ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

৫২ হাজার কোটি রুপির অত্যাধুনিক অস্ত্র কিনছে ভারত


৫২ হাজার কোটি রুপির অত্যাধুনিক অস্ত্র কিনছে ভারত

সশস্ত্র বাহিনীর জন্য আধুনিক প্রযুক্তিতে তৈরি এবং অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কিনতে ভারত ৫২ হাজার কোটি টাকা সমমূল্যের বেশ কয়েকটি সামরিক সরঞ্জাম ক্রয়ের জন্য সম্মতি দিয়েছে ভারতের প্রতিরক্ষা অধিগ্রহণ পরিষদ (ডিএসি)।

মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুসারে, স্থলবাহিনীর জন্য অনুমোদিত সরঞ্জামের মধ্যে রয়েছে ‘আকাশ তরঙ্গ’ অ্যান্টি-ড্রোন ইলেকট্রনিক যুদ্ধব্যবস্থা, ম্যান-পোর্টেবল অ্যান্টি-ট্যাংক গাইডেড মিসাইল (এমপিএটিজিএম), মিডিয়াম রেঞ্জ সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল (এমআরএসএএম), ভেরি শর্ট রেঞ্জ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম (ভি-শোরাডস), ট্যাংকের অ্যাকটিভ প্রোটেকশন সিস্টেম এবং জেটচালিত কামিকাজে ড্রোন।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘আকাশ তরঙ্গ’ শত্রুপক্ষের ড্রোন হামলা প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এমপিএটিজিএম পদাতিক বাহিনীর ট্যাংকবিধ্বংসী সক্ষমতাকে বৃদ্ধি করবে। এমআরএসএএম মাঝারি পাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষা আরও শক্তিশালী করবে। বহুমাত্রিক সেন্সরসমৃদ্ধ ভি-শোরাডস শত্রুর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার মধ্যে কার্যকরভাবে লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত ও ধ্বংস করতে সক্ষম হবে। পাশাপাশি ট্যাংকের অ্যাকটিভ প্রোটেকশন সিস্টেম যুদ্ধক্ষেত্রে সুরক্ষা বৃদ্ধি করবে এবং কামিকাজে ড্রোন কম খরচে অধিক কার্যকর আঘাত হানার সক্ষমতা যোগাবে।

আরও পড়ুন: ঢামেকে ভুয়া চিকিৎসক মো. রাকিব আটক, থানায় হস্তান্তর

নৌবাহিনীর জন্য মাল্টি ইনফ্লুয়েন্স গ্রাউন্ড মাইন (এমআইজিএম), নৌযানভিত্তিক মানববিহীন আকাশযান ব্যবস্থা (এনএসইউএএস) এবং ইলেকট্রিক প্রপালশন সিস্টেমের জন্য একটি স্থলভিত্তিক পরীক্ষাকেন্দ্র স্থাপনেরও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, এমআইজিএম শত্রুপক্ষের নৌযান চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে সমুদ্রে প্রতিরোধ সক্ষমতা জোরদার করবে। এনএসইউএএস উন্নত সেন্সরের মাধ্যমে সামুদ্রিক নজরদারি ও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে। আর নতুন পরীক্ষাকেন্দ্র ভবিষ্যৎ যুদ্ধজাহাজের জন্য ইলেকট্রিক প্রপালশন প্রযুক্তির উন্নয়ন ও পরীক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করবে।

এ ছাড়া বিমানবাহিনীর জন্য ফিক্সড-উইং হাই অলটিটিউড সিউডো স্যাটেলাইট (এফডব্লিউ-হ্যাপস) প্ল্যাটফর্মসহ আরও কিছু প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে। দীর্ঘ সময় আকাশে অবস্থান করতে সক্ষম এই প্ল্যাটফর্ম গোয়েন্দা নজরদারি, তথ্য সংগ্রহ, টেলিযোগাযোগ এবং দূর অনুধাবন কার্যক্রমে ব্যবহার করা হবে। এতে বিমানবাহিনীর দীর্ঘস্থায়ী অভিযানের সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।

ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অভিপ্রায়, সর্বশেষ এই অনুমোদন দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নে নতুন গতি এনে দেবে। দেশীয় প্রযুক্তিনির্ভর এবং অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা যুক্ত হওয়ার ফলে স্থল, সমুদ্র ও আকাশ- তিন ক্ষেত্রেই ভারতের সামরিক প্রস্তুতি আরও শক্তিশালী করবে। সূত্র: দ্য হিন্দু

আরও পড়ুন: প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন দশম গ্রেডে উন্নীত করার তিন দাবি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শত্রুতা ভুলে কেন তুরস্কের দিকে ঝুঁকছে ফ্রান্স

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:২৩ পি.এম


শত্রুতা ভুলে কেন তুরস্কের দিকে ঝুঁকছে ফ্রান্স

দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক টানাপোড়েন পেছনে ফেলে ফ্রান্স এখন তুরস্কের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনের পথে এগোচ্ছে। ইউরোপের পরিবর্তিত নিরাপত্তা পরিস্থিতি, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এবং মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক বাস্তবতা সব মিলিয়ে প্যারিস এখন আঙ্কারাকে ভবিষ্যৎ ইউরোপীয় নিরাপত্তা কাঠামোর গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করছে।

পশ্চিমা একাধিক কূটনৈতিক সূত্রের বরাতে জানা গেছে, সিরিয়া, আর্মেনিয়া ও পূর্ব ভূমধ্যসাগর ইস্যুতে দীর্ঘদিনের মতপার্থক্যের পর দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বিষয়ে ইতিবাচক অগ্রগতি হচ্ছে। এক পশ্চিমা সূত্রের ভাষ্য, ইউরোপের নিরাপত্তা ব্যবস্থার অন্যতম ভিত্তি হিসেবে তুরস্ককে বিবেচনা করছে ফ্রান্স।

সম্প্রতি কায়রোতে গাজা শান্তি চুক্তি নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পেছনে দাঁড়ানোর পরিবর্তে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর প্রস্তাবে দর্শক সারিতে পক্ষান্তরে বসেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। পর্যবেক্ষকদের মতে, দীর্ঘদিনের বৈরিতার পর দুই নেতার এই উপস্থিতি সম্পর্কের পরিবর্তিত দৃষ্টিভঙ্গির প্রতীক।

মসজিদের ইমাম থেকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বদলে দিয়েছে হিসাব। ফরাসি নীতিনির্ধারকদের মতে, রাশিয়ার সঙ্গে তুরস্কের সম্পর্কের শীতলতা প্যারিসের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা। ২০২৩ সালের পর থেকে এরদোয়ান ও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠক হয়নি। পাশাপাশি মস্কোর ওপর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে আঙ্কারার সহযোগিতা এবং রাশিয়ার সঙ্গে বড় গ্যাস ক্রয়চুক্তি নবায়ন না করাও ফ্রান্স ইতিবাচকভাবে দেখছে।

ফ্রান্সের সাবেক রাষ্ট্রদূত জেরার আরোর মতে, ইউক্রেন যুদ্ধের শুরু থেকেই তুরস্ক এমন কৌশল অনুসরণ করেছে, যাতে প্রায় কারও সঙ্গে সরাসরি বিরোধে না জড়িয়ে কার্যত কিয়েভের পক্ষেই অবস্থান নিয়েছে। তার ভাষায়, যুক্তরাষ্ট্রের ওপর ইউরোপের নির্ভরতা কমে আসছে এবং রাশিয়ার চাপ মোকাবিলায় তুরস্ক গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হয়ে উঠতে পারে।

মধ্যপ্রাচ্যে বাড়ছে অভিন্ন স্বার্থ। সিরিয়ায় প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারাকে সমর্থন, লেবাননে শক্তিশালী কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রের পক্ষে অবস্থান এবং ইরান ইস্যুতে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান এসব ক্ষেত্রে ফ্রান্স ও তুরস্কের অবস্থানের মধ্যে উল্লেখযোগ্য মিল দেখা যাচ্ছে।

কূটনৈতিক সূত্রগুলোর দাবি, ইসরাইলের সঙ্গে তুরস্কের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা এবং লেবানন ইস্যুতে ফ্রান্স-ইসরাইল মতবিরোধও প্যারিস ও আঙ্কারার কৌশলগত সমন্বয়ের সুযোগ তৈরি করেছে।

