শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:৪২ এম
জাপানের কাগোশিমা প্রদেশের ইয়াকুশিমা শহরে রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাতের পর ভূমিধসের সম্ভাবনা নিয়ে সর্বোচ্চ স্তরের সতর্কতা জারি করেছে দেশের আবহাওয়া কর্তৃপক্ষ। শনিবার, জাপান আবহাওয়া সংস্থা (জেএমএ) এই সতর্কতা প্রকাশ করে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এই অঞ্চলে সাম্প্রতিক বৃষ্টিপাতকে ‘অভূতপূর্ব’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে জেএমএ। সংস্থাটির সতর্কবার্তা অনুযায়ী, ভূমিধসের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা গুলোর মধ্যে ইতোমধ্যে দুর্যোগ সংঘটিত হওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত প্রবল হয়ে উঠেছে।
জেএমএ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মানুষের জীবন বর্তমানে তাৎক্ষণিক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। বৃষ্টি অব্যাহত থাকায়, স্থানীয় বাসিন্দাদের নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।
কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যদি কোনো নির্দিষ্ট আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার পথ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যায়, তাহলে খাড়া পাহাড় ও নদী-নালা থেকে দূরে থাকা কোনো ভবনে আশ্রয় নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।
জেএমএ সতর্ক করে বলেছে, আরও বিশেষ সতর্কতা জারি হওয়ার আগে নিরাপদে সরে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সময় নাও পাওয়া যেতে পারে। তাই নিজের এবং পরিবারের সদস্যদের জীবন রক্ষায় কোনো ধরনের অপেক্ষা না করে দ্রুত নিরাপদ স্থানে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়াও, জনসাধারণকে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে। এর আগে, নেপাল ও চীনে হিমবাহ ও ভূমিধসের কারণে ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এসব ঘটনায় নিহতের সংখ্যা ১ হাজার ৩০০ ছাড়িয়েছে এবং এখনও সাড়ে ৫ হাজারের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দর্শকদের বাড়তি আগ্রহের কারণ হয়ে দাঁড়ায় ইরফান সাজ্জাদ ও সাদিয়া আয়মানের জুটি। একাধিক নাটকে একসঙ্গে অভিনয় করে ইতোমধ্যে তারা নিজেদের রসায়ন দিয়ে দর্শকের নজর আকৃষ্ট করেছেন। এবার তাদের দেখা যাবে নতুন গল্পে, যার নাম ‘ফ্যামিলি এক্সপ্রেস’।
বৃহস্পতিবার সামাজিক মাধ্যমে নাটকটির অফিসিয়াল পোস্টার প্রকাশ করে সাদিয়া আয়মান খবরটি জানান। পোস্টারে দেখা গেছে, একটি বাসের ভেতর হাস্যোজ্জ্বল অবস্থায় পাশাপাশি বসে আছেন ইরফান ও সাদিয়া। পোস্টার প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে অভিনেত্রী ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘ফ্যামিলি এক্সপ্রেস কামিং সুন...’
পোস্টার প্রকাশের পর থেকেই নাটকটি নিয়ে দর্শকদের মধ্যে কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে ইরফান ও সাদিয়ার নতুন রসায়ন কেমন হবে এবং গল্পের ধরন কী হবে, এসব বিষয়ে ভক্তদের আগ্রহ বেড়ে গেছে।
‘ফ্যামিলি এক্সপ্রেস’-এর গল্প, চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন মহিদুল মহিম। নাটকটির প্রযোজনার দায়িত্বে রয়েছেন তানভীর মাহমুদ। ইরফান সাজ্জাদ ও সাদিয়া আয়মান ছাড়াও নাটকটিতে অভিনয় করেছেন শামীমা নাজনীন, নাদের চৌধুরী, দীপা খন্দকার, ফারুক আহমেদ, ইশরাত জাহান অতিথি সহ আরও অনেকে।
এর আগে তারা ‘ভালোবাসার দ্বিতীয় পত্র’, ‘সে থাকে আড়ালে’, ‘প্রেমের জোনাকি’, ‘মন খারাপের দিন’, ‘হোম ওয়ার’, ‘হোপ’ এবং ‘পাতাবাহার’সহ বেশ কিছু নাটকে একসঙ্গে কাজ করেছেন। প্রতিটি নাটকে দর্শকদের মধ্যে তাদের জুটি আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।
