ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

অনিবন্ধিত সাংবাদিকরাই সোস্যাল মিডিয়ায় মিসইনফরমেশন উপস্থাপন করেন: তথ্য প্রতিমন্ত্রী


অনিবন্ধিত সাংবাদিকরাই সোস্যাল মিডিয়ায় মিসইনফরমেশন উপস্থাপন করেন: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী সংসদে বলেছেন, ‘যারা সাংবাদিক হিসেবে নিবন্ধিত নয়, মূলত তারাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশন উপস্থাপন করেন।

রবিবার (৭ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তথ্যমন্ত্রী একথা বলেন। এদিন নোয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক প্রশ্ন রেখে বলেন, দেশের প্রায় সব উপজেলা, এমনকি ইউনিয়ন পর্যায়েও সাংবাদিকতার কার্ড পাওয়া যাচ্ছে। অথচ অনেকেরই সাংবাদিকতা বিষয়ে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞান নেই; কেউ রিপোর্টারও নন, এমনকি মেট্রিক পাশও না।

জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, তারা ইউটিউবসহ বিভিন্ন মাধ্যমে যা খুশি তাই প্রচার করে যাচ্ছে। কারা এসব সাংবাদিকতার কার্ড দিচ্ছে, এদের লেখাপড়া কতটুকু এবং কারা সেই পরিচয় ব্যবহার করছে—এসব বিষয় তদন্ত করা দরকার।

আরও পড়ুন: পিরোজপুরে লাশ দাফনে বাধা, নাহিদ ইসলামের নিন্দা ও ইনসাফের আহ্বান

জয়নুল আবদিন ফারুক আরও বলেন, এ বিষয়গুলো তথ্য মন্ত্রণালয়ের আওতায় এনে কার্যকর কোনো নীতিমালা বা সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় কিনা, তা গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা প্রয়োজন। এসব অনিয়ন্ত্রিত কর্মকাণ্ড বন্ধ না হলে গণমাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। একই সঙ্গে উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক পরিবেশও বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী সংসদে বলেন, আমরা মিসইনফরমেশন (ভুল তথ্য) ও ডিসইনফরমেশন (অপতথ্য) নিয়ে কাজ করছি। যারা সাংবাদিক হিসেবে নিবন্ধিত নয়, মূলত তারাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশন উপস্থাপন করেন।

এ ধরনের অপতৎপরতা বন্ধে ইতোমধ্যে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, এই টিম পুরো বিষয়টি মনিটর করছে এবং যারা জড়িত, তাদের আইনের আওতায় আনা যায় কিনা, সে বিষয়ে কার্যক্রম চলছে। শিগগিরই এই মনিটরিং টিমের পরিধি ও বিস্তারিত কার্যক্রম সবার সামনে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে বলেও তিনি সংসদকে আশ্বস্ত করেন।

আরও পড়ুন: বিদেশি ঋণ শোধে চাপ বাড়ছে, সহায়তার অর্থছাড় কমেছে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
নারায়ণগঞ্জ

মামলা নিতে ঘুষ দাবির অভিযোগে মরদেহ নিয়ে থানায় বিক্ষোভ স্থানীয়দের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:২০ পি.এম