শহীদ আবু সাঈদের স্মৃতি ভোলেননি তার বন্ধু ও সহযোদ্ধারা। প্রতিরক্ষা সহযোগিতায় নতুন সম্ভাবনা উন্মোচন হচ্ছে। দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হয়ে উঠছে প্রতিরক্ষা শিল্প। তুরস্ক ফ্রান্স-ইতালির যৌথ উদ্যোগে তৈরি এসএএমপি/টি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। রাজনৈতিক টানাপোড়েন ও যৌথ উৎপাদন নিয়ে মতবিরোধের কারণে এতদিন এই চুক্তি আটকে থাকলেও এখন তা পুনর্বিবেচনা করছে প্যারিস।

ফরাসি প্রতিরক্ষা খাতের প্রতিষ্ঠান সাফরান এবং তুরস্কের শীর্ষ ড্রোন নির্মাতা বাইরাক্তার সম্প্রতি কৌশলগত অংশীদারত্বে পৌঁছেছে। এই চুক্তির আওতায় ড্রোন প্রযুক্তি, অপট্রনিক সেন্সর, নেভিগেশন ব্যবস্থা এবং গাইডেড অস্ত্র প্রযুক্তি যৌথভাবে উন্নয়নের পরিকল্পনা রয়েছে। এর ফলে বাইরাক্তার টিবি-২ ড্রোনে সাফরানের ইউরোফ্লির ইলেকট্রো-অপটিক্যাল সিস্টেম সংযুক্ত হবে।

এছাড়া ড্রোন ও হেলিকপ্টার প্রযুক্তিতে যৌথ সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়টি বিবেচনা করছে ফ্রান্স। গত বছর তুরস্কের প্রতিরক্ষা রপ্তানি ১০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছায়, যা দেশটির প্রতিরক্ষা শিল্পের দ্রুত উত্থানের প্রমাণ।

তবে সম্পর্ক উন্নয়নের পথে এখনো বেশ কিছু জটিলতা রয়েছে। ফরাসি গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইএফআরআইর বিশ্লেষকদের মতে, ফ্রান্স মনে করে তুরস্ক ক্রমেই কর্তৃত্ববাদী রাজনৈতিক পথে এগোচ্ছে এবং আঙ্কারার পররাষ্ট্রনীতি অনেক ক্ষেত্রে ইউরোপীয় স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত কলকারখানা দ্রুত চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর। এছাড়া আর্মেনিয়ার সঙ্গে সীমান্ত খুলে দেওয়া, তুরস্কে ফরাসি দূতাবাস পরিচালিত বিদ্যালয় নিয়ে বিরোধ এবং পূর্ব ভূমধ্যসাগরে গ্রিস-তুরস্ক উত্তেজনাও দুই দেশের সম্পর্কের বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে।

ফ্রান্সের সঙ্গে গ্রিসের প্রতিরক্ষা চুক্তি এবং গ্রিসের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ম্যাক্রোঁর প্রকাশ্য অবস্থান নিয়েও আঙ্কারার অসন্তোষ রয়েছে। তবে তুর্কি কর্মকর্তাদের দাবি, তুরস্ক কখনোই গ্রিসে হামলার পরিকল্পনা করেনি এবং ফরাসি অবস্থান মূলত এথেন্সের কাছে আরও অস্ত্র বিক্রির কূটনৈতিক কৌশল।

অনিশ্চয়তার আরেক কারণ ম্যাক্রোঁর বিদায়। আগামী বছরের এপ্রিলে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ম্যাক্রোঁর মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা। ফলে তার উত্তরসূরি বিশেষ করে ডানপন্থী নেতা মারিন লে পেন বা জর্দান বারদেলা ক্ষমতায় এলে ফ্রান্সের তুরস্কনীতি পরিবর্তিত হতে পারে। তবে কূটনৈতিক সূত্রগুলোর দাবি, সম্ভাব্য রাজনৈতিক পরিবর্তনের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে তুর্কিরা ইতোমধ্যে ফ্রান্সের বিভিন্ন রাজনৈতিক শক্তির সঙ্গেও যোগাযোগ বজায় রাখছে।

