ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

১২ বছরে ১১৭ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার


১২ বছরে ১১৭ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

সরকার দেশে গ্যাসের চাহিদা পূরণের জন্য চারটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে এলএনজি কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর মধ্যে, সরকার থেকে সরকার ভিত্তিতে চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিষ্ঠান থেকে ১২ বছরে ১১৭ কার্গো এলএনজি কেনা হবে। বাকি তিন প্রতিষ্ঠান থেকে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে ছয় কার্গো এলএনজি কেনা হবে।

এ বিষয়ে বুধবার অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে প্রস্তাবগুলো উপস্থাপন করা হয় এবং সেগুলো অনুমোদন করা হয়।

বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যের ব্ল্যাককিউব ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের কাছ থেকে দুই কার্গো এলএনজি প্রতি এমএমবিটিইউ ১৫ দশমিক ৫০ মার্কিন ডলার দরে কেনা হবে। ওমানের ম্যাক্সওয়েল ইন্টারন্যাশনাল এসপিসির কাছ থেকেও দুই কার্গো এলএনজি প্রতি এমএমবিটিইউ শূন্য দশমিক ৫৪ মার্কিন ডলার যোগ করে কিনতে হবে।

আরও পড়ুন: কসবায় ৯ রাউন্ড চাইনিজ গুলিসহ যুবক মো. শামিম আটক

এছাড়া, হংকংয়ের ঝেনইউ শিপিং কোম্পানি লিমিটেডের কাছ থেকে ২০২৬ সালে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে দুই কার্গো এলএনজি কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে ও এগুলোর দাম প্রতি এমএমবিটিইউ ১৪ দশমিক ৯৫ মার্কিন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।

সরকার থেকে সরকার ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের গানভর ইউএসএ এলএলসির কাছ থেকে ২০২৬ সাল থেকে ২০৩৮ সাল পর্যন্ত মোট ১১৭ কার্গো এলএনজি কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। এই চুক্তির আওতায় ২০২৬ সালে পাঁচ কার্গো, ২০২৭ সালে ছয় কার্গো এবং ২০২৮ সালে তিন কার্গো এলএনজি কিনতে হবে। এগুলো জেকে এম সূচকের সঙ্গে প্রতি এমএমবিটিইউ শূন্য দশমিক শূন্য ৮৭৫ মার্কিন ডলার जोड़ করে কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া, ২০২৮ সালে আরও তিন কার্গো এবং ২০২৯ থেকে ২০৩৮ সালের মধ্যে প্রতিবছর ১০ কার্গো করে এলএনজি কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এসব এলএনজির মূল্য নির্ধারণ করা হবে ১২১ শতাংশ এইচএইচ সূচকের সঙ্গে ৫ দশমিক ২০ মার্কিন ডলার যোগ করে।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকে বৈঠকে জানানো হয় যে, আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা এবং যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দেশে জ্বালানির নিরাপদ সরবরাহ নিশ্চিত করা অত্যাবশ্যক হয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতির কারণে স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি উভয় ব্যবস্থায় এলএনজি সংগ্রহের মাধ্যমে গ্যাসের চাহিদা পূরণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন: সৌদি রুটে ১৪৪ ফ্লাইট স্থগিত, ২২ হাজার যাত্রী ভোগান্তিতে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ অ-২৩ দলের কাছে পাত্তাই পেল না মালয়েশিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:২১ পি.এম


বাংলাদেশ অ-২৩ দলের কাছে পাত্তাই পেল না মালয়েশিয়া

মালয়েশিয়া জাতীয় দল বাংলাদেশের অ-২৩ দলের কাছে পাত্তাই পেল না। তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটিতে তারা ১৫৩ রানের একটি অনায়াস পরাজয়ের মধ্য দিয়ে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে গেল। আজ বুধবার (১২ আগস্ট) বসুন্ধরা স্পোর্টস কমপ্লেক্সে বাংলাদেশ অ-২৩ দল আগে ব্যাট করতে নেমে ৯ উইকেটে ২৯০ রান সংগ্রহ করে।

মালয়েশিয়া ম্যাচে ১৩৭ রানে গুটিয়ে যায়। বাংলাদেশের দুই ওপেনার জাওয়াদ আবরার এবং ইকবাল হোসেন সুবিধা হতেও পারলেন না। ইকবাল কোনো রান করতে পারেননি এবং জাওয়াদ ৫ রান করেন। তিনে ব্যাটিং করতে নামা কালাম সিদ্দিকী শুরুর বিপর্যয় থেকে দলকে উদ্ধারের চেষ্টা করেন, তিনি ৫৬ বলে ৩৪ রান করেন। পাশাপাশি শাহরিয়ার সাকিব ২১ রান করেন।

বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ দলের বড় সংগ্রহ গঠনে আবদুল্লাহ ও পিয়ানের জুটির ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। আবদুল্লাহ অসাধারণ খেলায় ফিফটি স্কোর করেন এবং তাঁর সঙ্গে যোগ দেন আহরার আমিন পিয়ান। দুজনই দুর্দান্ত ব্যাটিং করে দলের স্কোরকে বাড়িয়ে তোলেন। পিয়ানও ফিফটি পান।

আবদুল্লাহ সেঞ্চুরির খুব কাছে গিয়ে ১০০ বলে ৯৪ রান করে আউট হন এবং পিয়ান করেন ৬১ রান। শেষ দিকে শেখ পারভেজ জীবন ঝড় তোলেন, ১৮ বলে ৩৫ রানের ক্যামিও আসে তাঁর ব্যাট থেকে। মালয়esian দলের হয়ে আরিফ উল্লাহ ৪ উইকেট শিকার করেন, বিজয় উনি নেন ২ উইকেট।

মালয়েশিয়া লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে শুরু থেকেই চাপের মধ্যে পড়ে। বাংলাদেশের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে সফরকারীরা নিয়মিত একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে। আহমেদ জুবাইদি ছাড়া আর কেউ তেমন রান করতে পারেননি। জুবাইদি ৬৬ বলে ৪২ রান করেন। জীবন এবং মারুফ মৃধা মিলে মালয়েশিয়ার ব্যাটিং লাইন আপকে গুঁড়িয়ে দেন। তারা ১৩৭ রানে অলআউট হয়।

জীবন ৫ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরাও নির্বাচিত হন। বাংলাদেশের হয়ে ১৬ রানে ৫ উইকেট শিকার করেন শেখ পারভেজ জীবন। মারুফ মৃধা ও স্বাধীন ইসলাম ২টি করে উইকেট নেন। পরের ম্যাচ আগামী শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বসুন্ধরা স্পোর্টস কমপ্লেক্সেই হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড কৃষি ও খাদ্য বাণিজ্য সহযোগিতা জোরদারে নতুন সম্ভাবনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:২৩ পি.এম


বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড কৃষি ও খাদ্য বাণিজ্য সহযোগিতা জোরদারে নতুন সম্ভাবনা

ঢাকা, ১২ আগস্ট, ২০২৬: কৃষি, খাদ্য নিরাপত্তা, প্রযুক্তি বিনিময় এবং বাণিজ্য সম্প্রসারণে বাংলাদেশের সঙ্গে নিউজিল্যান্ডের মধ্যে সহযোগিতা জোরদারের নতুন সম্ভাবনার উন্মেষ ঘটেছে। এ বিষয়ে আজ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বুধবার নিউজিল্যান্ডের ওয়েলিংটনে মিনিস্ট্রি ফর প্রাইমারি ইন্ডাস্ট্রিজের (এমপিআই) সঙ্গে বাংলাদেশের একটি বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ সম্ভাবনার কথা জানানো হয়।

বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান খান। অন্যদিকে, নিউজিল্যান্ডের পক্ষে এমপিআইয়ের দ্বিপাক্ষিক এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিষয়ক প্রধান ডায়না রেইচ প্রতিনিধিত্ব করছেন।

বৈঠকে কৃষি ও খাদ্যপণ্যের মধ্যে বাণিজ্য বাড়ানোর পাশাপাশি কৃষি প্রযুক্তি, দুগ্ধ শিল্প, কোল্ড চেইন ব্যবস্থাপনা এবং কৃষিভিত্তিক প্রক্রিয়াজাত শিল্পে যৌথ বিনিয়োগের সুযোগ নিয়ে আলোচনাও হয়।

বাংলাদেশের পক্ষ থেকে নিউজিল্যান্ডের উন্নত বায়োসিকিউরিটি ব্যবস্থা, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে কৃষিপণ্য রপ্তানি ব্যবস্থাপনার প্রশংসা করা হয়। পাশাপাশি, বাংলাদেশের কৃষি উন্নয়ন, খাদ্য নিরাপত্তা এবং বৃহৎ ভোক্তা বাজারের বিষয়টি তুলে ধরে দুই দেশের মধ্যে আরও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

বৈঠকে, বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং বৃহৎ ভোক্তা বাজারকে কাজে লাগিয়ে নিউজিল্যান্ডের কৃষি ও খাদ্য প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানানো হয়।

এছাড়া, বাংলাদেশ থেকে কৃষিপণ্য, তাজা ফল এবং প্রক্রিয়াজাত খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের নিউজিল্যান্ডের বাজারে প্রবেশ সহজ করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়। এ ক্ষেত্রে আমদানি স্বাস্থ্যমান (আইএইচএস), স্যানিটারি ও ফাইটোস্যানিটারি (এসপিএস) ব্যবস্থা, পণ্যের মানের পারস্পরিক স্বীকৃতি এবং সংশ্লিষ্টদের সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

বাংলাদেশে উন্নত খাদ্য পরীক্ষাগার স্থাপন, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি, কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ পরীক্ষা, বাণিজ্য প্রতিবন্ধকতা দূরীকরণ এবং ইলেকট্রনিক ফাইটোস্যানিটারি সার্টিফিকেশন (ই-ফাইটো) ব্যবস্থা চালুর ক্ষেত্রে নিউজিল্যান্ডের কারিগরি সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।

বৈঠকে, বাংলাদেশ নিউজিল্যান্ড মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে আলোচনার সম্ভাবনার প্রেক্ষাপটে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো আরও সুসংগঠিত করার বিষয়েও আলোচনা করা হয়।

এ সময় বাংলাদেশ রিজিওনাল কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ (আরসিইপি)-এ যোগদানের ক্ষেত্রে নিউজিল্যান্ডের সমর্থন কামনা করে। এছাড়া, স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণ প্রক্রিয়া নির্বিঘ্ন করতে উত্তরণ-পরবর্তী ট্রানজিশন সময়সীমা আরও তিন বছর বাড়ানোর বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়।

দুই দেশের ব্যবসায়িক ফোরাম প্রতিষ্ঠা, সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে টেকনিক্যাল ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন, যোগাযোগের জন্য নির্দিষ্ট ফোকাল পয়েন্ট নির্ধারণ এবং নিয়মিত তথ্য বিনিময়ের প্রস্তাবও ছিল আলোচনা সাপেক্ষে।

বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল আশাবাদ প্রকাশ করে, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দুই দেশের কৃষি, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদার হবে এবং পারস্পরিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেত্রকোণায় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভাষা-সংস্কৃতি চর্চাবিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:২৫ পি.এম


নেত্রকোণায় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভাষা-সংস্কৃতি চর্চাবিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

নেত্রকোণা, ১২ আগস্ট, ২০২৬ : বিলুপ্তপ্রায় ভাষা ও সংস্কৃতি সংরক্ষণ এবং সেগুলোর চর্চা বাড়ানোর লক্ষ্যে নেত্রকোণায় ‘ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি চর্চা’ শীর্ষক একটি দিনব্যাপী কর্মশালা আয়োজন করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট (আমাই) এর উদ্যোগে আজ বুধবার দুর্গাপুর উপজেলার বিরিশিরি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমির মিলনায়তনে কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মশালার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন নেত্রকোণার জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান, যিনি প্রধান অতিথি। প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভাষা একটি যোগাযোগের মাধ্যম হতে পারে, কিন্তু এটি তাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং স্বকীয় পরিচয়ের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। সুতরাং, গারো সম্প্রদায়সহ নেত্রকোণা এবং বৃহত্তর ময়মনসিংহের বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভাষা সংরক্ষণ ও চর্চার প্রতি আরও বেশি গুরুত্ব দিতে হবে।

তিনি নিয়মিত সেমিনার, কর্মশালা এবং গবেষণামূলক কার্যক্রম চালানোর ওপর জোর দেন। একইসঙ্গে, তিনি বলেন যে এসব আয়োজনে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রতিনিধি, সমাজের প্রবীণ ব্যক্তিত্ব, গবেষক এবং তরুণ প্রজন্মকে ব্যাপকভাবে অংশগ্রহণ করতে হবে।

জেলা প্রশাসক প্রতিটি মানুষের কাছে নিজ নিজ মাতৃভাষার চর্চা বাড়ানো এবং ভাষাগুলোকে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে সংরক্ষণ ও হস্তান্তরের উপর বিপুল গুরুত্বারোপ করেন।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আসাদুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্যে ইনস্টিটিউটের অতিরিক্ত পরিচালক আবুল কালাম বলেন।