মামলা নিতে ঘুষ দাবির অভিযোগে মরদেহ নিয়ে থানায় বিক্ষোভ স্থানীয়দের

নারায়ণগঞ্জের বন্দরের ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মো. জোবায়ের (১৮) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। এদিকে, তাকে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় মামলা করতে গেলে ঘুষ দাবি ও গড়িমসির অভিযোগ তুলে মরদেহ নিয়ে বন্দর মডেল থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেছে স্থানীয়রা। রবিবার (৭ জুন) সন্ধ্যায় জোবায়েরের মরদেহ বন্দর এলাকায় পৌঁছালে শতাধিক মানুষ ক্ষোভে ফেটে পড়ে। এ সময় তারা থানার সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করে। নিহত জোবায়ের পাবনা সদর উপজেলার রাজাপুর এলাকার জাহাঙ্গীরের ছেলে। তিনি নারায়ণগঞ্জের বন্দরের এনায়তেনগর এলাকায় ভাড়া বাসায় থেকে একটি স্থানীয় প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। স্থানীয় সূত্র জানায়, গত বুধবার (৩ জুন) রাত ৯টার দিকে কাজ শেষে বাসায় ফেরার পথে এনায়েতনগরের ভাঙা ব্রিজের উত্তর পাশে তিন ছিনতাইকারী তার পথরোধ করে। বাধা দিলে দুর্বৃত্তরা তাকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট খানপুর হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে কয়েক দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর রবিবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে তিনি মারা যান। পরিবার ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, ঘটনার পর জোবায়েরের বাবা বন্দর থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা গ্রহণ করেনি। নিহত জোবায়েরের প্রতিবেশী টিপু দাবি করেন, মামলা করতে গেলে ১০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করা হয়েছিল। টাকা না দেওয়ায় মামলা নেওয়া হয়নি। পরে মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজিত জনতা মরদেহ নিয়ে বন্দর মডেল থানার সামনে বিক্ষোভ করেন। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ীদের গ্রেপ্তার এবং মামলা গ্রহণে পুলিশের ভূমিকার ব্যাখ্যা দাবি করেন। এ বিষয়ে বন্দর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘এলাকাবাসী থানায় এসেছিল। আমি তাদের আশ্বস্ত করেছি যে বিষয়টির যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তারা আমার কথার ওপর আস্থা রেখে ফিরে গেছেন। আমরা সেই অভিযুক্ত সাব-ইন্সপেক্টরকে ইতিমধ্যে প্রত্যাহার করে নিয়েছি।’ তিনি আরো বলেন, ‘এ ঘটনায় মামলা করতে এসে ফিরে গেছে এমন কোনো তথ্য আমার কাছে নেই। তবে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে একজনকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলা না থাকায় তাকে অন্য একটি মামলায় আদালতে পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগীর পরিবার মামলা করলে ওই মামলায়ও তাকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হবে। পাশাপাশি ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ওহাইওতে বন্দুক হামলায় সন্দেহভাজনদের খোঁজে তল্লাশি অব্যাহত পুলিশের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:২২ পি.এম


ওহাইওতে বন্দুক হামলায় সন্দেহভাজনদের খোঁজে তল্লাশি অব্যাহত পুলিশের

যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঙ্গরাজ্যের টলেডো শহরের গ্রীষ্মকালীন উৎসবের কাছে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ বন্দুক হামলায় সন্দেহভাজনদের খোঁজে তল্লাশি অব্যাহত রেখেছে পুলিশ। এই হামলার ঘটনায় ১২ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছে।

এ তথ্যটি গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

টলেডো পুলিশের ডেপুটি চিফ জোসেফ হেফারনান জানিয়েছেন, লাইভ মিউজিক এবং স্থাপত্যবিষয়ক বাড়ি পরিদর্শনের বার্ষিক সমাবেশ ওল্ড ওয়েস্ট এন্ড ফেস্টিভালের কাছে সাড়ে ৫টার দিকে গোলাগুলি শুরু হয়। পুলিশ জানায়, গুলাগুলি দেখে মনে হচ্ছিল বন্দুকধারীরা সম্ভবত একে অপরকে লক্ষ্য করে গুলি চালাচ্ছিল। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।

ঘটনাস্থলে বহু লোককে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়। এই আহতদের মধ্যে ১০ জন স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছেন এবং দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

টলেডোর মেয়র ওয়েড ক্যাপসুকেভিচ স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ‘ডব্লিউটিওইএল ১১’-কে জানান, গুলিবিদ্ধ সবাই বেঁচে ফিরবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

অনলাইনে প্রচারিত কিছু ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, আচমকা একঝাঁক গুলির শব্দে মানুষজন চিৎকার করতে করতে দিগ্বিদিক ছুটে পালাচ্ছেন। অন্য কিছু ভিডিওতে দেখা যায়, দুজনকে স্ট্রেচারে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এবং বেশ কয়েকজন রক্তাক্ত অবস্থায় একটি শামিয়ানার পাশে ঘাসের ওপর পড়ে আছেন। বিবিসি এই ভিডিওগুলোর সত্যতা এখনো পুরোপুরি যাচাই করতে পারেনি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্বল্প দৃষ্টির রোগে ভুগছে বরিশালের ৩০ শতাংশ শিশু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:২৮ পি.এম


স্বল্প দৃষ্টির রোগে ভুগছে বরিশালের ৩০ শতাংশ শিশু

বরিশালে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, মোবাইল ফোনের অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে শতকরা প্রায় ৩০ শতাংশ শিশু ও কিশোরের দৃষ্টিশক্তি ক্ষতি হয়েছে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা তুলে ধরেছেন যে, শিশুদের মধ্যে বাড়তে থাকা মায়োপিয়া বা স্বল্পদৃষ্টির অন্যতম কারণ হচ্ছে দীর্ঘ সময় ধরে স্মার্টফোনের পর্দার দিকে তাকিয়ে থাকা। এই পরিস্থিতির জন্য অভিভাবকদের অসচেতন অভ্যাসকে দায়ী করছেন তারা।

