ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

অস্কারজয়ী অভিনেত্রী ইভা মেরি সেন্ট ১০২ বছর বয়সে মারা গেলেন


অস্কারজয়ী অভিনেত্রী ইভা মেরি সেন্ট ১০২ বছর বয়সে মারা গেলেন

হলিউডের স্বর্ণযুগের অন্যতম শেষ সারির তারকা এবং অস্কারজয়ী অভিনেত্রী ইভা মেরি সেন্ট মারা গেছেন। তিনি মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) লস অ্যাঞ্জেলেসের নিজ বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুর সময় তার বয়স ছিল ১০২ বছর। তার মুখপাত্র জেফ স্যান্ডারসন জানিয়েছেন, কিংবদন্তি এই অভিনেত্রীর মৃত্যুর কারণ স্বাভাবিক ছিল। মৃত্যুর সময় তার পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা তার পাশে উপস্থিত ছিলেন।

১৯৫৪ সালে ‘অন দ্য ওয়াটারফ্রন্ট’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক ঘটে ইভা মেরি সেন্টের। প্রথম সিনেমাতেই মার্লন ব্র্যান্ডোর বিপরীতে এডি ডয়েল চরিত্রে অভিনয় করে তিনি ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেন। অসাধারণ অভিনয়ের স্বীকৃতি হিসেবে ওই ছবির জন্য সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রী বিভাগে অস্কার জিতে নেন। তার অভিষেক ছবির মাধ্যমে অস্কার জয় তার ক্যারিয়ারকে শুরুতেই নতুন উচ্চতায় নিয়ে যায়।

এরপর ১৯৫৯ সালে আলফ্রেড হিচককের ‘নর্থ বাই নর্থওয়েস্ট’ সিনেমায় ক্যারি গ্রান্টের বিপরীতে ইভ ক্যান্ডাল চরিত্রে অভিনয় করে আরও খ্যাতি অর্জন করেন তিনি। সিনেমাটি হলিউডের অন্যতম আলোচিত ক্লাসিক হিসেবে বিবেচিত হয়। পরবর্তী সময়ে ‘এক্সোডাস’, ‘গ্র্যান্ড প্রি’, ‘দ্য স্টকিং মুন’সহ একাধিক সিনেমায় অভিনয় করেন ইভা।

আরও পড়ুন: মা হারালেন ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়িকা পপি

শুধু সিনেমা নয়, টেলিভিশনেও তার দীর্ঘ ও সফল ক্যারিয়ার ছিল। ১৯৯০ সালে ‘পিপল লাইক আস’ মিনি সিরিজের জন্য প্রাইমটাইম এমি পুরস্কার জেতেন তিনি। পরবর্তী প্রজন্মের দর্শকদের কাছে তিনি পরিচিত ছিলেন ‘সুপারম্যান রিটার্নস’ সিনেমায় মার্থা কেন্ট চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে। ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে অভিনয় করে ইভা মেরি সেন্ট হলিউডের ইতিহাসে এক অনন্য অধ্যায় রেখে গেলেন।

১৯২৪ সালের ৪ জুলাই নিউ জার্সির নিউয়ার্কে জন্মগ্রহণ করেন ইভা মেরি সেন্ট। ২০২৪ সালে পরিবারের সঙ্গে ১০০তম জন্মদিন উদযাপন করেছিলেন তিনি। প্রায় সাত দশকের অভিনয়জীবনে মঞ্চ, টেলিভিশন ও চলচ্চিত্রে নিজের স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেছিলেন এই অভিনেত্রী। তার মৃত্যুতে হলিউডের স্বর্ণযুগের আরেক উজ্জ্বল অধ্যায়ের অবসান হলো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খাদ্যসহায়তা নিয়ে নদীভাঙনকবলিত মানুষের পাশে ছুটে গেলেন নবাগত ইউএনও মো. জোবায়ের হাবিব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কবির হোসেন, আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩০ পি.এম


খাদ্যসহায়তা নিয়ে নদীভাঙনকবলিত মানুষের পাশে ছুটে গেলেন নবাগত ইউএনও মো. জোবায়ের হাবিব

