ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শিক্ষার্থীদের উপর বর্বর নির্যাতনে উত্তাল গোটা ভারত কি মোদির পতনের পূর্বাভাস?


শিক্ষার্থীদের উপর বর্বর নির্যাতনে উত্তাল গোটা ভারত কি মোদির পতনের পূর্বাভাস?

ক্ষমতার একটি অদ্ভুত রোগ আছে। দীর্ঘদিন ক্ষমতার মসনদে বসে থাকলে অনেক শাসকই একসময় আয়নাকে শত্রু, প্রশ্নকে ষড়যন্ত্র আর শিক্ষার্থীদের রাষ্ট্রের প্রতিপক্ষ বলে ভাবতে শুরু করেন। ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ব্যঙ্গও সম্ভবত এখানেই—যারা নিজেদের সবচেয়ে শক্তিশালী মনে করেন, অনেক সময় তারাই সবচেয়ে বেশি ভয় পান হাতে বই ধরা তরুণদের।

ভারতের সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ সেই পুরোনো ইতিহাসেরই আরেকটি অধ্যায় কি না, সে প্রশ্ন আজ আরও জোরালো হয়ে উঠছে। গত দুই দিনে দেশের বিভিন্ন স্থানে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে কঠোর দমনমূলক ব্যবস্থা, পুলিশি অভিযান এবং সংঘর্ষের খবর ভারতের রাজনৈতিক আবহে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। মনে করা হয়েছিল, শক্তির প্রদর্শনে প্রতিবাদের আগুন নিভে যাবে। কিন্তু ইতিহাস যেন আবারও ব্যঙ্গ করে বলছে—আগুনকে লাঠি দিয়ে পেটালে তা অনেক সময় ছাই হয় না, দাবানলে রূপ নেয়।

আজ গুজরাট থেকে নাগাল্যান্ড, জম্মু-কাশ্মীর থেকে তামিলনাড়ু—ভারতের বিস্তীর্ণ ভূখণ্ডে ছাত্রদের ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার খবর আলোচনায়। প্রশ্ন উঠছে, এটি কি কেবল একটি ছাত্র আন্দোলন, নাকি বহুদিন ধরে জমে থাকা অসন্তোষের বহিঃপ্রকাশ?

ইতিহাসের পাতাগুলো উল্টালে দেখা যায়, ক্ষমতার অহংকার প্রায়ই শাসকদের ভুল বার্তা দেয়। তখন তারা ভাবেন, রাষ্ট্র মানেই সরকার, আর সরকার মানেই একজন নেতা। কিন্তু গণতন্ত্রের অভিধানে রাষ্ট্র জনগণের, সরকার কেবল সাময়িক দায়িত্বপ্রাপ্ত একটি প্রতিষ্ঠান। সেই সত্যটি ভুলে যাওয়ার মূল্য বহু দেশকেই দিতে হয়েছে।

দক্ষিণ এশিয়ার সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসে মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ ও নেপালের ঘটনাপ্রবাহ নানা বিশ্লেষণের জন্ম দিয়েছে। প্রত্যেক দেশের বাস্তবতা ভিন্ন হলেও একটি মিল বারবার সামনে এসেছে—জনঅসন্তোষকে কেবল শক্তি দিয়ে দীর্ঘদিন নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। সংলাপের জায়গা সংকুচিত হলে ক্ষোভের পরিধি প্রায়ই বাড়তে থাকে।

বিশ্লেষকদের মতে, ভারতের বর্তমান পরিস্থিতি সেই পুরোনো সতর্কবার্তাকেই নতুনভাবে সামনে আনছে। বিরোধী মতকে প্রতিপক্ষ আর শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদকে কেবল আইন-শৃঙ্খলার সমস্যা হিসেবে দেখলে রাজনৈতিক সংকট আরও জটিল হতে পারে। ইতিহাসে বহুবার দেখা গেছে, শাসকের সবচেয়ে বড় ভুল ছিল মানুষের নীরবতাকে সমর্থন ভেবে নেওয়া। আর তার একমাত্র পরিণতি হয়েছে ক্ষমতার পতন অথবা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া।

ক্ষমতা কখনোই চিরস্থায়ী নয়। মুকুট যত ভারী হয়, তার পতনের শব্দও তত দূর পর্যন্ত পৌঁছায়—এ কথাটি ইতিহাস বহুবার লিখেছে। তাই ভারতের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে নানা বিশ্লেষণ, নানা প্রশ্ন এবং নানা আশঙ্কা স্বাভাবিকভাবেই সামনে আসছে।

নরেন্দ্র মোদির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ কী হবে, তার সিদ্ধান্ত নেবে ভারতের জনগণই। তবে এটুকু বলা যায়, গণতন্ত্রে প্রতিবাদের উত্তরে যদি সংলাপের বদলে দমন-পীড়ন-ই প্রধান ভাষা হয়ে ওঠে, তাহলে ইতিহাস সাধারণত শাসকদের পক্ষে খুব উদার থাকে না বরং তা নির্মম পরিণতির দিকে নিয়ে যায়।