সূত্রমতে, মায়োপিয়া বা স্বল্পদৃষ্টি একটি চোখের সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে, যেখানে কাছের জিনিস স্পষ্ট দেখা যায় কিন্তু দূরত্ব থেকে বস্তু দেখা যায় না। উল্লেখযোগ্য যে, সাম্প্রতিক সময়ে শিশুদের মধ্যে এই সমস্যাটি অত্যন্ত আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। যদি মা-বাবার একজন বা দুজনের মায়োপিয়া থাকে, তাহলে শিশুরা বেশি ঝুঁকির মধ্যে পড়ে। যখন শিশুরা দীর্ঘ সময় ডিজিটাল স্ক্রিন, বইয়ের দিকে তাকিয়ে থাকে, মুঠোফোন, ট্যাব, কম্পিউটার এবং বই পড়ার কারণে চোখের স্বাভাবিক বৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হয়।

মায়োপিয়ার আরেকটি কারণ হচ্ছে, সূর্যের আলোতে কম সময় কাটানো এবং ঘরের কৃত্রিম আলোতে বেশি সময় থাকা। সম্প্রতি বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে দেখা গেছে, শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি থাকা বহু শিশুর হাতে মোবাইল ফোন রয়েছে। কেউ ইউটিউব দেখছে, কেউবা মোবাইলে গেম খেলছে। শুধুমাত্র শিশু ওয়ার্ডেই নয়, হাসপাতালের অন্যান্য ওয়ার্ডে রোগী অথবা স্বজনদের সঙ্গে আসা অনেক শিশুকেও মোবাইলে সময় কাটাতে দেখা যাচ্ছে।

অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে যে, বাইরের খেলাধুলার সুযোগ কমে যাওয়ার কারণে শিশুদের একটি বড় অংশ অবসর সময় মোবাইল ফোনে কাটাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, মোবাইল না দিলে শিশুরা খেতেও চায় না। এক্ষেত্রেত, সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী শিশির দাস শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য এসেছেন। তিনি বলেন, "স্কুল শেষে বেশিরভাগ সময় ঘরেই থাকতে হয়। বিকেলে কোচিং এবং প্রাইভেট পড়ার কারণে খেলাধুলার সুযোগ খুব কম। তাই অবসর সময়ে ইউটিউব দেখা এবং গেম খেলা আমার নিয়মিত অভ্যাস হয়ে দাঁড়িয়েছে। এতে চোখে কিছুটা সমস্যা দেখা দিয়েছে।"

অভিভাবকরা জানান, "মোবাইল ছাড়া আমাদের ছেলে ভাত খেতে চায় না। তাকে মোবাইল দিতে হয়, তারপর সে খায়। এখন আমরা এই অভ্যাসটা বদলানোর চেষ্টা করছি।" তারা বলেন, শহরে শিশুদের খেলাধুলার জন্য পর্যাপ্ত মাঠ নেই। যেসব মাঠ আছে, সেখানে যাতায়াতে খরচ হয়। তাই সবসময় শিশুদের বাহিরে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয় না।

শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের শিশু রোগীদের ওপর সম্প্রতি একটি পরিসংখ্যান অনুসারে, দক্ষিণাঞ্চলের শতকরা প্রায় ৩০ শতাংশ শিশু-কিশোর মোবাইল আসক্তিজনিত কারণে দৃষ্টিশক্তির সমস্যায় ভুগছে। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সহকারী অধ্যাপক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন যে, শিশুদের মোবাইল আসক্তি হচ্ছে শুধু ব্যক্তিগত সমস্যা নয়; বরং এটি সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়েও প্রভাব ফেলতে পারে। তিনি আরও জানান, শিশুদের জন্য পর্যাপ্ত বিনোদন এবং খেলাধুলার সুযোগের অভাব এবং পরিবারে প্রয়োজনীয় সময় এবং মনোযোগের অভাবই এই সমস্যার মূল কারণ। শুধুমাত্র চিকিৎসার মাধ্যমে সমাধান সম্ভব নয়। পরিবার এবং সমাজকে এ বিষয়ে একসঙ্গে এগিয়ে আসা প্রয়োজন। শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চক্ষু বিভাগের চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, প্রতিদিন হাসপাতালে আসা শিশু রোগীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য অংশের চোখের সমস্যার সঙ্গে অতিরিক্ত স্মার্টফোন ব্যবহারের সম্পর্ক পাওয়া যাচ্ছে। তারা মন্তব্য করেছেন, শহরাঞ্চলের শিশুদের মধ্যে মায়োপিয়ার হার উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে যাচ্ছে। বহু শিশুকে অল্প বয়সেই উচ্চমাত্রার চশমা ব্যবহার করতে হচ্ছে। দূরের বস্তুনিষ্ণা করতে সম্যক সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার করার বিষয়টি একটি প্রধান সমস্যা বলে উল্লেখ করা হচ্ছে। অনেক অভিভাবক শিশুদের খাওয়ানো বা শান্ত রাখার জন্য মোবাইল ফোন হাতে দেন। এর ফলে শিশুরা মোবাইলের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ে এবং পাশাপাশি তাদের চোখের সমস্যাও বেড়ে যায়। যদি মায়োপিয়া হয়ে যায়, তাহলে চশমা ছাড়া স্বাভাবিক দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়া সম্ভব নয়। তাই অভিভাবকদের শিশুদের মোবাইল ব্যবহারে আরো সচেতন হতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পটুয়াখালীর বাউফলে বাবা-মা হারিয়ে মানবেতর জীবন কাটানো তিন প্রতিবন্ধী ভাইয়ের পাশে উপজেলা প্রশাসন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:২৯ পি.এম