কর্মশালা চলাকালীন, মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক বাঁধন আরেং এবং তর্পন ঘাগ্রা। তাদের প্রবন্ধে জানানো হয়, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের গবেষণার তথ্য অনুযায়ী দেশে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অন্তত ৪০টি ভাষা স্বীকৃত হলেও এর মধ্যে ১৪টি ভাষা বর্তমানে ‘বিপন্ন’ বা বিলুপ্তির ঝুঁকিতে রয়েছে।

প্রবন্ধে বলা হয়, ভাষা পরিবারভিত্তিক বিশ্লেষণে এসব ভাষার মধ্যে ১৫টি চীনা-তিব্বতী, ১১টি ইন্দো-ইউরোপীয়, ৯টি অস্ট্রো-এশিয়াটিক এবং ৫টি দ্রাবিড় ভাষার অন্তর্ভুক্ত।

কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বিরিশিরি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমির পরিচালক অঞ্জন কুমার চিছাম, নেত্রকোণার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মুন মুন জাহান লিজা এবং দুর্গাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আহমেদ সাদাত। মুক্ত আলোচনা পর্বে স্থানীয় শিক্ষক, প্রভাষক, সাংবাদিক, সুশীল সমাজ ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রতিনিধিবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

আলোচকদের মন্তব্য, মাতৃভাষা প্রতিটি মানুষের কাছে মাতৃদুগ্ধের মতো এবং একটি জাতির আত্মপরিচয় এবং প্রাণের স্পন্দন ভাষার মধ্যেই লুকিয়ে থাকে। ভাষা হারিয়ে গেলে সেই সংস্কৃতির অস্তিত্বও বিপন্ন হয়ে পড়ে।

তারা আরও বলেন, সরকার সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, ইতোমধ্যে বিপন্ন ভাষা রক্ষায় পার্বত্য চট্টগ্রামের পাশাপাশি সমতলেও নিজস্ব মাতৃভাষায় প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার কার্যক্রম সম্প্রসারণ করেছে। এর অংশ হিসেবে চলতি শিক্ষাবর্ষে গারো সম্প্রদায়ের শিশুদের ‘আচিক’ ভাষা এবং হাজং সম্প্রদায়ের শিশুদের মাঝে তাদের নিজ ভাষার পাঠ্যপুস্তক বিতরণ করা হয়েছে।

বক্তাগণ জোর দিয়ে বলেন, সরকারি উদ্যোগ যথেষ্ট নয়; বিলুপ্তপ্রায় ভাষাকে টিকিয়ে রাখতে নিজ নিজ সম্প্রদায়ের ধারক-বাহকসহ সমাজের সকলস্তরের মানুষকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে এগিয়ে আসতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মবার্ষিকী আজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:২৫ পি.এম


আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মবার্ষিকী আজ

আজ, বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬ তারিখে, আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মদিন।

তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ ছেলে।

১৯৬৯ সালের ১২ আগস্ট তিনি জন্মগ্রহণ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকো।

জন্মদিন উপলক্ষে আজ বুধবার (১২ আগস্ট) বিএনপির নেতাকর্মীরা বনানী কবরস্থানে তার কবরের জিয়ারত ও শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন।

এছাড়া নয়াপল্টনের বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তার স্মরণে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।

বিকেল সাড়ে ৫টায় মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের (এসবিএনসিএস) মিডিয়া সেন্টারে তার জন্য দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এক বিবৃতির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

নিজের ব্যক্তিগত জীবনে আরাফাত রহমান কোকো ছিলেন অত্যন্ত সাধারণ ও অন্তর্মুখী স্বভাবের।

পরিবারের রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে তিনি আলোচনায় থাকলেও তিনি সব সময় প্রচারের আলো থেকে নিজেকে দূরে রাখতেন। কিন্তু বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে তার ভূমিকা ছিল অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য।

২০০২ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

সেই সময়ে ক্রিকেটকে রাজনীতির প্রভাবমুক্ত রাখা এবং দেশের ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভূমিকা রেখেছিলেন।

ক্রীড়া সংগঠক হিসেবে তার অবদান দেশের ক্রীড়াঙ্গনে আজও স্মরণ করা হয়।

আরাফাত রহমান কোকো ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মালয়েশিয়ায় মারা যান।

তিনি স্ত্রী শর্মিলা রহমান এবং দুই কন্যা জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমানকে রেখে গেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%