ইতিহাসের সবচেয়ে নির্মম ব্যঙ্গ হলো—যে শাসক মনে করেন তিনি ইতিহাস লিখছেন, অনেক সময় শেষ পর্যন্ত ইতিহাসই তাঁকে লিখে ফেলে নির্মম এবং সত্যভাবে - এমন কথা ভারতের বর্তমান পরিস্থিতি অনুযায়ী বলা অমূলক নয়।
লেখকঃ সাংবাদিক, রাজনৈতিক ও সামরিক বিশ্লেষক ও কলামিস্ট। 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তেলবাহী জাহাজে আগুন, হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ বন্ধ করল ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:০৯ এম


তেলবাহী জাহাজে আগুন, হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ বন্ধ করল ইরান

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানিয়েছে, প্রণালিটির দক্ষিণে মাইন পেতে রাখা একটি পথ অতিক্রম করার চেষ্টা করার সময় এক তেলবাহী ট্যাঙ্কারে বিস্ফোরণের ফলে ভয়াবহ আগুন লেগে গেছে। এই ঘটনার পর ওই অঞ্চলে থাকা আরও দুটি জাহাজ তাদের গতিপথ পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছে।

আইআরজিসি আরও জানিয়েছে, বর্তমানে হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং মার্কিন সামরিক আগ্রাসন বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত এটি পুরোপুরি বন্ধ রাখা হবে। তারা সতর্ক করে দিয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের প্ররোচনায় পড়ে ইরানের অনুমতি ছাড়া প্রণালিটি অতিক্রমের চেষ্টা করলে অন্য জাহাজগুলোর পরিণতি একইরকম হতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন হস্তক্ষেপের কারণে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংকট ও সার সরবরাহে বিপর্যয়ের কথা উল্লেখ করে ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে অবিলম্বে এই তৎপরতা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে।

অন্যান্যদিকে, মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে ইরান। তাদের ২৫তম পর্বের 'অপারেশন নাসর ২'-এর অংশ হিসেবে ইরাক ও জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন সেনা অবস্থানগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে এই আক্রমণ করা হয়। ইরাকের কুর্দিস্তান অঞ্চলের ইরবিল শহরে মার্কিন বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হওয়ার পরপরই অন্তত ছয়টি বিকট বিস্ফোরণে পুরো এলাকা কেঁপে ওঠে।

এছাড়া, জর্ডানের বাদশাহ ফয়সাল ও প্রিন্স হাসান ঘাঁটিতে পরিচালিত সুনির্দিষ্ট হামলায় মার্কিন যুদ্ধবিমান এফ-ফিফটিন প্রস্তুতকরণ কেন্দ্র এবং কনটেইনারে থাকা আটটি নতুন এমকিউ-নাইন ড্রোন সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি করেছে আইআরজিসি। তাদের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, একটি হেলিকপ্টার সংরক্ষণাগারে হামলায় দুটি ভারী মার্কিন হেলিকপ্টার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং একটি সামরিক আউটপোস্টে আঘাত হানার ফলে বেশ কয়েকজন মার্কিন সৈন্য হতাহত হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৬.৪৭ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:১২ এম


বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৬.৪৭ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম

দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও বেড়ে গেছে। বর্তমানে রিজার্ভের পরিমাণ ৩৬ হাজার ৪৬৫ দশমিক ৬৮ মিলিয়ন বা ৩৬ দশমিক ৪৬ বিলিয়ন ডলার।

 

বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ রিজার্ভ অ্যান্ড ট্রেজারি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের যুগ্ম পরিচালক মোহাম্মদ ইব্রাহিম মুনসি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই যুগ্ম পরিচালক জানালেন, ২২ জুলাই পর্যন্ত দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মোট রিজার্ভ ৩৬ হাজার ৪৬৫ দশমিক ৬৮ মিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী এর পরিমাণ ৩১ হাজার ৭৭০ দশমিক ০৮ মিলিয়ন বা ৩১ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন ডলার।

এদিকে চলতি জুলাইয়ের ২০ দিনে দেশে ১৮০ কোটি ২৬ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা।

এসবের মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ২৮ কোটি ৭৮ লাখ ডলার। তাছাড়া বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ২৪ কোটি ৫২ লাখ, বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ১২৬ কোটি ৬৪ লাখ এবং বিদেশি খাতের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে দেশে ৩০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ময়মনসিংহে জামায়াত নেতার সাংগঠনিক পদ স্থগিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:১৮ এম


ময়মনসিংহে জামায়াত নেতার সাংগঠনিক পদ স্থগিত

জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক নীতিমালা লঙ্ঘন করে নারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চাকরি করায় ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক গোলাম কিবরিয়ার আমির ও রুকন (সদস্য) পদটি স্থগিত করা হয়েছে। একইসঙ্গে, সংগঠনের বিধান অনুযায়ী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি জাকির হোসেন মাস্টারকে ফুলপুর উপজেলার ভারপ্রাপ্ত আমিরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২২ জুলাই) সন্ধ্যায় ফুলপুর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক যৌথ অনুষ্ঠানে, ময়মনসিংহ জেলা জামায়াতের আমির আব্দুল করিম আনুষ্ঠানিকভাবে এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, জামায়াতে ইসলামীর বিদ্যমান সাংগঠনিক রূপরেখা অনুযায়ী, কোনো সদস্য বা রুকন যদি নারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকেন, তবে তাদের রুকন পদ স্থগিত রাখার বিধান রয়েছে। সেই নীতিমালা অনুসারে প্রশাসনিক প্রয়োগ হিসেবেই এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, অধ্যাপক গোলাম কিবরিয়া দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় ফুলপুর মহিলা ডিগ্রি কলেজে শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন।

দলীয় কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, রুকন পদ স্থগিত হওয়ার কারণে দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী উপজেলা আমিরের পদটি শূন্য হয়। ফলস্বরূপ, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপজেলা জামায়াতের বর্তমান সেক্রেটারি জাকির হোসেন মাস্টার ভারপ্রাপ্ত আমির হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। সভায় জেলা ও উপজেলা জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়টি সম্পর্কে অধ্যাপক গোলাম কিবরিয়ার মোবাইলে বারবার ফোন দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

জেলা জামায়াতের আমির আব্দুল করিম জানান, তাকে আপাতত আমিরের পদ থেকে সরিয়ে রাখা হয়েছে। এটি দলীয় অভ্যন্তরীণ ব্যাপার।

এদিকে, ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এই ঘটনার মধ্যে ফুলপুর উপজেলা আমিরের পদ স্থগিত হলো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মার্কিন হামলার প্রতিশোধে আঞ্চলিক অবকাঠামোতে হামলার হুঁশিয়ারি তেহরানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:২২ এম


মার্কিন হামলার প্রতিশোধে আঞ্চলিক অবকাঠামোতে হামলার হুঁশিয়ারি তেহরানের

মার্কিন হামলার বদলে মধ্যপ্রাচ্যের সেতু ও বিদ্যুৎ কেন্দ্র গুঁড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে ইরান।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক হুমকির কড়া জবাব ইরান দিয়েছে। দেশটির সেতু এবং বিদ্যুৎ কেন্দ্রে হামলা চালানো হলে পুরো মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে মার্কিন ও আঞ্চলিক পরিকাঠামো ধ্বংস করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি তেহরান দিয়েছে। তাসনিম নিউজ এজেন্সিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে, ইরানের এক সামরিক সূত্র স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, তেহরানের সার্বভৌমত্ব ও দেশের ভেতরে হামলা হলে ওয়াশিংটন দাঁতভাঙা জবাব পাবে।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম 'ট্রুথ সোশ্যাল'-এ ট্রাম্প এক বার্তায় সতর্ক করে বলেন, হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে যাওয়া কোনো জাহাজে ইরান যদি ক্ষেপণাস্ত্র, রকেট বা ড্রোন দিয়ে হামলা চালায়, তবে প্রতিবারই মার্কিন বাহিনী তেহরানসহ দেশটির বিভিন্ন সেতু এবং বিদ্যুৎ কেন্দ্রে বোমা হামলা চালাবে।

মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই হুমকির জবাবে ইরানি সামরিক সূত্রটি জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালীর ওপর তেহরানের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে এবং তারা নিজেদের ভূখণ্ড ও পানিসীমায় কোনো হুমকি বরদাশত করবে না। তেহরান জানিয়েছে, যদি জাহাজ চলাচল নির্ধারিত নিয়ম মেনে এবং সমন্বয় করে করে, তবে হরমুজ প্রণালী সম্পূর্ণ নিরাপদ থাকবে। আমেরিকা যদি নতুন করে কোনো সামরিক দুঃসাহসিকতা দেখায়, তবে তা তাদের জন্য চরম অপমান বয়ে আনবে।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জবাবে 'অপারেশন নাসর ২'-এর ২৫তম ধাপে জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে ফের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। জর্ডানের কিং ফয়সাল এবং প্রিন্স হাসান বিমানঘাঁটিতে চালানো এই হামলায় এফ-ফিফটিন যুদ্ধবিমানের জন্য তৈরি সরঞ্জাম, হেলিকপ্টার হ্যাঙ্গার এবং শিপিং কনটেইনারে থাকা আটটি নতুন এমকিউ-নাইন ড্রোন ধ্বংস করা হয়েছে বলে দাবি করেছে আইআরজিসি। হামলায় বেশ কয়েকজন মার্কিন সেনাও হতাহত হয়েছে।

আইআরজিসি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে, যদি মার্কিন আগ্রাসন অব্যাহত থাকে, তবে তারা এমন এক চূড়ান্ত অভিযানে যেতে প্রস্তুত, যার পর যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয় শোক ঘোষণা ছাড়া উপায় থাকবে না। অন্যদিকে, ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলাগুলোতে এ পর্যন্ত ৫৩ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত এবং প্রায় ছয়শ' মানুষ আহত হয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%