বিশ্লেষকদের মতে, অতীতের মতবিরোধ পুরোপুরি কাটিয়ে উঠতে সময় লাগলেও ইউরোপের নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক ভূরাজনীতির নতুন বাস্তবতা ফ্রান্স-তুরস্ক সম্পর্ককে একটি নতুন কৌশলগত পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারে।

সূত্র: মিডলইস্ট আই

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
জুলাই জাতীয় সম্মেলন-২০২৬

জুলাই অভ্যুত্থানে কওমি শিক্ষার্থীদের ভূমিকার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:২৫ পি.এম


জুলাই অভ্যুত্থানে কওমি শিক্ষার্থীদের ভূমিকার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দাবি

২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে কওমি মাদরাসার শিক্ষার্থীদের যে ভূমিকা ছিল, তার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবি করেছেন বাংলাদেশ কওমি ছাত্র ফোরামের সভাপতি মাওলানা জামিল সিদ্দিকী।

শনিবার, রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত 'জুলাই জাতীয় সম্মেলন-২০২৬'-এ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে বক্তৃতা দিতে গিয়ে জামিল সিদ্দিকী এই দাবি জানান।

এসময় তিনি বলেন, জুলাইয়ের মাঝামাঝিতে কওমি মাদরাসার ছাত্ররা অভ্যুত্থানে সরাসরি সম্পৃক্ত হয় এবং উত্তাল সেই সময়ে বিপদগ্রস্ত অনেক আন্দোলনকারীকেও মসজিদ-মাদরাসায় আশ্রয় দিয়েছেন তারা।

মাওলানা জামিল সিদ্দিকী জানালেন, তাদের সংগঠন সে সময় আন্দোলনে আহত অনেকের জন্য খাবার ও স্বাস্থ্যসেবারও ব্যবস্থা করেছে।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী পয়েন্টে আন্দোলনে অংশ নিয়ে যাত্রাবাড়ী মাদরাসার অনেক ছাত্র আহত হয়েছেন বলে জানালেন জামিল সিদ্দিকী। তিনি বলেন, 'তরুণ আলেম প্রজন্ম' ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে শহীদদের যে তালিকা প্রকাশ করেছে, সেখানে অন্তত ৭৯ জন মাদরাসার ছাত্রের নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর কাছে জুলাই অভ্যুত্থানে কওমি ছাত্রদের এসব অবদানের কথা তুলে ধরে তিনি এর রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবি করেন। তিনি বলেন, 'এই সম্মেলন থেকে আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আহ্বান জানাব যে, এই বৈষম্যহীন বাংলাদেশে কওমি ছাত্রদেরকেও গুরুত্ব দেয়া হোক এবং তাদের যে ভূমিকা ছিল, সেটার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেয়া হোক। আর প্রত্যেকটা জায়গায় তাদেরকে সমানভাবে মূল্যায়ন করা হোক।'

প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অবিলম্বে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে: নেজামে ইসলাম পার্টি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:২৮ পি.এম


অবিলম্বে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে: নেজামে ইসলাম পার্টি

বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির নেতারা জুলাই সনদ কার্যকর বাস্তবায়নের দাবি অবিলম্বে করেছেন। তাদের মতে, জাতীয় ঐকমত্য, গণতান্ত্রিক সংস্কার, সুশাসন, ন্যায়বিচার এবং জনগণের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় জুলাই সনদের কার্যকর বাস্তবায়ন অপরিহার্য।

শনিবার, রাজধানীর পল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পার্টির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম মজলিসে শূরার অধিবেশনে বক্তারা এসব বক্তব্য প্রকাশ করেন। এটি পার্টির আমির (ভারপ্রাপ্ত) আল্লামা আবদুল কাইয়ুম সুবহানীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় এবং সঞ্চালনা করেন মহাসচিব মাওলানা মূসা বিন ইযহার।

অধিবেশনে বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে গিয়ে শূরা সদস্যরা অবিলম্বে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবি করেছেন।

সভায় বক্তারা ফ্যাসিবাদী অপশক্তি ও তাদের দোসরদের পুনরায় সক্রিয় হওয়ার বিভিন্ন প্রচেষ্টায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