এবার ‘ফ্যামিলি এক্সপ্রেস’-এ নতুন গল্প ও চরিত্র নিয়ে হাজির হচ্ছেন তারা। নাটকটি কবে মুক্তি পাবে, তা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। তবে পোস্টার প্রকাশের পর থেকেই দর্শকদের মধ্যে নতুন এই জুটির কাজটি ঘিরে অপেক্ষা শুরু হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস বাংলাদেশিদের সতর্ক করেছে বি১/বি২ ভিজিটর ভিসা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের বিষয়ে। দূতাবাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এই ভিসার আওতায় যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে কোন ধরনের কর্মকাণ্ড সম্পাদন করা যাবে না।
শনিবার সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক পোস্টে মার্কিন দূতাবাস উল্লেখ করেছে যে, শিশুর মার্কিন নাগরিকত্ব অর্জনের উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সন্তান জন্ম দেওয়া বা ‘বার্থ ট্যুরিজম’ বি১/বি২ ভিজিটর ভিসায় অনুমোদিত নয়।
এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্রের কোনো নিয়োগকর্তা বা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে পারিশ্রমিক পাওয়া যায়—এমন কোনো কাজও এই ভিসার আওতায় করা যাবে না। একইভাবে, ডিগ্রি বা প্রাতিষ্ঠানিক ক্রেডিট অর্জনের উদ্দেশ্যে পড়াশোনা এবং পারিশ্রমিকের বিনিময়ে কাজ করাও বি১/বি২ ভিজিটর ভিসায় অনুমোদিত নয়।
এর আগে, গত ২২ আগস্ট মার্কিন দূতাবাস বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদেরও সতর্ক করেছিল। সেই সতর্কবার্তায় বলা হয়েছিল যে, পড়াশোনার বাইরে কাজ করা, পড়াশোনা ছেড়ে দেওয়া, নিয়মিত ক্লাসে অনুপস্থিত থাকা কিংবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে না জানিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম থেকে সরে গেলে স্টুডেন্ট ভিসা বাতিল হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বলিউডের পর্দা কাঁপানো অজয় দেবগন এবার টেলিভিশনের পর্দায় হাজির হয়েছেন। তবে এটি কোনো অভিনয় নয়, বরং জনপ্রিয় ক্রাইম শো ‘ক্রাইম পেট্রোল’-এর উপস্থাপক হিসেবে তার উপস্থিতি। টেলিভিশনে পা রাখার সঙ্গে সঙ্গেই তার পারিশ্রমিকের পরিমাণ নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।
‘ক্রাইম পেট্রোল’-এর নতুন পর্ব ৩১ আগস্ট থেকে প্রচার শুরু হয়েছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, অজয় ১৫টি পর্বের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। পুরো সিজনের জন্য তার পারিশ্রমিক প্রায় ৯০ কোটি টাকা। এর ফলে প্রতি পর্বে তার আয় দাঁড়াচ্ছে প্রায় ৬ কোটি টাকা।
এমন বিশাল পারিশ্রমিক স্বাভাবিকভাবেই অজয়কে ভারতের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক নেওয়া টেলিভিশন উপস্থাপকদের তালিকায় সামনের সারিতে নিয়ে এসেছে। তবে এত বড় অঙ্কের পরও টেলিভিশনের সবচেয়ে বেশি পারিশ্রমিক পাওয়া সঞ্চালকের মুকুট এখনও অজয়ের মাথায় উঠছে না।
এটি দীর্ঘদিন ধরে ধরে রেখেছেন বলিউডের ‘ভাইজান’ সালমান খান। তিনি প্রায় দেড় দশক ধরে ‘বিগ বস’ সঞ্চালনার মাধ্যমে টেলিভিশন দর্শকদের কাছে নিজের আলাদা অবস্থান তৈরি করেছেন। অনুষ্ঠানের জনপ্রিয়তা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সালমানের পারিশ্রমিকও বছর বছর বেড়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘বিগ বস’-এর সঞ্চালক হিসেবে সালমান শুরুর দিকে প্রতি পর্বে প্রায় আড়াই কোটি টাকা পারিশ্রমিক পেতেন। পরবর্তীতে কয়েক দফায় সেই অঙ্ক বেড়ে গেছে। ‘বিগ বস’-এর ১৫ ও ১৬তম মৌসুমে তার পারিশ্রমিক সপ্তাহপ্রতি প্রায় ১৫ কোটি টাকা পর্যন্ত পৌঁছেছিল বলেও বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়।
