বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৭:৫০ এম
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এএফ রহমান হলের পাশে ফুটপাতে একটি নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে পুলিশ কর্তৃক। নবজাতকটির বয়স আনুমানিক এক দিন হতে পারে।
বুধবার (২২ জুলাই) রাত ৯টার দিকে শাহবাগ থানার পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেছে। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) তারক কুমার হালদার নবজাতকের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনা সম্পর্কে নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রাতে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯ এর মাধ্যমে খবর পেয়ে এ এফ রহমান হল ও গিয়াস উদ্দিন আবাসিক এলাকার মাঝামাঝি ফুটপাত থেকে নবজাতকের মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের সময় মরদেহটি একটি সাদা বাজারের ব্যাগের ভেতর পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় ছিল।
তিনি আরও জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, কেউ মৃত অবস্থায় নবজাতকটিকে সেখানে ফেলে গেছে। এ নিয়ে বিস্তারিত তদন্ত করা হচ্ছে এবং সেই সঙ্গে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেলের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের কালিবাফ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র বা অন্য কারোর জন্য যদি তেহরান তেল রপ্তানি করতে না পারে, তাহলে পুরো মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের কোনো দেশই তেল রপ্তানি করতে সক্ষম হবে না। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির প্রতিক্রিয়ায়, তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে (টুইটার) এই ‘সবাই অথবা কেউ না’ নীতি স্পষ্ট করেছেন।
গালিবাফ আরো বলেন, ‘এই যুদ্ধের সমীকরণ পরিষ্কার—হয় সবাই, নয়তো কেউই নয়। আমরা যদি তেল বিক্রি করতে পারি না, তাহলে এই অঞ্চলের আর কোনো দেশ তেল বিক্রি করতে পারবে না। আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে কোন অবকাঠামোই নিরাপদ থাকবে না। এদিকে মার্কিন বাহিনী যদি উপস্থিত থাকে, তাহলে হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।’
আরো পড়ুন: বিশ্বকাপের স্বপ্নের একাদশে স্পেনের তিন, আর্জেন্টিনার দুই, ব্রাজিলের কেউ নেই।
ইরানের স্পিকারের এই মন্তব্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি কঠোর হুঁশিয়ারির পর আসে। ট্রাম্প বলেন, যদি হরমুজ প্রণালিতে কোনো বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের পক্ষ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র, রকেট, ড্রোন বা অন্য কোনো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো হয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র তেহরানের সেতু এবং বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলা চালাবে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে যে, ইরানের সামরিক স্থাপনা, ড্রোন গুদাম, বিমান হ্যাঙ্গার, নৌ সক্ষমতা এবং লজিস্টিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে সর্বশেষ ৭৫ মিনিটব্যাপী অভিযান চালানো হয়েছে।
আরো পড়ুন: ধুঁকছে শিল্প ভুগছে গ্রাহক।
ওয়াশিংটনের অভিযোগ, গত তিন মাসে হরমুজ প্রণালিতে ৩০টিরও বেশি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার জন্য দায়ী ইরান। অন্যদিকে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) তাদের নৌবাহিনীকে হরমুজ প্রণালির বিকল্প রুট ব্যবহার না করার পরামর্শ দিয়েছে। একই সঙ্গে আইআরজিসির এক মুখপাত্র বলেছেন, হরমুজ প্রণালির দক্ষিণাঞ্চলের নৌপথে মাইন পেতে রাখা হয়েছে এবং ওই পথ এড়িয়ে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিশ্ববাজারে তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী হওয়া শুরু হয়েছে। ইরানের সর্বশেষ হুঁশিয়ারির পর বিশ্ব জ্বালানি বাজারে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বৈশ্বিক সমুদ্রপথে পরিবাহিত তেলের একটি বড় অংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাতায়াত করে। ফলে এই পথে যেকোনো বিঘ্ন আন্তর্জাতিক বাজারে তাৎক্ষণিক প্রভাব ফেলতে পারে।