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় মধুমতি নদীর তীব্র ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে খাদ্যসহায়তা নিয়ে ছুটে গেলেন নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জোবায়ের হাবিব। বুধবার (৭ অক্টোবর) সকালে তিনি উপজেলার চরখোলাবাড়িয়া ও দিগনগর এলাকার ভাঙনকবলিত স্থান পরিদর্শন করেন। এ সময় ৫০টি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রত্যেককে ১০ কেজি করে চাল দেওয়া হয়।

পরিদর্শনকালে ইউএনও নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের দুর্ভোগ ও ক্ষয়ক্ষতির খোঁজ নেন। বসতভিটা হারিয়ে অসহায় হয়ে পড়া পরিবারগুলোকে তাৎক্ষণিক সহায়তার পাশাপাশি ভবিষ্যতে প্রয়োজনীয় সরকারি সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েক দিন ধরে মধুমতি নদীতে পানি বৃদ্ধি ও স্রোতের তীব্রতা বাড়ায় চরখোলাবাড়িয়া ও দিগনগর এলাকায় ব্যাপক ভাঙন শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ওই দুই এলাকায় আটটি বসতঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এতে নদীপাড়ের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে আরও বহু বসতবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ফসলি জমি ও গাছপালা।

ভাঙনে ঘরবাড়ি হারিয়ে অনেক পরিবার খোলা আকাশের নিচে কিংবা স্বজনদের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন। হঠাৎ বসতভিটা হারিয়ে এসব পরিবার চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছে।

এ বিষয়ে ইউএনও মো. জোবায়ের হাবিব বলেন, মধুমতি নদীর ভাঙনের তীব্রতা সরেজমিনে দেখেছি। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ বিবেচনায় তাৎক্ষণিকভাবে খাদ্যসহায়তা দেওয়া হয়েছে। ভাঙন প্রতিরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর সঙ্গে কথা হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে জিওব্যাগ ডাম্পিংয়ের মাধ্যমে ভাঙন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে।

তিনি আরও বলেন, নদীভাঙন স্থায়ীভাবে রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের বিষয়টিও সরকারি উদ্যোগে বিবেচনা করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সড়ক প্রশস্তকরণে নিম্নমানের কাজ, এমপি সরোয়ার আলমগীর হাতেনাতে ধরলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩০ পি.এম


সড়ক প্রশস্তকরণে নিম্নমানের কাজ, এমপি সরোয়ার আলমগীর হাতেনাতে ধরলেন

চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়কের ঝুঁকিপূর্ণ অংশের প্রশস্তকরণ কাজে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনের সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীর।

মঙ্গলবার বিকেলে ফটিকছড়ির জুবলি স্কুল সংলগ্ন এলাকায় আকস্মিক পরিদর্শনকালে তিনি বালির পরিবর্তে মাটিমিশ্রিত বালি ব্যবহারের বিষয়টি হাতেনাতে দেখতে পান। এমপি পরে কাজ বন্ধ করে নিম্নমানের সামগ্রী তুলে নির্ধারিত মানের বালি দিয়ে পুনরায় কাজ করার নির্দেশনা প্রদান করেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, মঙ্গলবার বিকেলে ফটিকছড়ির একটি কর্মসূচিতে যাওয়ার পথে সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীর চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়কের জুবলি স্কুল সংলগ্ন ঝুঁকিপূর্ণ অংশে চলমান প্রশস্তকরণ কাজ পরিদর্শন করেন। বিষয়টি তার দৃষ্টিগোচর হলে তিনি গাড়ি থামিয়ে ঘটনাস্থলে নেমে কাজের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন।

এ সময় সড়কের ভিত্তি তৈরির কাজে নির্ধারিত মানের বালির পরিবর্তে মাটিমিশ্রিত বালি ব্যবহারের বিষয়টি তার নজরে আসে। সরকারি অর্থে গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কের কাজ নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে করায় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পরে কার্যাদেশপ্রাপ্ত ঠিকাদারকে কঠোরভাবে সতর্ক করে মাটিমিশ্রিত বালি সম্পূর্ণভাবে তুলে ফেলার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে নির্ধারিত মানের বালি ব্যবহার করে কাজ করার নির্দেশনা দেন তিনি।