চার মাসের একটি দীর্ঘ মৌসুমের হিসাব ধরলে সালমানের পারিশ্রমিক প্রায় ২৫০ কোটি টাকা পর্যন্ত হতে পারে। ফলে অজয়ের প্রতি পর্বে ৬ কোটি টাকার পারিশ্রমিক বড় চমক হলেও টেলিভিশন উপস্থাপনার দুনিয়ায় সালমানের বিশাল পারিশ্রমিকের ধারে-কাছেও এখনও পৌঁছাতে পারেননি তিনি।
তবে অজয় দেবগনের টেলিভিশন অভিষেক এবং ‘ক্রাইম পেট্রোল’-এর উপস্থাপক হিসেবে তার উপস্থিতি দর্শকদের মধ্যে কতটা সাড়া ফেলতে পারে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দুই বোন সেরেনা উইলিয়ামস ও ভেনাস উইলিয়ামস সেরা সময়ের অনেক আগেই পেছনে ফেলে এসেছেন। তাদের অবসর নেওয়ার সিদ্ধান্তের পেছনে এই বিষয়টি ছিল। গ্র্যান্ড স্লাম টুর্নামেন্টে দ্বৈত ইভেন্টে তারা সর্বশেষ ২০২২ সালে এই ইউএস ওপেনেই মাঠে নেমেছিলেন। চার বছর পর একই টুর্নামেন্টের দ্বৈত ইভেন্টে তাদের প্রত্যাবর্তনটি ভালো হয়নি। আর্থার অ্যাশ স্টেডিয়ামে দর্শকদের মধ্যে উন্মাদনা থাকলেও গতকাল রাতে তারা প্রথম রাউন্ডেই হেরে বিদায় নিয়েছেন।
অবসর ভেঙে আবারও টেনিস র্যাকেট হাতে নিলেও এই খেলায় শক্তি ও শরীরের সক্ষমতার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছেন তারা। সিনসিনাটি ওপেনের পর এবার ইউএস ওপেনের প্রথম রাউন্ড থেকেও বিদায় নিয়েছেন ভেনাস-সেরেনা জুটি। তবে হারার আগে তারা দারুণ লড়াই করেছেন।
তিন সেটের রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে ১০ পয়েন্টের টাইব্রেকারে ৫-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত চ্যান হাও-চিং ও মায়া জয়েন্ট জুটির কাছে ৬-৩, ৬-৭ (৬/৮), ৭-৬ (১০/৭) গেমে পরাজিত হন। দ্বিতীয় সেটের টাইব্রেকারে জয় লাভের পর তৃতীয় সেটে ৪-১ ব্যবধানে পিছিয়ে থেকেও দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে উইলিয়ামস বোনরা সমতায় ফিরলেও শেষ দিকে এসে খেই হারিয়ে ফেলেন। ওপেন যুগে মেয়েদের মধ্যে সর্বোচ্চ ২৩ গ্র্যান্ড স্লামজয়ী ৪৪ বছর বয়সী সেরেনা এ বছর টেনিসে ফিরে এসেছেন। সাতটি গ্র্যান্ড স্লামজয়ী ভেনাস ৪৬ বছর বয়সেও ট্যুরে খেলা চালিয়ে যাচ্ছেন। গ্র্যান্ড স্লামে মেয়েদের দ্বৈত ইভেন্টে ১৪ শিরোপাজয়ী এই দুই বোন এবারের ইউএস ওপেনে সম্ভবত বয়সের কারণে সফল হতে পারেননি। পাশাপাশি, সেরেনা দীর্ঘ সময় খেলা থেকে বিরত ছিলেন এবং কোর্টের স্নায়ুচাপও তাদের উপর ছিল।
তৃতীয় সেটের শেষভাগে এবং টাইব্রেকারের প্রথম কয়েকটি পয়েন্টে দুর্দান্ত খেলার পর সেই টাইব্রেকারে দুজন ডাবল ফল্ট করে বসেন। দুই বোনের সম্মিলিত বয়স ৯০ বছর, অন্যদিকে তাদের প্রতিপক্ষের সম্মিলিত বয়স ৫২ বছর। স্বাভাবিকভাবেই ফিটনেস এবং বয়সের ভারের প্রভাব তাদের খেলায় স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
চলতি গ্রীষ্মে এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো জয়েন্টের কাছে হারলেন সেরেনা। উইম্বলডনের এককে তার প্রত্যাবর্তনের ম্যাচে অস্ট্রেলীয় খেলোয়াড়ের কাছে হেরে গিয়েছিলেন। এরপর হাঁটুতে চোট পেয়ে ভেনাস ও সেরেনা—দুজনেই উইম্বলডনের দ্বৈত ইভেন্ট থেকে সরে দাঁড়ান।
২০২২ ইউএস ওপেনে প্রথম রাউন্ডে হেরে বিদায় নেওয়ার পর অনেকেই মনে করেছিলেন, সেটিই দুই বোনের জুটি বেঁধে শেষ দ্বৈত ম্যাচ। কারণ, সেরেনা সে বছরই টেনিসকে বিদায় জানান। তবে চলতি গ্রীষ্মে আবারও কোর্টে ফিরে বড় বোনকে সঙ্গে নিয়ে দুটি ম্যাচে হারলেন সেরেনা। সিনসিনাটি ওপেনেও তারা ম্যাচের টাইব্রেকারে হেরে বিদায় নেন। ভেনাস এবার ইউএস ওপেনে মেয়েদের এককে প্রথম রাউন্ডে হেরে বিদায় নিয়েছেন। ২০১৮ সালে ফ্রেঞ্চ ওপেনে তারা সর্বশেষ জুটি বেঁধে শিরোপা জেতেন।
সাদা পোশাকে দুই বোন কোর্টে নামার সময় গ্যালারির দর্শক তুমুল করতালিতে তাদের স্বাগত জানান। তবে তাদের হারিয়ে দর্শকের উন্মাদনায় খানিকটা জল ঢেলে দেন মায়া জয়েন্ট ও চ্যান হাও-চিং জুটি। জয়ের পর জয়েন্ট বলেন, “স্টেডিয়ামের পরিবেশ ছিল রূপকথার মতো। এমন সব কিংবদন্তির বিপক্ষে খেলতে পারাটা বিশেষ কিছু।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