০৭:৫৯ এম
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, তার সমর্থন ছাড়া ইসরাইলের অস্তিত্ব থাকত না।
তিনি এই মন্তব্য করেছেন ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে তার প্রকাশ্য মতবিরোধ ক্রমাগত বেড়ে চলার মধ্যে।
কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির পাশে জি৭ সম্মেলনে তিনি বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া ইসরাইলের অস্তিত্ব থাকত না।
আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীতে ছিনতাই সন্দেহে গণপিটুনিতে আহত যুবক নিশাত মিয়ার মৃত্যু
আমি ছাড়াও ইসরাইলের অস্তিত্ব থাকত না, কারণ আমি যা করেছি, তা করতে অন্য কোনও প্রেসিডেন্ট ইচ্ছুক ছিলেন না।’
‘আমি জড়িত না হলে ইসরাইল অনেক আগেই ধ্বংস হয়ে যেত।’
লেবাননে ইসরাইলের হামলার বিষয়ে নেতানিয়াহুকে আরও সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানানোর সময় তিনি এই মন্তব্য করেন।
তাঁর মতে, এই হামলা ইরানের সঙ্গে শান্তি চুক্তির প্রচেষ্টাকে প্রভাবিত করতে পারে।
আরও পড়ুন: গণভোটের রায় না মানলে তারেক রহমানের ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই: জুনায়েদ
ট্রাম্প বলেছেন, নেতানিয়াহুর সঙ্গে তার সম্পর্ক এখনও মজবুত, কিন্তু তিনি তাকে আরও সংযম দেখানোর জন্য সতর্ক করেন।
‘বিবির সঙ্গে আমার সম্পর্ক চমৎকার ছিল, কিন্তু এখন লেবাননের ব্যাপারে বিবিকে আরও দায়িত্বশীল হতে হবে।’ বলেন ট্রাম্প।
ট্রাম্প আরও বলেন, ‘লেবানন একসময় একটি মহান দেশ ছিল। এটি এমন একটি দেশ ছিল যেখানে অধ্যাপক, ডাক্তার, আইনজীবী ছিলেন। মহান মেধাবীরা লেবাননেই ছিলেন। এখন এর অবস্থা ভয়াবহ।’
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পরিকল্পিত চুক্তির আগে ইসরাইল বৈরুতে হামলা চালানোর পর নেতানিয়াহুর ওপর ট্রাম্প ক্ষুব্ধ হয়েছেন বলে খবর আসার পরই এই মন্তব্য আসে।
আরও পড়ুন: বিয়ের ১৫ দিনের মাথায় সড়কে প্রাণ গেল ইতালি প্রবাসী তানভীরের
এদিকে, ইসরাইল বলেছে, লেবাননের রাজধানীতে হিজবুল্লাহর একটি অবস্থানকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে। ট্রাম্প অ্যাক্সিওসকে বলেছেন, তার উপদেষ্টারা যখন তিনি এই হামলার বিষয়ে জানান, তখন তিনি অবাক হয়েছিলেন, বিশেষ করে যখন উভয় পক্ষই আগে একে অপরকে আক্রমণ না করতে সম্মত হয়েছিল।
ট্রাম্প বলেন, ‘এটা খুবই খারপ - আমি বিশ্বাস করতে পারিনি। আমাদের চুক্তি স্বাক্ষরের মাত্র এক ঘণ্টা আগে এটা ঘটল।’
ট্রাম্প এই বিবাদের সময় নেতানিয়াহুর বিচারবুদ্ধির অভাবের জন্যও তাকে অভিযুক্ত করেন।
তিনি অ্যাক্সিওসকে বলেন, ‘বিবিকে কেন এই জঘন্য হামলাটা করতে হলো? আমি প্রচণ্ড ক্ষিপ্ত হয়েছিলাম। আমি তাকে তা জানিয়ে দিয়েছি।’
আরও পড়ুন: হাসিনার পতনের আগে ইউনূসকে দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান করেন শফিকুল আলম
অন্যদিকে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যেকোনো চুক্তির শর্ত হবে, সংঘাতের সময় দখল করা লেবাননের বিভিন্ন অংশ থেকে ইসরাইলের সেনা প্রত্যাহার করা।
আরাঘচি বলেন, ‘এই যুদ্ধের সময় ইসরাইলি বাহিনী যে অঞ্চলগুলো দখল করেছে, সেখান থেকে তাদের প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত যুদ্ধ পুরোপুরি শেষ হয়নি।’
তবে, একজন মার্কিন কর্মকর্তা বলেছেন, এই চুক্তিতে ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহারের কোনো দাবি অন্তর্ভুক্ত নেই। নেতানিয়াহুও বলেছেন, যতদিন প্রয়োজন ততদিন ইসরাইল লেবাননে থাকবে।
আরও পড়ুন: ভোটার এলাকা পরিবর্তনের আবেদন সময়সীমা ১ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়াল ইসি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন