০২:২০ এম
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে প্রবাসীর স্ত্রী মোর্শেদা আক্তার (৪০) মারধরের পরে ধর্ষণের অভিযোগের শিকার হয়েছেন। পরে জানানো হয়েছে যে, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে।
এটি ঘটেছে মির্জাপুর উপজেলার তরফপুর ইউনিয়নের দরানীপাড়া গ্রামে। হাসপাতালে শুয়োজায় মোর্শেদা বেগম ধর্ষণের ঘটনার বিস্তারিত তার স্বজনদের জানিয়ে দেন। তার দেওয়া স্বীকারোক্তির ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়াতে শুরু করে।
পুলিশ এবং এলাকার লোকজনের সূত্র অনুযায়ী, তরফপুর ইউনিয়নের দরানীপাড়া গ্রামের সাইদুল ইসলাম এবং তোতা মিয়ার ছেলে আরিফ মিয়া মালয়েশিয়া প্রবাসী। সম্প্রতি আরিফ ছুটিতে বাড়ি আসেন। ২২ জুলাই বুধবার রাতে সাইদুলের বাড়িতে গিয়ে আরিফ মোর্শেদা বেগমকে কুপ্রস্তাব দেন। মোর্শেদা রাজি না হওয়ায় আরিফ তাকে বেধম মারধর করে। এক পর্যায়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে এবং মোর্শেদা রক্তাক্ত অবস্থায় অস্বস্তিতে ভুগতে থাকে। খবর পেয়ে কালিয়াকৈরে তার নানা বাড়ি থেকে বড় ছেলে মাহিম এসে অসুস্থ মাকে কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সেখান থেকে রেফার করে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। এখানেও চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার রাতে তার মৃত্যু ঘটে।
আরও পড়ুন: নেছারাবাদের সমুদয়কাঠী ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা মনিরের
এ দিকে, মোর্শেদা বেগম হাসপাতালের বেডে শুয়ে স্বজনদের ঘটনাটি জানানোর সময় তাঁর স্বীকারোক্তির ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং এটি ভাইরাল হয়ে যায়।
মোর্শেদাকে ধর্ষণের খবর শোনার পর স্বামী সাইদুল ইসলাম শুক্রবার দেশে ফেরেন এবং আরিফকে অভিযুক্ত করে থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত আরিফ পলাতক রয়েছেন।
শনিবার বিকেলে বাঁশতৈল ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মো. মিজানুর রহমান ও উপপরিদর্শক আতাউর রহমান ঘটনাস্থলে গিয়ে সরেজমিন তদন্ত করেন। বাঁশতৈল ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) আতাউর রহমান জানান, ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মোর্শেদা মারা গেছেন। বলেন যে, মরদেহ বাবার বাড়ি কালিয়াকৈরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তার স্বামী সাইদুল ইসলাম শুক্রবার ছুটিতে বাড়ি এসে আরিফকে অভিযুক্ত করে অভিযোগ দায়ের করেছেন। এই বিষয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
আরও পড়ুন: মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে বিএনপির পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন