যৌথ বিবৃতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছে, আইনি ও নিরাপদ অভিবাসন পথের অভাবের কারণে অভিভাবকরা শিশুদের নিয়ে এই চরম আত্মঘাতী পথ বেছে নিচ্ছেন। সংস্থা দুটি বিশ্বনেতাদের প্রতি ঝুঁকিপূর্ণ জনপদের শিশুদের সুরক্ষায় আন্তর্জাতিক সীমানাগুলোতে উদ্ধার তৎপরতা জোরদার এবং মানব পাচারকারী সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে।

প্রতিবেদনের মূল বিবরণ ও পরিসংখ্যান

৮১ হাজারের মধ্যে অর্ধেকেরই বয়স অজানা : গত এক যুগে বিশ্বজুড়ে সব মিলিয়ে প্রায় ৮১,০০০ অভিবাসীর মৃত্যু ও নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা রেকর্ড করেছে আইওএম। তবে এর মধ্যে ৪৪,৮৬২টি ক্ষেত্রে (৫৫.৫ শতাংশ) মৃত বা নিখোঁজ ব্যক্তির বয়স বা বয়স ভিত্তিক কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে এই বিশাল সংখ্যার ভেতরে আরও কত শত শিশু হারিয়ে গেছে, তা অজানা রয়ে গেছে।

অদৃশ্য মৃত্যু: প্রতিবেদনে উদাহরণ দিয়ে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালে সেন্ট্রাল ভূমধ্যসাগরীয় রুট দিয়ে ইতালি ও মাল্টায় পৌঁছানো মোট অভিবাসীর ১৯ শতাংশই ছিল শিশু। অথচ ওই রুটে রেকর্ডকৃত মোট মৃত্যুর মাত্র ২ শতাংশ শিশু হিসেবে নথিবদ্ধ হয়েছে। এটি প্রমাণ করে যে সমুদ্রের তলদেশে হারিয়ে যাওয়া অসংখ্য শিশুর মৃত্যু নথির বাইরে ও সম্পূর্ণ অদৃশ্য থেকে যাচ্ছে।

তথ্যের উৎসের সীমাবদ্ধতা: আইওএম জানিয়েছে, মেডিকেল এক্সামিনার এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর মতো অফিশিয়াল সরকারি উৎস থেকে মাত্র ১৮ শতাংশ শিশু মৃত্যুর নির্ভরযোগ্য ও পূর্ণাঙ্গ তথ্য পাওয়া যায়। বাকি সিংহভাগ তথ্যই আসে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবিক সংস্থা, গণমাধ্যম এবং বেঁচে যাওয়া প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য থেকে।

আইওএম-এর ডেটা ও পলিসি বিভাগের প্রধান স্টুয়ার্ট ক্যাম্পো বলেন, 'অভিবাসন যাত্রায় প্রাণ হারানো প্রতিটি শিশুর হিসাব পাওয়ার অধিকার রয়েছে, অথচ তথ্যের অভাবে অনেকেই এই তালিকা থেকে বাদ পড়ে যাচ্ছে। আমরা যদি বিপদকে চোখেই না দেখি, তবে শিশুদের সুরক্ষাও দিতে পারব না।'

আন্তর্জাতিক ডেটা অ্যালায়েন্স ফর চিলড্রেন অন দ্য মুভ (আইডিএসি) এবং ইউনিসেফের যৌথ সহায়তায় প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে বিশ্বনেতাদের প্রতি সীমান্তে মৃতদের বয়স ও অভিবাসন স্ট্যাটাস সঠিকভাবে নথিবদ্ধ করার এবং বিভিন্ন দেশের আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান বৃদ্ধির জন্য জরুরি আহ্বান জানানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%