তারা বলেছেন, অতীতের দুঃশাসন ও দমন-পীড়নের রাজনীতি যাতে আবার ফিরে আসতে না পারে, সেই লক্ষ্যে জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ় করা প্রয়োজন এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

মজলিসে শূরা দেশের বিভিন্ন স্থানে ইসলামপন্থী রাজনৈতিক নেতা-কর্মী, আলেম-উলামা ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের বিরুদ্ধে হয়রানি ও বৈষম্যমূলক আচরণের ঘটনায় তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। সভায় সব রাজনৈতিক দলের জন্য সমান সুযোগ, ন্যায়সঙ্গত আচরণ এবং সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।

সভায় বক্তারা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি, জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয় এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তারা বাজারে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, অসাধু সিন্ডিকেট ও মজুতদারির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নিম্ন ও মধ্যআয়ের মানুষের স্বস্তি নিশ্চিত করার জন্য কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।

এছাড়াও এতে আরো উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা আব্দুল মাজেদ আতহারী, নায়েবে আমির মাওলানা মুখলিসুর রহমান কাসেমী, যুগ্মমহাসচিব মাওলানা মুস্তাফিজুর রহমান মাহমুদী, ডা. মাওলানা মুহাম্মদ ইলিয়াস, সহকারী অর্থসচিব মাওলানা আনোয়ারুল কবির, সংগঠন সচিব মাওলানা আবু তাহের খান, সহকারী সংগঠন সচিব মাওলানা এনামুল হক কুতুবী, সমাজকল্যাণ সচিব মাওলানা এরশাদ বিন জালাল ও বাণিজ্য সচিব শাকিরুল হক খান।

এছাড়াও, মজলিসে শূরা পার্টির সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে আলাপ আলোচনা করে, তৃণমূলে প্রশিক্ষণ ও দাওয়াতি কার্যক্রম সম্প্রসারণের সঙ্গে জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড জোরদার করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নারায়ণগঞ্জের গলাচিপায় মাদক-সন্ত্রাসবিরোধী সম্মেলন, যৌথ অভিযান ও পুনর্বাসনের আশ্বাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ নাজির খান, নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি,

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৩০ পি.এম


নারায়ণগঞ্জের গলাচিপায় মাদক-সন্ত্রাসবিরোধী সম্মেলন, যৌথ অভিযান ও পুনর্বাসনের আশ্বাস

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার গলাচিপা রুপার ময়বাড়ি এলাকায় মাদক, সন্ত্রাস ও সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্যোগে একতা, সততা, শৃঙ্খলা ও দায়িত্ববোধের আহ্বানে প্রতিবেশী নিরাপত্তা কমিটি (প্রনিক) কর্তৃক আয়োজিত 'গলাচিপা সম্মেলন, জুলাই-২০২৬' এ উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলার জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোঃ রায়হান কবির।

সম্মেলনে নারায়ণগঞ্জ জেলার জেলা প্রশাসক মো: রায়হান কবির বলেন, গলাচিপাবাসীর ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগ প্রশংসনীয়। মাদক নির্মূলে পুলিশ, র‍্যাব ও বিজিবিকে সঙ্গে নিয়ে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হবে। তিনি এলাকায় একটি খেলার মাঠ, একটি লাইব্রেরি এবং খাসজমি থাকলে জনকল্যাণে বরাদ্দ দেওয়ার বিষয়েও আশ্বাস দেন। এ ধরনের উদ্যোগ দেশব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়ারও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসন, পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, সিটি করপোরেশন ও রাজনৈতিক নেতারা অংশ নিয়ে মাদক নির্মূলে সমন্বিত উদ্যোগ, যৌথ অভিযান এবং মাদকাসক্তদের পুনর্বাসনের ওপর আলোচনা করেন।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন- পুলিশ সুপার, নারায়ণগঞ্জ; প্রশাসক, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন; প্রশাসক, জেলা পরিষদ, নারায়ণগঞ্জ; চেয়ারম্যান, নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ; সিও, ৬২ বিজিবি ব্যাটেলিয়ন, নারায়ণগঞ্জ; সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ; বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ; আয়োজক কমিটিসহ এলাকার জনসাধারণ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%