আরো পড়ুন: সিজেপি আন্দোলন নিয়ে নীরবতা ভাঙলেন সালমান খান।
হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা এবং বাব আল-মান্দেব প্রণালির নিরাপত্তা ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ার ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম একপর্যায়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৫ ডলারের ওপরে উঠে যায়। পরে দাম কিছুটা কমে প্রায় ৯৩ ডলারে নেমে আসে।
সংঘাত আরো বিস্তৃত হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর শুরু হওয়া সংঘাত এখন পুরো মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। ইরান পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে।
বিভিন্ন পক্ষের হামলায় হাজারো মানুষ মারা গেছে এবং লাখো মানুষের বাস্তুচ্যুত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
আরো পড়ুন: মালয়েশিয়ায় ১০ তলা ভবন থেকে পড়ে বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু।
ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা দাবি করেছেন, সাম্প্রতিক মার্কিন হামলায় অন্তত ৫০ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। এছাড়া প্রায় ৫০০ জন আহত হয়েছেন। অন্যদিকে সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ১৮ জন সেনা সদস্য নিহত হওয়ার তথ্য প্রকাশিত হয়েছে, যা চলমান সংঘাতের মানবিক ও সামরিক মূল্য আরো বাড়িয়ে তুলেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবল শেষে ভক্তদের ভোটের ভিত্তিতে টুর্নামেন্টের সেরা একাদশ প্রকাশ করেছে ফিফা। এর নাম দেওয়া হয়েছে ড্রিম ইলেভেন বা স্বপ্নের একাদশ।
৪-৩-৩ ফরমেশনের একাদশে প্রত্যাশিতভাবেই সবচেয়ে খেলোয়াড় আছেন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন দল স্পেন থেকে। সেমিফাইনালে স্পেনের কাছেই হেরে স্বপ্নভঙ্গ হওয়া ফ্রান্সেরও তিনজন আছেন।
এ ছাড়া রানার্স আপ আর্জেন্টিনার দুইজন, তৃতীয় হওয়া ইংল্যান্ডের একজন, এমনকি নরওয়ে ও কেপ ভার্দের একজন করে থাকলেও শেষ ষোলো থেকে বাদ পড়া ব্রাজিলের কেউ নেই।
স্পেনের তরুণ ডিফেন্ডার পাউ কুবারসি দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতলেও স্বপ্নের একাদশে জায়গা পাননি।
এ নিয়ে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে ও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের স্বপ্নের একাদশ:
গোলরক্ষক: ভোজিনিয়া (কেপ ভার্দে)।
রক্ষণভাগ: পেদ্রো পোরো (স্পেন), দায়োত উপামেকানো (ফ্রান্স), লিসান্দ্রো মার্তিনেজ (আর্জেন্টিনা), মার্ক কুকুরেয়া (স্পেন)।
মাঝমাঠ: জুড বেলিংহাম (ইংল্যান্ড), রদ্রি (স্পেন), মাইকেল ওলিসে (ফ্রান্স)।
আক্রমণভাগ: লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা), আর্লিং হালান্ড (নরওয়ে), কিলিয়ান এমবাপ্পে (ফ্রান্স)।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ক্ষমতার একটি অদ্ভুত রোগ আছে। দীর্ঘদিন ক্ষমতার মসনদে বসে থাকলে অনেক শাসকই একসময় আয়নাকে শত্রু, প্রশ্নকে ষড়যন্ত্র আর শিক্ষার্থীদের রাষ্ট্রের প্রতিপক্ষ বলে ভাবতে শুরু করেন। ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ব্যঙ্গও সম্ভবত এখানেই—যারা নিজেদের সবচেয়ে শক্তিশালী মনে করেন, অনেক সময় তারাই সবচেয়ে বেশি ভয় পান হাতে বই ধরা তরুণদের।
ভারতের সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ সেই পুরোনো ইতিহাসেরই আরেকটি অধ্যায় কি না, সে প্রশ্ন আজ আরও জোরালো হয়ে উঠছে। গত দুই দিনে দেশের বিভিন্ন স্থানে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে কঠোর দমনমূলক ব্যবস্থা, পুলিশি অভিযান এবং সংঘর্ষের খবর ভারতের রাজনৈতিক আবহে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। মনে করা হয়েছিল, শক্তির প্রদর্শনে প্রতিবাদের আগুন নিভে যাবে। কিন্তু ইতিহাস যেন আবারও ব্যঙ্গ করে বলছে—আগুনকে লাঠি দিয়ে পেটালে তা অনেক সময় ছাই হয় না, দাবানলে রূপ নেয়।
আজ গুজরাট থেকে নাগাল্যান্ড, জম্মু-কাশ্মীর থেকে তামিলনাড়ু—ভারতের বিস্তীর্ণ ভূখণ্ডে ছাত্রদের ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার খবর আলোচনায়। প্রশ্ন উঠছে, এটি কি কেবল একটি ছাত্র আন্দোলন, নাকি বহুদিন ধরে জমে থাকা অসন্তোষের বহিঃপ্রকাশ?
ইতিহাসের পাতাগুলো উল্টালে দেখা যায়, ক্ষমতার অহংকার প্রায়ই শাসকদের ভুল বার্তা দেয়। তখন তারা ভাবেন, রাষ্ট্র মানেই সরকার, আর সরকার মানেই একজন নেতা। কিন্তু গণতন্ত্রের অভিধানে রাষ্ট্র জনগণের, সরকার কেবল সাময়িক দায়িত্বপ্রাপ্ত একটি প্রতিষ্ঠান। সেই সত্যটি ভুলে যাওয়ার মূল্য বহু দেশকেই দিতে হয়েছে।
দক্ষিণ এশিয়ার সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসে মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ ও নেপালের ঘটনাপ্রবাহ নানা বিশ্লেষণের জন্ম দিয়েছে। প্রত্যেক দেশের বাস্তবতা ভিন্ন হলেও একটি মিল বারবার সামনে এসেছে—জনঅসন্তোষকে কেবল শক্তি দিয়ে দীর্ঘদিন নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। সংলাপের জায়গা সংকুচিত হলে ক্ষোভের পরিধি প্রায়ই বাড়তে থাকে।
বিশ্লেষকদের মতে, ভারতের বর্তমান পরিস্থিতি সেই পুরোনো সতর্কবার্তাকেই নতুনভাবে সামনে আনছে। বিরোধী মতকে প্রতিপক্ষ আর শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদকে কেবল আইন-শৃঙ্খলার সমস্যা হিসেবে দেখলে রাজনৈতিক সংকট আরও জটিল হতে পারে। ইতিহাসে বহুবার দেখা গেছে, শাসকের সবচেয়ে বড় ভুল ছিল মানুষের নীরবতাকে সমর্থন ভেবে নেওয়া। আর তার একমাত্র পরিণতি হয়েছে ক্ষমতার পতন অথবা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া।
ক্ষমতা কখনোই চিরস্থায়ী নয়। মুকুট যত ভারী হয়, তার পতনের শব্দও তত দূর পর্যন্ত পৌঁছায়—এ কথাটি ইতিহাস বহুবার লিখেছে। তাই ভারতের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে নানা বিশ্লেষণ, নানা প্রশ্ন এবং নানা আশঙ্কা স্বাভাবিকভাবেই সামনে আসছে।
নরেন্দ্র মোদির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ কী হবে, তার সিদ্ধান্ত নেবে ভারতের জনগণই। তবে এটুকু বলা যায়, গণতন্ত্রে প্রতিবাদের উত্তরে যদি সংলাপের বদলে দমন-পীড়ন-ই প্রধান ভাষা হয়ে ওঠে, তাহলে ইতিহাস সাধারণত শাসকদের পক্ষে খুব উদার থাকে না বরং তা নির্মম পরিণতির দিকে নিয়ে যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানিয়েছে, প্রণালিটির দক্ষিণে মাইন পেতে রাখা একটি পথ অতিক্রম করার চেষ্টা করার সময় এক তেলবাহী ট্যাঙ্কারে বিস্ফোরণের ফলে ভয়াবহ আগুন লেগে গেছে। এই ঘটনার পর ওই অঞ্চলে থাকা আরও দুটি জাহাজ তাদের গতিপথ পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছে।
আইআরজিসি আরও জানিয়েছে, বর্তমানে হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং মার্কিন সামরিক আগ্রাসন বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত এটি পুরোপুরি বন্ধ রাখা হবে। তারা সতর্ক করে দিয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের প্ররোচনায় পড়ে ইরানের অনুমতি ছাড়া প্রণালিটি অতিক্রমের চেষ্টা করলে অন্য জাহাজগুলোর পরিণতি একইরকম হতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন হস্তক্ষেপের কারণে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংকট ও সার সরবরাহে বিপর্যয়ের কথা উল্লেখ করে ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে অবিলম্বে এই তৎপরতা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে।
অন্যান্যদিকে, মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে ইরান। তাদের ২৫তম পর্বের 'অপারেশন নাসর ২'-এর অংশ হিসেবে ইরাক ও জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন সেনা অবস্থানগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে এই আক্রমণ করা হয়। ইরাকের কুর্দিস্তান অঞ্চলের ইরবিল শহরে মার্কিন বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হওয়ার পরপরই অন্তত ছয়টি বিকট বিস্ফোরণে পুরো এলাকা কেঁপে ওঠে।
এছাড়া, জর্ডানের বাদশাহ ফয়সাল ও প্রিন্স হাসান ঘাঁটিতে পরিচালিত সুনির্দিষ্ট হামলায় মার্কিন যুদ্ধবিমান এফ-ফিফটিন প্রস্তুতকরণ কেন্দ্র এবং কনটেইনারে থাকা আটটি নতুন এমকিউ-নাইন ড্রোন সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি করেছে আইআরজিসি। তাদের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, একটি হেলিকপ্টার সংরক্ষণাগারে হামলায় দুটি ভারী মার্কিন হেলিকপ্টার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং একটি সামরিক আউটপোস্টে আঘাত হানার ফলে বেশ কয়েকজন মার্কিন সৈন্য হতাহত হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