এ সময় সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীর বলেন, "জনগণের ট্যাক্সের টাকায় বাস্তবায়িত উন্নয়ন কাজে কোনো ধরনের অনিয়ম বা নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার বরদাশত করা হবে না। কাজের মানের ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। অনিয়মের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গুরুত্বপূর্ণ চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়কের কাজ যদি টেকসই না হয়, তবে ভবিষ্যতে বড় ধরনের জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হতে পারে। তারা কাজের মান নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়মিত তদারকি দাবি করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নাগেশ্বরীতে ৭৪ শিশুর মা বিলকিছ বানু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাইদুল ইসলাম মামুন নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৩ পি.এম


নাগেশ্বরীতে ৭৪ শিশুর মা বিলকিছ বানু

 

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে এতিম, অসহায় ও ছিন্নমূল ৭৪ শিশুর আশ্রয়, শিক্ষা, চিকিৎসা ও মাতৃস্নেহের ঠিকানা হয়ে উঠেছেন বিলকিছ বানু। ২০০৯ সালে মাত্র ১৩ শিশুকে নিয়ে শুরু করা তাঁর মানবিক উদ্যোগ আজ ৭৪ শিশুর নিরাপদ আশ্রয়স্থলে পরিণত হয়েছে। শিশুদের ভবিষ্যৎ গড়তে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও।

এই মহৎ উদ্যোগে শুরু থেকেই বিলকিছ বানুর পাশে রয়েছেন তাঁর স্বামী নাগেশ্বরী ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক মো. রবিউল ইসলাম। শিশুদের কল্যাণে নিজেদের সম্পদও ট্রাস্টের নামে লিখে দিয়েছেন এই দম্পতি।

ছোটবেলা থেকেই মানুষের সেবায় আগ্রহী ছিলেন বিলকিছ বানু। বিয়ের কয়েক বছর পর চারজন ছিন্নমূল শিশুকে নিজের বাড়িতে এনে তাঁদের লেখাপড়া ও লালন-পালনের দায়িত্ব নেন তিনি। পরে পিতৃ-মাতৃহীন ও অসহায় শিশুদের জন্য স্থায়ীভাবে কিছু করার উদ্যোগ নেন। এর ধারাবাহিকতায় ২০০৯ সালে ১৩ শিশুকে নিয়ে প্রতিষ্ঠা করা হয় গোলাপ খাঁ শিশু সদন।

২০১২ সালে সেখানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হয়। পরবর্তীতে ২০১৭ সালে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কার্যক্রমও চালু করা হয়। বর্তমানে শিশু সদনে ৭৪ শিশু বসবাস করছে। ছেলে ও মেয়েদের জন্য রয়েছে পৃথক আবাসন ব্যবস্থা। শিশুদের দেখাশোনায় রয়েছেন ২০ জন শিক্ষক ও কর্মচারী।

শিশুদের খাবার, শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতনসহ অন্যান্য খরচ মিলিয়ে প্রতি মাসে প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকা ব্যয় হয়। শিশু সদনের ব্যয় মূলত ট্রাস্টের সম্পদ থেকে অর্জিত আয় দিয়ে পরিচালিত হয়। এর মধ্যে রয়েছে একটি সুপার মার্কেটের প্রায় ৮০টি দোকানের ভাড়া, কলেজছাত্রীদের জন্য নির্মিত হোস্টেলের আয় এবং কৃষিজমি থেকে পাওয়া অর্থ।

শুধু থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা নয়, অসুস্থ হলে শিশুদের চিকিৎসার দায়িত্বও নেন বিলকিছ বানু। চলতি বছরের জুনে প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী তুষার গিলিয়ান-বারে সিনড্রোমে আক্রান্ত হলে তার চিকিৎসায় প্রায় পাঁচ লাখ টাকা ব্যয় করা হয়। থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত শিশু ফাতেমার চিকিৎসাও চলছে।

বিলকিছ বানু বলেন, “চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে তহবিল শূন্য হয়ে যাচ্ছে। এই শিশুদের কোথায় ফেলে দেব? ওরা তো আমারই সন্তান।”

শিশু সদনের কো-অর্ডিনেটর সব্যসাচী সাহা জানান, এখানকার শিশুরা বিলকিছ বানুকে ‘মা’ এবং রবিউল ইসলামকে ‘বাবা’ বলে ডাকে। তাঁদের স্নেহ, ভালোবাসা ও যত্নেই শিশুরা বেড়ে উঠছে।

শিশু সদনের শিক্ষার্থীরাও তাঁদের প্রতি ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতার কথা জানিয়েছে। দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী আলিফ হামজা জানায়, পড়াশোনার সময় পড়াশোনা এবং খেলার সময় খেলতে উৎসাহ দেন ‘মা’। দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ইব্রাহীম জানায়, থাকা, খাওয়া ও পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলারও সুযোগ রয়েছে।

তবে দীর্ঘ এই পথচলায় প্রতিষ্ঠানটিকে নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হয়েছে। করোনাকালে আর্থিক সংকটের কারণে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কার্যক্রম চালু রয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের আবাসন ও আর্থিক সহায়তা শিশু সদন থেকেই দেওয়া হচ্ছে।

এই প্রতিষ্ঠান থেকে পড়াশোনা করে অনেক শিশু বর্তমানে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। তাঁদের মধ্যে একজন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছেন বলেও জানা গেছে।

বিলকিছ বানু জানান, জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও বিভিন্ন সময়ে সহায়তা পাওয়া গেছে। তবে শিশু সদনকে আরও বড় পরিসরে গড়ে তোলার স্বপ্ন রয়েছে তাঁদের। শহরের বাইরে ট্রাস্টের নামে থাকা প্রায় সাড়ে সাত বিঘা জমি নিয়েও বিরোধ রয়েছে বলে জানান তিনি।

স্বামী মো. রবিউল ইসলাম বলেন, “যত দিন বেঁচে আছি, আমাদের সবকিছু দিয়ে এই শিশুদের পাশে থাকব।”

বিলকিছ বানুর স্বপ্ন আরও বড়। তাঁর ভাষায়, “পেটে ধরা যায় দুই-একজনকে, বুকে ধরা যায় কোটি সন্তানকে। আমি সেই কোটি সন্তানের মা হতে চাই।”

১৩ শিশু দিয়ে শুরু হওয়া এই উদ্যোগ আজ ৭৪ এতিম ও অসহায় শিশুর আশ্রয়স্থল। সীমিত সামর্থ্যের মধ্যেও শিক্ষা, চিকিৎসা ও মাতৃস্নেহের মাধ্যমে এসব শিশুর ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার যে চেষ্টা বিলকিছ বানু ও রবিউল ইসলাম করে যাচ্ছেন, তা সমাজে মানবিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিমান বাহিনী প্রধানের সঙ্গে আইজিপির সৌজন্য সাক্ষাৎ, মতবিনিময়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৪৫ পি.এম


বিমান বাহিনী প্রধানের সঙ্গে আইজিপির সৌজন্য সাক্ষাৎ, মতবিনিময়

বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

সাক্ষাৎটি অনুষ্ঠিত হয় বুধবার (৭ অক্টোবর) বিমান বাহিনী সদর দপ্তরে। সাক্ষাৎকালে, আইজিপি এবং বিমান বাহিনী প্রধান কুশল বিনিময়ের পাশাপাশি বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ও পুলিশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন।

বাংলাদেশ পুলিশ জানায়, সৌহার্দ্য ও আন্তরিকতাপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই সাক্ষাৎ দুই বাহিনীর মধ্যে বিদ্যমান পারস্পরিক আস্থা ও পেশাদার সম্পর্কের প্রতিফলন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%