পটুয়াখালীর বাউফলে বাবা-মা হারিয়ে মানবেতর জীবন কাটানো তিন প্রতিবন্ধী ভাইয়ের পাশে উপজেলা প্রশাসন

পটুয়াখালীর বাউফলে বাবা-মা হারিয়ে চরম অনাহার ও অবহেলায় মানবেতর জীবন কাটানো সনাতন ধর্মাবলম্বী তিন প্রতিবন্ধী ভাই নিদু, রিপন ও সাধনের সহযোগিতা করেছে উপজেলা প্রশাসন। আজ রবিবার (৭ জুন) দুপুরে এক মানবিক উদ্যোগ হিসেবে বাউফল উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. সালেহ আহমেদ এই তিন ভাইয়ের জন্য একটি যৌথ ব্যাংক হিসাব খুলে দেন। এর পাশাপাশি অসহায় পরিবারের মধ্যে এক মাসের খাদ্যসামগ্রী ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বিতরণ করা হয়।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা প্রশাসনের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে অগ্রণী ব্যাংক বাউফল শাখায় তিন ভাইয়ের নামে যৌথ হিসাবটি খোলা হয়েছে, যার সংখ্যা: ০২০০০২৫৮৪৫৪৮৮। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও গণমাধ্যমে তাদের অসহায়ত্বের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর দেশ-বিদেশ থেকে মানবিক মানুষরা বিকাশ, নগদ ও ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সহায়তার হাত বাড়িয়েছেন। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ব্যাংক হিসাবটিতে এখন পর্যন্ত ১১ লাখ ৭৬ হাজার ২৮১ টাকা জমা হয়েছে।

আজ বিকেলে উপজেলার ধূলিয়া ইউনিয়নের আলোকচাঁদকাঠী গ্রামে গিয়ে এই মানবিক সহায়তা তাদের বাড়িতে পৌঁছানো হয়। তিন ভাইয়ের নামে খোলা এই যৌথ হিসাবটি যৌথভাবে পরিচালনা করবেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং উপজেলা সমাজসেবা অফিসার। ভুক্তভোগী ভাইদের দৈনন্দিন প্রয়োজন ও চাহিদার ভিত্তিতে এই হিসাব থেকে টাকা তুলে তাদের হাতে দেওয়া হবে। এছাড়া ভবিষ্যতে প্রশাসনের এই তত্ত্বাবধানে যাতে ব্যাঘাত না ঘটে, সেজন্য উপজেলা কার্যালয়ে একটি স্থায়ী সরকারি নথি (ফাইল) সংরক্ষণ করা হয়েছে; যাতে পরবর্তী সময়ে নতুন কোনো কর্মকর্তা এলেও এই পরিবারের প্রতি বিশেষ নজর রাখতে পারেন। এই মানবিক উদ্যোগের পিছনে ছিলেন স্থানীয় কলেজ শিক্ষার্থী অমিত। তিনি প্রথমে এই অসহায় পরিবারটির দুঃখ-দুর্দশার কথা ইউএনও মো. সালেহ আহমেদ কে জানান। বিষয়টি জানার পর ইউএনও তাৎক্ষণিকভাবে পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক ড. মো. শহীদ হোসেন চৌধুরীর পরামর্শ ও নির্দেশনায় তাদের নগদ অর্থ এবং জরুরি খাদ্যসহায়তা প্রদান করেন। পাশাপাশি অত্যন্ত দ্রুততম সময়ের মধ্যে তাদের সরকারি প্রতিবন্ধী ভাতার আওতাভুক্ত করার নিশ্চয়তা দেন। অসহায় তিন ভাইয়ের পাশে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের দাঁড়ানোর এই নম্র দৃষ্টান্ত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে, বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রচার হওয়ার পর সমাজের বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক সংগঠন ও সাধারণ মানুষ সকল দলের সমর্থন এবং মত নির্বিশেষে তাদের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%